ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চোট সঙ্গী করেই বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে মার্টিনেজ


চোট সঙ্গী করেই বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে মার্টিনেজ

বিশ্বকাপের মাত্র কয়েক দিন আগে চোট নিয়ে আর্জেন্টিনা দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। চোট ও ইনজুরি তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। প্রথম অনুশীলনে যোগ দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা।

সোমবার (১ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস সিটিতে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ক্যাম্পে আর্জেন্টিনা প্রথম অনুশীলন করে। চোট ও ফিটনেসের সমস্যার কারণে কয়েকজন ফুটবলার পুরো অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি। তাদের মধ্যে মার্টিনেজও ছিলেন।

গত ২১ মে ইউরোপা লিগের ফাইনালের আগে ওয়ার্ম-আপের সময় তার একটি আঙুল ভেঙে যায়। এরপরেও তিনি বড় ঝুঁকি নিয়ে ম্যাচে খেলার সিদ্ধান্ত নেন। ব্যথা নিয়ে মাঠে নেমে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন এবং অ্যাস্টন ভিলাকে ১৯৮২ সালের পর প্রথম বড় ইউরোপীয় শিরোপা জিততে সাহায্য করেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

আর্জেন্টিনা দলে যোগ দেয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন মার্টিনেজ। ছবিগুলোতে তার ডান হাতে ব্যান্ডেজ দেখা যায়।

প্রথম অনুশীলনের পর নিজের অনুভূতি জানিয়ে মার্টিনেজ বলেন, 'প্রথম দিনটা খুবই রোমাঞ্চকর। সবকিছু করতে পারছি না বলে খারাপ লাগছে। তবে সতীর্থদের সঙ্গে থাকতে পেরে এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে ভালো লাগছে।'

আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ঝুঁকি এড়াতে বিশ্বকাপের আগে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচে মার্টিনেজ খেলবেন না। তবে ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তাকে পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেসব জেলায় সকাল ৯টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৮ পি.এম


যেসব জেলায় সকাল ৯টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

দেশের ৫টি জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস। পাশাপাশি বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এই তথ্য প্রকাশ পায়।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে, সংস্থাটির অপর একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের সব বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ে ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও যেকোনো সময় মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে আগামী কয়েকদিন ঝড়বৃষ্টি এবং ভারি বর্ষণের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিষ্ঠানের নাম খালেদা জিয়ার নামে রাখার প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর অসম্মতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩১ পি.এম


প্রতিষ্ঠানের নাম খালেদা জিয়ার নামে রাখার প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর অসম্মতি

ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করা নিয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই প্রস্তাবে সম্মতি প্রদান করেননি।

প্রতিষ্ঠানটি ২০০৬ সালে ঢাকার কেরানীগঞ্জের হযরতপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি পরিচালিত কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) অধীনে রয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এখন জানা যাচ্ছে, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় ঈদুল আজহার আগে কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তনের জন্য বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নামে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। কিন্তু সে প্রস্তাব সরকারপ্রধান নাকচ করে দেন।

মায়ের নামে নামকরণের প্রস্তাব অনুমোদন না করে সরকারপ্রধান এ বিষয়ে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে নামকরণ করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের নোটে অনুশাসন দিয়েছেন যে ‘যদি নতুন নামকরণ করতে হয়, তাহলে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়তে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালি খুললেও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে: যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


হরমুজ প্রণালি খুললেও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে: যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরও ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে না বলেই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রী মার্কো রুবিও।

তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই বিষয়ে ওয়াশিংটন কখনই কোন প্রস্তাবের ওপর ভাবেনি এবং আলোচনাকালীন সময়ে এমন বিষয় উঠে আসেনি।

মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সাথে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রুবিও বলেন, “এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি এবং ইরানকে এমন কোনো প্রস্তাবও দেওয়া হয়নি।”

তিনি উল্লেখ করেছেন, ইরানের উপর সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণের উপর নির্ভর করবে।

রুবিওর মতে, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কর্মসূচি বন্ধ করা এবং দেশের পারমাণবিক কর্মসূচি-সংক্রান্ত অন্যান্য উদ্বেগের সন্তোষজনক সমাধান।

তিনি আরও বলেন, “যেকোনও নিষেধাজ্ঞা সুবিধা পুরোপুরি শর্তসাপেক্ষ থাকবে এবং তা পারমাণবিক ইস্যুতে ইরানের পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে।”

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এই প্রণালীর মাধ্যমে বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের এক পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়। এই কারণে প্রণালীটিতে যেকোনও উত্তেজনা বা বাধা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা এবং ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্তির বিষয়ে নানা আলোচনা হলেও রুবিওর মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, শুধুমাত্র হরমুজ প্রণালী সচল রাখার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে আগ্রহী নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে আলোচনার মূল বিষয় হিসেবে দেখছে। এর ফলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কিংবা অর্থনৈতিক সুবিধা পেতে হলে তেহরানকে পারমাণবিক ইস্যুতে উল্লেখযোগ্য ছাড় দিতে হতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুনঃ ভর্তির চক্রে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ পি.এম


পুনঃ ভর্তির চক্রে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চার বছরের গণ্ডিকে বলা হয় জীবনের প্রাণকেন্দ্র। এর গতিবিধিই নির্ধারণ করে দেয় একজন শিক্ষার্থী কিভাবে তার ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে, কিভাবে আঁকবে তার ভবিষ্যতের রূপরেখা।

কিন্তু সেই চিত্রপটে সহসাই ধূসর আঁচড় ফেলতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুনঃ ভর্তি। কারো জন্য এই ব্যাঘাত সাময়িক হলেও কিছু ক্ষেত্রে হয়ে উঠতে পারে দীর্ঘ মেয়াদের দুঃস্বপ্ন। যা পথভ্রষ্ট করতে পারে শিক্ষার্থীদের।

ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত, এই পুনঃ ভর্তির খপ্পরে পড়ছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি বিভাগে সর্বশেষ চার শিক্ষাবর্ষে মোট ২৭৮ জন শিক্ষার্থী পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে পুনঃ ভর্তি হয়েছেন। যা গড়ে প্রতি শিক্ষাবর্ষে প্রায় ৭০ জন এবং শতকরা হিসেবে এটি দাঁড়িয়েছে প্রায় সাতজনে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সহায়ক ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে আরো বাড়তে পারে পুনঃ ভর্তির হার।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের একাডেমিক শাখা থেকে জানা যায়, সর্বশেষ চার শিক্ষাবর্ষের মধ্যে ২০২২-২৪ শিক্ষাবর্ষের সর্বোচ্চ মোট ৯২ জন।

সবচেয়ে কম হয়ে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ৪৭ জন। এছাড়া ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ৫১ জন এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ৮৯ জন।

এখানে তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই চার শিক্ষাবর্ষের হিসেবে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে পুনঃ ভর্তি ছিল ৫১ জন। ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯২ জনে। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় এখানে প্রায় ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ পুনঃ ভর্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

আবার ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের পুনঃ ভর্তির সংখ্যাটা কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৪৭ জন। অর্থাৎ ২০২২-২৩ সালের তুলনায় প্রায় ৪৮.৯১% হ্রাস পেয়েছে। যা কিছুটা স্বস্তির হলেও পুনরায় ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৯ জনে। ফলে এখানে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের তুলনায় প্রায় ৮৯.৩৬% বৃদ্ধি ঘটেছে।

আরো জানা যায়, এরমধ্যে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে সর্বোচ্চ ১৭ জন। যেখানে লোক প্রশাসন বিভাগে পাঁচজন, প্রত্নতত্ত্বে ৫ পাঁচজন, অর্থনীতিতে চারজন, নৃবিজ্ঞানে দুইজন এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে একজন। পরবর্তীতে বিজ্ঞান অনুষদের ১৪ জনের মধ্যে গণিত বিভাগে চারজন, রসায়নে চারজন, পদার্থবিজ্ঞানে তিনজন, ফার্মেসীতে দুইজন এবং পরিসংখ্যানে একজন।

এ ছাড়া ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ১৩ জনের মধ্যে ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগে ছয়জন, একাউন্টিংয়ে এবং মার্কেটিংয়ে তিনজন করে, ফিনান্সে একজন। এ ছাড়া আইন অনুষদভুক্ত আইন বিভাগে একজন, প্রকৌশল অনুষদভুক্ত আইসিটি বিভাগে পাঁচজন এবং কলা ও মানবিক অনুষদভুক্ত ইংরেজি বিভাগে একজন পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে পুনঃ ভর্তি হয়েছেন।

পরবর্তী ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মোট ৯২ জনের মধ্যে শুধু বিজ্ঞান অনুষদেরই ৩৬ জন পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে পুনঃ ভর্তি নিয়েছেন। এর মধ্যে গণিতে ১৩ জন, রসায়ন এবং পরিসংখ্যানে সাতজন, পদার্থবিজ্ঞানে ছয়জন এবং ফার্মেসীতে তিনজন করে। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ২২ জনের মধ্যে লোক প্রশাসন বিভাগে সাতজন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ছয়জন, অর্থনীতিতে পাঁচজন, প্রত্নতত্ত্বে তিনজন এবং নৃবিজ্ঞানে একজন।

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ১৮ জনের মধ্যে মার্কেটিংয়ে সাতজন, একাউন্টিং এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগে চারজন করে এবং ফিনান্সে তিনজন। এছাড়া কলা ও মানবিক অনুষদের সাত জনের মধ্যে বাংলায় চারজন এবং ইংরেজিতে তিনজন করে, প্রকৌশল অনুষদভুক্ত আইসিটিতে পাঁচজন এবং আইন অনুষদভুক্ত আইন বিভাগে চারজন।

২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মোট ৪৭ জনের মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদের পদার্থবিজ্ঞানে সাতজন, গণিতে ছয়জন, রসায়নে তিনজন এবং পরিসংখ্যানে একজন নিয়ে মোট ১৭ জন। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১২ জনের মধ্যে অর্থনীতি এবং প্রত্নতত্ত্বে পাঁচজন করে এবং লোক প্রশাসন এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় একজন করে। ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সাতজনের মধ্যে একাউন্টিং এবং মার্কেটিংয়ে দুইজন করে ব্যবস্থাপনা শিক্ষায় তিনজন।

এ ছাড়া কলা ও মানবিক অনুষদের পাঁচজনের মধ্যে বাংলায় তিনজন এবং ইংরেজিতে দুজন। প্রকৌশল অনুষদের চারজনের মধ্যে সিএসইতে তিনজন এবং আইসিটিতে একজন এবং আইন অনুষদভুক্ত আইন বিভাগে একজন পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে পুনঃ ভর্তি নিয়েছেন।

সর্বশেষ ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মোট ৮৯ জনের মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদের গণিত বিভাগে ১০ জন, পদার্থবিজ্ঞান ও ফার্মেসীতে নয়জন করে এবং পরিসংখ্যান ও রসায়নে ৪ জন করে মোট ৩৬ জন। এছাড়া সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ২৪ জনের মধ্যে প্রত্নতত্ত্বে নয়জন, লোক প্রশাসন, নৃবিজ্ঞান ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় চারজন করে এবং অর্থনীতিতে তিনজন।

এছাড়াও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ৯ জনের মধ্যে মার্কেটিংয়ে ৪ জন, ব্যবস্থাপনায় ৩ জন এবং ফিনান্সে ২ জন এবং কলা ও মানবিক অনুষদের ৮ জনের মধ্যে বাংলায় ৫ জন, ইংরেজিতে ৩ জন, আইন অনুষদভুক্ত আইন বিভাগে ৮ জন, প্রকৌশল অনুষদের ৪জনের মধ্যে আইসিটিতে ৩ জন, সিএসইতে ১ জন।

এখানে ৪ শিক্ষাবর্ষের তথ্য বিশ্লেষণে আরো পাওয়া যায়, অনুষদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পুনঃ ভর্তির ঘটনা ১০৩টি ঘটেছে বিজ্ঞান অনুষদে বিজ্ঞান অনুষদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৫ টি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে। পরবর্তী সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ৭৫ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২২ জন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে। ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ৪৭ জনের মধ্যে মার্কেটিং এবং ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগে সর্বোচ্চ ১৬ জন করে। প্রকৌশল অনুষদের ১৮ জনের মধ্যে আইসিটি বিভাগে সর্বোচ্চ ১৪ জন এবং আইন অনুষদের একমাত্র বিভাগ আইনে ১৪ জন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পুনঃ ভর্তির যাত্রা শুরু হয় সেকেন্ড টাইম প্রস্তুতি দিয়ে। প্রথম বর্ষে পুনঃ ভর্তি প্রবণতার সবচেয়ে বড় একটি কারণ এটি। ক্রমাগত উদ্বেগ বাড়াচ্ছে প্রথম বর্ষের পরিস্থিতি। অনেকেই ভালো বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা ভালো বিষয়ের আশায় শুরুতে একাডেমিকের বাহিরের পড়াশোনায় মনোযোগী থাকে, ফলে পরবর্তীতে পুনঃ ভর্তি ছাড়া দ্বিতীয় কোন সুযোগ থাকে না।

বিজ্ঞান অনুষদের বেশি পুনঃ ভর্তির কারণ সম্পর্কে জানা যায়, কঠিন ও সময়সাপেক্ষ সিলেবাস, ল্যাবভিত্তিক ক্লাস ও পরীক্ষার চাপ, কোর্স পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার হার বেশি, পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরির প্রস্তুতির দ্বৈত চাপ, দীর্ঘ সময় পড়াশোনা, পরীক্ষা ও প্রজেক্টের চাপে অনেক শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ে ইত্যাদি।

এছাড়া সার্বিকভাবে আরো কারণের মধ্যে রয়েছে, বিভিন্ন কারণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বহিষ্কার, আর্থিক অসচ্ছলতা, মানসিক অবসান, হতাশা, অসুস্থতা, ইংরেজি ভার্সনে পড়াশোনা, এক বিভাগে পড়াশোনা করে থেকে অন্য বিভাগের সাবজেক্টে ভর্তি হওয়ায় তৈরিকৃত চাপ। এছাড়া রয়েছে অ্যাকাডেমিক পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পারা এবং ভাষাগত সমস্যা ইত্যাদি।

এই সমস্যাটির সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা। এবং পুনঃ ভর্তি পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থা সামলানোর জন্য প্রয়োজন হয় মানসিক উন্নতির গাইডলাইন। যা তাদেরকে সাহায্য করতে পারে হতাশা কমানোতে। কিন্তু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পূর্ণ উল্টো অবস্থানে। এখানে শিক্ষার্থীদের মানসিক দেখভালের জন্য নেই কোন ব্যবস্থা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে শেষ কবে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে সভা-সেমিনার কিংবা কাউন্সেলিং ক্যাম্পেইন হয়েছে বলা দুষ্কর। ফলে এ বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাওয়ার কিছুই নেই।

নাম এবং শিক্ষাবর্ষ প্রকাশ না করার শর্তে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই রিএড আমার জন্য এখনো দুঃস্বপ্ন হয়ে আছে। হুট করে জুনিয়রদের সাথে ক্লাস করতেও শুরুতে খুব অস্বস্তি লাগতো। সেকেন্ড টাইম প্রিপারেশনের জন্য এখানে ক্লাস-পরীক্ষা কিছুই করি নাই। এখন বুঝতে পারছি, তখন ভুল করেছিলাম। তখন অন্তত ক্লাসগুলো করা থাকলে ইয়ার লস খেতাম না।’

পুনঃ ভর্তি হওয়া গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা নতুন অনেককিছুই বুঝতে পারে না। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যদি তাদের সঠিক গাইডলাইন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম বলেন, ‘আমরা এ বিষয়টি পরিকল্পনায় রেখেছি। আমরা নতুন বর্ষের শিক্ষার্থীদের সাথে ধাপে ধাপে কাজ করা পরিকল্পনা করেছি। শুরুতে তাদেরকে একটি ফর্মে প্রশ্নের মাধ্যমে তাদের মানসিক অবস্থা গুলো জানার চেষ্টা করব। তারপর ধাপে ধাপে তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী গাইডলাইন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। এতে করে প্রথম বর্ষে তাদের সমস্যাগুলো সমাধানে সহায়ক হবে। আমরা পরিকল্পনা করেছি, সামনে সেগুলো বাস্তবায়ন করব ইনশাল্লাহ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%