প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরও ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে না বলেই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রী মার্কো রুবিও।
তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই বিষয়ে ওয়াশিংটন কখনই কোন প্রস্তাবের ওপর ভাবেনি এবং আলোচনাকালীন সময়ে এমন বিষয় উঠে আসেনি।
মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সাথে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রুবিও বলেন, “এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি এবং ইরানকে এমন কোনো প্রস্তাবও দেওয়া হয়নি।”
তিনি উল্লেখ করেছেন, ইরানের উপর সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণের উপর নির্ভর করবে।
রুবিওর মতে, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কর্মসূচি বন্ধ করা এবং দেশের পারমাণবিক কর্মসূচি-সংক্রান্ত অন্যান্য উদ্বেগের সন্তোষজনক সমাধান।
তিনি আরও বলেন, “যেকোনও নিষেধাজ্ঞা সুবিধা পুরোপুরি শর্তসাপেক্ষ থাকবে এবং তা পারমাণবিক ইস্যুতে ইরানের পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে।”
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এই প্রণালীর মাধ্যমে বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের এক পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়। এই কারণে প্রণালীটিতে যেকোনও উত্তেজনা বা বাধা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা এবং ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্তির বিষয়ে নানা আলোচনা হলেও রুবিওর মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, শুধুমাত্র হরমুজ প্রণালী সচল রাখার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে আগ্রহী নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে আলোচনার মূল বিষয় হিসেবে দেখছে। এর ফলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কিংবা অর্থনৈতিক সুবিধা পেতে হলে তেহরানকে পারমাণবিক ইস্যুতে উল্লেখযোগ্য ছাড় দিতে হতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন