১১:০৩ পি.এম
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলাধীন বলরামপুর ইউনিয়নে অবস্থিত দোহসুহ দাখিল মাদরাসা প্রতিষ্ঠার পর থেকে উল্লেখযোগ্য সরকারীভাবে কোন উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। এদিকে, যতটুকু উন্নয়ন হয়েছে, তা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজস্ব অর্থায়নে করা হয়েছে। ফলে, কোনরকমে জরাজির্ণ কক্ষগুলোতে বহু বছর ধরে পাঠদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি, সুপার সহ শিক্ষকদের বসার অফিস কক্ষটিও একেবারে খুব ছোট। মাদরাসাটি ১৯৮০ খ্রিঃ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এমপিও ভুক্ত হয় ১৯৯৪ খৃষ্টাব্দে। বর্তমানে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য ১৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত রয়েছে। তবে, প্রায় পাঁচ জনের অধিক পদ শূন্য থাকায় পাঠদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ওই মাদরাসার সুপার মোঃ আমিরুল ইসলাম বিপ্লব অভিযোগের সুরে বলেন, বিগত কোন সরকারই এই প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য কোন উন্নয়ন বরাদ্দ দেয়নি। আমরা যতটুকু পেরেছি, তা দিয়েই প্রতিষ্ঠানটি ধরে রেখেছি। দোহসুহ দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা জামায়াতের আমির মোঃ ইউনুস আলী খান বলেন, প্রতিবছর এই মাদরাসার শিক্ষার্থীরা পড়ালেখায় ভালো ফলাফল অর্জন করে থাকে। এছাড়াও, জাতীয় নির্বাচনে দোহসুহ মাদরাসা ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একইসাথে, মাদরাসা আসার মূল সড়কটি আজও পাঁকা হয়নি। ফলে, শিক্ষার্থীদের মাদরাসায় আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে এবং নির্বাচনকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার লুৎফুল কবির মোঃ কামরুল হাসান জানান, উপজেলার উন্নয়ন প্রকল্পে দোহসুহ দাখিল মাদরাসার নাম তালিকার শীর্ষে রাখা হয়েছে। আশা করি, খুব তাড়াতাড়ি ভালো কিছু হবে। এলাকার সুধী মহল মনে করেন, মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং রাস্তাটি দ্রুত পাঁকাকরণ এখন সময়ের দাবী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন