১১:০৪ পি.এম
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় ১২১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩২টি বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। অবসর ও বদলীর কারণে এই সংকট সৃষ্টি হলেও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। তাছাড়া, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষক পরিবার নিয়ে দিনাজপুর জেলা শহরে বসবাস করেন। সেই শিক্ষকদের শহরের কাছাকাছি বিদ্যালয়গুলোতে বদলির জন্য শিক্ষা অফিসের ওপর বিভিন্ন সুপারিশের চাপ রয়েছে।
কাহারোল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক ছাড়াও ৭৩টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। কাহারোল উপজেলার কাজিকাটনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রায় ১ বছর আগে অবসরে গেছেন। সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক মোঃ আনোয়ার হোসেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। একজন সহকারী শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, "অনেকে একই সমমর্যাদার হওয়াতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নিতে চাইলে অনেক সম-মর্যাদাসম্পন্ন শিক্ষকদের এটা মানতে বাধা আসে।" এদিকে, প্রশাসনিক কাজ সামলাতে গিয়ে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকা সহকারী teachersদের ফলে শিক্ষার্থীদের বোঝা পড়া ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বলরামপুর গ্রামের অভিভাবক জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, "শিক্ষক সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।" একই গ্রামের আরেক অভিভাবক জানান, শিক্ষক স্বল্পতার কারণে শিক্ষকরা ক্লাসে শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে ক্লাস করাতে পারছেন না, তাই লেখাপড়া ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
আরও পড়ুন: শীর্ষ মাদক ডিলার গ্রেফতার: ২ বোতল ভারতীয় সিরাপ দিয়ে আদালতে সোপর্দ করলো দামকুড়া থানা পুলিশ
কাহারোল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ.কে.এম জিলানী বলেন, "প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি অথবা সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে শূন্য পদ পূরণ করার সুযোগ রয়েছে। আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন