ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

এসবিএসি ব্যাংকে এক্সপোর্ট মনিটরিং ও এফডিআই রিপোর্টিং নিয়ে কর্মশালা


এসবিএসি ব্যাংকে এক্সপোর্ট মনিটরিং ও এফডিআই রিপোর্টিং নিয়ে কর্মশালা

এসবিএসি ব্যাংক পিএলসির লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের উদ্যোগে সম্প্রতি ‘রিপোর্টিং অব অনলাইন এক্সপোর্ট মনিটরিং সিস্টেম (ওইএমএস) অ্যান্ড ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই)’ শীর্ষক একটি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালার উদ্বোধন করেন এসবিএসি ব্যাংকের রিটেইল ডিস্ট্রিবিউশন ডিভিশনের প্রধান ও এসইভিপি মোঃ রাশেদ আক্তার। এই কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ ইনভেস্টমেন্ট ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ হাসান শাহরিয়ার এবং মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের আইসিএমআইটিএস বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহজাহান কবির।

এ সময় এসবিএসি ব্যাংকের লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের প্রিন্সিপাল মোঃ সাইদুর রহমান এবং ইন্টারন্যাশনাল ডিভিশনের প্রধান ও এসভিপি মোঃ মাজহারুল হাসানও উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সঠিকভাবে ওইএমএসের মাধ্যমে রপ্তানি প্রতিবেদন দাখিল এবং এফডিআই রিপোর্টিং বিষয়ক এই কর্মশালায় মোট ৬২ জন অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: সেবার মানোন্নয়নে অতিরিক্ত দায়িত্ব পেল সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরকে যানজট-শব্দদূষণমুক্ত করতে ১৫ সপ্তাহের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


গাজীপুরকে যানজট-শব্দদূষণমুক্ত করতে ১৫ সপ্তাহের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা

গাজীপুর মহানগরকে যানজট ও শব্দদূষণমুক্ত, পরিচ্ছন্ন এবং বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ১৫ সপ্তাহের একটি কৌশলগত ও সময়াবদ্ধ বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে গাজীপুর সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ‘জুলাই চত্বর’ পর্যন্ত এলাকার যানজট ও শব্দদূষণ মুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময়সভায় এই পরিকল্পনা ও উদ্যোগের বিস্তারিত জানানো হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া। তিনি উল্লেখ করেন, গাজীপুরকে পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন ও যানজটমুক্ত শহর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

সভায় শহরে চলাচলকারী অটোরিকশার সংখ্যা ও চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য ই-নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে আলোচনা হয়। যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং নাগরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্কাউট সদস্যদের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। এ কাজে সিনিয়র সিটিজেন, বিএনসিসি সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার স্বেচ্ছাসেবীদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

সভায় বক্তারা শহরের যানজটের তিক্ত অভিজ্ঞতা ও নাগরিক ভোগান্তির বিষয়গুলো তুলে ধরেন। তারা অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ফুটপাত দখলমুক্ত করা, শব্দদূষণ রোধ এবং যানজট কমাতে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

বক্তারা বলেন, গাজীপুর শহরকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, শব্দদূষণমুক্ত ও যানজটমুক্ত রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব।

সভায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা খাতুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এম রকিবুল হাসান, সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) মো. আরিফ হোসাইন এবং কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম আরও বক্তব্য দেন।

এ সময় শিক্ষক, সাংবাদিক, বিএনসিসি সদস্য, সংশ্লিষ্ট যানবাহন সমিতির নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শীতের আগমনী ও যমুনায় পানি কমায় বগুড়ার ৩ উপজেলায় জেগে ওঠা চরে গাইঞ্জা ধানের চাষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


শীতের আগমনী ও যমুনায় পানি কমায় বগুড়ার ৩ উপজেলায় জেগে ওঠা চরে গাইঞ্জা ধানের চাষ

শীতের আগমনের ধ্বনি এবং যমুনা নদীর পানি কমে যাওয়ার ফলে বগুড়ার তিনটি উপজেলায় চরের পতিত জমিতে বাড়তি ফলনের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সারিয়াকান্দি, ধুনট ও সোনাতলা উপজেলায় জেগে ওঠা চরে এবার চালের আকারে প্রায় ৪১ হাজার মেট্রিক টন বাড়তি ফলন পাওয়া যাবে। চাষিরা মাঠে নেমে পড়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা এখন বাড়তি ফলন ঘরে তোলার স্বপ্ন দেখছেন।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, যমুনা নদীর পানি কমে যাওয়ার ফলে সারিয়াকান্দিতে নদীর বুকে বেশ কিছু জমি জেগে উঠেছে। পলি দোঁআশ মাটির এই জমিতে স্থানীয় চাষিরা অসময়ে ধান চাষ শুরু করেছে। প্রতিবছর আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে বগুড়া যমুনা নদীতে বন্যা দেখা দেয়। বন্যার পর পানি কমে গেলে জেগে ওঠা খালি চরে নদীর পানি সেচ দিয়ে ধান চাষ করা হয়। এই ধানকে স্থানীয়রা গাইঞ্জা বলে। তবে কৃষি অফিসের মতে, এটি পরিচিত। সাধারণত বর্ষার জমে থাকা পানি বা নদীর পানিতে এই ধান চাষ হয়ে থাকে। কিন্তু স্থানীয় চাষিরা বন্যার কারণে দেরিতে রোপণ করে থাকে। যমুনা নদীর পানি কমতে থাকলে নতুন জেগে ওঠা কম পানির ভেতর এই ধান চাষ করা হয়। এই সময় চাষিদের হাতে কাজ একেবারে কম থাকে। স্থানীয়রা চাষ করে বাজারে ধান বিক্রি করে আয় করেন।

কিছু চাষি শীতকালের খাবার হিসেবে ঘরে রেখে পরিবারের জন্য চাল তৈরি করে খাবারের ব্যবস্থা করেন। মূলত নদীর পানি দিয়ে বন্যা, অতি বন্যায় নদীর জেগে ওঠা চরে এই ধান চাষ হয়ে থাকে। স্থানীয় চাষিরা এই ধান চাষ করে নিজেদের জন্য চাল এবং গৃহপালিত গরুর জন্য খাবার হিসেবে খড়ের ব্যাপক ব্যবহার করে থাকেন। নদীর পানি শুকিয়ে গেলে বা কমে গেলে নদীর দুই পাড়ে ফাঁকা জায়গায় এই ধান চাষ হয়। এই ধান কবে ও কখন থেকে চাষ হয়ে আসছে তার সঠিক ইতিহাস জানা নেই। এই ধান হতে প্রায় ১০০ দিন সময় লাগে। চাষবাসে খরচ বলতে পানি সেচ ও বীজ। তেমন কোন সার দিতে হয় না। আমন বা বোরোর মত ফলন পাওয়া না গেলেও বিঘা প্রতি ৮ থেকে ১০ মন ধান পাওয়া যায়। চলতি বছর বগুড়ায় প্রায় ১২ হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ হচ্ছে। এই পরিমাণ জমি থেকে চালের আকারে ফলন পাওয়া যাবে প্রায় ৪১ হাজার মেট্রিক টন। নদী পাড়ের এই চাষ বাড়তি ফলন হিসেবে ধরা হচ্ছে।

বগুড়ার সোনাতলার আব্দুর রহমান জানান, নদীর পানি কমে গেলে এই ধান চাষ হয়ে থাকে। সার পানি তেমন দিতে হয় না বলে একে গাইঞ্জা ধান বলা হয়। হাটে বাজারে ৪০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে এই চাল বিক্রি হয়। শীতকালে চরে তেমন কোন কাজ থাকে না। এই সময় ঘরে ভাতের অভাব দূর করে এই চাষ। অনেকেই এটিকে আপৎকালিন ধানও বলে থাকেন।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিস জানাচ্ছে, গাইঞ্জা ধান প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হচ্ছে। যমুনা নদীর পানি কমলে জমি বের হবে। সেই ফাঁকা জমিতে স্থানীয় চাষিরা আবারও চাষবাস শুরু করে। এই ক্ষেত্রে জমি এবং চাষের জমি বৃদ্ধি পেয়ে ফলনও বৃদ্ধি পায়। খোলা বাজারে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা মন দরে এই ধান বিক্রি হয়। চরের চাষীরা বিনা চাষ, সেচ, সার ও কীটনাশক ছাড়া স্থানীয় ধানের চাষ করে ভালো ফলন পেয়ে থাকেন। গাইঞ্জা চাষ বাড়তি ফলন হিসেবে যতটা সম্ভব স্থানীয় চাষিরা চাষ করে থাকে।

বগুড়ার ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ছামিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, নদীর তীরবর্তী দরিদ্র জনগোষ্ঠী এই ধান চাষ করছেন। আগে এসব বালুচর পতিত থাকত। নদীর এসব পতিত জমিতে এই ধান চাষ করে চাষিরা সচ্ছলতা পাচ্ছেন। এই ধানকে গাইঞ্জা বলা হয়, আবার কেউ কেউ বর্ষাকালের জন্য বর্ষালি বলেও উল্লেখ করেন। তবে বর্ষালি ধানটি বর্ষাকালে রোপণ করা হয়। বন্যার কারণে চাষিরা দেরিতে লাগায় বলে স্থানীয়রা এটিকে গাইঞ্জা ধান বলে। বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুর রহমান জানিয়েছেন, ধান চাষের পর এবারের যমুনা নদীর চরে বাড়তি হিসেবে প্রায় ৪১ হাজার টন চাল পাওয়া যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঠালিয়ায় প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অবৈধ ইটভাটার চিমনি, ধ্বংস ২৫টি কয়লার চুল্লি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাঠালিয়া প্রতিনিধি: রাজীব খান

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


কাঠালিয়ায় প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অবৈধ ইটভাটার চিমনি, ধ্বংস ২৫টি কয়লার চুল্লি

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় অবৈধ ইটভাটা ও পরিবেশদূষণ রোধে কঠোর অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে একটি অবৈধ ইটভাটার ১২০ ফুট উচ্চতার চিমনি ও ইট তৈরির চুল্লি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি পৃথক স্থানে ২৫টি কয়লার চুল্লি ধ্বংস করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে কাঠালিয়া সদরের বড় কাঠালিয়া এলাকায় অবস্থিত এমবিএফ মনিরা ব্রিকফিল্ডে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ভাটাটির অবৈধ স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা।

পরবর্তীতে উপজেলার ১ নম্বর চেঁচরীরামপুর ইউনিয়নের বানাই গ্রামের বাকার খালের পাড়ে অভিযান চালিয়ে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ২৫টি কয়লার চুল্লি ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন কাঠালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমি রানী বল, ঝালকাঠি পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আঞ্জুমান নেছা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সোহেল মাহমুদ।

অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

অভিযান প্রসঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তর ঝালকাঠির সহকারী পরিচালক আঞ্জুমান নেছা বলেন, “আজ এমবিএফ মনিরা ব্রিকফিল্ডের অবৈধ ১২০ ফুট উচ্চতার চিমনি ধ্বংস করা হয়েছে। এ ধরনের চিমনি অবৈধ। পরবর্তী সময়ে ১২০ ফুট উচ্চতার যেসব ইটভাটার চিমনি রয়েছে, সেসব ভাটায়ও অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা

অভিযান চলাকালে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন। তাঁদের সহায়তায় অবৈধ স্থাপনা ধ্বংস ও অভিযান কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

পরিবেশদূষণ রোধ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অবৈধ ইটভাটা ও কয়লার চুল্লির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাকসুর কার্যক্রমকে বিধিবহির্ভূত বলল প্রশাসন, জিএস আম্মারের প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ পি.এম


রাকসুর কার্যক্রমকে বিধিবহির্ভূত বলল প্রশাসন, জিএস আম্মারের প্রতিবাদ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ও হল সংসদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের পরবর্তী কার্যক্রমকে বিধিবহির্ভূত হিসেবে উল্লেখ করেছে। কর্তৃপক্ষ একই সঙ্গে রাকসুর নাম ব্যবহার করে কোনো ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এই প্রশাসনিক বক্তব্যের বিরুদ্ধে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি ফেসবুকে মন্তব্য করে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ‘ননসেন্স’ ও ‘গাম্বাট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জনসংযোগ দপ্তরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে প্রশাসনের এই অবস্থান জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “আজ মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) কর্তৃক বিভিন্ন হল সংসদের মাধ্যমে জিমনেসিয়াম সরঞ্জামাদি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডের সংবাদ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গোচরীভূত হয়েছে। এসব সংবাদ বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী বলে কর্তৃপক্ষ মনে করে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, রাকসু ও হল সংসদের মেয়াদ ২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে শেষ হয়েছে। ফলে ওই তারিখের পর তাদের কোনো কার্যক্রম বিধিসম্মত নয়। একইভাবে রাকসুর নাম ব্যবহার করে কোনো ছাত্রসংগঠনের তৎপরতাও বিধিবহির্ভূত। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ধরনের কর্মকান্ড থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার আহ্বান জানায়।

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওই বিজ্ঞপ্তির ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি লেখেন, “কতবড় ননসেন্সগুলা, গাম্বাট এই বসে আছে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগোলতে একটাবার চিন্তা করেন।

রাকসুর কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে তিনি আরও লেখেন, “রাকসুর সর্বশেষ অধিবেশন হয়েছে সেপ্টেম্বরের ৩০ তারিখ। তারপর এই বাজেট উত্তোলন করতে পেরেছি এই মাসের ২১ তারিখ। ১১টি ছেলেদের হল আর মেয়েদের কেন্দ্রীয় জিমনেসিয়ামের জিনিস অর্ডার করে নিয়ে আসতে সময় লেগেছে। এজন্য এখন আর এই কাজ করা যাবেনা। অধিবেশনে পাশ হওয়া এখনো মিনিমাম ডজনখানেক কাজ চলমান। তো এগুলো রাকসু শেষ করবেনা?

রাকসুর সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সালমান সাব্বিরও প্রশাসনের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “জনাব প্রশাসক মহোদয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয়ই রাকসুর সভাপতি। তার অনুমোদনক্রমেই রাকসুর ফান্ড থেকে অর্থ উত্তোলন করে এসব কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আর, এই কার্যক্রম নতুন নয়। বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই এর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বাস্তবায়নের বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগছে মাত্র।

তিনি আরও যোগ করেন, “সামনেও এ ধরনের আরও কয়েকটি উদ্যোগ বাস্তবায়িত হবে।

উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকালে ছেলেদের ১১টি আবাসিক হল ও মেয়েদের কেন্দ্রীয় জিমনেসিয়ামের জন্য ব্যায়ামের সরঞ্জাম সরবরাহ করে রাকসু। এ ছাড়া তায়কোয়ান্দো খেলোয়াড়দের অনুশীলনের জন্য দুটি বক্সিং ব্যাগ সরবরাহ এবং ছেলেদের কেন্দ্রীয় জিমনেসিয়াম সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন রাকসুর নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%