মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি
০১:৪২ পি.এম
শেরপুরে দীর্ঘদিন ধরে বাজিতখিলা ইউনিয়ন একটি অবহেলিত ইউনিয়ন একে উন্নত শিখরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একজন তরুণ জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন। ৩০ অক্টোবর শুক্রবার বিকালে গণসংযোগ শেষে এসব কথা বলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাংবাদিক বুলবুল আহমেদ।
তিনি আরো বলেন, বাজিতখিলা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড থেকে হাজার হাজার কর্মী, সমর্থক, যুবক ভাই ও মুরুব্বিগণ আজ একটি গণসংযোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এবং লিফলেট বিতরণ করেছেন। আজকের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে বাজিতখিলা ইউনিয়নের জনগণ পরিবর্তন চায়, তারা তরুণ প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বুলবুল আরো বলেন, বাজিতখিলা ইউনিয়নের জনগণ চায় আগামী দিনে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা ইত্যাদি ভাতাগুলো যেন মানুষ বিনামূল্যে পায়।
এছাড়াও রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট, মসজিদ, মাদরাসা, ঈদগাহ মাঠ ও কবরস্থানসহ সকল উন্নয়ন প্রকল্প যেন জনগণের স্বার্থে যোগ্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
সাংবাদিক বুলবুল আহমেদ তিনি একজন তরুণ জনপ্রতিনিধি হিসেবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি চান এই ইউনিয়ন একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিত লাভ করুক। শেরপুর জেলায় ৫২টি ইউনিয়ন রয়েছে, যার মধ্যে ৩নং বাজিতখিলা ইউনিয়ন অন্যতম। এই ইউনিয়নের সুনাম যেন নষ্ট না হয় এবং মাদক নির্মূল করতে তিনি যুবকদের সাথে নিয়ে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।
জনগণের জোয়ার অব্যাহত থাকলে অন্য প্রার্থীদের সব ভোট একত্র করলেও তার ভোটের সমতুল্য হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুর সদর উপজেলার ৩ নং বাজিতখিলা ইউনিয়নে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা। নির্বাচনী আমেজের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে সাধারণ মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সমাজসেবক মো. বুলবুল আহমেদ।
এ উপলক্ষে নিজের প্রার্থিতার বিষয়টি তুলে ধরতে এবং ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে তাঁর নেতৃত্বে একটি মিছিল ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর উপজেলায় চোরাচালান ও অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ করা হয়েছে। এ সময় চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে দুপুরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় এবং ওসি খন্দকার শাকের আহমেদের তত্ত্বাবধানে সীমান্ত এলাকায় অপরাধ দমনে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে শীত মৌসুমকে সামনে রেখে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা ১০০টি কম্বল উদ্ধার করা হয়। এসব কম্বলের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। এ ঘটনায় একজনকে আটক করে পুলিশ।
এ ছাড়া পৃথক অভিযানে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা ১২টি ষাঁড় বাছুর জব্দ করা হয়। এসব গবাদিপশুর আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি জনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ আইনের ৩৪(৬) ধারায় আরও দুজনকে আটক করা হয়।
দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানসহ যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। জনস্বার্থে ও এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পুলিশের এ অভিযানে মোট ৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা মূল্যের চোরাই পণ্য জব্দ করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে এমন অভিযান অব্যাহত থাকলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. নুরুজ্জামান (২৮) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার যাত্রাবাড়ী বাজার এলাকায় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে তাঁকে আটক করা হয়। আটক নুরুজ্জামান উপজেলার বিশকাকুনি ইউনিয়নের ভটপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযানে তাঁর কাছ থেকে চার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলামের নির্দেশক্রমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাহ উদ্দিন মাহমুদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত তাঁকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত নুরুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজে এইচএসসি (সাধারণ ও কারিগরি) পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৫ শিক্ষার্থী। এ বছর কলেজটি থেকে মোট ২৪২ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৬ দশমিক ৫ শতাংশ।
প্রকাশিত ফলাফলে কলেজটির শিক্ষার্থীদের এ সাফল্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। সাধারণ ও কারিগরি শাখার শিক্ষার্থীরা এবারের পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাঁচ শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ফলাফল জিপিএ-৫ অর্জন করে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।
কলেজের পরিষদের সম্পাদক ও প্রভাষক প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, শিক্ষার্থীদের এ ফলাফলে আমরা সন্তুষ্ট। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের পাঠদানে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের সমন্বয়ে এ ফলাফল অর্জিত হয়েছে। আগামীতে পাসের হার ও জিপিএ-৫-এর সংখ্যা আরও বাড়াতে পাঠদানের মানোন্নয়নসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ভালো ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানাই। যারা প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি, তাদের হতাশ না হয়ে আগামী দিনের জন্য আরও মনোযোগ ও পরিশ্রমের সঙ্গে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানাই।
কলেজ কর্তৃপক্ষ আশা করছে, শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত করা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আগামীতে ফলাফলে ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি কলেজের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ৭০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন আট জেলার ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে কুড়িগ্রাম জেলায়।
বোর্ডের ফলাফল অনুযায়ী, শূন্য পাসের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ। এ প্রতিষ্ঠানের ২৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কেউ পাস করতে পারেননি।
এ ছাড়া নাগেশ্বরী উপজেলার নাগেশ্বরী মডেল কলেজের ১৫ জন, রাজারহাট উপজেলার সিঙ্গার ডাবরীহাট কলেজের ১০ জন, একই উপজেলার সিঙ্গার ডাবরীর হাট বি. এল. হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৬ জন, নাগেশ্বরী উপজেলার কুটি পেয়ারা ডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫ জন এবং চিলাখানা মডেল কলেজের ৪ জন পরীক্ষার্থী সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
অন্যদিকে, উলিপুর উপজেলার হযরত ফাতিমা (রা.) পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩ জন, চিলমারী উপজেলার দক্ষিণ খাওরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২ জন এবং রাজারহাট উপজেলার পাঙ্গারানী লক্ষ্মীপ্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েও পাস করতে পারেননি।
এদিকে, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় কুড়িগ্রাম জেলার সামগ্রিক ফলাফলও হতাশাজনক। জেলায় মোট ১১ হাজার ৭২২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ৫ হাজার ৬৮৩ জন ছাত্র এবং ৬ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী। উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৭৭৩ জন। সে হিসাবে জেলায় পাসের হার ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ।
ফলাফলে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রদের পাসের হার ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ, অন্যদিকে ছাত্রীদের পাসের হার ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ। জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন মোট ১৩৬ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে ৫৯ জন ছাত্র এবং ৭৭ জন ছাত্রী।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, চরাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, শিক্ষক সংকট এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিতির মতো বিষয়গুলো খারাপ ফলাফলের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন আট জেলার মধ্যে পাসের হারে ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ নিয়ে কুড়িগ্রামের অবস্থান ষষ্ঠ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ