ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

দেশে ফিরেছেন ১৭৬৮৯ বাংলাদেশি হাজি, মারা গেছেন ৪২


দেশে ফিরেছেন ১৭৬৮৯ বাংলাদেশি হাজি, মারা গেছেন ৪২

পবিত্র হজ পালন শেষ করে সৌদি আরব থেকে মোট ১৭ হাজার ৬৮৯ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরে এসেছেন। ফিরতি ফ্লাইট হিসেবে ৪৩টি ফ্লাইটের মাধ্যমে তারা ফিরে আসেন। নিহত হাজিদের মধ্যে ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ৪২ জনের মধ্যে ২৭ জন পুরুষ এবং ১৫ জন নারী। তাদের মধ্যে ৩২ জন মক্কাতে এবং ১০ জন মদিনায় মারা গেছেন।

এ তথ্য আজ মঙ্গলবার (২ জুন) পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, এ বছর হজের আনুষ্ঠানিকতা ২৬ জুন শেষ হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হজের ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনটি নির্ধারিত বিমান সংস্থা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১০টি, সাউদিয়া এয়ারলাইনসের ১৫টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ১৮টি ফ্লাইট।

আরও পড়ুন: ৬৭ পুলিশ পরিদর্শক এসএসপি পদে পদোন্নতি পেলেন

হজ অফিস সূত্রে জানা গেছে, ফেরত আসা হাজিদের মধ্যে ২ হাজার ৮২ জন সরকারি হাজি এবং ১৫ হাজার ৬০৭ জন বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন।

এই বছরের ১৮ এপ্রিল প্রথম ফ্লাইটে হজ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল এবং তা শেষ হয় ২১ মে। ফিরতি হজ ফ্লাইটের কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৩০ মে থেকে এবং এটি আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে মোরগ পোলাওয়ের প্যাকেটে ব্যাঙ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২১ এম


কুড়িগ্রামে মোরগ পোলাওয়ের প্যাকেটে ব্যাঙ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় একটি খাবারের প্যাকেটে আস্ত ব্যাঙ পাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সোমবার বিকেলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জানা গেছে, উপজেলার একটি খাবারের দোকান থেকে আতোয়ার রহমান ও আশিকুর রহমান পাঁচ প্যাকেট মোরগ পোলাও কিনে বাড়িতে নিয়ে যান। যখন পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে শিশুদের খাবার পরিবেশন করার সময় একটি প্যাকেটের ভেতরে আস্ত একটি ব্যাঙ দেখতে পান তারা। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে পড়েন।

পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পায়। রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলাউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খাবারের প্যাকেটে ব্যাঙ পাওয়ার খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সত্যতা পাওয়া গেছে। এই ঘটনার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য কঠোর সতর্ক করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ১৪.৪ শতাংশ মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করেন, শীর্ষে ঢাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৩ এম


দেশের ১৪.৪ শতাংশ মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করেন, শীর্ষে ঢাকা

বাংলাদেশে অনলাইন কেনাকাটার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস বা ই-কমার্স, গ্রাহকদের কেনাকাটার অভ্যাসকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে বলা যেতে পারে, দেশে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা বিভাগ।

সম্প্রতি একটি জরিপে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগের প্রতি পাঁচজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মধ্যে একজনেরও বেশি বর্তমানে অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য ও সেবা কেনাকাটা করছেন। এর বিপরীতে, এই তালিকার মধ্যে অন্যতম পিছিয়ে রয়েছে বরিশাল বিভাগ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) পরিচালিত ‘আইসিটি অ্যাক্সেস অ্যান্ড ইউজ বাই হাউজহোল্ডস অ্যান্ড ইন্ডিভিজুয়ালস সার্ভে ২০২৪-২৫’ শীর্ষক একটি জরিপের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, দেশের ১৪.৪ শতাংশ মানুষ পণ্য কিনতে বা সেবা পেতে অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করেন। এই দিক থেকে ঢাকায় এ হার ২১.৩ শতাংশ, যা দেশের সর্বাধিক। বরিশাল বিভাগে এই হার সবচেয়ে কম, ৮.৭ শতাংশ।

জরিপ অনুযায়ী, অনলাইনে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে পোশাক, জুতা এবং খেলাধুলার সামগ্রী; মোট অনলাইন কেনাকাটার ৭০.৩ শতাংশিই এই খাতে। এরপর খাদ্য ও মুদি পণ্য (৩৪.৬ শতাংশ), ওষুধ (২১.০ শতাংশ), প্রসাধনী (১৭.৯ শতাংশ), আসবাবপত্র ও গৃহস্থালি সামগ্রী (১০.৯ শতাংশ) এবং আইটি ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য (৮.৭ শতাংশ) রয়েছে।

মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে এখনও সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হল ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’। অনলাইন ক্রেতাদের ৮৬.৮ শতাংশ পণ্য হাতে পাওয়ার পর মূল্য পরিশোধ করেন। অন্যদিকে ১৩.৯ শতাংশ বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহার করেন। ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করছেন ৩.১ শতাংশ এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে মাত্র ১.১ শতাংশ।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোবাইল ফোন সংযোগ ১৮ কোটি ৬০ লাখ এবং ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ১২ কোটি ৯৬ লাখে পৌঁছেছে।

জরিপের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে অনলাইন কেনাকাটার প্রবণতা বেশি। পুরুষদের মধ্যে ১৭.৫ শতাংশ অনলাইনে কেনাকাটা করেন, কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে এই হার ১১.৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, গ্রামীণ এলাকার মানুষের তুলনায় শহরের বাসিন্দারা অনলাইন কেনাকাটায় প্রায় দ্বিগুণ এগিয়ে রয়েছেন। শহরের ২০ শতাংশ মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করেন, কিন্তু গ্রামে এই হার ১১.৮ শতাংশ।

বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ১৬.২ শতাংশ, খুলনায় ১৪.২ শতাংশ, রাজশাহীতে ১১.৭ শতাংশ, সিলেটে ১০.৯ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৯.৩ শতাংশ এবং রংপুরে ৯.২ শতাংশ মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করেন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৫-৩৪ বছর বয়সী জনগণের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনলাইন কেনাকাটার প্রবণতা রয়েছে। তাদের মধ্যে এ হার ২৪.৭ শতাংশ। ১৫-২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে এই হার ১৯.৪ শতাংশ। তবে ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের মধ্যে অনলাইন কেনাকাটার হার সবচেয়ে কম, যা ২.৬ শতাংশ।

শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে ৪১.৪ শতাংশ অনলাইনে কেনাকাটা করেন। মাধ্যমিক পাস করা ব্যক্তিদের মধ্যে এই হার ১৯.৫ শতাংশ, প্রাথমিক মেধাসম্পন্নদের মধ্যে ৮.৩ শতাংশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাহীনদের মধ্যে ৩.৭ শতাংশ।

পেশাভিত্তিক হিসাব করলে, বেকারদের মধ্যে অনলাইন কেনাকাটার হার সবচেয়ে বেশি, ২৩.৯ শতাংশ। কর্মজীবীদের মধ্যে এই হার ১৮.৯ শতাংশ এবং কর্মক্ষেত্রের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে ১০.৫ শতাংশ।

জরিপে আরও জানা গেছে, অনলাইনে কেনাকাটা করতে গিয়ে ১১.৪ শতাংশ ক্রেতা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। পুরুষ ও নারীর ক্ষেত্রে এ হার যথাক্রমে ১১.৪ ও ১১.৫ শতাংশ; যা প্রায় সমান।

গ্রামের ক্রেতাদের ১১.৬ শতাংশ এবং শহরের ১১.৩ শতাংশ অনলাইনে কেনাকাটায় ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন। বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের ক্রেতারা। উভয় বিভাগেই এ হার ১৭.২ শতাংশ। বিশেষ করে ঢাকা বিভাগের ক্রেতারা সবচেয়ে কম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন, যেখানে হার মাত্র ৬.৮ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। এ হার ১৬.৬ শতাংশ। ৩৫-৪৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ১২.৩ শতাংশ, ৪৫-৫৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ১২.১ শতাংশ এবং ১৫-২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ১০.৯ শতাংশ ক্রেতা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন, এই তথ্যগুলো দেখা গেছে।

শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে, প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করা ক্রেতাদের মধ্যে সমস্যার হার সবচেয়ে বেশি, ১৫.৫ শতাংশ। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাহীনদের মধ্যে এ হার ৮.৮ শতাংশ এবং উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে ১০.৮ শতাংশ।

জরিপের তথ্য অনুযায়ী, অনলাইন কেনাকাটায় সবচেয়ে বেশি কাটতি পোশাক, জুতা এবং খেলাধুলার সামগ্রীর, যার গড় হার ৭০.৩ শতাংশ। তবে পণ্যভিত্তিক পছন্দে নারী ও পুরুষদের মধ্যে কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে। নারীদের ক্ষেত্রে এই ক্যাটাগরির পণ্য কেনার হার যেখানে ৭৫.৩ শতাংশ, পুরুষদের ক্ষেত্রে তা ৬৬.৮ শতাংশ।

অন্যদিকে, অনলাইনে খাদ্য ও মুদি পণ্য কেনাকাটায় পুরুষদের হার ৩৬.৩ শতাংশ এবং নারীদের ৩২.২ শতাংশ। ওষুধ কেনার ক্ষেত্রেও পুরুষদের সংখ্যা বেশি। এখানে পুরুষদের হার ২৪.৩ শতাংশ, নারীদের ১৬.২ শতাংশ।

অনলাইন কেনাকাটায় সবচেয়ে বড় অভিযোগ হল ‘অর্ডার অনুযায়ী সঠিক পণ্য না পাওয়া’। ভোগান্তির শিকার ক্রেতাদের ৫০.৭ শতাংশ এ অভিযোগ করেছেন। পুরুষদের মধ্যে এই হার ৪৯.৩ শতাংশ এবং নারীদের মধ্যে ৫২.৬ শতাংশ।

দ্বিতীয় প্রধান সমস্যা হলো ‘পণ্যের নিম্নমান’। এ অভিযোগ করেছেন ৪৪.৮ শতাংশ ক্রেতা। পুরুষদের মধ্যে এই হার ৪৪.৭ শতাংশ এবং নারীদের মধ্যে ৪৫ শতাংশ। এছাড়া ১৯.৩ শতাংশ ক্রেতা সময়মতো পণ্য হাতে না পাওয়ার বা ‘দেরিতে ডেলিভারি’র অভিযোগ করেছেন। পুরুষদের মধ্যে এই হার ২০.৩ শতাংশ এবং নারীদের মধ্যে ১৭.৮ শতাংশ। অন্যদিকে, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্য নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ৯.৭ শতাংশ ক্রেতা।

পণ্যের মান নিয়ে শহরের ক্রেতাদের অসন্তুষ্টি বেশি। শহরের ৪৮ শতাংশ ক্রেতা নিম্নমানের পণ্যের অভিযোগ করেছেন, যেখানে গ্রামে এ হার ৪০.৭ শতাংশ। তবে ভুল পণ্য বা অর্ডার অনুযায়ী ভিন্ন সামগ্রী পাওয়ার ক্ষেত্রে শহর ও গ্রামের চিত্র প্রায় একই। শহরের ৫০.৬ শতাংশ এবং গ্রামের ৫০.৭ শতাংশ ক্রেতা এই ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন।

পণ্য হাতে পাওয়ার বা ডেলিভারি পদ্ধতির ক্ষেত্রে দেখা গেছে, সর্বাধিক ৫৫.৬ শতাংশ ক্রেতা নির্দিষ্ট কালেকশন পয়েন্ট বা পোস্ট অফিস থেকে তাদের পণ্য সংগ্রহ করেছেন। অন্যদিকে, কুরিয়ার বা পোস্টাল সার্ভিসের মাধ্যমে সরাসরি ‘হোম ডেলিভারি’ বা ঘরে বসে পণ্য পেয়েছেন ৩০.৬ শতাংশ গ্রাহক।

এদিকে দেশের একটি বিশাল অংশ এখনও কেন অনলাইন কেনাকাটার বাইরে রয়েছেন। এর কারণও এই জরিপে উঠে এসেছে। অনলাইনে কেনাকাটা না করা ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই (৭৫.৮ শতাংশ) সরাসরি দোকানে গিয়ে পণ্য দেখে বা যাচাই করে কিনতে চায়।

এছাড়া ৩৫.৮ শতাংশ মূলে জানান যে, তাদের অনলাইনে কেনাকাটার প্রয়োজন নেই। পরবর্তী ১২ শতাংশ মানুষ বলেছেন, তাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা বা জ্ঞানের অভাব রয়েছে। আর ৩.৩ শতাংশ ব্যক্তি গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

জরিপের ফলাফল নির্দেশ করে, দেশের ডিজিটাল বাণিজ্য দ্রুত সম্প্রসারণের পথে রয়েছে। একই সাথে, অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিকাশমান ভোক্তা অর্থনীতির সম্ভাবনা এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোরও একটি পরিষ্কার চিত্র তুলে ধরেছে এই জরিপ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসা হত্যার নতুন মোড়, কে এই ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৫ এম


রামিসা হত্যার নতুন মোড়, কে এই ডলার

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় বিচার কার্যক্রম শুরুর অনুভবের দিনে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার বক্তব্য কেন্দ্র করে নতুন আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

আদালতে হাজির হওয়ার সময় তিনি বারবার বলেন, রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা করেছে “ডলার” নামক একজন ব্যক্তি। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্তের সময় ওই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সোমবার (১ জুন) ঢাকার শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার শুরু হয়েছে। আদালতের সামনে সোহেল রানা সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ধর্ষণ করেছে ডলার, মারছেও ডলার। আমি তো শুধু লাশ গুম করতে চেয়েছিলাম।

তিনি আরও দাবি করেন, ডলারের বাসা মিরপুর-১১ এলাকায় এবং রামিসাকে এনে দেওয়ার জন্য তাকে দুই লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

শুনানি শেষে যখন হাজতখানায় নেওয়া হচ্ছিল, তখনও একই দাবি পুনরাবৃত্তি করেন সোহেল রানা। তিনি বলেন, ডলারকে খুঁজলে সব সত্য বের হবে। কিন্তু এই সময় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কোনো মন্তব্য করেননি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডলার পল্লবী এলাকারই বাসিন্দা এবং পেশায় অটোরিকশাচালক। তিনি মাদকাসক্ত হিসেবে এলাকায় পরিচিত। সোহেল রানার সঙ্গে তার পরিচয় ছিল একটি স্থানীয় গ্যারেজের মাধ্যমে। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, ডলার ধনী নন, তবে তাদের পরিবার এলাকার বাড়ির মালিক ও আর্থিকভাবে সচ্ছল।

ডলারের বড় ভাই সেলিম রায়হান জানান, দীর্ঘ প্রায় ১৯ বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে ডলারের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, যদি এই ঘটনায় ডলারের কোনো ভূমিকা প্রমাণিত হয়, তাহলে তারও সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদুজ্জামান ভূঁইয়া জানিয়েছেন, তদন্তের সময় ডলার নামে একজনের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেলেও তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ মেলেনি।

তিনি জানান, সাক্ষ্য-প্রমাণ, ডিজিটাল তথ্য এবং তদন্তে ঘটনাস্থলে ডলারের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এজন্য চার্জশিটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, সোহেল রানা ও তার স্ত্রীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও ডলারের নাম উঠে আসেনি। এছাড়াও সোহেল রানার সঙ্গে ডলারের পূর্বশত্রুতার তথ্যও পাওয়া গেছে। তার মতে, আসামি নতুন এই দাবি উত্থাপন করে বিচার প্রক্রিয়াকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চেয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেছেন, তদন্তে ডলারের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার কথায়, পেশাদার অপরাধীরা অনেক সময় তদন্তকে বিভ্রান্ত করতে অন্য ব্যক্তির নাম সামনে আনে। আদালতে আসামি এই বিষয়ে কিছু বলেনি, শুধু গণমাধ্যমের সামনে বলেছে।

অন্যদিকে রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামি পক্ষের আইনজীবী মূসা কালিমূল্যাহ জানিয়েছেন, আসামির সঙ্গে তার আলোচনায় ডলারের বিষয়ে কোনো কথা ওঠেনি। আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন।

গত ১৯ মে সকালে রাজধানীর পল্লবীর একটি বহুতল ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসা আক্তারের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর সোহেল রানা বাসার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়। পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরদিন শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। একই দিনে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। ঘটনার মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যেই, ২৪ মে পুলিশ মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দেয়।

মামলাটির বিচার কার্যক্রম এখনও চলছে। তদন্ত সংস্থার দাবি, প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে চার্জশিট তৈরি করা হয়েছে এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবীগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৮ এম


নবীগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

 

নবীগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাটার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মো. এলাইছ মিয়া নামের একজন ব্যক্তিকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (১ জুন) উপজেলার কুড়াগাঁও এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিন।

জানা গেছে, উপজেলার কুড়াগাঁও এলাকায় একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাটি কর্তন করে আসছিল। এই বিষয়ক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার কুড়াগাঁও এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় অবৈধভাবে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে কুড়াগাঁও গ্রামের মৃত গণি মিয়ার ছেলে মো. এলাইছ মিয়াকে আটক করা হয় এবং তাকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অনাদায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ২ (দুই) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। সাজা ঘোষণার পর তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থদণ্ডের ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।

অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানিয়েছেন, উপজেলার পরিবেশ রক্ষা এবং সরকারি আইন বাস্তবায়ন উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বালু বা মাটি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। আইনের পরিপন্থী যেকোনো কাজের বিরুদ্ধে প্রশাসন সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%