বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:৪০ পি.এম
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে পুলিশের অভিযান চলাকালে এক মাদক কারবারির বাড়িতে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, চার রাউন্ড গুলি, ছুরি, এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায়, উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব আলাদাদপুর গ্রামের রমজান আলী মোক্তার বাড়িতে আবুল হোসেনের ছেলে সাকিব হোসেনের ঘরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালায়।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রব জানিয়েছেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, চিহ্নিত মাদক কারবারি সাকিব হোসেনের কাছে অস্ত্র রয়েছে এবং পরে তার বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান।
ওসি আরও জানান, তার ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, চার রাউন্ড গুলি, বিভিন্ন ধরনের ছুরি এবং মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, "এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।" পাশাপাশি, পলাতক সাকিব হোসেনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ওসি আরো জানান, সাকিব হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং চন্দ্রগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মোট ছয়টি মামলা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, পেঁয়াজ সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়াতে কৃষক পর্যায়ে আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেওয়া হবে।
আজকের অনুষ্ঠানে, যা রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে, ‘বাংলাদেশের পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় পরিবর্তিত জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব প্রশমনে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের অভিযোজন প্রকল্প’-এর জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।
কর্মশালায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব ড. মো. রফিকুল ই মোহামেদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহফুজুর রহমান।
মন্ত্রী বিবৃতিতে বলেছেন, দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন চাহিদার তুলনায় বেশি হলেও পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধার অভাবের কারণে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। তিনি জানান, সংরক্ষণ ব্যবস্থা বৃদ্ধি করে পেঁয়াজ আমদানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা এবং উৎপাদন বাড়িয়ে ভবিষ্যতে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে এক কোটি মানুষ বিদেশে বসবাস করে। তারা দেশী পেঁয়াজ খাওয়ার আগ্রহী। যদিও বিশ্বের অন্যান্য দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ সবজির মতো শোভা পায়। প্রকৃতপক্ষে পেঁয়াজ বলতে আত্মস্থ যে পেঁয়াজ, তা আমাদের দেশীয় পেঁয়াজই।
কৃষি মন্ত্রী বলেন, দেশে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়লেও সংরক্ষণের অভাবের কারণে আমাদের পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। অতএব, আমরা পেঁয়াজের সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এভাবে পেঁয়াজ আমদানি শূন্যের কোঠায় নামানো হবে এবং একই সঙ্গে উৎপাদন বৃদ্ধি করে ভবিষ্যতে পেঁয়াজ রপ্তানি করা হবে।
এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ সংরক্ষণের প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ২০২৫ সালের মে মাস থেকে শুরু হয়ে প্রকল্পটি ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। প্রকল্পটির জন্য মোট ব্যয় ধার্য করা হয়েছে ১১ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড এ প্রকল্পটির অর্থায়ন করছে। প্রকল্পটি পাবনা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, মাগুরা, ঝিনাইদহ, মানিকগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, মেহেরপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, রংপুর ও বগুড়া সহ মোট ১৬ জেলার ১০৭টি উপজেলায় বাস্তবায়ন হচ্ছে।
প্রকল্পের আওতায় পেঁয়াজের সংগ্রহ পরবর্তী পচন রোধ করতে ৩ হাজার ৭০০টি পরিবেশবান্ধব এয়ার ফ্লো মেশিন স্থাপন করা হবে। এর ফলে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ পচনের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং দেশের আমদানি ব্যয়ও কমানো সম্ভব হবে। প্রকল্পের আওতায় কৃষক পর্যায়ে ৩ হাজার ৯০০ জন কৃষককে কারিগরি প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে স্পেনের কাছে পরাজিত হয়ে শিরোপা হারিয়েছে। মাঠের পরাজয়ের পর অবশ্য বিতর্ক থেমে থাকেনি। বিশ্বকাপজুড়ে রেফারিং এবং ফিফার পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে একটি অনলাইন পিটিশন শুরু হয়েছে, যা আর্জেন্টিনাকে ভবিষ্যতের বিশ্বকাপ থেকে বিচ্ছিন্ন করার দাবিতে। এই পিটিশন বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
‘Argentina Out’ বা ‘আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বের করে দাও’ শিরোনামের এই পিটিশনে এক সপ্তাহের কম সময়ে ২ কোটি ৩৩ লাখ ১৬ হাজার ১০৮ জন স্বাক্ষর প্রদান করেছেন। শুরুতে আয়োজকদের লক্ষ্য ছিল ৫০ লাখ স্বাক্ষর সংগ্রহ করা, কিন্তু এটি অল্প সময়ের মধ্যেই ছাড়িয়ে গেছে। আয়োজকরা জানান, বিশ্বের প্রায় ১৭০টি দেশের মানুষ এই পিটিশনে অংশ নিয়েছেন।
পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিশ্বকাপজুড়ে ফিফা এবং ম্যাচ কর্মকর্তা আর্জেন্টিনাকে বিশেষ সুবিধা প্রদান করেছে। সেখানে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, ‘যদি বিজয়ীর নাম আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে, তাহলে অন্য দলগুলো কেন প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে?’ এভাবে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়ে সবার জন্য ন্যায্যতা নিশ্চিত করা উচিত।
ফাইনালে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার ১-০ গোলের পরাজয়ের পর পিটিশনের আয়োজকরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তারা পিটিশন সমাপ্ত ঘোষণা করে বলেছেন, ফিফা আমাদের কথা শোনেনি কিন্তু স্পেন আমাদের কথা রেখেছে। ধন্যবাদ স্পেন।
তবে বিপুল সাড়া পাওয়ার পরও এই পিটিশন ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অনলাইন পিটিশনের রেকর্ড গড়তে পারেনি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি স্বাক্ষর পাওয়া পিটিশন এখনো ‘জুবিলি ২০০০’ ঋণ মওকুফ আন্দোলনের পিটিশন। সেদিন মোট ২ কোটি ৪৩ লাখ ১৯ হাজার ১৮১ জন স্বাক্ষর করেছেন। ফলে ‘Argentina Out’ পিটিশনটি অল্পের জন্য সেই রেকর্ড স্পর্শে ব্যর্থ হয়েছে।
এত বিপুল সমর্থন থাকা সত্ত্বেও ফিফা আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার দাবিতে কোনভাবেই বাধ্য নয়। এই কারণে, এটি আপাতত সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা বিষয় হিসেবেই রয়ে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়ন বিভক্তিকরণ ও নতুন সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময়সভায় হামলা, ভাঙচুর এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, এতে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
হামলার ফলে সভা পণ্ড হয়ে যায় এবং পরে বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এই ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, হোয়াইক্যং ইউনিয়ন বিভক্ত করে নতুন ইউনিয়ন গঠনের প্রস্তাবের বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত গ্রহণ করা নিয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়েছিল।
তবে সভা শুরু হওয়ার আগেই একদল ব্যক্তি ব্যানার-প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগান দিতে শুরু করে। একপর্যায়ে তারা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে হামলা চালায়। এসময় পরিষদের দরজা-জানালা, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর করা হয়। এই সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন।
সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, সভার প্রস্তুতির সময় কিছু লোক স্লোগান দিতে দিতে জড়ো হন। পরে তারা হামলা ও ভাঙচুরের কাজ শুরু করে, ফলে কয়েকজন আহত হন।
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহাজালাল চৌধুরী বলেন, বৈঠক চলাকালে দেশীয় অস্ত্র এবং ইট-পাটকেল নিয়ে একদল লোক হামলা চালায়। এতে তিনিসহ কয়েকজন আহত হন। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব জুনাইদ আলী অভিযোগ করেছেন, গুরুত্বপূর্ণ এ সভায় প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ছিল না। খবর দেওয়ার পরও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বিলম্ব করে। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে মতবিনিময়সভা পণ্ড করা হয়েছে, যা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনীক চৌধুরী জানিয়েছেন, হামলার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, টেকনাফ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম আরো কার্যকর ও জনবান্ধব করে তোলার জন্য বিদ্যমান পাঁচটি ইউনিয়ন পুনর্গঠন করে নতুন ইউনিয়ন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রস্তাবের পর এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে বাহারছড়া ইউনিয়ন বিভক্তির পরিকল্পনা থেকে সরে এলেও হোয়াইক্যং, হ্নীলা, সাবরাং এবং টেকনাফ সদর ইউনিয়নের বিভক্তিকরণ এগিয়ে নিতে সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় স্থানীয়দের মতামত গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম চলছে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়ন বিভক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জনমত, ভৌগোলিক বাস্তবতা এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক বিষয়গুলো যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। এছাড়া প্রস্তাবিত সীমানা নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় পর্যাপ্ত স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলেও তারা দাবি করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা দুই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে পরিবর্তনের আভাস স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনির সাম্প্রতিক মন্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে যে, সময়ের বাস্তবতায় আলবিসেলেস্তে স্কোয়াডে বড় ধরনের রদবদল আসতে যাচ্ছে। ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপের পর আর্জেন্টিনার ভবিষ্যৎ দল কেমন হবে, সে সম্পর্কে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন লিওনেল মেসিকে ঘিরে। বিশ্বকাপ ফাইনালের পর জাতীয় দলে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অন্যদিকে, অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দি আগেই জানিয়েছেন, চলতি বিশ্বকাপই হবে জাতীয় দলের হয়ে তার শেষ অফিসিয়াল টুর্নামেন্ট।
গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজও নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন। তিনি পুরো বিশ্বকাপ ডান হাতে চোট নিয়েই খেলেছেন। ফাইনালের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তার বার্তায় ইঙ্গিত রয়েছে যে, জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় হয়েছে কি না, তা নিয়ে তিনি ভাববেন।
এদিকে, রদ্রিগো ডি পল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, নিকোলাস তালিয়াফিকো, নিকো গনসালেস ও জিওভানি লো সেলসোদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে ক্লাব ফুটবলে তাদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও শারীরিক সক্ষমতার ওপর।
তবে মেসি-ওতামেন্দিদের সম্ভাব্য বিদায়ের মধ্যেও স্বস্তির খবর রয়েছে আর্জেন্টিনা শিবিরে। ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী একদল পরিণত ফুটবলার ইতোমধ্যেই দলের মূল ভিত্তি হয়ে উঠেছেন। আগামী বিশ্বকাপ চক্রে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন হুলিয়ান আলভারেজ, এনজো ফার্নান্দেজ, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, লাউতারো মার্টিনেজ, থিয়াগো আলমাদা ও এজেকিয়েল প্যালাসিওস।
একই সঙ্গে ভবিষ্যতের স্কোয়াডে জায়গা করে নেওয়ার জন্য লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছেন ভ্যালেন্তিন বারকো, নিকো পাজ, জুলিয়ানো সিমিওনে ও হোসে ম্যানুয়েল লোপেসের মতো তরুণ ফুটবলাররা। এছাড়া লিও বালের্দি, মার্কোস সেনেসি, নিকোলাস কাপালদো, মাতিয়াস সুলে, আগুস্তিন গিয়াই এবং গোলরক্ষক সান্তিয়াগো বেলত্রান ও ফাকুন্দো ক্যাম্বেসেসও ধীরে ধীরে জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছেন।
অভিজ্ঞদের বিদায় এবং তরুণদের উত্থান এই দুইয়ের সমন্বয়ে নতুন এক অধ্যায়ের দিকে এগোচ্ছে আর্জেন্টিনা। এখন দেখার বিষয় হচ্ছে, স্কালোনির নেতৃত্বে এই নতুন প্রজন্ম কতটা সফলভাবে আলবিসেলেস্তেদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ