শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২৭ পি.এম
খুলনার কয়রা উপজেলায় বিয়ের মাত্র ১৭ দিন পর শ্বশুরবাড়ির একটি ঘরে মো. খালিদ হাসান (২৫) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার সময় উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোবরা গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। নিহত যুবক কয়রা সদর ইউনিয়নের কয়রা গ্রামের মো. রহিম সরদারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৭ দিন আগে খালিদের সঙ্গে গোবরা গ্রামের তৈয়ব আলীর কন্যা সানজিদা খাতুনের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ঘটনার রাতে খালিদ তার স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পরে তার স্ত্রী ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান এবং জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে খালিদকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
স্থানীয়রা খালিদকে উদ্ধার করে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু জানা যায় যে, তার মৃত্যু ঘটেছে। পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। তিনি কেন গলায় ফাঁস দিয়েছেন, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রাশেদুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শনিবার ফেনী ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির-৪ নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে সম্প্রতি ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়।
এসব অভিযানে ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শাড়ি, থ্রি-পিস, চশমা, জীবনরক্ষাকারী ওষুধ এবং অবৈধ কাঠ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামাল পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় কাস্টমস অফিস ও উদ্ধারকৃত কাঠ বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে ফেনী ব্যাটালিয়নের (বিজিবি-৪) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এমএম জিল্লুর রহমান বলেন, সীমান্তে মাদকদ্রব্য পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ সজাগ ও তৎপর রয়েছে।
দেশের অর্থনীতি রক্ষায় এবং সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবির এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদার থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কবিতা, প্রবন্ধ ও গবেষণা, কথাসাহিত্যি এবং শিশু কিশোর সাহিত্য- বাংলা সাহিত্যের সৃজনশীল এই চার ধারায় অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চার তরুণ সাহিত্যিক পেলেন সিটি ব্যাংক নিবেদিত ‘কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার-২০২৫’।
এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন কবি রনক জামান, গবেষক রাফাত আলম, কথাসাহিত্যিক হামিম কামাল ও শিশুসাহিত্যিক রবিউল কমল।
‘এই গ্রাম কুড়িয়ে পেয়েছি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য কবিতা বিভাগে রনক জামান, ‘বাংলাদেশ পাঠ: সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ক্রিয়াশীলতার অনুষঙ্গে’, বইয়ের জন্য প্রবন্ধ ও গবেষণা বিভাগে রাফাত আলম, ‘ত্রিস্তান’ উপন্যাসের জন্য কথাসাহিত্য বিভাগে হামিম কামাল এবং ‘দস্যু ও দুই দূরন্ত’ বইয়ের জন্য শিশু-কিশোর সাহিত্য বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন রবিউল কমল।
শনিবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার হিসেবে তাদের প্রত্যেককে প্রদান করা হয় ২ লাখ টাকা অর্থমূল্যের চেক ও ক্রেস্ট।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার’-এর ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে বিচারকমণ্ডলীর সদস্য কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও বিপ্লব বিভাগে মানসম্মত বই না পাওয়ায় এ বছর এ বিভাগে কোনো পুরস্কার দেওয়া হয়নি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক হাসনাত আবদুল হাই। আলোচক ছিলেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক আবুল আহসান চৌধুরী। আরও উপস্থিত ছিলেন সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন, ‘কালি ও কলম’-এর সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ফারুক মাহমুদ এবং বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টিবোর্ডের সদস্য ও মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ঐতিহাসিক গান পরিবেশন করেন শিল্পী প্রিয়াঙ্কা গোপ। তিনি ‘মোর বীণা ওঠে’, ‘আসিলে কে গো অতিথি’, ‘বসিয়া বিজনে’, ‘দুর্গম গিরি’সহ বেশ কয়েকটি গান পরিবেশন করেন।
প্রসঙ্গত, তরুণ কবি ও লেখকদের সাহিত্যের অঙ্গনে উৎসাহিত করতে ২০০৮ সাল থেকে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে সাহিত্য, শিল্প ও সংস্কৃতিবিষয়ক মাসিক পত্রিকা ‘কালি ও কলম’ । এ পর্যন্ত ৭১ জন তরুণ সাহিত্যিক এ পুরস্কার পেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ইসলাফিল খসরু এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মান্না মজুমদার। শনিবার ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটিতে সহ-সভাপতি নোমান সুফিয়ান, শ্যামা প্রসাদ চৌধুরী, ইমতিয়াজ উদ্দীন পাশা ও জাহাঙ্গীর হোসাইন। কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি খান সাজ্জাদ, সহকারী সম্পাদক - মো. একরাম চৌধুরী, বেলাল হোসাইন, মিনহাজ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী দোলন। অর্থ সম্পাদক এইচ এম হারুন, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব রায়, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সালাউদ্দিন, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক রঞ্জিত ঘোষ, সদস্য আহমেদ আনিস চৌধুরী ও মো. ফারুক, অফিস সম্পাদক উত্তম বড়ুয়া, ক্রীড়া সম্পাদক আজম খান, সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক মনোয়ার হোসেন মুন্না, মুহিদুল ইসলাম স্বপন, রফিকুল আলম বাবু ও আইনুল কবির জিতু, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ডাঃ মানস চৌধুরী, সহকারী সাংস্কৃতিক সম্পাদক শোয়েব নাঈম, অনিল বরণ রায় ও মোঃ ফারুক।
নির্বাহী সদস্য পদে সাবেক অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সৈয়দ আবুল বশর, কামরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, এ্যাড শাহীন আফতাবুর রেজা চৌধুরী, নাসির উদ্দীন, ডা. খুরশিদ জামিল, রেজাউল করিম চৌধুরী, মাহামুদুর রহমান, আবদুন নুর, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু,শফিকুল আলম, রিপন, নুরুল হক সাহিদ, হুমায়ন চৌধুরী, জাহিদ খান, নিয়াজ উদ্দিন জকি, রিজুয়ান আজিজ কুরাইশি বান্টি, ফয়েজ আহমদ ফায়ু, ফেরদৌস খান, তারিক হোসাইন, শোয়েব ইসলাম, আলী নওশাদ চৌধুরী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটে সাত পদের নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে দিনভর ভোটারদের মাঝে ছিল উৎসবের আমেজ। শনিবার সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত শহরের ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চবিদ্যালয়ে চলে ভোটগ্রহন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির (২০২৬-২৮) ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারি ও ৫টি সদস্য পদে মোট ৪৫জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
রেডক্রিসেন্ট ইউনিট সূত্রে গেছে, ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত কার্যনির্বাহী কমিটির এই নির্বাচনের ভোটে ৪৫জন প্রার্থীর মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, সেক্রেটারি পদে ৫ জন ও ৫টি সদস্য পদে ৩৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান শাহীন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি এ বি এম মোমিনুল হক, জেলা জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী চিকিৎসক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।
সেক্রেটারি পদের প্রার্থীরা হলেন বর্তমান সেক্রেটারি ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, কামরুল ইসলাম, জেলা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সাবেক সভাপতি ও রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সাবেক যুব প্রধান শেখ মাহবুবুর রহমান, মো. লুৎফুল হাই ভ‚ঞা, মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও জামায়াত ইসলামীর এডভোকেট মো. শাহ ওয়াসিম। এছাড়া ৫টি সদস্য পদের বিপরীতে ভােটের মাঠে ছিলেন ৩৭জন প্রার্থী।
শনিবার সকাল নয়টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ভোট গ্রহনের সময় নির্ধারণ করা হয়। তবে ভোটার উপস্থিতি থাকায় বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহন। রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে মোট ভোটার ১০ হাজার ৬৪৫ জন। এর মধ্যে আজীবন সদস্য ৯ হাজার ৪৬৬ জন এবং বার্ষিক সদস্য ১ হাজার ১৭৯জন।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে রয়েছেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম, নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোশররফ হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান চৌধুরী প্রমুখ।
নির্বাচন কমিশনার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোশররফ হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানুষের মাঝে ভোট দেয়া নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ, উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা গেছে। উৎসবমুখর পরিবেশে অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোট ৪ হাজার ১৬২জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ