ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পেলেন নতুন উপাচার্যরা


চার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পেলেন নতুন উপাচার্যরা

বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি পাবলিক প্রতিষ্ঠানে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার। নতুন পদ পেয়েছে উপাচার্যরা পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় এবং লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সোমবার (৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এই সংক্রান্ত আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কৃষি অনুষদের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক এস এম হেমায়েত জাহান। তিনি এর আগে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। বর্তমান উপাচার্য কাজী রফিকুল ইসলামকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে মূল পদে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদায়ী উপাচার্য মো. শহিদুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে মূল কর্মস্থলে যোগদানের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক তাহমিনা আখতার। শিক্ষাসংক্রান্ত বিষয়ে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক এস এম হাসান তালুকদারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে মূল পদে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ হানিফ। তিনি নবপ্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এর আগে তিনি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে কাজ করেছেন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই চার উপাচার্যের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪৭ বছর পর লাক্ষাদ্বীপে মদের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ এম


৪৭ বছর পর লাক্ষাদ্বীপে মদের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল ভারত

ভারতের অন্যতম দ্বীপপুঞ্জ লাক্ষাদ্বীপে ৪৭ বছর পর মদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা বাতিল করা হচ্ছে। শুক্রবার (৫ জুন) একটি সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক ‘লাক্ষাদ্বীপ মদ্যপান-নিষেধাজ্ঞা আইন’ কার্যকরীভাবে সরানো হয়েছে।

লাক্ষাদ্বীপের মোট জনসংখ্যার মধ্যে ৯৭ শতাংশ মুসলিম ধর্মাবলম্বী। ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিনীতির কারণে ১৯৭৯ সাল থেকে এখানে মদ বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল। ভারতের গুজরাট ও বিহার অঞ্চলে যেখানে মদ নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে, লাক্ষাদ্বীপ তাতেও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এবার থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত দোকানের মাধ্যমে কঠোর নিয়ন্ত্রণে এখানে মদ কেনাবেচা সম্ভব হবে।

নতুন নিয়মের পরিবর্তনের মূল কারণ হলো লাক্ষাদ্বীপকে একটি বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, মদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার ফলে প্রতিবেশী দেশ মালদ্বীপের তুলনায় লাক্ষাদ্বীপ পর্যটকদের কাছে একটু পিছিয়ে পড়ছিল। কারণ মালদ্বীপসহ কিছু মুসলিম দেশগুলোর নির্দিষ্ট পর্যটন এলাকায় মদ পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লাক্ষাদ্বীপ সফরের পর এই দ্বীপে পর্যটকদের আগমন রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

২০২০ সালে সেখানে মাত্র ৩,৮৭৫ জন পর্যটক এসেছিলেন, কিন্তু ২০২৪ সালে তা দাঁড়িয়েছে ৬৮,৩২৮ জনে। পর্যটকদের এই প্রবল আগ্রহকে কাজে লাগাতে কেন্দ্র সরকার মদের নিয়ম শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও লাক্ষাদ্বীপে মদের বাজার সবার জন্য খোলা হবে না। প্রশাসন কিছু নিয়ম ও ট্যাক্স চালু করেছে এবং ২১ বছরের নিচের কাউকে মদ বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে।

এছাড়া লাক্ষাদ্বীপের প্রশাসক কোনো সময়ে মদ কেনাবেচার ওপর সীমা নির্ধারণ বা পুনরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবেন। লাক্ষাদ্বীপের প্রশাসক প্রফুল খোদা প্যাটেল ২০২০ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ২০২১ ও ২০২৩ সালে এই সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাব সংবাদে এসেছে। কিন্তু স্থানীয় রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনগুলো বরাবরই এর বিরোধিতা করে আসছে। তাদের আশঙ্কা, মদের সহজলভ্যতা বৃদ্ধির ফলে দ্বীপে অপরাধ, আসক্তি এবং সামাজিক শান্তি বিনষ্ট হতে পারে।

লাক্ষাদ্বীপের ৩৬টি দ্বীপের মধ্যে মাত্র ১০টিতে বসবাস রয়েছে। এখানকার অধিকাংশ জনগণ মুসলিম এবং তারা প্রধানত তফসিলি উপজাতির সদস্য। তবে কেন্দ্র সরকার মনে করে, জম্মু-কাশ্মীর কিংবা মালদ্বীপের মতো মুসলিম প্রধান অঞ্চলগুলোর সঙ্গে তুলনা করে, লাক্ষাদ্বীপেও কঠোর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পর্যটন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং স্থানীয় সংস্কৃতির ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিলকে ৭ গোলের বেশি বা সমান ব্যবধানে হারিয়েছে যেসব দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ এম


ব্রাজিলকে ৭ গোলের বেশি বা সমান ব্যবধানে হারিয়েছে যেসব দল

ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিলকে সাধারণত দুর্ভেদ্য রক্ষণ ও বড় ব্যবধানে হার এড়াতে পারা এক পরাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়া প্রতিপক্ষের সংখ্যা খুবই কম। তবে দীর্ঘ ফুটবল ইতিহাসে এমন এক অস্বাভাবিক বাস্তবতাও বিদ্যমান। মাত্র দুটি দেশ ব্রাজিলের জালে এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল দিতে সক্ষম হয়েছে, আর এই দুই ঘটনার মধ্যে ব্যবধান প্রায় আট দশক।

প্রথমবারের মতো এমন ঘটনা ঘটে ১৯৩৪ সালের ৩ জুন। বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত একটি প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলের মুখোমুখি হয় যুগোস্লাভিয়া। শুরুটা ছিল ব্রাজিলের জন্য আশাব্যঞ্জক, মাত্র ৮ মিনিটের মাথায় তারা এগিয়ে যায়। কিন্তু ম্যাচ চলাকালীন সময় আমজনতার নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে চলে যায় স্বাগতিকদের হাতে।

একের পর এক আক্রমণে ভেঙে পড়ে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ। শেষ পর্যন্ত যুগোস্লাভিয়া ওই ম্যাচটি জিতে নেয় ৮-৪ গোলের বিশাল ব্যবধানে, আর ইতিহাসে প্রথমবার একটি ম্যাচে ব্রাজিল ৭ গোল হজম করে।

এরপর দীর্ঘ সময় ব্রাজিল এমন বড় ধসের মুখে আর পড়েনি। দ্বিতীয় ঘটনাটি আসে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে। ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল জার্মানি। বেলো হরিজন্তের মিনেইরাও স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচটি পরিণত হয় এক অবিশ্বাস্য অধ্যায়ে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক জার্মানি মাত্র ২৯ মিনিটের মধ্যেই ৫-০ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচ শেষে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৭-১—যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে অন্যতম চমকপ্রদ ফল হিসেবে বিবেচিত। ব্রাজিলের একমাত্র সান্ত্বনার গোলটি করেন অস্কার।

এই দুই ম্যাচই আজও ফুটবল ইতিহাসে ব্যতিক্রমী অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়—যেখানে ব্রাজিলের মতো পরাশক্তির দলও এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল হজম করেছে। আর এই কীর্তি গড়েছে মাত্র দুটি দেশ—যুগোস্লাভিয়া ও জার্মানি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যৌথ যুদ্ধবিমান প্রকল্প থেকে সরে এল জার্মানি ও ফ্রান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ এম


যৌথ যুদ্ধবিমান প্রকল্প থেকে সরে এল জার্মানি ও ফ্রান্স

যৌথ যুদ্ধবিমান প্রকল্প বাতিল করেছে জার্মানি ও ফ্রান্স। ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ প্রতিরক্ষা প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত নতুন প্রজন্মের যুদ্ধবিমান নির্মাণ কর্মসূচি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মতবিরোধ ও অচলাবস্থার কারণে প্রকল্পটি এগিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় দুই দেশের শীর্ষ নেতারা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গত সপ্তাহে মন্টিনিগ্রোতে অনুষ্ঠিত ইউরোপীয়Union– পশ্চিম বলকান সম্মেলনের ফাঁকে এ বিষয়ে আলোচনা করেন। জার্মান কর্মকর্তারা মনে করেন, প্রকল্পে জড়িত অস্ত্র ও মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা অচলাবস্থা নিরসনের সম্ভাবনা দেখা যায়নি।

ফ্রিডরিখ মার্জ ম্যাক্রোঁকে যৌথ যুদ্ধবিমান নির্মাণ পরিকল্পনা নিয়ে আর না এগোনোর পরামর্শ দিয়েছেন। ম্যাক্রোঁর কার্যালয় জানিয়েছে, দুই নেতা দীর্ঘ সময় ধরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং জার্মানি ও স্পেনের প্রতিনিধিত্বকারী ইউরোপীয় মহাকাশ প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস এবং ফ্রান্সের দাসো অ্যাভিয়েশনের মধ্যে সমঝোতা না হওয়ায় তারা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

প্রকল্পটির সমাপ্তি এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন পশ্চিমা সামরিক কর্মকর্তারা রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান হুমকি নিয়ে সতর্ক করছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপকে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা জোরদারের জন্য চাপ বাড়াচ্ছে। ২০১৭ সালে সাবেক জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের সঙ্গে যৌথভাবে প্রকল্পটি শুরু করেছিলেন ম্যাক্রোঁ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এ উদ্যোগের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, প্রকল্প বাতিল হলেও ফ্রান্স-জার্মানির প্রতিরক্ষা সহযোগিতা উভয় দেশ এবং ইউরোপীয় অংশীদারদের জন্য এখনও গুরুত্বপূর্ণ।

প্রায় ১০০ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের এই প্রকল্পের অংশীদার ছিল স্পেনও। বিশ্লেষকদের মতে, প্রকল্পটির ব্যর্থতা ইউরোপের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জকেই সামনে নিয়ে এসেছে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য ছিল একটি ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি করা, যা ড্রোন ও অত্যাধুনিক ‘কমব্যাট ক্লাউড’ প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হবে। তবে প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ, মেধাস্বত্ব এবং উন্নয়ন প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব নিয়ে এয়ারবাস ও দাসোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মতবিরোধ চলছিল।

একটি ইউরোপীয় সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পের মূল যুদ্ধবিমান অংশ বাতিল হলেও ‘ফিউচার কমব্যাট এয়ার সিস্টেম (এফসিএএস)’ নামের আওতায় কিছু প্রযুক্তি উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে নিরাপদ যোগাযোগভিত্তিক ‘কমব্যাট ক্লাউড’ ব্যবস্থাও রয়েছে। জার্মানির প্রভাবশালী শ্রমিক ইউনিয়ন আইজি মেটাল প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। সংগঠনটির উপ-চেয়ারম্যান ইয়ুর্গেন কার্নার বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই স্পষ্ট ছিল যে দাসো ও এয়ারবাস সমমর্যাদার অংশীদার হিসেবে কাজ করতে পারবে না। এই সিদ্ধান্ত জার্মানির বিমান শিল্প ও কর্মসংস্থানের স্বার্থে প্রয়োজনীয় ছিল।

এদিকে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বলেন, প্রকল্পটির ব্যর্থতা ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতার জন্য একটি বড় ধাক্কা। আন্তর্জাতিক কৌশলগত গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইআইএসএস-এর সামরিক বিমান বিশেষজ্ঞ ডগলাস ব্যারি বলেন, এটি ওয়াশিংটন কিংবা মস্কো— কোনো পক্ষের কাছেই ইতিবাচক বার্তা নয়। যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ফ্রান্সিস টুসা বলেছেন, প্রকল্পটি গত তিন বছর ধরেই কার্যত জীবনরক্ষাকারী ব্যবস্থার ওপর টিকে ছিল। অন্যদিকে চ্যান্সেলর মার্জ প্রকাশ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন, জার্মান বিমানবাহিনীর জন্য মানবচালিত ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান আদৌ প্রয়োজন কি না। তিনি আরো বলেছেন, জার্মানির এমন কোনো পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন যুদ্ধবিমানের প্রয়োজন নেই, যা বিমানবাহী রণতরীতে অবতরণ করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুপুরের মধ্যে ১৬ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


দুপুরের মধ্যে ১৬ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

দেশের ১৬ জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে চললেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি ও বজ্রপাতও হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানাচ্ছে, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, সিলেট, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%