বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৩:৫১ পি.এম
নাপোলি ছেড়ে তুরস্কের গৌরবময় ক্লাব ফেনারবাচে যোগ দিয়েছেন ৩৩ বছর বয়সী বেলজিয়ান স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকু। ইনজুরির কারণে গত মৌসুমটি তার জন্য একেবারেই ভালো কাটেনি; সিরি ‘এ’-এর ক্লাবটির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মাত্র সাতটি ম্যাচে তিনি মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন।
বেলজিয়ামের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের মালিক হিসেবে লুকাকু আবারও তুরস্কে ফিরলেন। ১৯৯৬-১৯৯৭ মৌসুমে তিনি শৈশবে তুরস্কে ছিলেন, যখন তার বাবা রজার লুকাকু দেশটির সুপার লিগের ক্লাব গেঞ্চলারবির্লিগির হয়ে পেশাদার ফুটবল খেলতেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেনারবাচের সমর্থকদের উদ্দেশ্যে একটি ভিডিওতে আবেগঘন কণ্ঠে লুকাকু বলেন, ‘আপনাদের ক্লাবে যোগ দেওয়া আমার জন্য এক দারুণ সম্মান ও সৌভাগ্যের বিষয়। আমি সম্পূর্ণ ফিট এবং মাঠে নামতে পুরোপুরি প্রস্তুত।
অনেক বছর পর আবারও তুরস্কে ফিরতে পেরে এটি আমার জন্য অত্যন্ত আবেগপূর্ণ এক মুহূর্ত, কারণ এখানেই ছোটবেলায় বাবার হাতে ধরে পেশাদার ফুটবলের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয়েছিল।’
তবে লুকাকুর চুক্তি এবং ট্রান্সফার ফির বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি কোনো ক্লাবই।
ইনজুরিতে জর্জরিত মৌসুম কাটানোর পর, সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে নিজের শক্তি জানান দিয়ে সাবেক চেলসি, এভারটন ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা নিজেকে প্রমাণ করেছেন। বেলজিয়ামের হয়ে আসরে তিনি ৩টি গোল করেন। ক্যারিয়ারে আন্ডারলেখটের হয়ে বেলজিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, চেলসির হয়ে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ এবং ইন্টার মিলান ও নাপোলির হয়ে ইতালিয়ান সিরি ‘এ’ শিরোপা জয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে এই তারকা স্ট্রাইকারের।
মার্সেই থেকে ম্যাসন গ্রিনউডকে দলে ভেড়ানোর পর চলতি গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ফেনারবাচে যোগ দেওয়া দ্বিতীয় সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড হলেন লুকাকু। টানা চার মৌসুম ধরে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী গালতাসারাইয়ের পিছনে থেকে রানার্স-আপ হিসেবে লিগ শেষ করা ফেনারবাচে ২০১৪ সালের পর থেকে আর তুর্কি লিগ শিরোপা জয়ের স্বাদ পায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ পুনর্বহাল করার দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে শহরের একটি অভিযাত রেস্টুরেন্টে সংগীতশিল্পী মো. তারেক ইকবাল চৌধুরী সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি তুলে ধরেন।
তার সাথে উপস্থিত ছিলেন অব. পুলিশ কর্মকর্তা নীহার রঞ্জন নাথ, সুজন শ্রীমঙ্গল উপজেলা কমিটি সাধারন সম্পাদক কাওছার ইকবাল, এবং শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক সৈয়দ সালাউদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনে যাত্রীদের পক্ষে মো. তারেক ইকবাল চৌধুরী লিখিত বক্তব্যে বলেন, হবিগঞ্জ-সিলেট সড়কে শ্রীমঙ্গল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা। শ্রীমঙ্গল থেকে প্রতিদিন হবিগঞ্জ, সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, রোগী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও পর্যটক যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসের শ্রীমঙ্গলে কোন স্টপেজ নেই। তাই যাত্রীদের ওঠানামার সুযোগ না থাকায় সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। মানুষ স্বাভাবিক যাতায়াতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশেষ করে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ যাত্রীদের অতিরিক্ত সময় এবং অর্থ ব্যয় করে বাস পরিবর্তন করে গিয়ে সমস্যা হচ্ছে। এতে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত শ্রীমঙ্গলের যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি তিন দফা দাবি তুলে ধরে বলেন, হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস সার্ভিসে পূর্বের মতো শ্রীমঙ্গল থেকে যাত্রীদের ওঠানো ও নামানোর ব্যবস্থা অবিলম্বে পুনর্বহাল করা হোক, কোনো পরিবহন ব্যবসায়িক বিরোধের কারণে সাধারণ যাত্রীদের পরিবহন সুবিধা বন্ধ না করা হোক এবং শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জগামী যাত্রীদের জন্য নিয়মিত, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব বিরতিহীন বাস সার্ভিস নিশ্চিত করা হোক।
এই দাবি বাস্তবায়নে তিনি জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন (বিআরটিএ), সংশ্লিষ্ট পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি, এমনটি নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ভারত সফরসহ অন্যান্য সফর কোনোটাই এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের প্রধানরা যে সময় কথা বলেন, তখন অনেক সমস্যার সমাধানের সুযোগ তৈরি হয়। এই প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ভারতের উচিত হবে সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করা। যখন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন, তখন দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ঘটে এবং সমস্যা সমাধানে সুবিধা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর ভারত এবং জাপান সফর কবে ঘটবে, সেটা জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কবে জাপান সফর করবেন, সেটার দিনক্ষণ এখনো ঠিক করা হয়নি। এটি দুই দেশের উপযুক্ত সময়ে নির্ধারিত হবে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত আছেন। ভারত সফরসহ অন্যান্য সফর কোনোটাই চিন্তাভাবনা অনুযায়ী চূড়ান্ত হয়নি। আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাইয়ের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। তবে যখন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে বসেন, তখন অনেক কিছুই সমাধান হতে পারে। ভারত সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত হয়েছে। ভারত এই সুযোগ গ্রহণের ব্যাপারে ভেবে দেখতে পারে।’
সিঙ্গাপুরে জনশক্তি রফতানির ব্যাপারে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘সিঙ্গাপুরে জনশক্তি রফতানি করার জন্য সরকারি পর্যায়ে সফল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া সিংগাপুরে এক্সপোর্ট বৃদ্ধি করার জন্য সফল আলোচনা হয়েছে। আমি সিংগাপুরে ওয়েস্ট থেকে জ্বালানি তৈরির প্রজেক্ট পরিদর্শন করে এসেছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় ডেভিল হান্ট অপারেশন মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট নিষিদ্ধ শাল্লা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অরিন্দম চৌধুরী অপুকে (৪৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১২ আগস্ট) মধ্যরাতে, বিশেষ অভিযান চালানোর সময় তাকে উপজেলা সদরের নিজ বাসায় যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া অরিন্দম চৌধুরী অপু উপজেলার বাহাড়া ইউনিয়নের নাইন্দা গ্রামের মৃত অনিল চৌধুরীর ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অরিন্দম চৌধুরী অপু আগামী ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার জন্য সক্রিয় ছিলেন। গোপন সংবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে তাকে সুনামগঞ্জ জেলা আদালতে পাঠানো হয়।
শাল্লা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) শওকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অরিন্দম চৌধুরী অপু আগামী ১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে এবং সুনামগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড (IMO) এবং ইউরোপীয় বালিকা গণিত অলিম্পিয়াডের (EGMO) বিজয়ী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সাক্ষাৎকালে পদকজয়ী শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং গণিত অলিম্পিয়াডে তাঁদের অংশগ্রহণ, অভিজ্ঞতা ও অর্জনের কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে আরও সাফল্য অর্জনের জন্য শুভকামনা জানান।
এ সময় বাংলাদেশ বালিকা গণিত ফাউন্ডেশন (BGMF) পক্ষ থেকে তৃণমূল পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এ উদ্যোগে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
স্কুল পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণের জন্য একটি তহবিল গঠনের প্রস্তাব করা হলে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে অর্থায়নে তাৎক্ষণিক সম্মতি জানান।
এছাড়া বাংলাদেশ ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড কমিটির (BdMO) পক্ষ থেকে স্কুল পর্যায়ে Activity-Oriented Mathematics চালুর প্রস্তাব করা হলে প্রধানমন্ত্রী সেটির জন্যও সম্মতি জানান।
স্কুল শিক্ষকদের গণিত দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য ইংরেজি ভাষার দক্ষতা যাচাইয়ে IELTS পরীক্ষার আদলে একটি পৃথক গণিত দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা চালুর প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে গণিতচর্চা ও গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে ভবিষ্যতে সরকারের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তা প্রদান করা হবে।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. এ. এন. এম. এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াডের (IMO) জাতীয় কোচ মাহবুবুল আলম মজুমদার, বাংলাদেশ বালিকা গণিত ফাউন্ডেশন (BGMF) এর চেয়ার প্রফেসর সাদিয়া হামিদ কাজী এবং বাংলাদেশ ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড কমিটির (BdMO) সদস্য মো. আব্দুল হাকিম খান।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদক এবং ইজিএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী মনামী জামান, চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও রৌপ্য পদকজয়ী মো. রায়হান সিদ্দিকী, ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী জাওয়াদ হামীম চৌধুরী, ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী মোহাম্মদ মারজুক রহমান, আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী তাহসিন খান, রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী এম. জামিউল হোসেন, রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও ইজিএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী সাজি সেহনাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ