ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

খুবি ও এইচবিআরসির মধ্যে টেকসই আবাসন ও জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়নে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর


খুবি ও এইচবিআরসির মধ্যে টেকসই আবাসন ও জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়নে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিন এবং সেন্টার ফর হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্চ (এইচবিআরসি) এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের উদ্দেশ্য হলো টেকসই আবাসন ও জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়ন উদ্যোগে গবেষণা, উদ্ভাবন, শিক্ষা, প্রদর্শনীমূলক কার্যক্রম এবং বাস্তবায়নে কৌশলগত সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা করা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের উঠানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী এবং এইচবিআরসির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবু সাদেক পিইঞ্জ উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত এমওইউ’র কপি বিনিময় করা হয়।

এ সময় স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. রুমানা আসাদ ও ডিসিপ্লিনের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু, জানাজায় সহপাঠী ও শিক্ষকরা

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান যৌথ গবেষণা ও নকশাগত উদ্ভাবন, টেকসই, সাশ্রয়ী ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন এবং বসতি উন্নয়ন, পানির নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করবে। এছাড়া টেকসই নির্মাণসামগ্রী ও প্রযুক্তির ব্যবহার, ভবনের কার্যকারিতা উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, ইন্টার্নশিপ এবং পেশাগত দিকনির্দেশনা প্রদানের বিষয়গুলোও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় নকশা প্রতিযোগিতা, স্টুডিও কার্যক্রম, কর্মশালা, সেমিনার এবং জনসম্পৃক্ততামূলক কার্যক্রম আয়োজনের পাশাপাশি প্রদর্শনীমূলক প্রকল্প, নমুনা প্রকল্প তৈরি এবং পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নেও দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে। একই সঙ্গে কারিগরি প্রকাশনা, গবেষণালব্ধ জ্ঞান প্রচার এবং সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী বিষয়ে সহায়তা প্রদানের সুযোগ তৈরি হবে।

এছাড়া এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে একাডেমিক জ্ঞানের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের গবেষণা, পেশাগত চর্চা ও বাস্তব প্রয়োগের সমন্বয় ঘটবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রেক্ষাপটের উপযোগী উদ্ভাবনী ও সাশ্রয়ী স্থাপত্য, প্রকৌশল এবং পরিকল্পনাবিষয়ক সমাধান উন্নয়নের ক্ষেত্র তৈরি হবে।

আরও পড়ুন: ফটোশপে শ্রমিক নির্যাতনের ভুয়া ছবি ছড়িয়ে উসকানি, রাজশাহীতে গ্রেপ্তার ১

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসবিএসি ব্যাংকে এক্সপোর্ট মনিটরিং ও এফডিআই রিপোর্টিং নিয়ে কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


এসবিএসি ব্যাংকে এক্সপোর্ট মনিটরিং ও এফডিআই রিপোর্টিং নিয়ে কর্মশালা

এসবিএসি ব্যাংক পিএলসির লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের উদ্যোগে সম্প্রতি ‘রিপোর্টিং অব অনলাইন এক্সপোর্ট মনিটরিং সিস্টেম (ওইএমএস) অ্যান্ড ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই)’ শীর্ষক একটি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালার উদ্বোধন করেন এসবিএসি ব্যাংকের রিটেইল ডিস্ট্রিবিউশন ডিভিশনের প্রধান ও এসইভিপি মোঃ রাশেদ আক্তার। এই কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ ইনভেস্টমেন্ট ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ হাসান শাহরিয়ার এবং মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের আইসিএমআইটিএস বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহজাহান কবির।

এ সময় এসবিএসি ব্যাংকের লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের প্রিন্সিপাল মোঃ সাইদুর রহমান এবং ইন্টারন্যাশনাল ডিভিশনের প্রধান ও এসভিপি মোঃ মাজহারুল হাসানও উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সঠিকভাবে ওইএমএসের মাধ্যমে রপ্তানি প্রতিবেদন দাখিল এবং এফডিআই রিপোর্টিং বিষয়ক এই কর্মশালায় মোট ৬২ জন অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরকে যানজট-শব্দদূষণমুক্ত করতে ১৫ সপ্তাহের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


গাজীপুরকে যানজট-শব্দদূষণমুক্ত করতে ১৫ সপ্তাহের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা

গাজীপুর মহানগরকে যানজট ও শব্দদূষণমুক্ত, পরিচ্ছন্ন এবং বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ১৫ সপ্তাহের একটি কৌশলগত ও সময়াবদ্ধ বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে গাজীপুর সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ‘জুলাই চত্বর’ পর্যন্ত এলাকার যানজট ও শব্দদূষণ মুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময়সভায় এই পরিকল্পনা ও উদ্যোগের বিস্তারিত জানানো হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া। তিনি উল্লেখ করেন, গাজীপুরকে পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন ও যানজটমুক্ত শহর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

সভায় শহরে চলাচলকারী অটোরিকশার সংখ্যা ও চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য ই-নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে আলোচনা হয়। যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং নাগরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্কাউট সদস্যদের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। এ কাজে সিনিয়র সিটিজেন, বিএনসিসি সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার স্বেচ্ছাসেবীদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

সভায় বক্তারা শহরের যানজটের তিক্ত অভিজ্ঞতা ও নাগরিক ভোগান্তির বিষয়গুলো তুলে ধরেন। তারা অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ফুটপাত দখলমুক্ত করা, শব্দদূষণ রোধ এবং যানজট কমাতে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

বক্তারা বলেন, গাজীপুর শহরকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, শব্দদূষণমুক্ত ও যানজটমুক্ত রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব।

সভায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা খাতুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এম রকিবুল হাসান, সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) মো. আরিফ হোসাইন এবং কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম আরও বক্তব্য দেন।

এ সময় শিক্ষক, সাংবাদিক, বিএনসিসি সদস্য, সংশ্লিষ্ট যানবাহন সমিতির নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শীতের আগমনী ও যমুনায় পানি কমায় বগুড়ার ৩ উপজেলায় জেগে ওঠা চরে গাইঞ্জা ধানের চাষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


শীতের আগমনী ও যমুনায় পানি কমায় বগুড়ার ৩ উপজেলায় জেগে ওঠা চরে গাইঞ্জা ধানের চাষ

শীতের আগমনের ধ্বনি এবং যমুনা নদীর পানি কমে যাওয়ার ফলে বগুড়ার তিনটি উপজেলায় চরের পতিত জমিতে বাড়তি ফলনের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সারিয়াকান্দি, ধুনট ও সোনাতলা উপজেলায় জেগে ওঠা চরে এবার চালের আকারে প্রায় ৪১ হাজার মেট্রিক টন বাড়তি ফলন পাওয়া যাবে। চাষিরা মাঠে নেমে পড়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা এখন বাড়তি ফলন ঘরে তোলার স্বপ্ন দেখছেন।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, যমুনা নদীর পানি কমে যাওয়ার ফলে সারিয়াকান্দিতে নদীর বুকে বেশ কিছু জমি জেগে উঠেছে। পলি দোঁআশ মাটির এই জমিতে স্থানীয় চাষিরা অসময়ে ধান চাষ শুরু করেছে। প্রতিবছর আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে বগুড়া যমুনা নদীতে বন্যা দেখা দেয়। বন্যার পর পানি কমে গেলে জেগে ওঠা খালি চরে নদীর পানি সেচ দিয়ে ধান চাষ করা হয়। এই ধানকে স্থানীয়রা গাইঞ্জা বলে। তবে কৃষি অফিসের মতে, এটি পরিচিত। সাধারণত বর্ষার জমে থাকা পানি বা নদীর পানিতে এই ধান চাষ হয়ে থাকে। কিন্তু স্থানীয় চাষিরা বন্যার কারণে দেরিতে রোপণ করে থাকে। যমুনা নদীর পানি কমতে থাকলে নতুন জেগে ওঠা কম পানির ভেতর এই ধান চাষ করা হয়। এই সময় চাষিদের হাতে কাজ একেবারে কম থাকে। স্থানীয়রা চাষ করে বাজারে ধান বিক্রি করে আয় করেন।

কিছু চাষি শীতকালের খাবার হিসেবে ঘরে রেখে পরিবারের জন্য চাল তৈরি করে খাবারের ব্যবস্থা করেন। মূলত নদীর পানি দিয়ে বন্যা, অতি বন্যায় নদীর জেগে ওঠা চরে এই ধান চাষ হয়ে থাকে। স্থানীয় চাষিরা এই ধান চাষ করে নিজেদের জন্য চাল এবং গৃহপালিত গরুর জন্য খাবার হিসেবে খড়ের ব্যাপক ব্যবহার করে থাকেন। নদীর পানি শুকিয়ে গেলে বা কমে গেলে নদীর দুই পাড়ে ফাঁকা জায়গায় এই ধান চাষ হয়। এই ধান কবে ও কখন থেকে চাষ হয়ে আসছে তার সঠিক ইতিহাস জানা নেই। এই ধান হতে প্রায় ১০০ দিন সময় লাগে। চাষবাসে খরচ বলতে পানি সেচ ও বীজ। তেমন কোন সার দিতে হয় না। আমন বা বোরোর মত ফলন পাওয়া না গেলেও বিঘা প্রতি ৮ থেকে ১০ মন ধান পাওয়া যায়। চলতি বছর বগুড়ায় প্রায় ১২ হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ হচ্ছে। এই পরিমাণ জমি থেকে চালের আকারে ফলন পাওয়া যাবে প্রায় ৪১ হাজার মেট্রিক টন। নদী পাড়ের এই চাষ বাড়তি ফলন হিসেবে ধরা হচ্ছে।

বগুড়ার সোনাতলার আব্দুর রহমান জানান, নদীর পানি কমে গেলে এই ধান চাষ হয়ে থাকে। সার পানি তেমন দিতে হয় না বলে একে গাইঞ্জা ধান বলা হয়। হাটে বাজারে ৪০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে এই চাল বিক্রি হয়। শীতকালে চরে তেমন কোন কাজ থাকে না। এই সময় ঘরে ভাতের অভাব দূর করে এই চাষ। অনেকেই এটিকে আপৎকালিন ধানও বলে থাকেন।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিস জানাচ্ছে, গাইঞ্জা ধান প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হচ্ছে। যমুনা নদীর পানি কমলে জমি বের হবে। সেই ফাঁকা জমিতে স্থানীয় চাষিরা আবারও চাষবাস শুরু করে। এই ক্ষেত্রে জমি এবং চাষের জমি বৃদ্ধি পেয়ে ফলনও বৃদ্ধি পায়। খোলা বাজারে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা মন দরে এই ধান বিক্রি হয়। চরের চাষীরা বিনা চাষ, সেচ, সার ও কীটনাশক ছাড়া স্থানীয় ধানের চাষ করে ভালো ফলন পেয়ে থাকেন। গাইঞ্জা চাষ বাড়তি ফলন হিসেবে যতটা সম্ভব স্থানীয় চাষিরা চাষ করে থাকে।

বগুড়ার ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ছামিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, নদীর তীরবর্তী দরিদ্র জনগোষ্ঠী এই ধান চাষ করছেন। আগে এসব বালুচর পতিত থাকত। নদীর এসব পতিত জমিতে এই ধান চাষ করে চাষিরা সচ্ছলতা পাচ্ছেন। এই ধানকে গাইঞ্জা বলা হয়, আবার কেউ কেউ বর্ষাকালের জন্য বর্ষালি বলেও উল্লেখ করেন। তবে বর্ষালি ধানটি বর্ষাকালে রোপণ করা হয়। বন্যার কারণে চাষিরা দেরিতে লাগায় বলে স্থানীয়রা এটিকে গাইঞ্জা ধান বলে। বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুর রহমান জানিয়েছেন, ধান চাষের পর এবারের যমুনা নদীর চরে বাড়তি হিসেবে প্রায় ৪১ হাজার টন চাল পাওয়া যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঠালিয়ায় প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অবৈধ ইটভাটার চিমনি, ধ্বংস ২৫টি কয়লার চুল্লি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাঠালিয়া প্রতিনিধি: রাজীব খান

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


কাঠালিয়ায় প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অবৈধ ইটভাটার চিমনি, ধ্বংস ২৫টি কয়লার চুল্লি

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় অবৈধ ইটভাটা ও পরিবেশদূষণ রোধে কঠোর অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে একটি অবৈধ ইটভাটার ১২০ ফুট উচ্চতার চিমনি ও ইট তৈরির চুল্লি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি পৃথক স্থানে ২৫টি কয়লার চুল্লি ধ্বংস করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে কাঠালিয়া সদরের বড় কাঠালিয়া এলাকায় অবস্থিত এমবিএফ মনিরা ব্রিকফিল্ডে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ভাটাটির অবৈধ স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা।

পরবর্তীতে উপজেলার ১ নম্বর চেঁচরীরামপুর ইউনিয়নের বানাই গ্রামের বাকার খালের পাড়ে অভিযান চালিয়ে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ২৫টি কয়লার চুল্লি ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন কাঠালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমি রানী বল, ঝালকাঠি পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আঞ্জুমান নেছা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সোহেল মাহমুদ।

অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

অভিযান প্রসঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তর ঝালকাঠির সহকারী পরিচালক আঞ্জুমান নেছা বলেন, “আজ এমবিএফ মনিরা ব্রিকফিল্ডের অবৈধ ১২০ ফুট উচ্চতার চিমনি ধ্বংস করা হয়েছে। এ ধরনের চিমনি অবৈধ। পরবর্তী সময়ে ১২০ ফুট উচ্চতার যেসব ইটভাটার চিমনি রয়েছে, সেসব ভাটায়ও অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা

অভিযান চলাকালে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন। তাঁদের সহায়তায় অবৈধ স্থাপনা ধ্বংস ও অভিযান কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

পরিবেশদূষণ রোধ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অবৈধ ইটভাটা ও কয়লার চুল্লির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%