ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারত ও ওমানের মধ্যকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর, চলমান যুদ্ধের মধ্যে


ভারত ও ওমানের মধ্যকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর, চলমান যুদ্ধের মধ্যে

ছবি: এনডিটিভি

বর্তমানে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আজ থেকে কার্যকর হয়েছে ভারত এবং ওমানের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। এই যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় কৌশলগতভাবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মাসকাট সফরের সময় এই ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সেপা) স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির আওতায় ভারতের শ্রমঘন খাতের রপ্তানি পণ্যগুলোর ওপর ওমান শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করছে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে

ভারতের কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, এটি নতুন বাজার উন্মুক্তকরণের মাধ্যমে, রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে শিক্ষার্থী, কারিগর, নারী, কৃষক, জেলে ও মাঝারি শিল্পগুলোর (এমএসএমই) জন্য বৈশ্বিক সমৃদ্ধির পথ তৈরির উদ্দেশ্যে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের মোট তেল ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০ শতাংশ) এবং সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের ২৫ শতাংশ পরিবাহিত হচ্ছে, যা একে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। চলমান সংঘাতের কারণে, হরমুজে ইরানের কঠোর নিয়ন্ত্রণের ফলে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ভারতে তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোর মতো, ওমান হরমুজ প্রণালির ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। ওমানের উপকূলভাগের একটি বড় অংশ এই প্রণালির বাইরে সরাসরি আরব সাগর এবং ওমান উপসাগরে অবস্থিত।

গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভের (জিটিআরআই) প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তব জানান, ওমানের এই কৌশলগত অবস্থানের কারণে, হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ থাকলেও সালালাহ এবং দুকম-এর মতো বড় বন্দরগুলো সচল থাকে। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত বা অস্থিতিশীলতার সময়, ওমান একটি নির্ভরযোগ্য বাণিজ্য ও জ্বালানি পথ হিসেবে কাজ করতে সক্ষম।

আরও পড়ুন: স্পেনে দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৬৮, আহত ৮০

উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান অর্থনীতিগুলো থেকে ভারতের আমদানি ২০২৫ সালের এপ্রিলে যেখানে ১৫ বিলিয়ন ডলার ছিল, তা ২০২৬ সালের এপ্রিলে এসে কমে ৯ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ভারতের রপ্তানি ৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

তবে, ওমানের ক্ষেত্রে চিত্রটি সম্পূর্ণ উল্টো। অপরিশোধিত তেল ও ইউরিয়া ক্রয় বৃদ্ধির ফলে, ওমান থেকে ভারতের আমদানি ২৪৬ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৩০ মিলিয়ন ডলার থেকে প্রায় ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। অন্যদিকে, ওমানে ভারতের রপ্তানি কমেছে মাত্র ১০ দশমিক ৩ শতাংশ।

সেপা চুক্তির আওতায়, মাসকাট তাদের ৯৮ দশমিক ০৮ শতাংশ শুল্ক লাইনে শূন্য-শুল্ক সুবিধা প্রদান করছে, যা ওমানে ভারতের মোট রপ্তানির ৯৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ কভার করে। এর আগে এই সুবিধা ছিল মাত্র ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ। ফলে, রত্ন ও অলংকার, টেক্সটাইল, চামড়া, পাদুকা, খেলাধুলার সামগ্রী, প্লাস্টিক, আসবাবপত্র, কৃষি পণ্য, প্রকৌশল পণ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং মোটরগাড়ির মতো প্রধান শ্রমঘন খাতগুলো সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।

২০২৬ অর্থবছরে ওমানে ভারতের মোট রপ্তানি ছিল প্রায় ৩ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে শীর্ষে ছিল পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য যেমন পেট্রল (৭৮১ মিলিয়ন ডলার) ও ন্যাপথা (৭৪৬ মিলিয়ন ডলার)। এ ছাড়া, ক্যালসাইন্ড অ্যালুমিনা (২৭৭ মিলিয়ন ডলার), লোহা ও ইস্পাত পণ্য (২৩০ মিলিয়ন ডলার), যন্ত্রপাতি (১৭৮ মিলিয়ন ডলার) এবং চাল (১৬৭ মিলিয়ন ডলার) রপ্তানি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কাতারের নতুন প্রস্তাব ইরানকে, যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা

এর আগে ওমানে ভারতের ৮০ শতাংশের বেশি রপ্তানি পণ্যে গড়ে ৫ শতাংশ শুল্ক থাকলেও কিছু পণ্যের ওপর শুল্ক ছিল ১০০ শতাংশ পর্যন্ত। শ্রীবাস্তব জানান, এই শুল্ক প্রত্যাহারের ফলে, ওমানের বাজারে ভারতীয় পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে, তবে দেশটির জনসংখ্যা (৫৫ লাখ) ও জিডিপি (১১০ বিলিয়ন ডলার) তুলনামূলক ছোট হওয়ায়, রপ্তানি বৃদ্ধির একটি সীমা থাকবে।

বিনিময়ে ওমান ভারতে সরবরাহ করা জ্বালানি, সার ও শিল্প কাঁচামালে সুবিধা পাবে। চুক্তির অধীনে, ভারত তার ৭৮ শতাংশ শুল্ক লাইনে শুল্ক প্রত্যাহার বা হ্রাস করবে।

২০২৬ অর্থবছরে ওমান থেকে ভারত ৭ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে, যার মধ্যে শীর্ষে ছিল অপরিশোধিত তেল (১.৬ বিলিয়ন ডলার), তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (১.২ বিলিয়ন ডলার) এবং সার (৮৪৩ মিলিয়ন ডলার)। এ ছাড়া, শিল্প কাঁচামাল হিসেবে, ওমান ৪৬৫ মিলিয়ন ডলারের মিথানল এবং ৪২৪ মিলিয়ন ডলারের অ্যামোনিয়া সরবরাহ করেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাহিমা হত্যার ১৫ দিনের মধ্যে বিচার দাবি জামায়াত আমিরের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


ফাহিমা হত্যার ১৫ দিনের মধ্যে বিচার দাবি জামায়াত আমিরের

ফাহিমা হত্যার বিচার ১৫ দিনের মধ্যে দাবি করেছেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি সরকারের কাছে সুষ্ঠু বিচারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেছেন, "১৫ দিনের মধ্যে বিচার হতে হবে।"

আজ মঙ্গলবার সিলেটে সোনাতলায় ঘটে যাওয়া ফাহিমার অপহরণ, ধর্ষণচেষ্টা ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্থান ফাহিমার অভিভাবকদের সঙ্গে সাক্ষাতে গিয়ে তিনি এই দাবি জানান।

ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেন, "শিশু ফাহিমার ওপর সংঘটিত এই নৃশংস ঘটনা পুরো জাতিকে ব্যথিত করেছে।" তিনি বলেন, বিচারহীনতা এবং বিলম্বিত বিচারের কারণে এই ধরনের ঘটনা বারবার সংঘটিত হচ্ছে।

তিনি আবারও বলেন, "ফাহিমার বিচার ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করে অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।"

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা প্রতিরোধের জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে জামায়াত আমির ফাহিমার মা-বাবার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমবেদনা জানান। তিনি তাদের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আশ্বাসও দেন।

এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সিলেট অঞ্চল পরিচালক অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম এবং সিলেট জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমানসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড্রোন-বোমায় আকাশ ছেয়ে ফেলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


ড্রোন-বোমায় আকাশ ছেয়ে ফেলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন সক্ষমতা দ্রুতগতিতে বাড়ানোর জন্য পেন্টাগন ড্রোন-বহরের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে। এই লক্ষ্যে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় নির্মাতাদের খুঁজে বের করতে 'ড্রোন ডমিন্যান্স' নামে একটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে, যার মেয়াদ ১৮ মাস।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'ওয়াশিংটন পোস্ট'-এর এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কম খরচের যুদ্ধবিমানের একটি বিশাল বহর গড়ে তোলার লক্ষ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী এখন ঐতিহ্যবাহী বড় প্রতিরক্ষা জায়ান্টদের গণ্ডি পেরিয়ে নতুন স্টার্টআপগুলোর দিকে ঝুঁকছে। এই স্টার্টআপগুলোর প্রতিষ্ঠাতা মূলত ড্রোন রেসার, শৌখিন ড্রোন চালক এবং এমন কিছু কোম্পানি, যাদের কাজ গলফ কোর্স পর্যবেক্ষণ করা অথবা আকাশে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করা।

ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুদ্ধক্ষেত্রে ছোট ও সস্তা ড্রোনের ভূমিকা ক্রমবর্ধমান হয়ে পরেছে। তাই এটি জরুরি মনে করছে পেন্টাগন, যে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন সক্ষমতা দ্রুত বাড়াতে হবে।

এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিজয়ী কোম্পানিগুলোকে ৩০ লাখ পর্যন্ত ড্রোন তৈরির জন্য ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তির অংশীদার করা হবে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন বড় বিনিয়োগের প্রস্তাব করেছে, যেখানে ড্রোন যুদ্ধ প্রোগ্রামকে নাটকীয়ভাবে প্রসারিত করতে আগামী বছরের প্রতিরক্ষা বাজেটে ৫৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থান ধরে রাখাদের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার স্টার্টআপ 'নেরোস' রয়েছে, যার প্রতিষ্ঠাতা সাবেক ড্রোন রেসিং বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন সোরেন মনরো-অ্যান্ডারসন। এছাড়া ইউক্রেনীয় ড্রোন প্রস্তুতকারকের অংশীদার ব্রিটিশ কোম্পানি 'স্কাইকাটার'-ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে।

পরীক্ষামূলক এই ড্রোনগুলো ক্রমশ সাশ্রয়ী, যেকোনো একটি ড্রোনের খরচ প্রায় ৫ হাজার ডলার। এগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে একবার ব্যবহার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে এবং ড্রোন রেসিংয়ে ব্যবহৃত প্রযুক্তির আদলে এগুলো উচ্চ গতিতে চলতে পারে এবং নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

বিজয়ী নির্বাচনের জন্য পেন্টাগন কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, যেখানে সামরিক কর্মীরা দূরপাল্লার হামলায় ড্রোনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করছেন। তাদের লক্ষ্য হলো ঐতিহ্যবাহী বড় প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের সুবিধা দেওয়া দীর্ঘায়িত ক্রয় প্রক্রিয়া এড়িয়ে দ্রুত উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা।

চলতি বছরের শুরুতে জর্জিয়ার ফোর্ট বেনিংয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম রাউন্ডে ২৬টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছিল। ওই রাউন্ডে 'স্কাইকাটার' শীর্ষ পারফর্মার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং আড়াই হাজারের বেশি ড্রোনের সবচেয়ে বড় অর্ডারটি লুফে নেয়।

প্রতিযোগিতার পরবর্তী রাউন্ড ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে গ্যারেজ ও ছোট ওয়ার্কশপে শুরু হওয়া স্টার্টআপগুলো এখন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ সামরিক ড্রোন প্রোগ্রামে জায়গা পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতা করছে।

পেন্টাগন কর্মকর্তাদের মতে, ভবিষ্যতের যুদ্ধগুলো মূলত এমন সাশ্রয়ী মূল্যের ড্রোনের ঝাঁকের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হতে যাচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ফ্রি আম খেতে বিদেশিদের ভিড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে ফ্রি আম খেতে বিদেশিদের ভিড়

গ্রীষ্মকাল আমাদেরকে ফলের রাজা আমের মধুর স্বাদের অভিজ্ঞতা দেয়। আর যদি সেই আম পাওয়া যায় একদম বিনামূল্যে, তাও আবার সাতসমুদ্র তেরো নদীর ওপারে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়? তাহলে তো সেখানে ভিড় জমবেই! ঠিক এমনই একটি ঘটনা ঘটে সান ফ্রান্সিসকো শহরে। সেখানে ভারতের বিখ্যাত বিভিন্ন জাতের আম বিনামূল্যে চেখে দেখতে শত শত বিদেশি নাগরিক জড়ো হয়েছিলেন।

আমেরিকার মাটিতে ভারতীয় আমের এই ‘ফ্রি টেস্টিং’ উৎসবের বেশকিছু ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। আলফনসো এবং কেসরের মতো সুস্বাদু আমের স্বাদ নিতে বিদেশিদের দীর্ঘ লাইন এবং আমেজ বিশ্বজুড়ে নেটিজেনদের নজর আকৃষ্ট করেছে।

সান ফ্রান্সিসকোতে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমিউনিটি লিডার দর্শিল এই ব্যতিক্রমী উৎসবের আয়োজন করেন। মূলত মার্কিন নাগরিকদের কাছে খাঁটি ভারতীয় আমের পরিচয় করানোর লক্ষ্যে এবং প্রবাসী ভারতীয়দের শৈশবের স্বাদ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এই আয়োজন করা হয়েছে। এবারে টানা চতুর্থ বছরে ‘অ্যানুয়াল ম্যাঙ্গো সেলিব্রেশন’ বা বার্ষিক আম উৎসবের আয়োজন করা হলো।

উৎসবে আসা শত শত মানুষের মাঝে ভারতীয় আলফনসো, কেসর এবং চৌসা জাতের আম বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। স্বেচ্ছাসেবীরা দিনভর আম ছিলে, কেটে টুকরো টুকরো করে তা দর্শনার্থীদের মধ্যে পরিবেশন করেন।

উৎসবের আয়োজকদের একজন জ্যারেড সিডেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) বেশকিছু ছবি শেয়ার করে বলেন, ‘আমার জীবনের সেরা আম খেলাম। এখানকার পরিবেশ সত্যিই দারুণ ছিল।’

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতীয় আমের চাহিদা আকাশচুম্বী হলেও এর সরবরাহ যথেষ্ট সীমিত। ফলস্বরূপ, সেখানে আমকে বিলাসী পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা এখনও যথেষ্ট সচেতন নই : ডেপুটি স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা এখনও যথেষ্ট সচেতন নই : ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আমাদের সকলের সন্তান থাকলেও তাদের সুরক্ষা নিয়ে আমরা যথেষ্ট সচেতন নই। সুরক্ষা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সংসদ ভবনে, ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের সোশ্যাল পলিসি চিফ স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া।

সাক্ষাৎকালে তারা শিশু অধিকার, শিশুবান্ধব নীতি প্রণয়ন, বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা এবং বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার সংসদীয় ককাস গঠনের পূর্ব থেকেই শিশুবান্ধব বাজেট ও নীতি প্রণয়নে ইউনিসেফের প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান।

তিনি আরও বলেন, শিশুবান্ধব নীতি প্রণয়ন বিষয়ে সংসদে বক্তব্য রাখার জন্য সংসদ সদস্যদের নিয়ে গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হলে একটি ফলপ্রসূ আলোচনা হতে পারে।

ইউনিসেফের স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া জানিয়েছেন, সংসদ সদস্যদের সঙ্গে অ্যাডভোকেসির অংশ হিসেবে প্রাক-বাজেট ব্রিফিং ও গোলটেবিল আলোচনার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এর মাধ্যমে শিশুরা সরাসরি নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পাবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি করাও নয়, বরং তার বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%