প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সেনেগাল ইরাককে ৫-০ গোলে পরাজিত করে নকআউট পর্বে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল। টানা দুই হারের পর পাওয়া এই জয়, ৩ পয়েন্ট নিয়ে ‘আই’ গ্রুপে তৃতীয় করেছে সাদিও মানের দেশটিকে। আফ্রিকার দলটি তৃতীয় সেরা আট দলের একটি হয়ে, উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে।
গ্রুপ পর্ব পেরোনোর আশা বাঁচিয়ে রাখতে দুই দলের জন্য জয় অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে, ইদ্রিসা গানার শট এক জনের গায়ে লেগে কর্নার হয়। সেই কর্নার থেকে হাবিব দিয়ারার হেড এক ড্রপ খেয়ে জালে জড়ালে সেনেগাল এগিয়ে যায়।
১৩তম মিনিটে, সাদিও মানেকে পেছন থেকে টেনে ধরেন রেবিন সুলাকা। শুরুতে রেফারি তাকে হলুদ কার্ড দেন, তবে পরে ভিএআর দেখে, ফাউলের গুরুত্ব বিবেচনায় লাল কার্ড দেখান। ফলে, ইরাক দশ জনের দলে পরিণত হয়।
১৯তম মিনিটে, সতীর্থের লং পাস দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিতে চেয়েছিলেন আলি আল হামাদি। কিন্তু তাকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন আব্দুল্লাইয়ে সেক। সেনেগালের এই ডিফেন্ডারকে রেফারি হলুদ কার্ড দেখান। ডাগআউটে ইরাকের এই সিদ্ধান্তে খুশি হওয়ার সুর দেখা যায়নি।
দ্বিতীয়ার্ধে, মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে ইরাকের ওপর দিয়ে ঝড় বইয়ে দেয় সেনেগাল। ৫৪তম মিনিটে, ইসমাইला সারে লক্ষ্যভেদ করেন। ৫৯তম মিনিটে, পেপে বক্সের বাইরে থেকে দৃষ্টিনন্দন কোনাকুনি শটে দূরের পোস্ট দিয়ে ব্যবধান বৃদ্ধি করেন। ৭১তম মিনিটে, সতীর্থের হেড পাসে বক্সের ভেতরে ঢুকে পেপের বাম পায়ের জোরাল ভলি খুব দ্রুতই জালে যায়। ফলে, ইরাকের হার নিশ্চিত হয়ে যায়।
তৃতীয় সেরা দলের একটি হতে, বড় ব্যবধানের জয় পেতে সেনেগাল ইরাকের রক্ষণে চাপ দিতে থাকে। ৮২তম মিনিটে, লিমান এনদিয়ে স্কোরলাইন ৫-০ করেন। এতে, দলটির গোল ব্যবধান -৩ থেকে এখন +২ হয়ে যায়। গ্রুপে তৃতীয় হওয়া সেরা আট দলের তালিকায় বর্তমানে তারা পঞ্চম স্থানে রয়েছে। সবগুলো ম্যাচ শেষ হলে জানা যাবে, সেরা বত্রিশে সেনেগাল উঠছে কি না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন