ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চার দশকের নেতৃত্বের অবসান, প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা লাখো ইরানির


চার দশকের নেতৃত্বের অবসান, প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা লাখো ইরানির

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শোকানুষ্ঠান ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। দেশটির সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করা এই নেতা ইসলামিক রিপাবলিকের রাজনৈতিক, সামরিক ও কৌশলগত নীতিনির্ধারণে প্রায় চার দশক ধরে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে আসছিলেন।

এখন তার শেষ বিদায়ে অংশ নিতে রাজধানী তেহরানে সমবেত লাখো মানুষের কণ্ঠে শোকের পাশাপাশি তীব্র ক্ষোভও প্রকাশিত হয়েছে। জনগণের মধ্যে প্রতিশোধের আগুন দেখা গেছে এবং তারা এর জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছেন।

১৯৮৯ সালে ইরান-ইরাক যুদ্ধের পর আলী খামেনি সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বের আওতায় সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় সশস্ত্র বাহিনী, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নিয়োগের ওপর ব্যাপক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে।

আরও পড়ুন: আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনকে লজ্জাজনক বললেন নেতানিয়াহু

খামেনির সময়কালে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নিরাপত্তা, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের মোকাবেলায় ইরান তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণ করেছে।

তার পারমাণবিক নীতি ছিল পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ইরানের অন্যতম বিতর্কিত বিষয়। খামেনি দাবি করেছিলেন যে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না, কিন্তু শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার বজায় রাখার পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

আঞ্চলিক কৌশলে, তিনি মিত্র সরকার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপর নির্ভর করে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তার করেছিলেন, যদিও এটি উপসাগরীয় আরব দেশগুলো, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে।

খামেনির মৃত্যু অনেক ইরানির কাছে জাতীয় ঐক্য ও সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে, যা রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দুর্বল করার পরিবর্তে নতুন আবেগ সৃষ্টি করেছে। লাখো মানুষ তার শেষ বিদায়ে অংশ নিচ্ছেন, যা দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

শনিবার জানাজায় অংশ নেওয়া সাধারণ নাগরিক এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মানুষ খামেনির মৃত্যুকে পারিবারিক অভিভাবক হারানোর চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হিসেবে দেখতে পাচ্ছেন।

এই হামলার জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা।

গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে জড়ো হওয়া জনতার আবেগ এবং ক্ষোভের চিত্র তুলে ধরে আরশ রাহিমি নামের ৪০ বছর বয়সী একজন ব্যক্তি রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা নিশ্চিতভাবেই আমাদের নেতার রক্তের প্রতিশোধ নেব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ এখানে যারা সমবেত হয়েছেন, তারা প্রত্যেকেই সর্বোচ্চ নেতার হত্যার বিচার চান। আমাদের নেতা সবসময় বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের রক্তের শত্রুতা রয়েছে। তাই আমেরিকার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কখনই ভালো হওয়ার নয়।’

আরও পড়ুন: লুলার বিজয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় ধাক্কা, ভূরাজনীতির নতুন সমীকরণ

এই জাতীয় শোকের গভীরতা সাধারণ ইরানিদের কতটা স্পর্শ করেছে, তা দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষের কথায় প্রকাশিত হয়েছে।

ইরানের হামাদান প্রদেশ থেকে তেহরানে আসা হামিদ তেইমোরি নামের একজন ব্যক্তি বলেন, ‘আমি এক অদ্ভুত ও অবর্ণনীয় মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে রয়েছি। আমার নিজের বাবা যখন মারা গেলেন, তখনও আমি এতটা কাঁদিনি, যতটা কাঁদছি আমাদের সর্বোচ্চ নেতার শাহাদতের খবর শুনে।’

অপেক্ষমাণদের একজন সোমাইয়ে সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরাকে বলেন, ‘আমরা আমাদের নেতার প্রতি ভালোবাসা থেকেই এসেছি। এই অপেক্ষা একই সঙ্গে মধুর এবং বেদনাদায়কও।’

অনেকের মতে, দেশের জন্য খামেনির অবদানের তুলনায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা খুবই সামান্য ত্যাগ।

আরও পড়ুন: রূপপুরের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ সেন্ট হতে পারে

দেশটির এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ফাতেমেহ বলেন, ‘তাকে বিদায় জানাতে কোনো ধরনের কমতি রাখা উচিত নয়।’

আরেক শিক্ষার্থী মাহদি বলেন, ‘১০ থেকে ১২ ঘণ্টা অপেক্ষা করা কোনো বিষয়ই নয়। মনে হচ্ছে যেন আমরা নিজের পরিবারের একজন সদস্যের শোকানুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছি।’

এদিকে, প্রয়াত এই নেতার সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শোকানুষ্ঠানে বাংলাদেশ, চীন, রাশিয়া, ভারত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, পাকিস্তানসহ বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। তারা মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন।

আরও পড়ুন: ছাত্রদল নেতার জানাজার পরপরই গুরুদাসপুরে প্রবাসীর শপিংমলে হামলা-লুটপাট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তা মহাপরিকল্পনা যেকোন মূল্যে বাস্তবায়ন করবে সরকার: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৩ পি.এম


তিস্তা মহাপরিকল্পনা যেকোন মূল্যে বাস্তবায়ন করবে সরকার: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই, যে আন্দোলন করেছি। তা সফল হতে চলেছে। আমাদের তিস্তা মহাপরিকল্পনা যেকোন মূল্যে বাস্তবায়ন করব। এর মধ্য দিয়ে তিস্তাপাড়ের মানুষের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত সূচিত হবে।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকালে লালমনিরহাট শহরের এমটি হোসেন মাঠে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য উল্লেখ করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা ১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি এবং সংগ্রাম করেছি। আমরা নির্যাতন সহ্য করেছি। অনেক প্রাণ দিয়ে এবং জেল খেটে কাটিয়েছি। তবুও মাথা নোয়াইনি। খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এক নতুন বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছি। এখন একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। নতুনভাবে একটা বাংলাদেশ গড়ে তোলার সময় এসেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিনির্মানের সেই আন্দোলন আসাদুল হাবিব দুলুর নেতৃত্বে আলোকিত লালমনিরহাট গড়ার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে। আমাদের সমাজ মাদকের আগ্রাসনে পরাজিত হয়েছে। যুবকদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হচ্ছে মাদকের আগ্রাসনে। তাই আমরা এটা হতে দিতে পারি না।

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, আমাদের অবশ্যই প্রতিরোধ গড়তে হবে। জনগণকে সচেতন করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জনগণের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আপনাদের মাদককে না বলবেন, যৌতুককে না বলবেন, জুয়াকে না বলবেন।

তিনি বলেন, যদি আমরা মাদকসহ সামাজিক অপরাধ দমন করতে পারি, তাহলে নিশ্চয় আমরা সমৃদ্ধিশালী দেশ গড়তে পারব। আমাদের স্বপ্নের নেতা, যিনি স্বপ্ন দেখেন ও বাস্তবায়ন করেন। সেই নেতার স্বপ্নের বাংলাদেশ নির্মাণ হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ইমাম-মুয়াজ্জিনের বেতন-ভাতা প্রদানসহ অনেক কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আমরা একটি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। লালমনিরহাটে যে সামাজিক অপরাধ দমনের আন্দোলন শুরু হলো তা গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক।

‘আলোকিত লালমনিরহাটের’ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আন্দোলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

আলোকিত লালমনিরহাটের সভাপতি জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য হাসান রাজিব প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক প্রমুখ।

পরে তিন মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যেদের নেতৃত্বে আলোকিত লালমনিরহাটের একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি এমটি হোসেন মাঠ থেকে বের হয়ে বিভিন্ন মোড় প্রদক্ষিণ করে শহরের প্রাণকেন্দ্র মিশন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে নিষদ্ধি ছাত্রলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার-১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


নোয়াখালীতে নিষদ্ধি ছাত্রলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার-১

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় ঝটিকা মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তবে এ ঘটনায় পুলিশ শান্ত নামে এক ছাত্রলীগ কর্মিকে গ্রেপ্তার করেছে।  

শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার দুর্গাপুর এলাকার আড্ডা বাড়ির সামনের সড়কে এ কমসূচি পালন করা হয়।  

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার ভোরে চৌমুহনী পৌরসভা এলাকায় নিসিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল করার জন্য একত্রিত হন। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা চলে যান। একপর্যায়ে  সকাল ১০টার দিকে চৌমুহনী পৌরসভা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার সাইফুল্লার নেতৃত্বে দুর্গাপুর এলাকার আড্ডা বাড়ির সামনের সড়কে একটি ঝটিকা মিছিল করে ছাত্রলীগ। ওই মিছিলে ছাত্রলীগের প্রায় ৮০-১০০ জন নেতাকর্মী অংশ নেন। বেলা ১১টার দিকে পুলিশ শান্ত নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।  

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.শামসুজ্জামান মিছিলের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভোরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতকর্মীরা মিছিল করতে একত্রিত হয়। তাৎক্ষণিক পুলিশ তাদের ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর তারা আবার একত্রিত হয়ে একটি ঝটিকা মিছিল করে বলে শুনেছি। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সাথে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে।  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিল দলে বড় ধাক্কা, নরওয়ের বিপক্ষে নেই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


ব্রাজিল দলে বড় ধাক্কা, নরওয়ের বিপক্ষে নেই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার

শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে ব্রাজিল দলের জন্য খবরটি বড় ধাক্কা হয়ে এলো। হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতা নরওয়ের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না।

ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) একটি সূত্র জানিয়েছে, পাকেতা এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেননি।

যার ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে তাকে মাঠে নামানোর সম্ভাবনা নেই। এমনকি, যদি ব্রাজিল ফাইনালে উঠতে না পারে তবে এবারের বিশ্বকাপে তার খেলার সম্ভাবনা আর থাকবে না।

রাউন্ড অফ ৩২-তে জাপানের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর ২-১ গোলে জেতে ব্রাজিল।

সেই ম্যাচে পাকেতা হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান। এরপর থেকে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণের মধ্যে রয়েছেন।

পাকেতার অনুপস্থিতিতে কোচ কার্লো আনচেলত্তির সামনে এখন মাঝমাঠ সাজানোর একটি চ্যালেঞ্জ আসছে। কারণ, আরেক তারকা মিডফিল্ডার কাসেমিরোরও নরওয়ের বিপক্ষে খেলার ব্যাপারে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ দিকে কিছুটা অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়েন কাসেমিরো। ব্রাজিলের শীর্ষ সংবাদমাধ্যম ও গ্লোবো জানিয়েছে, কাসেমিরোর খেলাটা নির্ভর করছে ফিটনেস পরীক্ষা উতরানোর ওপর।

পাকেতার বিকল্প হিসেবে দানিলো সান্তোসকে মাঠে নামানো হতে পারে। আক্রমণভাগকে আরো শক্তিশালী করার জন্য এনদ্রিক অথবা গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিকে শুরুর একাদশে রাখা হতে পারে। এর জন্য আনচেলত্তিকে কৌশল ও ফরমেশন বদলাতে হতে পারে।

তবে স্বস্তির খবরও রয়েছে। ঊরুর চোট থেকে সেরে ওঠার পর অনুশীলন শুরু করেছেন উইঙ্গার রাফিনিয়া। প্রয়োজন হলে তাকে নরওয়ের বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নামানো হতে পারে। এছাড়া নেইমার জুনিয়র শুরু থেকেই খেলার জন্য প্রস্তুত আছেন।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সোমবার (৬ জুলাই) রাত ২টায় আর্লিং হালান্ড-মার্টিন ওডেগার্ডদের নরওয়ের বিপক্ষে খেলতে নামবে ব্রাজিল। নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে একমাত্র নরওয়ের বিপক্ষে কখনো জিততে পারেনি সেলেসাওরা। চারবারের মুখোমুখি লড়াইয়ে তারা দুটো ম্যাচে হেরেছে এবং অন্য দুই ম্যাচ ড্র হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসলে দেশেতেও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটে : গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২০ পি.এম


বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসলে দেশেতেও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটে : গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ফলে চব্বিশের জুলাই এ দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। আজ আমরা মুক্ত পরিবেশে নাগরিক সমাবেশ করার সুযোগ পেয়েছি। বহু লড়াই ও সংগ্রামের মাধ্যমে ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব আন্দোলনের ফলে স্বৈরাচার সরকারের বিদায়ে আমরা এখন এমন একটি অবস্থায় পৌঁছেছি।

তিনি আরও বলেন, আপনারা জানেনÑ যতবার বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে, দেশে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটে। উন্নয়নের জোয়ার সবসময় এসেছে। এবারও এর ব্যতিক্রম হবে না।

এদিন বিকেলে কুমিল্লা টাউনহল মাঠে নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, আপনারা দেখেছেন- সরকারের গঠনের পর প্রথম অধিবেশনেই কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিলটি পাস হয়েছে। কুমিল্লার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এখন বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে কুমিল্লা-৬ সদর আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য একজন স্বপ্নবাজ মানুষ। রাজনীতিতে আমি তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। তিনি কীভাবে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে হবে, তা আমি তার কাছ থেকে শিখেছি।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, প্রতিটি বিভাগে স্পোর্টস কমপ্লেক্স স্থাপনের জন্য একটি বড় প্রকল্প আসছে। যদিও কুমিল্লা এখনও বিভাগ হয়নি, তবে ইনশাআল্লাহ কুমিল্লায় স্পোর্টস কমপ্লেক্স স্থাপনের প্রকল্পটি আসছে।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিরুজ্জামান ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে নাগরিক সভায় উন্নয়ন প্রস্তাবনা পেশ করেন কুমিল্লা-৬ আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরী।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকারের ৩ মাসের মধ্যেই কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং ওয়াসা গঠন হয়ে গেছে। সিটি কর্পোরেশনের সীমানা বৃদ্ধির কাজ চলছে। আপনারা বর্তমান সরকারের প্রতি আস্থা থাকুন, আমি কথা দিচ্ছি, তারেক রহমানের হাতে এ দেশ পথ হারাবে না।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বপন এবং সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাহিদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় উন্নয়ন সমন্বয় সভায় বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা বারের পিপি অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু, জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, সাবেরা আলাউদ্দিন হেনা, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুসহ জেলা মহানগরের নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%