বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:৪৪ পি.এম
টানা দুই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে পরিবর্তনের আভাস স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনির সাম্প্রতিক মন্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে যে, সময়ের বাস্তবতায় আলবিসেলেস্তে স্কোয়াডে বড় ধরনের রদবদল আসতে যাচ্ছে। ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপের পর আর্জেন্টিনার ভবিষ্যৎ দল কেমন হবে, সে সম্পর্কে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন লিওনেল মেসিকে ঘিরে। বিশ্বকাপ ফাইনালের পর জাতীয় দলে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অন্যদিকে, অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দি আগেই জানিয়েছেন, চলতি বিশ্বকাপই হবে জাতীয় দলের হয়ে তার শেষ অফিসিয়াল টুর্নামেন্ট।
গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজও নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন। তিনি পুরো বিশ্বকাপ ডান হাতে চোট নিয়েই খেলেছেন। ফাইনালের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তার বার্তায় ইঙ্গিত রয়েছে যে, জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় হয়েছে কি না, তা নিয়ে তিনি ভাববেন।
এদিকে, রদ্রিগো ডি পল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, নিকোলাস তালিয়াফিকো, নিকো গনসালেস ও জিওভানি লো সেলসোদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে ক্লাব ফুটবলে তাদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও শারীরিক সক্ষমতার ওপর।
তবে মেসি-ওতামেন্দিদের সম্ভাব্য বিদায়ের মধ্যেও স্বস্তির খবর রয়েছে আর্জেন্টিনা শিবিরে। ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী একদল পরিণত ফুটবলার ইতোমধ্যেই দলের মূল ভিত্তি হয়ে উঠেছেন। আগামী বিশ্বকাপ চক্রে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন হুলিয়ান আলভারেজ, এনজো ফার্নান্দেজ, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, লাউতারো মার্টিনেজ, থিয়াগো আলমাদা ও এজেকিয়েল প্যালাসিওস।
একই সঙ্গে ভবিষ্যতের স্কোয়াডে জায়গা করে নেওয়ার জন্য লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছেন ভ্যালেন্তিন বারকো, নিকো পাজ, জুলিয়ানো সিমিওনে ও হোসে ম্যানুয়েল লোপেসের মতো তরুণ ফুটবলাররা। এছাড়া লিও বালের্দি, মার্কোস সেনেসি, নিকোলাস কাপালদো, মাতিয়াস সুলে, আগুস্তিন গিয়াই এবং গোলরক্ষক সান্তিয়াগো বেলত্রান ও ফাকুন্দো ক্যাম্বেসেসও ধীরে ধীরে জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছেন।
অভিজ্ঞদের বিদায় এবং তরুণদের উত্থান এই দুইয়ের সমন্বয়ে নতুন এক অধ্যায়ের দিকে এগোচ্ছে আর্জেন্টিনা। এখন দেখার বিষয় হচ্ছে, স্কালোনির নেতৃত্বে এই নতুন প্রজন্ম কতটা সফলভাবে আলবিসেলেস্তেদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের চান্দনা চৌরাস্তার একটি আবাসিক হোটেলে গৃহবধূ মোসা. শান্তা বেগম (৩৩) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামি মো. সাইফুল ইসলামকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গাজীপুর জেলা গ্রেফতার করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে পিবিআই গাজীপুর জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার এই তথ্য জানান। নিহত শান্তা বেগম নাটোর সদর উপজেলার চরলক্ষীকোল গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে। তিনি গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর আহমেদনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। শান্তা দুই সন্তানের মা ছিলেন।
পিবিআই সূত্র জানায়, গ্রেফতার সাইফুল ইসলামকে যখন আদালতে হাজির করা হয়, তখন তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সাইফুল ইসলাম জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার বেনুয়ারচর গ্রামের মৃত আবদুল কাদেরের ছেলে।
পিবিআই জানায়, গত ২১ জুলাই দুপুরের দিকে শান্তা বেগম ও সাইফুল ইসলাম নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার ‘আনোয়ারা ম্যানশন’ ইভ্যালি আবাসিক হোটেলের ৩০৭ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেন। ওই রাতেই হোটেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাসন থানা পুলিশ কক্ষ থেকে শান্তার গলা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতযুক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা শহিদুল ইসলাম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বাসন থানায় হত্যা মামলা করেন। পরের দিন মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই গাজীপুর জেলা।
পিবিআই জানায়, প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধান ও ছায়া তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার এক দিনের মধ্যেই বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার দক্ষিণখান থানার ফায়দাবাদ ট্রান্সমিটার মোড় এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
তদন্তে জানা গেছে, সাইফুল ইসলামের সঙ্গে শান্তা বেগমের দাম্পত্য সম্পর্কে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহ ও পারিবারিক বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন হোটেল কক্ষে অতীতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতির একপর্যায়ে সাইফুল শান্তার ব্যাগে থাকা ফল কাটার ছুরি দিয়ে তার গলায় আঘাত করেন। পরে বুকে আঘাত করে শান্তাকে হত্যা নিশ্চিত করেন এবং তার মোবাইল ফোন ও পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে যান বলে পিবিআই জানিয়েছে।
পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার বলেন, অজ্ঞাতনামা নারীর মরদেহ উদ্ধারের পরপরই ক্রাইম সিন টিম ও ছায়া তদন্ত দল কাজ শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যার রহস্য উদঘাটন ও প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ অন্যান্য আলামত সংগ্রহের কাজ চলছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ফার্মগেটে ২০২২ সালে বহুল আলোচিত ‘টিপকাণ্ডে’ চাকরিচ্যুত পুলিশ কনস্টেবল নাজমুল তারেককে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-১।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আমিরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
কনস্টেবল নাজমুলের আইনজীবী আব্দুর রহিম কাজল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নাজমুল তারেককে পুনরায় চাকরিতে বহাল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
২০২২ সালের ২ এপ্রিল ফার্মগেট এলাকায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রটেকশন বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল নাজমুল উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় তেজগাঁও কলেজের প্রভাষক লতা সমাদ্দারের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান।
লতা সমাদ্দার অভিযোগ করেছিলেন, কপালে টিপ পরা নিয়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত ব্যক্তি তাকে কটূক্তি ও হয়রানি করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষে নাজমুল তারেককে প্রথমে সাময়িক বরখাস্ত এবং পরে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
কিন্তু শুরু থেকেই নাজমুল তারেক নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছিলেন। তার দাবি ছিল, কপালে টিপ পরা নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি এবং ঘটনাটি সাজানো। পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক প্রতিকার চেয়ে ২০২২ সালের নভেম্বরে তিনি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ তার বরখাস্তের আদেশ বাতিল করে চাকরিতে ফিরিয়ে নেয়ার রায় দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে লক্ষ্য করে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বড় সামরিক হামলার পরিকল্পনা গভীরভাবে ভাবছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যে হামলার হুমকি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) যদি মার্কিন বাহিনী তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের সাথে কথোপকথনে ট্রাম্প বলেছেন, এখনও পর্যন্ত তেহরান যথেষ্ট মূল্য চোকাতে পারেনি। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমি আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ হামলার পরিকল্পনার কথা ভাবছি। তিনি আরও জানান, সিদ্ধান্তের খুব কাছাকাছি রয়েছি এবং আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তের বড় পরিণতি সম্পর্কে অবগত আছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে, তিনি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি এবং সময়সীমা নির্ধারণ করেও নেই।
ইসরায়েল সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেছেন, যদি আমি বলি তাহলে ইসরায়েল দুই মিনিটের মধ্যে সম্পৃক্ত হয়ে যাবে, যদিও আমাদের কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই। কিন্তু তিনি ইঙ্গিত করেছেন যে, ইসরায়েল এ হামলায় জড়ালে তাদেরও (ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা) পরিণতির শিকার হতে হবে। ট্রাম্পের দাবি, ইরানি কর্মকর্তারা আলোচনা করতে চাইলেও তারা এখনও কোনো চুক্তিতে আসার জন্য প্রস্তুত নয়।
এদিকে, বৃহস্পতিবার ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানায়, আইআরজিসি যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটিগুলোতে হামলার হুমকি দিয়েছে। তারা স্পষ্টভাবে জানায়, ইরানের মাটিতে হামলার জন্য ব্যবহৃত যেকোনো ঘাঁটি বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ধরা হবে।
আইআরজিসির দাবি, ভারত মহাসাগরে মার্কিন জাহাজগুলোর থেকে ক্রুজ মিসাইলের মজুত কমে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এখন যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে ‘বি-১ ল্যান্সার’ যুদ্ধবিমান উড়াচ্ছে। আইআরজিসি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক এবং সর্বোচ্চ সম্পৃক্ততা সম্পর্কে অভিযোগ তুলেছে এবং সতর্ক করেছে যে, যুক্তরাজ্য যেন তাদের 'অপরাধের খাতা' আরো ভারী না করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুর সদর উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির জুলাই পদযাত্রা ও পথসভা পাঁচ দফা দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ সহ আরও বেশ কয়েকটি দাবির সাথে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থানে আমরা পরিবর্তন চেয়েছিলাম। দেশে কোনো পরিবর্তন হয়নি। মাদক কারবারি, চাঁদাবাজি, দলীয়করণ এবং জমি দখল অব্যাহত রয়েছে।”
নাহিদ ইসলাম এরপর বলেন, “যদি আপনার জমি দখল হয়ে যায়, তাহলে আপনি কোথায় যাবেন? মিডিয়া, পুলিশ, আদালত — সব জায়গায় দলীয়করণ ঘটে গেলে কোথাও ন্যায়বিচার পাবেন না। এই সরকার কোনো পরিবর্তনের সরকার নয়। রাজনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হলে এনসিপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। আমাদের পার্লামেন্টে মাত্র আটজন সদস্য রয়েছেন। এই আটজন জনগণের জন্য একশো জনের ভূমিকা পালন করছে। এনসিপি প্রধান বিরোধী দল হলে, জনগণের পক্ষে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারত। আগামীতে আমাদের সমর্থন দিন, এনসিপি চাঁদাবাজি ও মাদক নির্মূল করবে।”
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, “এতদিন পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ করার বিষয়টি ভাবা হচ্ছে। বিএনপি পাঁচ মাসে আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করতে পারেনি। যদি তারা রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তারা কীভাবে রাষ্ট্র পরিবর্তন করবে? পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার করাও প্রয়োজন। যোগ্য ও নিরপেক্ষ একজনকে রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য নির্বাচন করতে হবে, কিন্তু বিএনপি তা করতে চায় না।”
নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্ররা অগ্রসর ছিল। পেছন থেকে সর্বস্তরের জনতা সহযোগিতা করেছিল। জামালপুরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে সম্প্রতি অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি আমরা নিন্দা জানাই। এই ঘটনায় কতজন গ্রেপ্তার হয়েছে পুলিশ প্রশাসনের কাছে আমরা জানতে চাই। ফ্যাসিস্টরা তাণ্ডব চালালে তার দায় পুলিশ প্রশাসন এবং সরকারকেই নিতে হবে।”
পথসভায় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক পারছিস আলম, যুগ্ম সদস্যসচিব লুতফুর রহমান, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান সহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ