নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
০১:৫২ পি.এম
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি কলেজের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ৭০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন আট জেলার ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে কুড়িগ্রাম জেলায়।
বোর্ডের ফলাফল অনুযায়ী, শূন্য পাসের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ। এ প্রতিষ্ঠানের ২৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কেউ পাস করতে পারেননি।
এ ছাড়া নাগেশ্বরী উপজেলার নাগেশ্বরী মডেল কলেজের ১৫ জন, রাজারহাট উপজেলার সিঙ্গার ডাবরীহাট কলেজের ১০ জন, একই উপজেলার সিঙ্গার ডাবরীর হাট বি. এল. হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৬ জন, নাগেশ্বরী উপজেলার কুটি পেয়ারা ডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫ জন এবং চিলাখানা মডেল কলেজের ৪ জন পরীক্ষার্থী সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
অন্যদিকে, উলিপুর উপজেলার হযরত ফাতিমা (রা.) পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩ জন, চিলমারী উপজেলার দক্ষিণ খাওরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২ জন এবং রাজারহাট উপজেলার পাঙ্গারানী লক্ষ্মীপ্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েও পাস করতে পারেননি।
এদিকে, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় কুড়িগ্রাম জেলার সামগ্রিক ফলাফলও হতাশাজনক। জেলায় মোট ১১ হাজার ৭২২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ৫ হাজার ৬৮৩ জন ছাত্র এবং ৬ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী। উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৭৭৩ জন। সে হিসাবে জেলায় পাসের হার ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ।
ফলাফলে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রদের পাসের হার ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ, অন্যদিকে ছাত্রীদের পাসের হার ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ। জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন মোট ১৩৬ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে ৫৯ জন ছাত্র এবং ৭৭ জন ছাত্রী।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, চরাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, শিক্ষক সংকট এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিতির মতো বিষয়গুলো খারাপ ফলাফলের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন আট জেলার মধ্যে পাসের হারে ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ নিয়ে কুড়িগ্রামের অবস্থান ষষ্ঠ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সব ধরনের অপরাধ দমনে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। গত ২৪ ঘণ্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ মোট ১৯ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিএমপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ৩০ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. তারিখ দিনগত রাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের চার (০৪) টি থানা এবং গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) নগরীর বিভিন্ন স্থানে এই বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের সার্বিক সাফল্য ও গ্রেপ্তারের বিবরণ নিচে উল্লেখ করা হলো:
মাদক উদ্ধার ও গ্রেপ্তার: নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ০৩ জন সক্রিয় মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার: আদালতের পরোয়ানাভুক্ত (ওয়ারেন্ট) ০৮ জন পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার: বিভিন্ন থানায় দায়ের করা নিয়মিত মামলার অভিযুক্ত ০৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বরিশাল মহানগর অধ্যাদেশে গ্রেপ্তার: বিএমপি অধ্যাদেশের আওতায় ০৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
বিএমপি পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরীকে অপরাধ ও মাদকমুক্ত রাখতে এই ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মাদকের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন বরিশাল মহানগরীকে মাদকমুক্ত করতে সাধারণ জনগণের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছে পুলিশ। আপনার আশপাশে মাদক সংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে নিচের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।
হটলাইন / তথ্য কেন্দ্র: ০১৩২০-০৬৪০০০, ০১৩২০-০৬৪০৪৪
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরীক্ষার আয়োজন করতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এসব শিক্ষার্থী আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এতে পরবর্তী বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না তাঁদের।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আক্তারুজ্জামান সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, এ বিষয়ে বিধিমালা তৈরির কাজ চলছে। পুনঃপরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে ডিসেম্বরের মধ্যে সুবিধাজনক সময়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে এক বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন।
বিশেষ পরীক্ষার সুযোগ চালু হলে এসব শিক্ষার্থী শুধু তাঁদের অকৃতকার্য বিষয়গুলোতেই আবার পরীক্ষা দিতে পারবেন। ফলে একটি বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে পুরো এক বছর অপেক্ষা করতে হবে না তাঁদের।
শনিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন পুনঃপরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রথমবারের মতো এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে পরবর্তী বছর আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলো অথবা ইচ্ছা করলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে। এতে শিক্ষার্থীদের প্রায় এক বছর অপেক্ষা করতে হয়।
নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের এই দীর্ঘ অপেক্ষা কমবে। পাশাপাশি শিক্ষাজীবনে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি ও মানসিক চাপও কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৮ আগস্ট এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয় ১৫ আগস্ট। এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা সদরে দক্ষিণ বাজারে সাপ্তাহিক হাটের দিনগুলোতে ফুটপাত ও মূল সড়ক দখল করে ব্যবসা পরিচালনার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এর ফলে প্রতি শুক্র ও সোমবার হাটের দিনগুলোতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন কেনাকাটা করতে আসা হাজারো মানুষ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার ও সোমবার কাউখালী বাজারে সাপ্তাহিক হাট বসে। এই হাটে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর, রাজাপুর, স্বরূপকাঠি ও ভাণ্ডারিয়া উপজেলা থেকে শত শত মানুষ কেনাকাটা করতে আসেন। ফলে হাটের দিন বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম ঘটে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য ড্রেনের ওপর নির্মিত ফুটপাত দখল করে বসানো হয়েছে নানা দোকান। চিরাপাড়া ব্রিজের ঢাল থেকে দক্ষিণ বাজার হয়ে উত্তর বাজার পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশের ফুটপাতের বড় একটি অংশ এখন ব্যবসায়ীদের দখলে। কেউ ফুটপাতে স্থায়ী-অস্থায়ী দোকান বসিয়েছেন, আবার কেউ পসরা সাজিয়ে বসেছেন। এর ফলে বাধ্য হয়ে পথচারীদের মূল সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
এমনিতেই কাউখালী বাজারের সড়কগুলো তুলনামূলক বেশ সরু। অনেক স্থানে দুটি রিকশা পাশাপাশি অতিক্রম করাও কঠিন। এর ওপর ফুটপাত দখল, মূল সড়কে চাকাযুক্ত ভ্যানগাড়িতে পণ্য বিক্রি এবং ইজিবাইক ও অটোরিকশার অতিরিক্ত চলাচলের কারণে যানজট আরও তীব্র আকার ধারণ করছে। এতে পথচারী ও যানবাহন চালকদের প্রতিনিয়ত নাকাল হতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন সভায় আলোচনা হয়েছে। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফুটপাত সব সময় হকার ও অবৈধ দখলমুক্ত রাখার কথা ছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং ও সতর্কবার্তা দেওয়ার পর কিছুদিন ফুটপাত দখলমুক্ত থাকলেও সম্প্রতি দক্ষিণ বাজার থেকে উত্তর বাজার পর্যন্ত আবারও অধিকাংশ ফুটপাত ও সড়কের অংশ দখল হয়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করলে ফুটপাত কিছু সময়ের জন্য দখলমুক্ত থাকে, তবে অভিযান শেষ হলেই তা আগের অবস্থায় ফিরে যায়।
এ বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, বাজারের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আক্তার বলেন, সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ ফুটপাত। এটি দখল করে ব্যবসা পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই। বাজারের ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এমন অবৈধ দখল, ফুটপাতের ওপর দোকানপাট ও সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিক সংগঠন ‘শাহজাদপুর প্রেসক্লাব’-এর দ্বিবার্ষিক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন জিএস আল আমিন এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন রাসেল সরকার ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) শাহজাদপুর ক্রীড়া সংস্থার হলরুমে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী দুই বছরের জন্য এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
সভায় উপস্থিত প্রেসক্লাবের সদস্যরা নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটিকে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে সংগঠনের ঐতিহ্য, সুনাম ও নিরপেক্ষতা অক্ষুণ্ন রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
নবনির্বাচিত সভাপতি জি এস আল আমিন হোসেন বলেন, “আমি জনগণের স্বার্থে এবং দেশের কল্যাণে নিরপেক্ষতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকতা করি। ভবিষ্যতেও সেই আদর্শ ও নীতি ধারণ করে কাজ করে যেতে চাই।”
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক রাসেল সরকার তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “দীর্ঘ ২৫ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে আমি সবসময় বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং মূলধারার সাংবাদিকদের সঙ্গে ছিলাম। ভবিষ্যতেও এর ব্যতিক্রম হবে না, ইনশাআল্লাহ। আমাকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করায় সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।”
নবগঠিত এই কমিটির মাধ্যমে শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য, মর্যাদা ও স্বাধীন সাংবাদিকতা চর্চায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ