ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সান্তোসকে জেতানোর পর প্রতিপক্ষের ‘হৃদয়ও’ জিতলেন নেইমার


সান্তোসকে জেতানোর পর প্রতিপক্ষের ‘হৃদয়ও’ জিতলেন নেইমার

বল যেন তার কথা শোনে! তা না হলে এমন অবিশ্বাস্য পাসটা কীভাবে দিতে পারেন নেইমার জুনিয়র। এই পাসটি চোখে লেগে থাকা এক বিশেষ পাস।

কনমেবল সুদামেরিকানার শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ক্লাব দেপোর্তিভো মাকারার বিপক্ষে ম্যাচে ফিরতে যখন সান্তোস মরিয়া হয়ে ওঠে। ঠিক তখনই ম্যাচের ৪৪ মিনিটে নেইমার এই অবিশ্বাস্য পাসটি করেন। ডি বক্সের বেশ বাইরে থেকে তিনি সতীর্থর কাছ থেকে পাওয়া বলকে বাঁ পায়ে আলতো টোকা দিয়ে, কয়েকজন খেলোয়াড়ের মাথার ওপর দিয়ে, ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার খেলা শুরু করেন।

ডি-বক্সে ঢুকে ফাঁকা জায়গা পেয়ে গ্যাব্রিয়েল বারবোসা সুবিধামতো বল পান।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

এমন অনিন্দ্য পাস পেয়ে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে তিনি জালের পথ দেখান। ফলে সান্তোস ১-১ গোলে সমতায় ফেরে।

৭৬ মিনিটে আবারো একটি অ্যাসিস্ট করেন নেইমার। এবার কর্নার থেকে দেওয়া অ্যাসিস্টে গোল করেন উইলিয়ান আরাও।

সেই গোলে পরে ২-১ ব্যবধানে জয় লাভ করে হাসিমুখে মাঠ ছাড়েন নেইমাররা। লিডটি আরো বড় হতে পারত, যদি না দুটি গোল বাতিল না হতো। এর আগে ম্যাচের ৫ মিনিটে ফ্রাঙ্কো পোজের গোলে লিড নিয়েছিল ইকুয়েডরের ক্লাব মাকারা।

অ্যাসিস্ট করে সান্তোসের হৃদয় জিততে সক্ষম হন নেইমার। ঠিক তেমনি, ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গেও সেলফি তোলার আবেদন মিটিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

রেফারি শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে মাকারার খেলোয়াড়রা লাইন ধরেন ৩৪ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের সঙ্গে সেলফি তুলতে। হাসিমুখে সেই আবদার মিটিয়েছেন তিনি। সেলফি তোলার সময় প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের মুখে তৃপ্তির হাসি ছিল। দেখে বোঝার উপায় ছিল না কিছুক্ষণ আগে নেইমারের কাছেই তাদের পরাজয় ঘটেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজও ঢাকার বাতাস মাঝারিমানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ এম


আজও ঢাকার বাতাস মাঝারিমানের

বিশ্বে জলাবায়ু পরিবর্তন এবং উন্নয়নমূলক কাজ চলমান থাকায় দিন দিন বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বাংলাদেশ রাজধানী ঢাকার অবস্থান বায়ুদূষণের তালিকায় ২১তম।

ঢাকার বায়ুমান স্কোর ৯০ রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের এই অবস্থার মানকে মাঝারিমানের বলা হচ্ছে। এদিকে, গতকাল বৃহস্পতিবারও ঢাকায় বাতাস ছিল মাঝারিমানের।

এছাড়া, সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, বায়ুদূষণের তালিকায় ১৮৬ স্কোর নিয়ে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা দূষণের শীর্ষে রয়েছে, যা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হচ্ছে। এছাড়া ১৭৬ স্কোর নিয়ে মালয়েশিয়ার কুচিং শহর দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। তালিকার তৃতীয় অবস্থানে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা রয়েছে, যার স্কোর ১৭২।

এর পরের অবস্থানে আছে কাতারের দোহা, পাকিস্তানের লাহোর, বাহারীনের মানামা এবং কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা, যা দূষণে ওপরের দিকে রয়েছে।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে মনে করা হয়। স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে বায়ুর মান ধরা হয় ‘মাঝারি বা সহনীয়’। আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ফলাফল থাকে।

অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে ধরা হয়। তাছাড়া, স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
হবিগঞ্জ

গ্যাস সংকটে ১৭১ কারখানায় উৎপাদন বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০২ এম


গ্যাস সংকটে ১৭১ কারখানায় উৎপাদন বন্ধ

হবিগঞ্জে গ্যাস সংকট ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। গত ১৫ দিন ধরে চাহিদার তুলনায় অল্প গ্যাস পাওয়া গেলেও বুধবার (১২ আগস্ট) থেকে জেলার অধিকাংশ শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

এতে করে সংশ্লিষ্টভাবে ছোট-বড় ১৭১টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে লক্ষাধিক শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।

শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণে প্রতিদিন বিপুল অঙ্কের উৎপাদন ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষত, রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে।

উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণে নির্ধারিত সময়ে পণ্য পাঠিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, ফলে বিদেশি ক্রেতাদের অর্ডার বাতিল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের মহাব্যবস্থাপক (প্রকৌশল) আবুল হোসেন জানিয়েছেন, তাদের শিল্পপার্কে মোট ছয়টি কারখানা রয়েছে। টায়ার ও পাওয়ার প্লান্ট ছাড়া অন্য চারটি প্রতিষ্ঠানই সম্পূর্ণরূপে রপ্তানিমুখী।

শিল্পপার্কে শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ১২ হাজার মানুষ কাজ করেন। কারখানাগুলোর দৈনিক অনুমোদিত গ্যাসের চাহিদা ১৩ দশমিক ৬ স্ট্যান্ডার্ড মিলিয়ন ঘনফুট, অথচ কয়েকদিন ধরে মাত্র ৩ স্ট্যান্ডার্ড মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছিল। এতে উৎপাদন চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। বুধবার রাত ১২টা থেকে সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।

স্টার সিরামিকসের প্রশাসন বিভাগের কর্মকর্তা পল্লব জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানে কিছুদিন ধরে চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ থেকে এক-চতুর্থাংশ গ্যাস পাওয়া যাচ্ছিল। বুধবার দুপুর থেকে তা পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে। উৎপাদন বন্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ে পণ্য পাঠানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এসএম স্পিনিংয়ের মহাব্যবস্থাপক আবুল বাশার জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানে সাড়ে ১৩ হাজার শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করেন। বুধবার বিকেল পৌনে ৪টা থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন ৩৮ হাজার মেট্রিক টন সুতা উৎপাদন হতো। বর্তমানে পুরো উৎপাদন বন্ধ, ফলে দৈনিক প্রায় ১ লাখ ২১ হাজার ৬০০ ডলার ক্ষতি হচ্ছে, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় দেড় কোটি টাকা।

হবিগঞ্জের স্থানীয় একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ফরাস দেবনাথ জানান, কিছু দিন ধরে গ্যাসের চাপ কম থাকায় উৎপাদন ঠিকভাবে করা যাচ্ছিল না। এখন গ্যাস পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কারখানার কাজও বন্ধ রয়েছে এবং তিনি বলেন, কারখানা বন্ধ থাকায় শ্রমিক-কর্মচারীরা কর্মস্থলে এসে অলস সময় পার করছেন। এভাবে দীর্ঘদিন চললে তাদের আয়-রোজগার ও সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাবে।

একটি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, হবিগঞ্জের সব শিল্প-কারখানায় একইভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা হয়নি। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান এখনো গ্যাস পাচ্ছে। তিনি জানান, আমাদের গ্যাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু কিছু কিছু কোম্পানিতে এখনও গ্যাস সরবরাহ চলছে। তাহলে একই এলাকার শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই ভিন্নতা কেন? এটা বৈষম্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, গ্যাস সংকট যদি জাতীয় সমস্যা হয়, তাহলে সব শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে একই নীতি প্রয়োগ করা উচিত। কোন প্রতিষ্ঠান গ্যাস পাবে এবং কোন প্রতিষ্ঠান গ্যাস পাবে না—এ ধরনের বৈষম্য শিল্প খাতের জন্য আরও সংকট তৈরি করবে।

হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের (প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ) মহাব্যবস্থাপক দীপক কুমার দেব জানিয়েছেন, তাদের প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩৫ হাজার শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। তিনি জানান, কয়েকদিন ধরে গ্যাস সংকট চললেও বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সরবরাহ একেবারে শূন্য হয়ে গেছে, ফলে শিল্পপার্কের সব কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

স্কয়ার ডেনিমের মহাব্যবস্থাপক আব্দুল মাজেদ বলেছেন, তাদের দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ২০ মেগাওয়াট। কিন্তু বুধবার বিকেল তিনটা থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এতে কারখানার প্রায় তিন হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি শতভাগ রপ্তানিমুখী হওয়ায় বিদেশি ক্রেতাদের অর্ডার নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বায়ারদের অর্ডার নেওয়া আছে, কিন্তু এখন উৎপাদন করা যাচ্ছে না। সময়মতো শিপমেন্ট দিতে না পারলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একসময় বিদেশি ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হবিগঞ্জে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৭১টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠান শতভাগ রপ্তানিমুখী। কিছু প্রতিষ্ঠান আংশিকভাবে রপ্তানিমুখী।

শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বড় একটি অংশ ক্যাপটিভ পাওয়ার প্লান্টের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। গ্যাস না থাকায় ক্যাপটিভ পাওয়ারও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বিদ্যুৎ ও উৎপাদন—দু’দিক থেকেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শিল্প-কারখানাগুলো।

শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকেই গ্যাস সংকট শুরু হয়। প্রথমদিকে চাহিদার তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ বা এক-চতুর্থাংশ গ্যাস সরবরাহ করা হলেও কোনোভাবে উৎপাদন চালু রাখা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু বুধবার থেকে সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ গ্যাস সরবরাহ কমানো বা বন্ধের বিষয়ে একাধিক চিঠি দিয়েছে। তবে কেন সরবরাহ কমানো বা বন্ধ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে চিঠিগুলোতে স্পষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি বলে দাবি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর।

জালালাবাদ গ্যাস টি অ্যান্ড ডি সিস্টেম লিমিটেডের উপমহাব্যবস্থাপক মো. রুহুল করিম চৌধুরী জানান, গ্যাস সংকট জাতীয় সমস্যা। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকেই এ সংকট শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রগুলোতে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর কারণে শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ কমাতে হয়েছে। তবে আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এদিকে, শিল্প-কারখানা বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের কর্মসংস্থান, উৎপাদন, রপ্তানি আয় ও বৈদেশিক ক্রেতাদের আস্থা—সব কিছুই ঝুঁকিতে পড়ছে বলে দাবি উদ্যোক্তাদের। উদ্যোক্তারা শ্রমিক-কর্মচারীদের পাশাপাশি দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার্ত ৩১ পরিবারকে সহায়তা দিল সিভাসু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৩ এম


বন্যার্ত ৩১ পরিবারকে সহায়তা দিল সিভাসু

সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর মেরামত এবং গবাদিপ্রাণী কেনার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ৩১ বন্যার্ত পরিবারকে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) পক্ষ থেকে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

এই সহায়তা প্রদান করা হয় বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে বাঁশখালী উপজেলার সরকারি আলাওল কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে এই অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এই অর্থ সহায়তা বন্যার্তদের পুনর্বাসন কর্মসূচির একটি অংশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভূমিকায় ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর শাহনাজ সুলতানা, ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. একেএম হুমায়ুন কবির, কর্মকর্তা প্রতিনিধি সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার মো. জালাল উদ্দিন, সহকারী রেজিস্ট্রার মো. ওমর ফারুক এবং ছাত্র প্রতিনিধি জিয়া উদ্দিন, মাইনুল হাসান, তানভীরুল ইসলাম, তারেকুর রহমান, আরিফুল হক আলভীর ও আশরাফ উদ্দিন মুন্না।

এর আগে গত ১২ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে মারাত্মকভাবে প্লাবিত ও ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী উপজেলার কাথারিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ৫০০ প্যাকেট রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, পানীয় জল ও ওষুধ বিতরণ করা হয়। এছাড়া প্রাণী-খাদ্য ও গবাদিপ্রাণীর ওষুধসামগ্রীও বিতরণ করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে অঞ্চলভিত্তিক চলাচলের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৫ এম


রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে অঞ্চলভিত্তিক চলাচলের উদ্যোগ

রাজধানী ঢাকা শহরের যানজটের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ানো ব্যাটারিচালিত রিকশাসহ গণপরিবহন ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম সম্প্রতি নগর ভবনে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, 'ঢাকা শহরকে কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে নির্দিষ্ট এলাকার রিকশা ওই এলাকার মধ্যেই চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। এক এলাকার রিকশা অন্য এলাকায় গিয়ে যাতে যানজট সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজন অনুযায়ী দিন ও সড়কভিত্তিক চলাচলের বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।'

তিনি বলেন, 'রিকশার সমস্যাটা কোত্থেকে আসলো, কীভাবে আসলো- সেটা বের করে সমাধান করতে হবে। এই সমস্যাটাও আমাদেরই, আমাদেরই সমাধান করতে হবে। সিটি কর্পোরেশনকেই সমাধান করতে হবে।'

আব্দুস সালাম বলেন, ঢাকা শহরের রাস্তায় বর্তমানে এদিক-সেদিক, উল্টো দিকসহ বিভিন্নভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে। এসব রিকশা চালকদের অনেকেই ট্রাফিক আইন ও চলাচলের শৃঙ্খলা মানছে না। ফলে নগরীর বিভিন্ন সড়কে অযাচিত যানজট আরও বাড়ছে।

রিকশা ব্যবস্থাপনাকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনতে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বন্যা, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় এসে ফুটপাত ও অন্যান্য উন্মুক্ত স্থানে অবস্থান নিচ্ছে।

কেউ রিকশা চালাচ্ছে, আবার কেউ ভ্যান নিয়ে সবজি বা অন্যান্য পণ্য বিক্রি করছে। এভাবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে মানুষের ঢাকামুখী প্রবেশ নগরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

তিনি বলেন, 'সারা বাংলাদেশের মানুষকে কি আমরা ঢাকা শহরে জায়গা দিতে পারব? এটাও তো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।' এ কারণে রিকশা ও সংশ্লিষ্ট পরিবহন ব্যবস্থাকে নিবন্ধনের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন আব্দুস সালাম।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, গত ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা ঢাকায় প্রবেশের প্রবণতা বেড়েছে। এসব রিকশাকে একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মধ্যে আনা হবে। এজন্য ঢাকা শহরকে কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, 'ডেমরার একটা রিকশা কোনোভাবেই নিউ মার্কেটে যেতে পারবে না। অঞ্চলভিত্তিক আমরা ভাগ করে দেব। ভাগ করে দিয়ে তাদেরকে হয়তো দিনও ভাগ করে দেব।

কিছু কিছু রাস্তা ভাগ করে দেব, কিছু কিছু রাস্তায় যাতে তারা একেবারেই চলাচল করতে না পারে-সেই জায়গাটা ঠিক করে দেব।'

তিনি আরও বলেন, লাইসেন্স ছাড়া কেউ ঢাকা শহরে রিকশা চালাতে পারবে না। কেরানীগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে চলাচল করা কিংবা ডেমরা থেকে নদী পার হয়ে রিকশা নিয়ে অন্য এলাকায় চলে আসার কোন সুযোগ থাকবে না। একইভাবে উত্তর সিটির রিকশাও নির্বিচারে এই এলাকায় চলাচল করতে পারবে না।

আব্দুস সালাম বলেন, 'আমরা অঞ্চলভিত্তিক ভাগ করে দেব। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে আমরা এই বিষয়টিকে একটি পদ্ধতির মধ্যে আনতে চাই। সেটার জন্য তো কিছুটা সময় লাগবে এবং এ বিষয়ে গণমাধ্যমসহ সকলের সহযোগিতা চাই।'

তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধিবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়া চলছে।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আইন প্রণয়ন করে সিটি কর্পোরেশনের কাছে পাঠানোর পর তা বাস্তবায়ন করা হবে।

রিকশার পাশাপাশি বাস চলাচলেও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের কথা বাসস’কে জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, ঈদের আগে যত্রতত্র বাস থামানো এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস থামানো ও যাত্রী ওঠানোর জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, 'যত্রতত্র যাতে বাস থামাতে না পারে, যত্রতত্র যেখান সেখান থেকে যাতে যাত্রী উঠাতে না পারে-এটাও একটা সিস্টেমে আনতে হবে।'

আব্দুস সালাম বলেন, পরিবহন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কিছু সময় দেওয়া হয়েছে এবং এখন পরিবহন ব্যবস্থা কেও একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার কাজ চলছে। আশা করি, কয়েক মাসের মধ্যে অনেকটা পদ্ধতির মধ্যে চলে আসবে, ইনশাআল্লাহ।

নগরীর যানজট ও অব্যবস্থাপনার জন্য শুধু প্রশাসন বা সিটি কর্পোরেশনকে দায়ী না করে নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল হওয়ারও আহ্বান জানান ডিএসসিসি প্রশাসক।

তিনি বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য, সুন্দর ও শৃঙ্খলাপূর্ণ নগর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতাও প্রয়োজন।

এদিকে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি বলেন, 'স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ এবং স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর আলোকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।'

মীর শাহে আলম বলেন, 'এ নীতিমালা সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হলে নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচলে শৃঙ্খলা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক লাইসেন্সিং ও নিবন্ধন কার্যক্রমের ফলে সরকারের কোষাগারে রাজস্ব জমা হবে।'

তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্যে বিদ্যমান বিধিমালা সময়োপযোগী করে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের জন্য একটি সমন্বিত লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নির্ধারণের লক্ষ্যে প্রচলিত বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%