ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘কিক’ ছবিতে নওয়াজউদ্দিনের কুখ্যাত হাসির পেছনের আসল অনুপ্রেরণা কে


‘কিক’ ছবিতে নওয়াজউদ্দিনের কুখ্যাত হাসির পেছনের আসল অনুপ্রেরণা কে

বলিউডে খলনায়কের চরিত্রকে স্বাভাবিক ধারনা থেকে বের করে এক মনস্তাত্ত্বিক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য অভিনেতা নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীর তুলনা মেলা কঠিন। ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সাড়া জাগানো অ্যাকশন-কমেডি ছবি ‘কিক’ এর মুক্তির এক যুগ পেরিয়ে গেছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) ১২ বছর পূর্ণ হয়েছে সালমান খান অভিনীত এই বড় মাপের চলচ্চিত্রটির। তবে এক যুগ অতিবাহিত হওয়ার পরেও, ছবিতে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীর অভিনীত খলচরিত্র ‘শিব গজরা’ আজও দর্শকদের মনে অমলিন রয়েছে। বিশেষ করে চরিত্রটির জিব দিয়ে শব্দ করার সিগনেচার স্টাইল, সংলাপ বলার ধরন, এবং মেরুদণ্ড হিম করা সেই তীক্ষ্ণ হাসি হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম ভীতিপ্রদ দৃশ্য হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা নিজেই তার সেই বিখ্যাত হাসির পেছনের মূল অনুপ্রেরণা এবং রহস্যময় উৎস প্রকাশ করেছেন।

‘বলিউড বাবল’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে, নিজের এই কালজয়ী চরিত্র নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী বলেন, চরিত্রটির মানসিক অস্থিরতা ও অন্ধকার রসিকতা ফুটিয়ে তুলতে তিনি তার থিয়েটার জীবনের অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য দক্ষ অভিনেতার অভিনয়কে কাজে লাগিয়েছিলেন। নিজের অভিনয় কৌশল নিয়ে নওয়াজউদ্দিন উল্লেখ করেন, জিব নিয়ে টিক-টিক শব্দ করার বিষয়টি মূলত একটি সূক্ষ্ম ধরন যা থিয়েটারে তার অভিনয় অধিকাংশ সময়ে ব্যবহার করা হতো। এছাড়া, ‘কিক’ ছবিতে যে ভয়াবহ বা কুটিল হাসিটি দেখা গেছে, সেটি আসলে ‘অক্স’ ছবিতে মনোজ বাজপেয়ীর অভিনীত চরিত্র ও তার অভিনয় থেকে অনুপ্রাণিত।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

মনোজ বাজপেয়ীর প্রতি তার মুগ্ধতার কথা প্রকাশ করেও নওয়াজউদ্দিন উল্লেখ করেন, সেই অনবদ্য অভিনয় থেকে অনুপ্রাণিত হলেও, তিনি নিজের স্বতন্ত্র প্রতিভা ও সৃজনশীলতার স্পর্শ যোগ করেছেন, যাতে চরিত্রটি দর্শকদের কাছে আরও বেশি জীবন্ত, অনন্য, এবং উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা পরিচালিত ও প্রযোজিত ‘কিক’ মূলত ২০০৯ সালের একই নামের একটি সুপারহিট তেলেগু চলচ্চিত্রের অফিশিয়াল রিমেক ছিল। চলচ্চিত্রে সালমান খান ও নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীর মধ্যকার দ্বন্দ্ব এবং রসায়ন ছিল মূল আকর্ষণ। এর পাশাপাশি এই তারকাখচিত চলচ্চিত্রে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ, রণদীপ হুডা, মিথুন চক্রবর্তী, অর্চনা পূরণ সিং, সৌরভ শুক্লা, সুমনা চক্রবর্তী, এবং বিপুল শর্মার মতো বিখ্যাত শিল্পীরা। তাদের সবার নিখুঁত অভিনয় ছবিটিকে হিন্দি বাণিজ্যিক ধারার চলচ্চিত্রে অন্য একটি মাত্রা এনে দিয়েছে।

নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছে নেটফ্লিক্সের অপরাধধর্মী ছবি ‘রাত অকেলি হ্যায়: দ্য বংশাল মার্ডারস’-এ, যেখানে তিনি ইন্সপেক্টর জটিল যাদবের চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করে প্রচুর প্রশংসা কুঁড়িয়েছেন। বর্তমানে এই শক্তিশালী অভিনেতার ঝুলিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি ভিন্নধর্মী ও প্রতিশ্রুতিশীল প্রজেক্ট। এর মধ্যে ‘সেকশন ১০৮’ এবং ‘নূরানী চেহারা’ সিনেমা দুটি চলতি বছরেই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। পাশাপাশি একটি আন্তর্জাতিক হাইস্ট থ্রিলার সিনেমা ‘দ্য গ্রেট এস্কেপ ফারার’-এও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে এই বহুমুখী প্রতিভাবান অভিনেতাকে।

সূত্র: এনডিটিভি

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরে এসেছেন সেনাবাহিনী প্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৭ এম


তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরে এসেছেন সেনাবাহিনী প্রধান

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরে এলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

শনিবার (২৫ জুলাই) তিনি পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফেরেন। সফরের সময় তিনি তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ আনিতকাবির-এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সফরের সময় তিনি তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী Yaşar Güler, Chief of the Turkish General Staff General Selçuk Bayraktaroğlu, Commander of the Turkish Land Forces General Metin Tokel এবং Director of Istanbul Naval Shipyard Rear Admiral Recep Erdinç Yetkin-এর সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এছাড়াও, তিনি তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি এজেন্সি (SSB)-এর প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেন। Turkish Land Forces Headquarters পরিদর্শনকালে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়।

উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সফরের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিল্প ও সামরিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ASISGUARD, TUSAŞ (Turkish Aerospace Industries), MKE (Makine ve Kimya Endüstrisi A.Ş.), SARSILMAZ, STM (Savunma Teknolojileri Mühendislik ve Ticaret A.Ş.), ROKETSAN (Rocket Industry and Trade Inc.), ASELSAN (Askerî Elektronik Sanayi) এবং BAYKAR (Baykar Teknoloji) অন্তর্ভুক্ত।

পরিদর্শনকালে তিনি এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যবস্থা, গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D), অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী কার্যক্রম, প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ নিয়েও আলোচনা করেন।

সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্প, সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আখাউড়ায় বিশেষ অভিযানে উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০০ এম


আখাউড়ায় বিশেষ অভিযানে উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেপ্তার

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেল (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেল পৌর শহরের তারাগণ এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ জামশেদ শাহের ছেলে। তিনি আখাউড়া পৌরসভার রাধানগর এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ১২ নভেম্বর পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. শাকিল বাদী হয়ে আখাউড়া থানায় ১৩৭ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেলের নাম থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আখাউড়া থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।"
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল কর্নকাঠির আতঙ্কের নাম মাইনুল: জমি দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৪ এম


বরিশাল কর্নকাঠির আতঙ্কের নাম মাইনুল: জমি দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

বরিশাল সদর উপজেলার কর্নকাঠি এলাকায় গড়ে উঠেছে এক আতঙ্কের সাম্রাজ্য। নদীবেষ্টিত এই এলাকাটির সাধারণ মানুষের কাছে 'মাইনুল' যেন এক ত্রাসের নাম। জমি দখল, মাদক ব্যবসা, অটো-রিকশা থেকে চাঁদা আদায়সহ এমন কোনো অপকর্ম নেই যা তার সন্ত্রাসী বাহিনী করছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই বাহিনীর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না কেউ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাইনুল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান সুজনের অনুসারী হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তৎকালীন সময় থেকেই এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন তিনি। পরবর্তীতে সদর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নাক কাটা রুবেল’-এর অন্যতম সহযোগী হিসেবে নিজের বাহিনী আরও বিস্তৃত করেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও রসদ জোগান

গত জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে বরিশাল নগরীর সিএমবি রোড ও নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর ব্যাপক হামলায় মাইনুল ফকির সক্রিয়ভাবে অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, হামলাকারী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সন্ত্রাসীদের জন্য নিয়মিত খাবার ও প্রয়োজনীয় রসদ জোগানোর মূল দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

৫ই আগস্টের পর আত্মগোপন ও ফের তাণ্ডব

গত ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মাইনুল কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন। তবে কিছুদিন পর ফের রুবেল বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে কর্নকাঠি এলাকায় তাণ্ডব শুরু করেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্তমানে সাধারণ কৃষকদের জমি দখল, মানুষের মাছের ঘের দখল এবং মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবে অন্যের জমি খাস বা দখল করে দেওয়াই তাদের প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মহড়া ও গ্রেফতারি পরোয়ানা

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০:১৫ মিনিটের দিকে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের রিফিউজি কলোনি এলাকায় মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে প্রকাশ্যে দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্রের মহড়া দেয় মাইনুল বাহিনী। এতে পুরো এলাকায় মারাত্মক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা জানান, মাইনুলের অত্যাচারে নদীর ওপারের সাধারণ মানুষ সবসময় তটস্থ থাকেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে করা মামলায় বিজ্ঞ আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। তবুও প্রকাশ্যে এমন অস্ত্র মহড়া ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলিয়ে যাচ্ছে। এলাকায় বাসি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এলাকাবাসী অভিযোগ অতি দ্রুত এই শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উঠানে দাঁড়িয়ে থাকা কিশোরীর পায়ে বিদ্ধ হলো গুলি সদৃশ বস্তু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৫ এম


উঠানে দাঁড়িয়ে থাকা কিশোরীর পায়ে বিদ্ধ হলো গুলি সদৃশ বস্তু

খুলনা মহানগরীতে চলতি মাসে আবারও গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক ঘটনা সামনে এসেছে। নগরীর হরিণটানা থানার বয়রা আন্ধিরঘাট এলাকায় বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ফাতেমা আক্তার (১৭) নামের এক কিশোরী এই গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে এই গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার ক্ষেত্রে বিদ্ধ করা বস্তুটির প্রকৃত পরিচয় এখনো নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না, এটি কি আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি না কি অন্য কিছু।

প্রাথমিকভাবে এক্স-রে ফিল্ম পর্যবেক্ষণ করে পুলিশের ধারণা, এটি একটি এয়ারগানের গুলি হতে পারে। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকেও এখনো কোনো চূড়ান্ত মতামত পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। গুলিবিদ্ধ ফাতেমাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফাতেমা আক্তার জানিয়েছেন, খালার বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি যখন বাড়ি থেকে বের হয়ে উঠানের মাঝামাঝি পৌঁছান, তখন হঠাৎ একটি বিকট শব্দ শুনতে পান। ওই শব্দ শুনে তিনি ঘুরে দাঁড়ানোর সাথেসাথে ডান পায়ে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। নিচে তাকিয়ে দেখেন, তার পা থেকে রক্ত বের হচ্ছে।

পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার ডান পায়ে গুলি সদৃশ একটি ধাতব বস্তু বিদ্ধ রয়েছে। চিকিৎসকরা সেটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই বস্তুটি উদ্ধার করে পরীক্ষার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি গুলি কি না।

হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে এক্স-রে পর্যবেক্ষণে এটি এয়ারগানের গুলি বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। তবে এ পর্যন্ত ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।

এদিকে, চলতি জুলাই মাসের প্রথম ২৫ দিনেই খুলনা মহানগরীতে এটি তৃতীয় গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটলো। এর আগে ১৪ জুলাই দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে নগরীর সদর থানার শান্তিধাম মোড়ে দুর্বৃত্তরা সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

৩ জুলাই নগরীর নতুন বাজার বেড়িবাঁধ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন এক স্কুলছাত্রী। আর ২ জুলাই লবণচরা থানার আশীবিঘা বালুর মাঠ এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন রাতুল শেখ (২২) নামের এক তরুণ।

টানা গুলির এসব ঘটনার কারণে নগরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ বেড়ে চলেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্নও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অল্প সময়ের মধ্যে একই মহানগরীতে একের পর এক গুলির ঘটনা নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে জনমনে শঙ্কা সৃষ্টি করেছে।

অপরদিকে, খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেডিএ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, সাংবাদিকদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এজন্য তিনি জানিয়েছেন, সাংবাদিকদের যেকোনো কর্মসূচির সঙ্গে বিএনপির একাত্মতা থাকবে।

তিনি নগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ফ্যাসিবাদের দোসরদের ইন্ধনে খুলনায় অপরাধ প্রবণতা দিনদিন বেড়ে চলেছে। এজন্য তিনি সচেতন সাংবাদিক এবং নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় নগর বিএনপি কার্যালয়ে মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনা (এমইউজে) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%