ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডন গ্রেপ্তারের পর এবার অন্য আসামিদের নিয়ে প্রশ্ন নীলা চৌধুরীর


ডন গ্রেপ্তারের পর এবার অন্য আসামিদের নিয়ে প্রশ্ন নীলা চৌধুরীর

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডন হক গ্রেপ্তার হওয়ার পর এবার মামলার অন্য আসামিদের নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন যে, ডনকে কোনোভাবেই জামিন না দেওয়া উচিত।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে যুক্তরাজ্য থেকে গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নীলা চৌধুরী বলেন, ‘ডনকে প্রশ্রয় দেয় কে? কেন এসব কথা সামনে আসছে না? কেন অন্যরা এখনো ঘরে বসে আছে, কেন গ্রেপ্তার হচ্ছে না?’

রোববার (৯ আগস্ট) শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক হন আশরাফুল হক ওরফে ডন হক। তিনি সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামি। ডনের গ্রেপ্তারে স্বস্তি প্রকাশ করলেও মামলার অন্য আসামিরা এখনো বাইরে থাকার কারণেই হতাশা প্রকাশ করেছেন সালমান শাহর মা।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

নীলা চৌধুরীর অভিযোগ, ডন বিভিন্ন সময়ে তাকে হুমকি দিয়েছেন এবং সালমান শাহ ও তার পরিবারকে নিয়ে নানান কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আসামি হওয়ার পরও ডন বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নিয়েছেন এবং প্রকাশ্যে চলাফেরা করেছেন।’ তার প্রশ্ন, ‘এতদিনেও কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি?’

সালমান শাহর মা বলেন, ‘আমার প্রত্যাশা ছিল, ছেলের হত্যার বিচার পাব। আসামিরা দ্রুত গ্রেপ্তার হবে। সেটা হয়নি। এখনো মূল আসামিরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমার একটাই চাওয়া, কোনোভাবেই যেন ডন জামিন না পায়। সে ইমন (সালমান শাহ) হত্যার সঙ্গে জড়িত। তাকে এজন্য শাস্তি পেতেই হবে।’

কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নীলা চৌধুরী। তিনি ডনের সঙ্গে সালমান শাহর বন্ধুত্বের দাবিও নাকচ করেন। তার ভাষ্য, ‘ডন একসময় সালমানের আশ্রয়ে তাদের বাসায় থাকতেন। পরে তার আচরণ নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে তাকে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়।’

নীলা চৌধুরী আরও অভিযোগ করেন, ‘সালমান শাহ জীবিত থাকা অবস্থায় ডন তার কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধা নিতেন।’ তার ভাষায়, ‘স্বার্থ ছাড়া এমন মানুষ কখনো প্রকৃত বন্ধু হতে পারে না।’

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানান আলোচনা ও জল্পনা চলছে। মৃত্যুর প্রায় ২৯ বছর পরে গত বছর আদালতের নির্দেশে এ ঘটনায় হত্যা মামলা করা হয়। সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করেন গত বছরের অক্টোবরে।

মামলার পর ডনের কাছ থেকে হুমকি পাওয়ার অভিযোগও করেছিলেন নীলা চৌধুরী। তিনি জানান, ‘গত বছরের সেপ্টেম্বরে ডন তাকে হুমকি দিয়ে প্রেস ক্লাবের সামনে যেতে বলেছিলেন।’ একসময় যে ব্যক্তি তাদের পরিবারের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কথা বলার সাহস পেতেন না, তিনি কীভাবে তাকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়ার সাহস পেলেন-এ প্রশ্নও তোলেন নীলা।

তার অভিযোগ, ‘ডনের পেছনে কারও না কারও প্রশ্রয় রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘ডনকে প্রশ্রয় দেয় কে, কেন ডিপজলকে বলে দিতে হয়? ডিপজল কেন বলবে সে বিমানবন্দরে? আগে থেকেই তো এরা চোখের সামনেই হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। যে কারণে সাহস বেড়েছিল।’

নীলা চৌধুরীর ধারণা, ‘কেউ ডনকে আশ্বস্ত করেছিল এবং বিমানবন্দর দিয়ে তাকে দেশের বাইরে পাঠানোর চেষ্টা করা হতে পারে।’ তাই ডনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসবে বলেও মনে করেন তিনি।

আরও পড়ুন: বটিয়াঘাটায় তিন গুলির ঘটনায় গ্রেফতার নেই, ওসি প্রত্যাহার

সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন সামিরার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

সবশেষে নীলা চৌধুরী বলেন, ‘এখনো মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে নানা বক্তব্য দিচ্ছেন।’ প্রধান আসামি সামিরাসহ সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে নন, চারপাশেই আছেন।’ তার একমাত্র প্রত্যাশা, সালমান শাহ হত্যার বিচার যেন দ্রুত সম্পন্ন হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনা যুবক বরিশালে প্রেমের টানে, সামাজিক রীতি মেনে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২২ পি.এম


চীনা যুবক বরিশালে প্রেমের টানে, সামাজিক রীতি মেনে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন

প্রেমের টানে চিনের নাগরিক বাই জিন সিং বাংলাদেশি তরুণী অর্চনা ডাকুয়াকে বিয়ে করতে বরিশাল পৌঁছেছেন। हाल ही में, দুই পরিবারের সম্মতিতে সামাজিক এবং ধর্মীয় রীতি মেনেই উপজেলার হারতা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কনে বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

এদিকে, চীন থেকে প্রেমের টানে উজিরপুরে এসে বাংলাদেশি তরুণীকে বিয়ে করার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। অনেকেই নবদম্পতির ছবি এবং বিয়ের খবর শেয়ার করে তাদের নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে স্থানীয় তরুণীর এই বিয়ের ঘটনা এখন পুরো এলাকায় আলোচনা ও কৌতূহলের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কনের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হারতার বাসিন্দা অমল ডাকুয়ার বড় মেয়ে অর্চনা ডাকুয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্কের পরে চীন থেকে উজিরপুরে আসেন বাই জিন সিং। এরপর দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মীয়-স্বজন এবং স্থানীয়দের মধ্যে অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিদেশি বরকে একনজর দেখার জন্য কৌতূহলী মানুষের ভিড়ও দেখা যায়। বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির দুই মানুষের এই মিলন স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

কনের বাবা অমল ডাকুয়া বলেন, 'মেয়ের বিয়েতে আমরা খুশি। দুই পরিবারের সম্মতিতেই তাদের বিয়ে হয়েছে। মেয়ের নতুন জীবনের জন্য আমাদের শুভকামনা। তারা যেন সুখে-শান্তিতে সংসার করতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।'

কনের মা আরতী ডাকুয়া বলেন, 'মেয়ের বিয়ে হয়েছে, এতে আমরা আনন্দিত। মেয়ের সিদ্ধান্ত ও তাদের সম্পর্কের বিষয়ে আমরা জানতাম। দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে হওয়ার কারণে আমরা খুশি। মেয়ের ভবিষ্যৎ জীবন যেন সুন্দর হয়, সেটাই চাই।'

স্থানীয় বাসিন্দা রানা মণ্ডল বলেন, 'ভালোবাসার কোনো সীমানা নেই- এই বিয়ের মধ্য দিয়ে সেটিই যেন প্রমাণিত হয়েছে। ভিন্ন দেশের দুজন মানুষ একে অপরকে ভালোবেসে নতুন জীবন শুরু করেছেন, এটা সত্যিই আনন্দের বিষয়।'

মিঠুন বলেন, 'চীন থেকে একজন মানুষ ভালোবাসার টানে উজিরপুরে এসেছেন—বিষয়টি আমাদের এলাকার জন্য আনন্দের ও ব্যতিক্রমী ঘটনা। নবদম্পতির জন্য আমরা সবাই শুভকামনা জানাই।'

এলাকার আরও কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ভিন্ন দেশের মানুষের এমন বিয়ে এলাকায় সচরাচর দেখা যায় না। তাই বিয়েটিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহলের পাশাপাশি আনন্দও দেখা গেছে। তাদের প্রত্যাশা, ভালোবাসার এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুন্দর ও সুখের হবে।'

হারতা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার জানান, 'বিষয়টি আমি শুনেছি। সামাজিকভাবে চীনা যুবক ও বাংলাদেশি ওই তরুণীর বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোবিন্দ অবশেষে পরকীয়ার অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২৪ পি.এম


গোবিন্দ অবশেষে পরকীয়ার অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন

বলিউডের ৯০-এর দশকের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ এবং তার স্ত্রী সুনীতা আহুজার দাম্পত্যজীবন সংবাদ শিরোনামে উঠেছে বহুবার। বিশেষ করে বিভিন্ন সময়ে একাধিক সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে গোবিন্দর প্রেমের সম্পর্ক ও পরকীয়া নিয়ে সুনীতার খোলাখুলি বক্তব্য বিনোদনপাড়ায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নব্বইয়ের দশকে এক সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে গোবিন্দর পরকীয়া জড়ানোর অভিযোগ তুলেছিলেন তার স্ত্রী। দীর্ঘদিনের এসব গুঞ্জন ও স্ত্রীর মন্তব্যের জবাবে অবশেষে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর কাছে মুখ খুলেছেন এই বলিউড তারকা।

গোবিন্দ তার বক্তব্যে স্ত্রীর অভিযোগের বিষয়ে প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত দেওয়ার পাশাপাশি সাফল্য ও মনোযোগ পাওয়ার জন্য নিজের মানুষকে নিয়ে প্রকাশ্যে কটু কথা বলার প্রবণতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেন যে, সুনীতা অতীতেও তার বিরুদ্ধে এ ধরনের কথা বলেছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি এও স্মরণ করিয়ে দেন, তিনি যখন কাজের ব্যস্ততায় ঘরের বাইরে থাকতেন, তখন সুনীতা একাই পরিবারের সব দায়িত্ব সামলেছেন এবং সন্তান ও আত্মীয়দের বড় করে তুলেছেন। স্ত্রীর প্রতি কৃতিত্ব দিয়ে গোবিন্দ বলেন, সে আমাকে অনেক ভালোবাসা থেকেই গালমন্দ করে, আর আমি সেটি ভালোবাসার সঙ্গেই মেনে নিই। তার মতে, ওপরওয়ালা যাকে যে স্থানে বসিয়েছেন এবং যে ভূমিকা দিয়েছেন, তারা না থাকলে তারা আজকের এই সফল জায়গায় পৌঁছাতে পারতেন না। তাদের পরিবারের অনেক সন্তান আজ বড় হয়েছে, সেসবের ওপর সুনীতার পূর্ণ অধিকার রয়েছে এবং সে তাদের প্রতি সব সময়ই সদয় ছিল।

নিজের বিষয়ে স্ত্রীর এমন মন্তব্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গোবিন্দ ইঙ্গিত দেন যে, জনসমক্ষে এসব কথা বলার পর থেকেই সুনীতা সবার নজর কাড়তে শুরু করেছেন। গোবিন্দ বলেন, অনেক বিষয় অধরা থেকে যায়—যা কখনো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। যদি তিনি বাইরে থেকে শুধু ওই বিষয়গুলোর একটি আভাস দেন, তবে কি দূরত্ব তৈরি করতে মিথ্যা কলঙ্ক লেপন করার কোনো প্রয়োজন ছিল? মানুষ প্রায়ই এটাকে একটি পালানোর পথ হিসেবে দেখে। সফলতা পাওয়ার জন্য নিজের মানুষদের সম্পর্কে খারাপ কথা বলা কি সত্যিই খুব জরুরি? এটি কিছুটা সহজ হলেও সুনীতা তা কৌশলগতভাবে করে। সে হয়তো দুটি ভালো কথা বা প্রশংসা করে, আর এরপর একটি সমালোচনা ছুড়ে দেয়। গোবিন্দ এই পুরো ব্যাপারে ভালোবাসার কথাই বেশি দেখতে পান।

অভিনয়জীবনের সেই সোনালি দিনগুলোতে সহ-অভিনেত্রীদের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের রসায়ন নিয়ে বলতে গিয়ে গোবিন্দ জানান, সহ-অভিনেত্রীদের সঙ্গে তার চমৎকার বোঝাপড়া ও ভালোবাসার সম্পর্কের কারণেই তখন গানগুলো এতটা সফল হতো। শ্রীকৃষ্ণের নামানুসারে তার নাম ‘গোবিন্দ’ রাখা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি তার প্রয়াত মা নির্মলা দেবীর একটি উপদেশের কথা স্মরণ করেন। তার মা সব সময় বলতেন, নাম যেহেতু গোবিন্দ, তাই চারপাশে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে সব সময় হাসিখুশি থাকতে ও জীবনকে উপভোগ করতে হবে। সুনীতার অভিযোগ প্রসঙ্গে মায়ের একটি মন্তব্যের স্মৃতিচারণ করে গোবিন্দ বলেন, সুনীতা যখনই তাকে কিছু বলত, তখন তার মা বলতেন—‘সুনীতা, তোমার কারণেই সে শুটিং শেষ করে অন্য কোনো নায়িকার সঙ্গে দেখা না করে সরাসরি বাড়ি ফিরে আসে।’

পরকীয়া বা দাম্পত্যে বিশ্বস্ততার বিষয়টি টেনে এনে ‘পার্টনার’ খ্যাত এই অভিনেতা বলেন, বিবাহিত হলেই যে মানুষ অন্য কারও সঙ্গে প্রেমে জড়াবে না—এমনটি নয়। তিনি রসিকতা ও প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিতের সুর মিলিয়ে বলেন, ৩৪ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি এতটাই নিষ্পাপ ছিলেন যে এখন ভেবে নিজেরই লজ্জা লাগে। তিনি যোগ করেন, পুরুষরা মাঝেমধ্যে এমন কিছু বেপরোয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে যা পরবর্তীতে তাদের অনুশোচনার কারণ হয়, আর নারীরা পরিবারের কথা ভেবে শক্ত অবস্থান নিতে পারেন। ২১ থেকে ৩৪ বছর বয়সের মধ্যে তার জীবনে কী ঘটছিল, তা বুঝতে তার বহু বছর সময় লেগেছে বলেও স্বীকার করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারের শেষ পর্যায়ে গোবিন্দ জোর দিয়ে দাবি করেন, তৎকালীন জনপ্রিয় সব নায়িকাদের সঙ্গে তার সম্পর্কের ভিত্তি ছিল নিছকই গাঢ় ভালোবাসা ও সম্মান। গোবিন্দ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, আপনি তার যেকোনো নায়িকার সঙ্গে দেখা করে দেখতে পারেন। অন্য কোনো নায়কের কথা জিজ্ঞেস করলে তারা হয়তো লাজুক হেসে বলবে—‘হ্যাঁ, উনি আমার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতেন।’ কিন্তু যখন তার কথা জিজ্ঞাসা করবেন, তখন তাদের চোখ দিয়ে ভালোবাসার জল গড়িয়ে পড়বে। তিনি মনে করেন, একজন নারীর চোখের এই ভালোবাসার জল কখনো কেনা যায় না, এটি অন্তরের গভীর থেকে আসে।

উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন গোবিন্দ ও সুনীতা আহুজা, যখন গোবিন্দ ইতিমধ্যেই বলিউডে নিজের অবস্থান শক্ত করে ফেলেছেন। ক্যারিয়ারটির ওপর প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় প্রায় দুই বছর তারা নিজেদের বিয়ের খবর গোপন রেখেছিলেন। পরবর্তীতে তাদের প্রথম কন্যাসন্তান টিনা আহুজা জন্ম নেওয়ার পর তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের কথা প্রকাশ করেন। এই দম্পতির ইয়াশবর্ধন আহুজা নামে এক ছেলেসন্তানও রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২৮ পি.এম


ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, এ কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য তুলে ধরেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ২০০৫ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এনটিআরসিএর কার্যক্রম এবং শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কীভাবে আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করা যায়, সেই ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পর্যালোচনা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার প্রশ্নে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তিনি সকলকে এ বিষয়ে অপতথ্য প্রচার না করার জন্য অনুরোধ করেন। বর্তমানে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ এনটিআরসিএর মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। যদি এনটিআরসিএকে বাদ দিয়ে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চালু হচ্ছে—এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে তা শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে। এই প্রেক্ষাপটে শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিষয়টির সঠিক অবস্থান স্পষ্ট করা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আচমকা মিশা সওদাগরের বাসায় নব্বই দশকের তিন নায়ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩১ পি.এম


আচমকা মিশা সওদাগরের বাসায় নব্বই দশকের তিন নায়ক

 

নব্বইয়ের দশকের ঢাকাই চলচ্চিত্রে দর্শকদের হৃদয়ে ঝড় তোলা জনপ্রিয় নায়কদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও অটুট ছিল। সময়ের পরিবর্তন ও জীবনযাত্রার নানা বাস্তবতার কারণে অনেকেই ভিন্ন ভিন্ন স্থানে চলে গেছেন। কিন্তু যখনই সুযোগ পান, পুরোনো বন্ধুত্বের টানে একত্র হন তারা।

এখন, তেমনই একটি আড্ডার কথা শেয়ার করেছেন চিত্রনায়ক ওমর সানি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে নব্বইয়ের দশকের সহকর্মী ও বন্ধু অমিত হাসান, আমিন খান ও মিশা সওদাগর সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি।

ওমর সানি লিখেছেন, “আমাদের বন্ধু অমিত হাসান বর্তমানে প্রবাস জীবন অতিবাহিত করছেন। আমি এবং আমিন খান বাংলাদেশে আছি। আর বন্ধু মিশা সওদাগর আসা-যাওয়ার মধ্যে সময় কাটায় প্লেনের মধ্যে, অনেক জ্বালা।”

বন্ধু অমিত হাসান দেশে ফেরার পর মিশা সওদাগর তাদের নিজেদের বাসায় দাওয়াতও দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওমর সানি। সেই দাওয়াতের কারণে পুরোনো দিনের বন্ধুদের আবার একত্র হওয়ার সুযোগ মিলেছে।

ওমর সানির ভাষায়, “অমিত আসার পর মিশা সওদাগর আমাদের দাওয়াত দিল তার বাসায়। আর আমরা হয়ে গেলাম ৯০ দশকের ভালোবাসার ইতিহাস।”

মিশা সওদাগর চার বন্ধুর একটি ছবি পোস্ট করে জানিয়েছেন, প্রবাস থেকে দেশে ফেরা অমিত হাসানের সম্মানে হঠাৎ করে তার এই আয়োজন। তিনি ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, “অনেকদিন পর চার বন্ধু একসঙ্গে আমার বাসায়। ছোট্ট একটা আয়োজন অমিতের সম্মানে।”

নব্বইয়ের দশকে ঢাকাই চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ওমর সানি, অমিত হাসান, আমিন খান এবং মিশা সওদাগর। তারা চলচ্চিত্রে আলাদা আলাদা চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। সময়ের পরিক্রমায় তাদের ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবনে পরিবর্তন এসেছে কিন্তু তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক এখনো অটুট রয়েছে।

ওমর সানির এই পোস্টের পর নব্বইয়ের দশকের চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে নস্টালজিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। প্রিয় তারকাদের একসঙ্গে দেখার স্মৃতি মনে করিয়ে দিতে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%