ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিভৎস বর্ণনা দিলেন তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা


রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিভৎস বর্ণনা দিলেন তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ বর্তমানে আদালতে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তদন্তকালে ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও বিভিন্ন বস্তু আদালতে প্রদর্শন করা হয়েছে। এ সময় পুলিশ কর্মকর্তা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন যখন তিনি ঘটনাস্থলের বিভৎস বিবরণ দিতে শুরু করেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের সময় এসব আলামত উপস্থাপন করা হয়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তে জব্দ করা বিভিন্ন আলামত সাক্ষীদের মাধ্যমে শনাক্ত করানো হয় এবং সেগুলো আদালতের নথিভুক্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

সাক্ষ্যগ্রহণের এক পর্যায়ে প্রযুক্তিগত এবং বিশেষজ্ঞ সাক্ষীদের একজন এসআই (নিরস্ত্র) মো. ইকবাল হোসেন আদালতে উপস্থিত হয়ে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি, আলামত সংগ্রহ এবং তদন্ত-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বর্ণনা করেন। প্রতিবেদন অনুসারে, রামিসার হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কিছু সময়ের জন্য তার বক্তব্য থামিয়ে দিতে হয়।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে জমি বিরোধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, বিচার দাবি

সকালে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার পর মামলার প্রত্যক্ষদর্শী, ঘটনা সংশ্লিষ্ট, তদন্ত ও বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের সাক্ষীরা আদালতে জবানবন্দি দেন। বুধবারের সাক্ষ্যগ্রহণে বিকেল ৩টা পর্যন্ত মোট ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

মামলার বাদী ও নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা প্রথম দিকের সাক্ষীদের একজন হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দেন। এছাড়া, সাক্ষ্য দেন শিশুটির মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, প্রতিবেশী শেখ আবু সামা, মো. মনির হোসেন এবং মোহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম ওরফে রাজুসহ অন্যান্য সাক্ষীরা।

শিশু সাক্ষী হওয়ায় রামিসার বড় বোনের বক্তব্য আদালত ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। পরে তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা, সুরতহাল ও জব্দ তালিকার সাক্ষী এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

আদালত সূত্রে আরও জানা গেছে, মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষী রয়েছেন, এর মধ্যে ১৬ জন মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে উপস্থিত সাক্ষীদের সাক্ষ্য একদিনেই সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

এর আগে, সোমবার (১ জুন) একই ট্রাইব্যুনাল দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরদিনই সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে মিরপুর-১১ এলাকার একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ডিএনএ রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং অন্যান্য ফরেনসিক আলামতের ভিত্তিতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

বর্তমান সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য, জব্দ আলামত, ফরেনসিক প্রতিবেদন এবং তদন্ত কর্মকর্তাদের জবানবন্দি আদালতের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে। বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মামলার প্রমাণ মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এসব আলামত ও সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন: রূপপুরের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ সেন্ট হতে পারে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে লঞ্চ থেকে পড়ে নদীতে নিখোঁজ কিশোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


বরিশালে লঞ্চ থেকে পড়ে নদীতে নিখোঁজ কিশোর

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে একটি যাত্রীবাহী লোকাল লঞ্চের ছাদ থেকে কালাবদর নদীতে পড়ে মো. রানা (১৭) নামের এক কিশোর নিখোঁজ হয়ে গেছে। এই ঘটনার পর যাত্রী নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট লঞ্চটির চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সোয়া ৭টার দিকে, ঘটনাটি ঘটে উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের চরপশ্চিম এলাকায় কালাবদর নদীতে।

নিখোঁজ রানা, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠি গ্রামের বাবুল হাওলাদারের ছেলে। তিনি মা-বাবার সঙ্গে আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে মেহেন্দীগঞ্জের জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নে এসেছিলেন।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, দুই দিন আগে জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের কামরুল মোল্লার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে রানার পরিবার অংশগ্রহণ করেছিল।

অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার সকালে তারা নিজ এলাকায় ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে এমএল লিমা এক্সপ্রেস-৪ লঞ্চে যাত্রা করেন। কিন্তু লঞ্চটি ছাড়ার কিছুক্ষণ পর অসাবধানতাবশত রানা ছাদ থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে যায়। তিনি সাঁতার না জানার কারণে প্রবল স্রোতের টানে তাত্ক্ষণিকভাবে তলিয়ে যান।

ঘটনার খবর পেয়ে কালীগঞ্জ নৌ পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

কালীগঞ্জ নৌ পুলিশের পরিদর্শক মো. এনামুল জানান, ‘নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এবং স্থানীয় জেলেরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। নিখোঁজ কিশোরকে উদ্ধারে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।’

এদিকে দুর্ঘটনার পর যাত্রী নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মোল্লা ট্রান্সপোর্ট কম্পানির এমএল লিমা এক্সপ্রেস-৪ লঞ্চের চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বিআইডব্লিউটিএ। কর্তৃপক্ষ জানায়, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শরীয়তপুরে গাছকাটাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকের বাবাকে মারধরের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


শরীয়তপুরে গাছকাটাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকের বাবাকে মারধরের অভিযোগ

শরীয়তপুরে অবস্থিত জাজিরায় ঢাকার এক সিনিয়র সাংবাদিকের পরিবারের ওপর হামলা হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গাছকাটা সংক্রান্ত বিরোধে সাংবাদিক মাহবুব আলমের বৃদ্ধ বাবা শামসুল হক হাওলাদার এবং বড় ভাই কাশেম হাওলাদারকে মারধর করার ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর পরিবার এবং অভিযোগ সূত্রে জানা যাচ্ছে, উপজেলার পালেরচর ইউনিয়নে গত ২৫ মে সাংবাদিক মাহবুব আলমের বয়স্ক বাবা ও বড় ভাইকে মারধর করা হয়। পরে তারা চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়ার সময় দেখা যায়, মাহবুব আলমের বাবার হাত ভেঙে গেছে। এই ঘটনায় সাংবাদিক মাহবুব আলম জাজিরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এবিষয়ে সাংবাদিক মাহবুব আলম বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেশী শামিম মাদবরের ঝড়ে পরা গাছ কাটলে তা আমাদের ঘরের ওপর পড়ে। এই বিষয়ে আমার ভাই একটু সাবধানে কাটতে বললে তারা আমার বাবা ও ভাইয়ের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ফলে আমার বাবার হাত ভেঙে যায়। আমরা এর বিচার দাবি করি।’

এই বিষয়টি জানার জন্য শামিম মাদবরের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। কিন্তু কোনো মারামারি হয়নি।’

জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহসলেহ আহাম্মেদ বলেন, ‘আমরা অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্ত সুষ্ঠুভাবে চলমান রয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত ও ওমানের মধ্যকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর, চলমান যুদ্ধের মধ্যে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


ভারত ও ওমানের মধ্যকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর, চলমান যুদ্ধের মধ্যে

ছবি: এনডিটিভি

বর্তমানে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আজ থেকে কার্যকর হয়েছে ভারত এবং ওমানের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। এই যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় কৌশলগতভাবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মাসকাট সফরের সময় এই ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সেপা) স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির আওতায় ভারতের শ্রমঘন খাতের রপ্তানি পণ্যগুলোর ওপর ওমান শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, এটি নতুন বাজার উন্মুক্তকরণের মাধ্যমে, রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে শিক্ষার্থী, কারিগর, নারী, কৃষক, জেলে ও মাঝারি শিল্পগুলোর (এমএসএমই) জন্য বৈশ্বিক সমৃদ্ধির পথ তৈরির উদ্দেশ্যে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের মোট তেল ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০ শতাংশ) এবং সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের ২৫ শতাংশ পরিবাহিত হচ্ছে, যা একে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। চলমান সংঘাতের কারণে, হরমুজে ইরানের কঠোর নিয়ন্ত্রণের ফলে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ভারতে তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোর মতো, ওমান হরমুজ প্রণালির ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। ওমানের উপকূলভাগের একটি বড় অংশ এই প্রণালির বাইরে সরাসরি আরব সাগর এবং ওমান উপসাগরে অবস্থিত।

গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভের (জিটিআরআই) প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তব জানান, ওমানের এই কৌশলগত অবস্থানের কারণে, হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ থাকলেও সালালাহ এবং দুকম-এর মতো বড় বন্দরগুলো সচল থাকে। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত বা অস্থিতিশীলতার সময়, ওমান একটি নির্ভরযোগ্য বাণিজ্য ও জ্বালানি পথ হিসেবে কাজ করতে সক্ষম।

উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান অর্থনীতিগুলো থেকে ভারতের আমদানি ২০২৫ সালের এপ্রিলে যেখানে ১৫ বিলিয়ন ডলার ছিল, তা ২০২৬ সালের এপ্রিলে এসে কমে ৯ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ভারতের রপ্তানি ৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

তবে, ওমানের ক্ষেত্রে চিত্রটি সম্পূর্ণ উল্টো। অপরিশোধিত তেল ও ইউরিয়া ক্রয় বৃদ্ধির ফলে, ওমান থেকে ভারতের আমদানি ২৪৬ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৩০ মিলিয়ন ডলার থেকে প্রায় ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। অন্যদিকে, ওমানে ভারতের রপ্তানি কমেছে মাত্র ১০ দশমিক ৩ শতাংশ।

সেপা চুক্তির আওতায়, মাসকাট তাদের ৯৮ দশমিক ০৮ শতাংশ শুল্ক লাইনে শূন্য-শুল্ক সুবিধা প্রদান করছে, যা ওমানে ভারতের মোট রপ্তানির ৯৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ কভার করে। এর আগে এই সুবিধা ছিল মাত্র ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ। ফলে, রত্ন ও অলংকার, টেক্সটাইল, চামড়া, পাদুকা, খেলাধুলার সামগ্রী, প্লাস্টিক, আসবাবপত্র, কৃষি পণ্য, প্রকৌশল পণ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং মোটরগাড়ির মতো প্রধান শ্রমঘন খাতগুলো সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।

২০২৬ অর্থবছরে ওমানে ভারতের মোট রপ্তানি ছিল প্রায় ৩ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে শীর্ষে ছিল পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য যেমন পেট্রল (৭৮১ মিলিয়ন ডলার) ও ন্যাপথা (৭৪৬ মিলিয়ন ডলার)। এ ছাড়া, ক্যালসাইন্ড অ্যালুমিনা (২৭৭ মিলিয়ন ডলার), লোহা ও ইস্পাত পণ্য (২৩০ মিলিয়ন ডলার), যন্ত্রপাতি (১৭৮ মিলিয়ন ডলার) এবং চাল (১৬৭ মিলিয়ন ডলার) রপ্তানি করা হয়েছে।

এর আগে ওমানে ভারতের ৮০ শতাংশের বেশি রপ্তানি পণ্যে গড়ে ৫ শতাংশ শুল্ক থাকলেও কিছু পণ্যের ওপর শুল্ক ছিল ১০০ শতাংশ পর্যন্ত। শ্রীবাস্তব জানান, এই শুল্ক প্রত্যাহারের ফলে, ওমানের বাজারে ভারতীয় পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে, তবে দেশটির জনসংখ্যা (৫৫ লাখ) ও জিডিপি (১১০ বিলিয়ন ডলার) তুলনামূলক ছোট হওয়ায়, রপ্তানি বৃদ্ধির একটি সীমা থাকবে।

বিনিময়ে ওমান ভারতে সরবরাহ করা জ্বালানি, সার ও শিল্প কাঁচামালে সুবিধা পাবে। চুক্তির অধীনে, ভারত তার ৭৮ শতাংশ শুল্ক লাইনে শুল্ক প্রত্যাহার বা হ্রাস করবে।

২০২৬ অর্থবছরে ওমান থেকে ভারত ৭ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে, যার মধ্যে শীর্ষে ছিল অপরিশোধিত তেল (১.৬ বিলিয়ন ডলার), তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (১.২ বিলিয়ন ডলার) এবং সার (৮৪৩ মিলিয়ন ডলার)। এ ছাড়া, শিল্প কাঁচামাল হিসেবে, ওমান ৪৬৫ মিলিয়ন ডলারের মিথানল এবং ৪২৪ মিলিয়ন ডলারের অ্যামোনিয়া সরবরাহ করেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাহিমা হত্যার ১৫ দিনের মধ্যে বিচার দাবি জামায়াত আমিরের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


ফাহিমা হত্যার ১৫ দিনের মধ্যে বিচার দাবি জামায়াত আমিরের

ফাহিমা হত্যার বিচার ১৫ দিনের মধ্যে দাবি করেছেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি সরকারের কাছে সুষ্ঠু বিচারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেছেন, "১৫ দিনের মধ্যে বিচার হতে হবে।"

আজ মঙ্গলবার সিলেটে সোনাতলায় ঘটে যাওয়া ফাহিমার অপহরণ, ধর্ষণচেষ্টা ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্থান ফাহিমার অভিভাবকদের সঙ্গে সাক্ষাতে গিয়ে তিনি এই দাবি জানান।

ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেন, "শিশু ফাহিমার ওপর সংঘটিত এই নৃশংস ঘটনা পুরো জাতিকে ব্যথিত করেছে।" তিনি বলেন, বিচারহীনতা এবং বিলম্বিত বিচারের কারণে এই ধরনের ঘটনা বারবার সংঘটিত হচ্ছে।

তিনি আবারও বলেন, "ফাহিমার বিচার ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করে অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।"

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা প্রতিরোধের জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে জামায়াত আমির ফাহিমার মা-বাবার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমবেদনা জানান। তিনি তাদের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আশ্বাসও দেন।

এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সিলেট অঞ্চল পরিচালক অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম এবং সিলেট জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমানসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%