বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:১০ পি.এম
রাঙামাটির সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলার বন্যা এবং নদীভাঙন প্রাবলিত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি।
সাম্প্রতিক টানা বর্ষণের ফলে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এর ফলে সড়ক, কালভার্ট, কৃষিজমি, মাছের ঘের, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ শত শত বসতঘরে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
পরিদর্শন শেষে, তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন এবং টেকসই উন্নয়ন, নদীভাঙন রোধ এবং জরুরি অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার জনগণের প্রতি শতভাগ দায়বদ্ধ। জনগণকে উন্নয়নের জন্য কিছু চাইতে হবে না। সরকারের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই দেশের প্রতিটি উপজেলায় প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’
দিনব্যাপী সফরে, প্রতিমন্ত্রী বাঘাইছড়ি ও লংগদুর বিভিন্ন বন্যাকবলিত এবং নদীভাঙনপ্রবণ এলাকা ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। একই সঙ্গে, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনা দেন।
বাঘাইছড়ি উপজেলার বারোবিন্দু ঘাট এলাকা পরিদর্শনের সময়, প্রতিমন্ত্রী ভেঙে যাওয়া প্রায় দুই কিলোমিটার সড়ক দ্রুত পুনর্নির্মাণের আশ্বাস দেন। তিনি এলাকায় নতুন কালভার্ট নির্মাণ এবং দুর্যোগের সময় নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দেন।
এ সময় তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলে বাঘাইছড়ির নদীভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে প্রতিবছর জনগণকে একই ধরনের দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে, প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এ অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তিনি জানান, পার্বত্য এলাকার প্রতিটি উপজেলায় সমানভাবে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে আধুনিক ভূমি অফিস এবং ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে, যাতে দুর্গম এলাকার মানুষ সহজেই সরকারি সেবা পেতে পারেন।
তিনি আরও জানান, বাঘাইছড়িতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের কাজ বর্তমানে চলছে। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরপরই নির্মাণকাজ শুরু হবে।
এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা আরও সহজ হবে। পাশাপাশি, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের পেছনে মানবসৃষ্ট কারণগুলোর কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, অপরিকল্পিতভাবে ঘরবাড়ি নির্মাণ, খাল-বিল ভরাট, পরিকল্পনাহীনভাবে বারবার কালভার্ট নির্মাণ এবং পানি চলাচলের পথ ময়লা-আবর্জনা ফেলে বন্ধ করে দেওয়ার কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি আরও বেড়ে যাচ্ছে।
পরিবেশ রক্ষায় জনগণের সচেতনতা এবং পরিকল্পিত উন্নয়নের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
টেকসই উন্নয়নের প্রসঙ্গে, ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১০০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে। সরকার সাময়িক সমাধান নয়, যেকোনো সংকটের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতেই কাজ করছে।
দুর্যোগকালীন সময়ে দ্রুত মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রশাসনের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৮ হাজার ৮৩৪ জন মানুষের কাছে দ্রুত খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ায় উপজেলা প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাই ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।
পরিদর্শনকালে, প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, বাঘাইছড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ওমর আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. ইমরানুল হক ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি পুনর্বাসন, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের খেলা উপলক্ষে পাবনায় একটি ভূরিভোজের আয়োজনের খরচ জোগানোর লক্ষ্যে চাঁদাবাজির অভিযোগে জেলা পুলিশ রাতুল ইসলাম (২৩) নামের এক যুবককে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে। অসতর্ক চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানো এক ব্যবসায়ীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে হামলার পরিকল্পনার সময় রাতুলকে আটক করা হয়।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাত সোয়া ৯টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার দক্ষিণ রামচন্দ্রপুরের চর মণ্ডলপাড়া এলাকার ইছামতি ক্যানেলের শালতলা ব্রিজসংলগ্ন স্থান থেকে রাতুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের হাতে তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় দুটি সচল বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ এসব তথ্য জানায়। গ্রেপ্তার রাতুল পাবনা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মণ্ডলপাড়া এলাকার মো. রাসেল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ বলেছে, রাতুল এবং তার পলাতক সহযোগীরা আর্জেন্টিনা দলের ফুটবল খেলা উপলক্ষে রাতের একটি বড় ভূরিভোজের আয়োজন করার পরিকল্পনা করে। ভূরিভোজের খরচ মেটানোর জন্য তারা অঞ্চলটির ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের কাছে জোরপূর্বক চাঁদা দাবি শুরু করে।
এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্থানীয় মুদি দোকানদার জাকির হোসেনের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। জাকির চাঁদা দিতে না চাইলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে দুপুরের দিকে বৌবাজার ব্রিজের ওপর জাকিরের মালিকানাধীন অটোরিকশা আটক করে। তারা জাকিরকে হুমকি দেয় যে, চাঁদা না দিলে অটোরিকশার ব্যাটারি খুলে টাকা আদায় করা হবে। তবে স্থানীয় জনতা জড়ো হলে তারা অটোরিকশাটি রেখে পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পরও তারা জোর পায়নি। চাঁদা না পাওয়ার কারণে আর্জেন্টিনার খেলার সময়ে জাকির হোসেনের ওপর বড় ধরনের হামলা করার পরিকল্পনা করা হয়। এ উদ্দেশ্যে রাতুলের পলাতক সহযোগীরা একটি কালো ব্যাগে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি জমা রাখে। পরে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও রাতুলকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়, সাথে ছিল দুটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি।
এ বিষয়ে পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ জানিয়েছেন, এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জেলা পুলিশের অভিযান পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলার সদর উপজেলার দুর্গাপুর-ডুমুরতলা এলাকার পাতিয়ার (পাতেল) বিলে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
পাতিয়ার বিলের মৎস্য সম্পদের সুরক্ষা এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. আজিজুর রহমান মিয়া।
এ সময় মাইজপাড়া ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. ইসহাক মিয়াসহ স্থানীয় মৎস্য চাষি, উপকারভোগী ও বিভিন্ন শ্রেনি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নড়াইল পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. জহুরুল ইসলাম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাছের অভয়াশ্রম পাতিয়ার বিলে রুই, মৃগেল ও পুটি মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মোট ১৬০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
প্রধান অতিথি মো. আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, পাতিয়ার বিল এ অঞ্চলের মানুষের আমিষের চাহিদা মেটানোর প্রধান উৎস। মাছের পোনা অবমুক্তকরণের এই উদ্যোগের ফলে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
সভাপতির জহুরুল ইসলাম জানান, পাতিয়ার বিলের উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের প্রাচুর্য ফিরিয়ে আনতে দেশীয় প্রজাতির পুটি মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে এ বিলে মাছ চাষ আগের তুলনায় আরও বৃদ্ধি পাবে যা এলাকার মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ১৭১ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোর ৬টা ২২ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকায় পৌঁছান।
এই প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে করা হয়েছে। লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাঁদের এই স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
জানা যায়, প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথখরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের ডাক বিভাগের কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে। জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। একই দাবি নিয়ে ডাক বিভাগের প্রধান ডাকঘরের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিও তারা পালন করেছেন।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ডাক কর্মচারী ইউনিয়ন (রেজি. বি-২০৩১), বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী সমিতি এবং বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী ঐক্য পরিষদের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সেই সঙ্গে দিনাজপুর প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টারের কাছেও একটি আলাদা স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডাক কর্মচারী ইউনিয়নের দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি এস এম আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ সম্পাদক মো. আবু তালেব, কোষাধ্যক্ষ আনোয়ারুল আলম, সদস্য আবুল কালাম, সুলতানা রাজিয়া, মোকলেছুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মচারী।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলছেন, গত ৬ জুলাই থেকে ডাক বিভাগের কর্মচারীরা ধর্মঘট পালন করছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
তারা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে সর্বোচ্চ সাড়ে চার হাজার টাকা বেতনে অনেক কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির বাজারে এ বেতন-ভাতায় পরিবার চলানো সম্ভব নয়।
বক্তারা আরও জানাচ্ছেন, দিনাজপুর জেলায় ২১৬টি ডাকঘরে প্রায় ৬০০ কর্মচারী কর্মরত আছেন। তাদের মানবেতর জীবনযাপন বিবেচনা করে দ্রুত দুই দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ