ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য এশিয়া কাপ


এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য এশিয়া কাপ

বাংলাদেশের সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে আরো এগিয়ে নিতে এবিজি স্পোর্টস সিটি একটি নতুন মাইলফলক অর্জনের পথে। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের জন্য আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট ‘ক্রিকেট ফর দ্য ব্লাইন্ড-এশিয়া কাপ ২০২৬’। এবিজি স্পোর্টস সিটি এই আন্তর্জাতিক আসরের ভেন্যু পার্টনার হিসেবে কাজ করবে। টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এই ক্রীড়া কমপ্লেক্সের আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। টুর্নামেন্টের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল (এসবিজি) এবং মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে দেশের একমাত্র ক্রীড়াভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল টি স্পোর্টস।

এই টুর্নামেন্ট আগামী ১৫ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত ছয় দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে অংশগ্রহণ করবে এশিয়ার পাঁচটি দেশ—বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। স্বাগতিক বাংলাদেশসহ অংশগ্রহণকারী দেশ ও ক্রিকেটারদের নিয়ে ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।

এবিজি স্পোর্টস সিটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের ভেন্যু হিসেবে নিজেদের সক্ষমতার পরিচয় ইতোমধ্যে দিয়েছে। সম্প্রতি আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় ক্রিকেট দলের অংশগ্রহণে একটি দুই দিনের প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে মালয়েশিয়া ক্রিকেট দলও এখানে খেলেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের এই অভিজ্ঞতা এবিজি স্পোর্টস সিটির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সিলেটে হৃদয়ের রেকর্ডময় দিন

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের এশিয়া কাপ আয়োজনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে নিজেদের অবস্থান আরো সুদৃঢ় করার সুযোগ পাচ্ছে এবিজি স্পোর্টস সিটি। ওয়ার্ল্ড ব্লাইন্ড ক্রিকেট লিমিটেডের (ডব্লিউবিসি) অধিভুক্ত বাংলাদেশ ব্লাইন্ড ক্রিকেট কাউন্সিলের (বিবিসিসি) আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের ভেন্যু হিসেবে এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচিতি আরো বিস্তৃত হবে। আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের সক্ষমতা তুলে ধরার ক্ষেত্রেও এই আসর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

আন্তর্জাতিক এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে খুশি টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল। প্রতিষ্ঠানটির মতে, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রতিভা ও সামর্থ্য তুলে ধরার সুযোগ করে দিতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ।

আয়োজকদের লক্ষ্য হলো, এশিয়ার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচয়ের পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে বন্ধুত্ব, অন্তর্ভুক্তি ও সমতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের ইভেন্ট আয়োজনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে এবিজি স্পোর্টস সিটি দেশের সামনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

আরও পড়ুন: পিছু হটলেন ইনফান্তিনো, ২০৩০ বিশ্বকাপে দল বাড়ানোর স্বপ্নে ধাক্কা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরপুর-১২ তে যাত্রীবাহী বাসে আগুন, হতাহত নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ এম


মিরপুর-১২ তে যাত্রীবাহী বাসে আগুন, হতাহত নেই

রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বরে একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে বাসের স্টাফদের তৎক্ষণাৎ প্রচেষ্টার মাধ্যমে আগুন নিভিয়ে ফেলা সম্ভব হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে মিরপুর-১২ নম্বরের পল্লবী মেট্রো স্টেশনের নিচে বিহঙ্গ পরিবহনের একটি বাসে এই আগুনের ঘটনা ঘটে।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জালাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাসটিতে আগুন দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নির্বাপণ করা সম্ভব হয়েছে। এতে কেউ হতাহত হয়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনার সময় বাসে কোনো যাত্রী উপস্থিত ছিলেন না। বাসটি সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইনোভার: আধুনিক জীবনের প্রযুক্তি, নকশা ও নির্ভরযোগ্যতার সমন্বয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ এম


ইনোভার: আধুনিক জীবনের প্রযুক্তি, নকশা ও নির্ভরযোগ্যতার সমন্বয়

আধুনিক বাড়ির বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এখন শুধুমাত্র প্রয়োজন মেটানোর উপকরণ নয়; বরং জীবনযাপনের নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য ও নান্দনিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এই ধারণাকে সামনে রেখে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ আকিজ রিসোর্সের ফ্ল্যাগশিপ ব্র্যান্ড ইনোভার বৈদ্যুতিক পণ্য ও গৃহস্থালি সরঞ্জামের বাজারে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে চায়।

একটি নতুন বাড়ি সাজানোর সময় দেয়ালের রং, রান্নাঘরের টাইলস, আসবাবের নকশা কিংবা ঘরের আলোকসজ্জা—সবকিছুর ক্ষেত্রে পরিকল্পনা ও ব্যক্তিগত পছন্দের ছাপ থাকে। তবে ঘরের সুইচ, সকেট, বাতি কিংবা অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় সেই যত্ন দেখা যায় না।

প্রতিদিনের জীবনযাপনে এসব সরঞ্জামের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। এই বাস্তবতা থেকেই ইনোভার বৈদ্যুতিক সরঞ্জামকে নতুনভাবে উপস্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। আকিজ রিসোর্সের এই ব্র্যান্ডের লক্ষ্য হলো দৈনন্দিন ব্যবহারের পণ্যগুলোকে কার্যকারিতা, আধুনিক নকশা, প্রযুক্তি ও নির্ভরযোগ্যতার সমন্বয়ে উপস্থাপন করা। ব্র্যান্ডটির স্লোগান ডিজাইনড ফর নাও (‘Designed for Now’) অর্থাৎ, বর্তমান সময়ের মানুষের চাহিদা ও জীবনযাত্রার উপযোগী করে পণ্য নকশা করা।

ইনোভার নামের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে এনার্জি, ইনোভেশন ও রিলায়েবিলিটির ধারণা—যার অর্থ শক্তি, উদ্ভাবন ও নির্ভরযোগ্যতা। এই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে ব্র্যান্ডটির পণ্যসম্ভার সাজানো হয়েছে। সুইচ, সকেট, লাইটিং, পানির পাম্প, হার্ডওয়্যার টুলস ও গৃহস্থালি সরঞ্জাম রয়েছে ইনোভারের পণ্যসম্ভারে। এই পণ্যের মাধ্যমে বাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনার দৈনন্দিন প্রয়োজন পূরণের পাশাপাশি ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করার লক্ষ্য রয়েছে ব্র্যান্ডটির।

আকিজ রিসোর্সের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আকিজ লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড-এর ব্র্যান্ড ইনোভার ২০২৫ সালের নভেম্বরে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। শুরুতে এলইডি লাইটিং ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হলেও, যাত্রা শুরুর এক বছরের মধ্যেই হোম অ্যাপ্লায়েন্স, পাম্প, হার্ডওয়্যার ও পাওয়ার টুলসসহ বিভিন্ন শ্রেণিতে পণ্য সম্প্রসারিত হয়েছে। পাশাপাশি এসব পণ্য দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে।

একটি নতুন ব্র্যান্ডের জন্য বাজারে জায়গা করে নেওয়া সহজ নয়। বিশেষ করে বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের মতো পণ্যে ক্রেতারা সাধারণত দাম, স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেন। তাই শুধু পণ্যের বৈচিত্র্য নয়, মানের ধারাবাহিকতা ও ক্রেতার আস্থা অর্জনও গুরুত্বপূর্ণ।

এ বিষয়ে আকিজ লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসুদ আল আমিন রাজিব বলেন, “আমরা মনে করি, আধুনিক বৈদ্যুতিক পণ্য শুধু দৈনন্দিন প্রয়োজন পূরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এগুলো মানুষের জীবনযাত্রার মান, নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গেও সম্পর্কিত। ইনোভারের মাধ্যমে আমরা আধুনিক নকশা, প্রযুক্তি, গুণগত মান ও নির্ভরযোগ্যতার সমন্বয়ে এমন পণ্য দিতে চাই, যা বর্তমান সময়ের গ্রাহকদের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমাদের লক্ষ্য শুধু পণ্য সরবরাহ করা নয়, বরং গ্রাহকের আস্থা অর্জন এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা।”

আলোয় স্বাচ্ছন্দ্য, সাশ্রয়ে গুরুত্ব

ঘরের পরিবেশ তৈরিতে আলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। পড়ার টেবিল, রান্নাঘর, শোবার ঘর কিংবা বাড়ির বাইরের অংশ—প্রতিটি জায়গায় আলোর প্রয়োজন আলাদা। তাই শুধু উজ্জ্বলতা নয়, আলোর দক্ষতা, স্থায়িত্ব ও ব্যবহারের উপযোগিতাও বিবেচনায় নিতে হয়।

ইনোভারের লাইটিং পণ্যের ক্ষেত্রে এসব বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্র্যান্ডটির কিছু লাইটিং পণ্যে প্রতি ওয়াটে সর্বোচ্চ ১২০ লুমেন রয়েছে। এসব পণ্যের লাইফ টাইম ২৫ হাজার ঘণ্টা এবং ওই সময়জুড়ে আলো ৯০ শতাংশ বজায় থাকে।

সুইচেও নকশার বৈচিত্র্য

একসময় সুইচ বা সকেট কেনার ক্ষেত্রে কার্যকারিতা ও দামই ছিল প্রধান বিবেচ্য। কিন্তু আধুনিক বাড়ির নকশায় ছোট ছোট উপকরণের উপস্থিতিও সামগ্রিক সৌন্দর্যে প্রভাব ফেলে। দেয়ালের রং, আসবাবের ধরন এবং ঘরের সাজসজ্জার সঙ্গে মিলিয়ে সুইচ বেছে নেওয়ার প্রবণতাও বাড়ছে।

ইনোভারের সুইচের নকশায় এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্র্যান্ডটির সুইচ পণ্যের ছয়টি সিরিজ রয়েছে। প্রতিটি বিভাগে আলাদা নান্দনিক বৈশিষ্ট্য তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

আধুনিক রান্নাঘরে ব্যবহারিক সমাধান

বর্তমান জীবনযাত্রায় রান্নাঘরের ভূমিকা বদলাচ্ছে। সময়ের সীমাবদ্ধতা, পরিবারের দৈনন্দিন ব্যস্ততা এবং সুবিধাজনক জীবনযাপনের প্রত্যাশা—সবকিছু মিলিয়ে রান্নাঘরের সরঞ্জামের ক্ষেত্রেও বাড়ছে নতুন চাহিদা।

এখন ক্রেতারা শুধু কোনো পণ্যে খাবার তৈরি করতে পারে কিনা, তা দেখেন না; বরং সেটি ব্যবহার করা কতটা সহজ, বিদ্যুৎ ব্যবহারে কতটা সাশ্রয়ী এবং রান্নাঘরের সামগ্রিক নকশার সঙ্গে কতটা মানানসই, সেসব বিষয়ও বিবেচনা করেন। পণ্যের নকশা ও ফিনিশে আধুনিকতার ছাপ রাখার পাশাপাশি দৈনন্দিন কাজ সহজ করা এবং রান্নার অভিজ্ঞতাকে আরো স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলাই এ ধরনের সরঞ্জামের উদ্দেশ্য।

পাম্প ও হার্ডওয়্যার পণ্যে নির্ভরযোগ্যতা

বাড়ির বিভিন্ন সরঞ্জামের মধ্যে কিছু পণ্য এমন রয়েছে, যেগুলো সচরাচর চোখে পড়ে না; কিন্তু দৈনন্দিন জীবন স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পানির পাম্প ও বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সরঞ্জাম তার উদাহরণ।

পানির সরবরাহে ধারাবাহিকতা, প্রয়োজনীয় চাপ বজায় রাখা এবং বিভিন্ন সংযোগের কার্যকারিতা—এসব ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য সরঞ্জামের প্রয়োজন হয়। কোনো পণ্য প্রত্যাশিতভাবে কাজ না করলে তা দৈনন্দিন ব্যবহারে অসুবিধা তৈরি করতে পারে।

ইনোভারের পাম্প ও হার্ডওয়্যার পণ্যের লক্ষ্য হলো আবাসিক ব্যবহারের এসব প্রয়োজন পূরণে কার্যকর সমাধান দেওয়া। দীর্ঘদিন ধরে নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করতে পারে, এমন পণ্যের গুরুত্ব এখানে বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।

উৎপাদন অবকাঠামোয় গুরুত্ব

বৈদ্যুতিক পণ্যের বাজারে একটি ব্র্যান্ডের সুনাম গড়ে ওঠে শুধু তার নকশা বা প্রচারের মাধ্যমে নয়; এর পেছনে থাকে উৎপাদনপ্রক্রিয়া, মান নিয়ন্ত্রণ এবং পণ্যের কার্যকারিতা যাচাইয়ের ব্যবস্থা।

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইনোভারের কারখানা অবস্থিত। কারখানাটির আয়তন প্রায় দুই লাখ বর্গফুট। এখানে বিভিন্ন উৎপাদন লাইনের পাশাপাশি মিনিয়েচার সার্কিট ব্রেকার বা এমসিবি তৈরির জন্য কাঁচামাল থেকে চূড়ান্ত সংযোজন পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন ব্যবস্থা রয়েছে।

বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ক্ষেত্রে মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসব পণ্যের কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা সরাসরি ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত। বিশেষ করে সুইচ, সকেট ও সার্কিট ব্রেকারের মতো পণ্যের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মান বজায় রাখা জরুরি।

গ্রাহকের চাহিদা বুঝে ব্র্যান্ড গড়ে তোলা

একটি ব্র্যান্ডের পণ্য যত উন্নতই হোক, গ্রাহকের কাছে তার মূল্য তৈরি হয় তখনই, যখন পণ্যটি বাস্তব প্রয়োজন পূরণ করতে পারে। তাই পণ্যের নকশা ও প্রযুক্তির পাশাপাশি বাজারের পরিবর্তন, ক্রেতার পছন্দ এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা বোঝাও গুরুত্বপূর্ণ।

এ বিষয়ে ইনোভারের জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং) সাজ্জাদুল ইসলাম বলেন, “ইনোভারের ‘Designed for Now’ দর্শনের মূল কথা হলো, বর্তমান সময়ের মানুষের জীবনযাত্রা ও পছন্দকে গুরুত্ব দিয়ে পণ্য তৈরি করা। আমরা পণ্যের নকশা, ব্যবহারিক সুবিধা এবং গ্রাহকের অভিজ্ঞতার মধ্যে সমন্বয় ঘটাতে চাই। পাশাপাশি গ্রাহকের চাহিদা বোঝা, বাজারের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা এবং পণ্য সম্পর্কে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো, ইনোভারকে এমন একটি ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তোলা, যার পণ্য গ্রাহকের দৈনন্দিন জীবনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

ভবিষ্যতের বাড়ি হবে আরো স্মার্ট

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে বাড়ির বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাপনাও পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রচলিত সুইচের পাশাপাশি এখন আলো নিয়ন্ত্রণ, যন্ত্রপাতি পরিচালনা এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব রাখার ক্ষেত্রে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে।

এই পরিবর্তনের পরবর্তী ধাপ হতে পারে এমন একটি বাড়ি, যেখানে বিভিন্ন যন্ত্র একে অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করবে।

ইনোভার ভবিষ্যতে ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি-সংযুক্ত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, স্মার্ট সুইচ, আধুনিক রান্নাঘরের সরঞ্জাম এবং স্মার্ট ওয়াটার হিটারের মতো প্রযুক্তিনির্ভর পণ্যের দিকে এগোনোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।

দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে ওঠার লক্ষ্য

একটি বাড়ি কেবল দেয়াল, ছাদ ও আসবাবের সমষ্টি নয়। সেখানে আলো জ্বালানো, পানি সরবরাহ, রান্না করা এবং বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহারের মধ্য দিয়েই দৈনন্দিন জীবন এগিয়ে চলে।

এই ব্যবস্থাগুলো সাধারণত তখনই সবচেয়ে ভালোভাবে কাজ করে, যখন ব্যবহারকারীকে বারবার সেগুলো নিয়ে ভাবতে হয় না। অর্থাৎ, সরঞ্জামগুলো নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করবে, প্রয়োজন মেটাবে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনে অযথা বাধা সৃষ্টি করবে না।

ইনোভারের ব্র্যান্ড দর্শনেও এই ধারণা গুরুত্ব পেয়েছে। পণ্যকে শুধু আলাদা কোনো সরঞ্জাম হিসেবে নয়, বরং বাড়ির সামগ্রিক অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মমন্ত্রীর আহ্বান: দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে ঐক্যবদ্ধ থাকুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ এম


ধর্মমন্ত্রীর আহ্বান: দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে ঐক্যবদ্ধ থাকুন

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "দেশি-বিদেশি সব চক্রান্ত নস্যাৎ করে"।

তিনি একই সঙ্গে আইনের শাসন এবং সমতাভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, ২০২৬-এর আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, "১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর এদেশের দেশপ্রেমিক সিপাহি ও মুক্তিকামী জনতা এক রক্তপাতহীন বিপ্লবের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে পরিচালিত সকল দেশি-বিদেশি চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়েছিল।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের জাতীয় ইতিহাসের প্রতিটি কঠিন ও সংকটময় মুহূর্তে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম আবির্ভূত হয়েছেন এক দূরদর্শী ও নির্ভীক ত্রাণকর্তা হিসেবে।"

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন, "১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চে চট্টগ্রামের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁর স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা পুরো জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।"

তিনি উল্লেখ করেন, "এ ছাড়া, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন করেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন এবং উন্নয়ন ও উৎপাদনের এক নতুন ধারার রাজনীতির সূচনা করেন।"

মন্ত্রী সরকারের বর্তমান উদ্যোগ ও কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে বলেন, "দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার আপসহীন নেতৃত্ব ও দীর্ঘ শাসনের মাধ্যমে ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক অবদান ও চেতনাকে ধরে রাখতে জাতীয় ছুটি ও সরকারি মর্যাদা বহাল রেখেছিলেন।"

তিনি বলেন, "এরই ধারাবাহিকতায়, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ৭ই নভেম্বরকে রাষ্ট্রীয় পূর্ণ মর্যাদায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।"

মন্ত্রী আরও জানান, "দিবসটি যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্য ও জাতীয় উদ্দীপনার সাথে পালনের জন্য জাতীয় সরকারি ছুটি ঘোষণাসহ একাধিক প্রশংসনীয় ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।"

ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে কোনো বৈষম্য ও ফ্যাসিবাদের স্থান থাকবে না—নিশ্চিত হবে আইনের শাসন ও বাকস্বাধীনতা।"

জাতীয় সংহতি সুদৃঢ় করার আহ্বান জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, "জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আমরা নতুন করে শপথ নিই—দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় সংহতি রক্ষায় আমরা সর্বদাই ঐক্যবদ্ধ থাকি।"

অনুষ্ঠানে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, কনসাল জেনারেল, কাউন্সেলর (হজ), কনস্যুলেট জেনারেল ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ এম


টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী

কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের গোপন আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে খালি কার্তুজসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী। পরবর্তীতে মানবপাচারকারীদের ব্যবহৃত আস্তানাটি ধ্বংস করা হয়।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত উপজেলার রঙ্গীখালী এলাকার দুর্গম পাহাড়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি, এসআরবি এবং পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ আভিযানিক দল এতে অংশগ্রহণ করে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, গত ৫ নভেম্বরের অভিযানের ধারাবাহিকতায় শনিবার এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয়। অভিযানের শুরুতে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা মানবপাচারকারী চক্রের গোপন আস্তানাটি চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেন। এরপর সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় কিছু খালি কার্তুজ ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে আস্তানাটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়।

আইএসপিআরের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি জননিরাপত্তা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। জনগণের জানমাল ও নিরাপত্তা রক্ষায় সশস্ত্র মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে এ ধরনের সমন্বিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%