প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বল যেন তার কথা শোনে! তা না হলে এমন অবিশ্বাস্য পাসটা কীভাবে দিতে পারেন নেইমার জুনিয়র। এই পাসটি চোখে লেগে থাকা এক বিশেষ পাস।
কনমেবল সুদামেরিকানার শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ক্লাব দেপোর্তিভো মাকারার বিপক্ষে ম্যাচে ফিরতে যখন সান্তোস মরিয়া হয়ে ওঠে। ঠিক তখনই ম্যাচের ৪৪ মিনিটে নেইমার এই অবিশ্বাস্য পাসটি করেন। ডি বক্সের বেশ বাইরে থেকে তিনি সতীর্থর কাছ থেকে পাওয়া বলকে বাঁ পায়ে আলতো টোকা দিয়ে, কয়েকজন খেলোয়াড়ের মাথার ওপর দিয়ে, ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার খেলা শুরু করেন।
ডি-বক্সে ঢুকে ফাঁকা জায়গা পেয়ে গ্যাব্রিয়েল বারবোসা সুবিধামতো বল পান।
এমন অনিন্দ্য পাস পেয়ে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে তিনি জালের পথ দেখান। ফলে সান্তোস ১-১ গোলে সমতায় ফেরে।
৭৬ মিনিটে আবারো একটি অ্যাসিস্ট করেন নেইমার। এবার কর্নার থেকে দেওয়া অ্যাসিস্টে গোল করেন উইলিয়ান আরাও।
সেই গোলে পরে ২-১ ব্যবধানে জয় লাভ করে হাসিমুখে মাঠ ছাড়েন নেইমাররা। লিডটি আরো বড় হতে পারত, যদি না দুটি গোল বাতিল না হতো। এর আগে ম্যাচের ৫ মিনিটে ফ্রাঙ্কো পোজের গোলে লিড নিয়েছিল ইকুয়েডরের ক্লাব মাকারা।
অ্যাসিস্ট করে সান্তোসের হৃদয় জিততে সক্ষম হন নেইমার। ঠিক তেমনি, ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গেও সেলফি তোলার আবেদন মিটিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।
রেফারি শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে মাকারার খেলোয়াড়রা লাইন ধরেন ৩৪ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের সঙ্গে সেলফি তুলতে। হাসিমুখে সেই আবদার মিটিয়েছেন তিনি। সেলফি তোলার সময় প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের মুখে তৃপ্তির হাসি ছিল। দেখে বোঝার উপায় ছিল না কিছুক্ষণ আগে নেইমারের কাছেই তাদের পরাজয় ঘটেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন