০৫:১৮ পি.এম
দ্বিতীয় দফায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি অপ্রয়োজনীয় ছিল বলে মন্তব্য করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) চলতি অর্থবছরের উত্তরণকালীনে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ শীর্ষক আলোচনায় এই সব তথ্য তুলে ধরেছে সিপিডি।
সংস্থাটির মতামত অনুসারে, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রভাব সামগ্রিক অর্থনীতিতে পড়বে এবং মূল্যস্ফীতি বাড়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। রাজস্ব আহরণে ঘাটতি, ব্যাংক খাতের বিশৃঙ্খলাসহ একাধিক কারণে দেশের অর্থনীতি এখনও চাপে রয়েছে।
আরও পড়ুন: আনোয়ারায় কেইপিজেড ও চায়না ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী
অর্থবছরের শেষের দিকে এসে দ্বিতীয় দফায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো উচিত হয়নি এমন মন্তব্য করে সংস্থাটি জানিয়েছে, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে আবারো মূল্যস্ফীতি বাড়বে।
সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ করে সিপিডি জানায়, এই পরিস্থিতির ফলে শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যারা প্রত্যক্ষভাবে এ বোঝা বহন করবেন, তাদের জন্য এটি অবশ্যই একটি বাড়তি বোঝা হবে। তবে, যারা এর অপ্রত্যক্ষ প্রভাব ভোগ করবেন, তাদের উপর সরকারের অন্যান্য পদক্ষেপের মাধ্যমে এই প্রভাব কমাতে পারে।
সিপিডি বলছে, রাজস্ব আহরণে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এনবিআর অনেক পিছিয়ে পড়েছে। এছাড়া, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমলেও ব্যাংকগুলোর সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।
আরও পড়ুন: জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রযুক্তি হস্তান্তর চায় বাংলাদেশ
এছাড়া, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুনও এ ব্যাপারে তার নিজস্ব মন্তব্য তুলে ধরেন।
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম পে স্কেল ঘোষণা করার পর বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়বে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন