১০:৫৪ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের প্রথম মুসলিম সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরের কয়েক দিনের মধ্যে আবদুল আল-সাইয়েদ ‘হাবিবি পিএসি’ নামে একটি রাজনৈতিক তহবিল সংগ্রহকারী সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছেন। সংগঠনটির নামকরণ করা হয়েছে নির্বাচনি প্রচারে বারবার ব্যবহৃত আরবি শব্দ ‘হাবিবি’ থেকে।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া নথিতে সংগঠনটির নিবন্ধনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে ওই নথির ছবি ছড়িয়ে দিয়েছেন।
রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি, যা পিএসি নামে পরিচিত, এটি কোনো রাজনীতিকের নিজস্ব নির্বাচনি প্রচার সংস্থা থেকে আলাদা। এই ধরনের সংগঠন নির্বাচনে নির্দিষ্ট প্রার্থীকে সমর্থন বা বিরোধিতা করার জন্য অর্থ সংগ্রহ ও ব্যয় করে।
আরও পড়ুন: জামায়াত, পাকিস্তানই তোমাদের উপযুক্ত জায়গা : পাপিয়া
আরবি ‘হাবিবি’ শব্দের অর্থ হলো ‘আমার প্রিয়’ বা ‘প্রিয়জন’। নির্বাচনি প্রচারের পুরো সময় আল-সাইয়েদ এই শব্দটি ব্যবহার করেছেন। কখনো কখনো তার বিরোধীরা এই শব্দটি অবজ্ঞা বা ব্যঙ্গের সুরে ব্যবহার করেছেন।
একবার যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে উদ্দেশ্য করে আল-সাইয়েদ বলেছিলেন, “জেডি, হাবিবি, কী অদ্ভুত পরিহাস—সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে আগামী জানুয়ারিতে তোমাকেই আমাকে শপথ পড়াতে হবে।”
নির্বাচনি প্রচারের সময় তার অনেক সমর্থক ‘হাবিবি আবদুল’ লেখা টি-শার্ট পরে সমাবেশে অংশগ্রহণ করতেন। অন্যদের হাতে ‘ইনশাআল্লাহ’ ও ‘আলহামদুলিল্লাহ’—এমন আরবি শব্দ লেখা ব্যানার দেখা যেত। আল-সাইয়েদ তার বক্তব্যেও এসব শব্দ ব্যবহার করেন।
‘হাবিবি পিএসি’ চালুর সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কিছু মানুষ উদ্যোগটির প্রশংসা করেছেন, আবার অনেকে তাকে অবমাননাকর ও বর্ণবাদী শব্দ ব্যবহার করে আক্রমণ করেছেন।
আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার প্রবণতা লক্ষ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সূত্র: নিউ আরব
এমএমআর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন