১১:৫৪ পি.এম
বাংলাদেশের তরুণ ক্রীড়াবিদরা এবার মাঠের বাইরেও সাফল্যের নতুন গল্প গড়েছেন, যা খেলার মাঠে তাদের মেধার স্বাক্ষর রাখার পাশাপাশি। গতকাল প্রকাশিত ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার ৫২.১২ শতাংশে নেমে এলেও, জাতীয় পর্যায়ের একঝাঁক অ্যাথলেটের সাফল্য দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
বিকেএসপি থেকে অংশ নিয়ে জাতীয় নারী হকি দলের যমজ বোন হিমাদ্রী বড়ুয়া ও নিলাদ্রী বড়ুয়া সাফল্যের দারুণ আলো ছড়িয়েছেন। ক্যাম্পের ব্যস্ততার মাঝেও, হিমাদ্রী জিপিএ ৫ অর্জন করেছেন এবং নিলাদ্রী পেয়েছেন ৪.৮৩। এ নিয়ে বিকেএসপির সাত হকি তারকার মধ্যে ছয়জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।
ক্রীড়াঙ্গনের অন্যান্য শাখাতেও সাফল্যের এই রেশ ছড়িয়েছে। টেবিল টেনিসের ‘রানি’খ্যাত খই খই সাই মারমা বড় টুর্নামেন্ট মিস করার চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.৬৭ পেয়েছেন। ফুটবল অঙ্গনে আলো ছড়িয়েছেন বসুন্ধরা কিংসের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ (জিপিএ ৪.৭১) এবং অনূর্ধ্ব-২০ দলের গোলরক্ষক মাহিন (জিপিএ ৪.২৫)। নারী ফুটবলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ জিপিএ ৪ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন স্বর্ণা রানি মণ্ডল। ফুটবলারদের মধ্যে নবিরন, ঐশী, বন্যা, স্বপ্না ‘বি’ গ্রেড পেয়েছেন।
আরও পড়ুন: মেসির জাদুতে মায়ামির দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন
অন্যদিকে, পেস বোলিংয়ের মতো পড়াশোনার বাধা ডিঙিয়ে সাফল্য অর্জন করেছেন জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের মারুফা আক্তার (জিপিএ ৩.১৭)। উচ্চশিক্ষার স্বপ্নে বিভোর এসব অ্যাথলেটের এমন কৃতিত্ব প্রমাণ করে যে, ইচ্ছাশক্তি ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে মাঠ ও পড়াশোনা দুই দিকেই জয়ী হওয়া সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন