বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৩:৪৪ পি.এম
দেশের জ্বালানি সংকট ক্রমাগত বেড়ে চলায় তা মোকাবিলার জন্য তাৎক্ষণিক, মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। তারা বলছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি প্রক্রিয়ায় দক্ষতা বৃদ্ধি, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ত্বরান্বিত করা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ‘বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার ও টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পথরেখা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ সুপারিশগুলো করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তব্য উপস্থাপন করেন সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী ফকরুদ্দিন আল কবির। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে সিপিডি আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য ওঠানামার ঝুঁকি কমাতে এলএনজি সংগ্রহ প্রক্রিয়ার উন্নয়ন করতে, জ্বালানি সম্পদের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করতে মূল্য পদ্ধতি চালু ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার সংস্কার, ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ-সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা পুনর্মূল্যায়নের সুপারিশ করেছে।
মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সিপিডি এলএনজি টার্মিনাল ও সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ, লক্ষ্যভিত্তিক বিনিয়োগের মাধ্যমে সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণে সময়সীমা-ভিত্তিক নীতির গ্রহণ এবং কার্যকর নীতিগত কাঠামোর মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণের পরামর্শ দিয়েছ।
দীর্ঘমেয়াদে সিপিডি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদার, ভবিষ্যতের সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় কৌশলগত জ্বালানি মজুত গড়ে তোলার এবং দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানকে জাতীয় জরুরি কর্মসূচি হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছে।
আলোচনা সভায় উপস্থাপিত প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট এটি কেবল তাৎক্ষণিক সমস্যা নয়, বরং এটি একটি কাঠামোগত সংকটও। দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ, সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং আমদানি-নির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর বিকল্প নেই।
প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মোট গ্যাস ব্যবহারের ২৮ দশমিক ৮২ শতাংশের জোগান এসেছে আমদানি করা এলএনজি থেকে। অন্যদিকে, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমে যাচ্ছে।
বর্তমানে দেশে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের কাঠামোগত ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। সিপিডি বলছে, দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ৮৪ শতাংশের বেশি এখনো প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা এবং ফার্নেস অয়েলে নির্ভর করছে। বিপরীতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জলবিদ্যুতের অবদান এখনো খুবই কম।
উপস্থাপিত প্রবন্ধে সতর্ক করে বলা হচ্ছে, বর্তমান হারে গ্যাস ব্যবহার অব্যাহত থাকলে ২০৩১ সালের মধ্যে দেশের অবশিষ্ট গ্যাসের মজুত প্রায় শেষ হয়ে যাবে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সাশ্রয় এবং নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
বর্তমান গ্যাস সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে বলা হয়েছে অনুসন্ধানে ব্যর্থতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, চাহিদা ও সরবরাহের ক্রমবর্ধমান ভারসাম্যহীনতা এবং আমদানি করা এলএনজির ওপর বাড়তে থাকা নির্ভরতা।
সিপিডির মতে, গ্যাসের ঘাটতির প্রভাব ইতোমধ্যে শিল্প উৎপাদন, গৃহস্থালি পর্যায়ে জ্বালানি ব্যয় এবং পরিবহন খাতে পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও সার কারখানাসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান উৎপাদন কমাতে বাধ্য হচ্ছে বা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখছে।
আলোচনা সভায় অংশ নেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ, ব্যবসায়ী নেতা, শিক্ষাবিদ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অপরাধ দমনের অংশ হিসেবে যশোর শহরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট বিশেষ মহড়া সম্পন্ন করেছে।
গতকাল বুধবার রাত ৮টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে এই মহড়া শুরু হয়ে শহরের অন্তত ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ঘুরে আবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ মহড়ায় পালবাড়ি, চাঁচড়া চেকপোস্ট, মনিহার, হাইকোর্ট মোড়, নিউমার্কেট, দড়াটানা, রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মহড়ায় অংশ নেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কমলেশ মজুমদার, যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম, রাজিবুল ইসলাম, শাখাওয়াত হোসেন, আহসান হাবীব, রাইসুল ইসলাম, র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এবং জেলা আনসার ও ভিডিপি’র অতিরিক্ত পরিচালক আবির রহমানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) আহসান হাবীব বাসস’কে বলেছেন, জেলাজুড়ে চলমান পুলিশি অভিযানকে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে এবং দুর্বৃত্তদের সতর্ক করতেই এ মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে।
তিনি জানিয়েছেন, মহড়া চলাকালে মোবাইল কোর্টও পরিচালনা করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়নপুর বাজারে স্বর্ণ ব্যবসায়ী ওমর সরকার (৪৫) কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যার অপরাধে বিচারক আসামি জয় বিশ্বাস অনিক (২১) কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। এ ছাড়া তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। অপর ধারায় জয় বিশ্বাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অপর আসামি হৃদয় সূত্রধর (২১) কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয়) মো. কামাল হোসাইন এ রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জয় বিশ্বাস মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার সুভারিয়া সরকার বাড়ির অর্জুন বিশ্বাসের ছেলে। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হৃদয় সূত্রধর মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়নপুর সারপাড় এলাকার গোপাল সূত্রধরের ছেলে।
হত্যার শিকার ব্যবসায়ী ওমর সরকার মতলব দক্ষিণ উপজেলার সারপাড় এলাকার শ্রী রবি ভক্তের ছেলে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী জানা যায়, ২০২২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টার পর হতে ২টার মধ্যে ওমর সরকার নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মাধবী শিল্পালয় থেকে বাড়িতে আসার পথে উভয় আসামি তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। ওই রাতেই ঘটনাটি আড়াল করার জন্য জয় বিশ্বাস অনিক নিজেই ওমর সরকারকে কে বা কারা হত্যা করেছে- এমন খবর তার বাবার কাছে পৌঁছে দেয়। তখন রবি ভক্ত ও তার বড় ছেলে জীবন কৃষ্ণ বাড়ি থেকে প্রায় ৮০ গজ দূরে দাস বাড়ির উঠানে তার রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনায় পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি মতলব দক্ষিণ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন ওমর সরকারের বাবা রবি ভক্ত। মামলা হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত করে ঘটনায় জড়িত উল্লেখিত আসামি হৃদয়কে ২৩ ফেব্রুয়ারি এবং জয় বিশ্বাসকে ২৪ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেন।
মামলাটির তদন্ত করেন তৎকালীন মতলব দক্ষিণ থানার এসআই মো: হাবিবুর রহমান। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১০ মে তিনি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) সালমা বেগম বলেন, মামলাটি চলমান অবস্থায় আদালত ২১ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেন। স্বাক্ষ্যগ্রহণ, মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা ও আসামিরা তাদের অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক এ রায় দেন। রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জয় বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন এবং অপর আসামি হৃদয় জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন।
আসামিপক্ষে সরকার নিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাড. শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাপোলি ছেড়ে তুরস্কের গৌরবময় ক্লাব ফেনারবাচে যোগ দিয়েছেন ৩৩ বছর বয়সী বেলজিয়ান স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকু। ইনজুরির কারণে গত মৌসুমটি তার জন্য একেবারেই ভালো কাটেনি; সিরি ‘এ’-এর ক্লাবটির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মাত্র সাতটি ম্যাচে তিনি মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন।
বেলজিয়ামের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের মালিক হিসেবে লুকাকু আবারও তুরস্কে ফিরলেন। ১৯৯৬-১৯৯৭ মৌসুমে তিনি শৈশবে তুরস্কে ছিলেন, যখন তার বাবা রজার লুকাকু দেশটির সুপার লিগের ক্লাব গেঞ্চলারবির্লিগির হয়ে পেশাদার ফুটবল খেলতেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেনারবাচের সমর্থকদের উদ্দেশ্যে একটি ভিডিওতে আবেগঘন কণ্ঠে লুকাকু বলেন, ‘আপনাদের ক্লাবে যোগ দেওয়া আমার জন্য এক দারুণ সম্মান ও সৌভাগ্যের বিষয়। আমি সম্পূর্ণ ফিট এবং মাঠে নামতে পুরোপুরি প্রস্তুত।
অনেক বছর পর আবারও তুরস্কে ফিরতে পেরে এটি আমার জন্য অত্যন্ত আবেগপূর্ণ এক মুহূর্ত, কারণ এখানেই ছোটবেলায় বাবার হাতে ধরে পেশাদার ফুটবলের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয়েছিল।’
তবে লুকাকুর চুক্তি এবং ট্রান্সফার ফির বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি কোনো ক্লাবই।
ইনজুরিতে জর্জরিত মৌসুম কাটানোর পর, সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে নিজের শক্তি জানান দিয়ে সাবেক চেলসি, এভারটন ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা নিজেকে প্রমাণ করেছেন। বেলজিয়ামের হয়ে আসরে তিনি ৩টি গোল করেন। ক্যারিয়ারে আন্ডারলেখটের হয়ে বেলজিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, চেলসির হয়ে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ এবং ইন্টার মিলান ও নাপোলির হয়ে ইতালিয়ান সিরি ‘এ’ শিরোপা জয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে এই তারকা স্ট্রাইকারের।
মার্সেই থেকে ম্যাসন গ্রিনউডকে দলে ভেড়ানোর পর চলতি গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ফেনারবাচে যোগ দেওয়া দ্বিতীয় সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড হলেন লুকাকু। টানা চার মৌসুম ধরে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী গালতাসারাইয়ের পিছনে থেকে রানার্স-আপ হিসেবে লিগ শেষ করা ফেনারবাচে ২০১৪ সালের পর থেকে আর তুর্কি লিগ শিরোপা জয়ের স্বাদ পায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ পুনর্বহাল করার দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে শহরের একটি অভিযাত রেস্টুরেন্টে সংগীতশিল্পী মো. তারেক ইকবাল চৌধুরী সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি তুলে ধরেন।
তার সাথে উপস্থিত ছিলেন অব. পুলিশ কর্মকর্তা নীহার রঞ্জন নাথ, সুজন শ্রীমঙ্গল উপজেলা কমিটি সাধারন সম্পাদক কাওছার ইকবাল, এবং শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক সৈয়দ সালাউদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনে যাত্রীদের পক্ষে মো. তারেক ইকবাল চৌধুরী লিখিত বক্তব্যে বলেন, হবিগঞ্জ-সিলেট সড়কে শ্রীমঙ্গল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা। শ্রীমঙ্গল থেকে প্রতিদিন হবিগঞ্জ, সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, রোগী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও পর্যটক যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসের শ্রীমঙ্গলে কোন স্টপেজ নেই। তাই যাত্রীদের ওঠানামার সুযোগ না থাকায় সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। মানুষ স্বাভাবিক যাতায়াতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশেষ করে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ যাত্রীদের অতিরিক্ত সময় এবং অর্থ ব্যয় করে বাস পরিবর্তন করে গিয়ে সমস্যা হচ্ছে। এতে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত শ্রীমঙ্গলের যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি তিন দফা দাবি তুলে ধরে বলেন, হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস সার্ভিসে পূর্বের মতো শ্রীমঙ্গল থেকে যাত্রীদের ওঠানো ও নামানোর ব্যবস্থা অবিলম্বে পুনর্বহাল করা হোক, কোনো পরিবহন ব্যবসায়িক বিরোধের কারণে সাধারণ যাত্রীদের পরিবহন সুবিধা বন্ধ না করা হোক এবং শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জগামী যাত্রীদের জন্য নিয়মিত, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব বিরতিহীন বাস সার্ভিস নিশ্চিত করা হোক।
এই দাবি বাস্তবায়নে তিনি জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন (বিআরটিএ), সংশ্লিষ্ট পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ