ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুই দফা দাবিতে দিনাজপুরে ডাক কর্মচারীদের বিক্ষোভ


দুই দফা দাবিতে দিনাজপুরে ডাক কর্মচারীদের বিক্ষোভ

 

দিনাজপুরের ডাক বিভাগের কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে। জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। একই দাবি নিয়ে ডাক বিভাগের প্রধান ডাকঘরের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিও তারা পালন করেছেন।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ডাক কর্মচারী ইউনিয়ন (রেজি. বি-২০৩১), বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী সমিতি এবং বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী ঐক্য পরিষদের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সেই সঙ্গে দিনাজপুর প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টারের কাছেও একটি আলাদা স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে লালন সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবসে সাধুসঙ্গ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডাক কর্মচারী ইউনিয়নের দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি এস এম আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ সম্পাদক মো. আবু তালেব, কোষাধ্যক্ষ আনোয়ারুল আলম, সদস্য আবুল কালাম, সুলতানা রাজিয়া, মোকলেছুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মচারী।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলছেন, গত ৬ জুলাই থেকে ডাক বিভাগের কর্মচারীরা ধর্মঘট পালন করছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

তারা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে সর্বোচ্চ সাড়ে চার হাজার টাকা বেতনে অনেক কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির বাজারে এ বেতন-ভাতায় পরিবার চলানো সম্ভব নয়।

বক্তারা আরও জানাচ্ছেন, দিনাজপুর জেলায় ২১৬টি ডাকঘরে প্রায় ৬০০ কর্মচারী কর্মরত আছেন। তাদের মানবেতর জীবনযাপন বিবেচনা করে দ্রুত দুই দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

আরও পড়ুন: জামায়াতকে দেশ ও জাতির প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে: জুবায়ের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন সালামের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন সালামের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন

কুমিল্লার দেবীদ্বারে বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন আব্দুস সালাম নান্নুকে (৭৬) রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। দাফনের অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টায় গুনাইঘর আলিম মাদরাসা মাঠে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর পর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানের সময় উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহাদাতের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে ছিল। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা সালাম গ্রহণ করেন। দাফন অনুষ্ঠানে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি ছিল।

মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন আব্দুস সালাম নান্নু বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেছেন। তিনি যুদ্ধের সময় আফসার উদ্দিন রাজাকারের আস্তানা ধ্বংসে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। কর্মজীবনে তিনি ছিলেন দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

মৃত্যুকালে গাজী বীন আব্দুস সালাম নান্নুর স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি হালিমা আক্তার, দুই সন্তান—ইঞ্জিনিয়ার গাজী রাসেল বিন সালাম ও ইঞ্জিনিয়ার গাজী আশরাফ বিন সালাম এবং একটি কন্যা উপসচিব ড. উর্মি বিনতে সালামসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহযোদ্ধা এবং গুণগ্রাহী রয়েছেন।

এর আগে বুধবার বাদ আসর ঢাকার মনিরাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে মরহুমের বর্ণাঢ্য জীবন, মুক্তিযুদ্ধে অবদান এবং কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করেন সাবেক উপসচিব মো. ফজলুল করিম সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী ইমাম, অধ্যাপক আবু হানিফ, ব্যবসায়ী মো. সফিউদ্দিন সফি, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী আব্দুস সামাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল ইসলাম, ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. বশির আহমেদ ভূঁইয়া, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, সাবেক পৌর মেয়র মো. সাইফুল ইসলাম শামীম এবং লন্ডন থেকে অডিও কলে ব্যারিস্টার মো. আবু বকরসহ স্থানীয় বিশিষ্টজন ও মরহুমের পরিবারের সদস্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্র সংস্কার ছাড়া জুলাই বিপ্লবের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছাবে না: নাহিদ ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


রাষ্ট্র সংস্কার ছাড়া জুলাই বিপ্লবের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছাবে না: নাহিদ ইসলাম

 

বৃহস্পতিবার জাতীয় জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করছেন নাহিদ ইসলাম সহ এনসিপি নেতৃবৃন্দ।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, ‘জুলাই সনদ কার্যকরের কথা বললেও সরকার বাস্তবে তা বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় উপেক্ষা করে সরকার মৌखিক প্রতারণা করছে।

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কার ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত সুফল জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়।’

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জাতীয় জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হলে রাষ্ট্র সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। আবু সাঈদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

সেই গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ 'হ্যাঁ'-এর পক্ষে রায় দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই গণরায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা শুধু মুখে বলছে, বাস্তবেই কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এটি জনগণের সঙ্গে মৌখিক প্রতারণা।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকার তাদের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নেও ব্যর্থ হয়েছে। সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেটিও বাস্তবায়ন করা হয়নি। আমরা চাই গণভোটের রায়ের আলোকে রাষ্ট্র সংস্কার হোক, দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠুক।’

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর ‘সরকার ও বিরোধী দল মিলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে’—এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সরকার যদি সত্যিকার অর্থে ইতিবাচকভাবে সংস্কার করতে চায়, তাহলে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। অতীতেও করেছি।

বিচার, সংস্কার, ফ্যাসিবাদের বিলুপ্তি ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির প্রশ্নে আমরা দলীয় নয়, রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। কিন্তু সরকারের কর্মকাণ্ডে সেই আন্তরিকতার কোনো লক্ষণ আমরা দেখছি না। জুলাই সনদ অবশ্যই গণভোটের রায়ের আলোকে বাস্তবায়ন করতে হবে। এর বাইরে কোনো উদ্যোগে আমাদের সহযোগিতা থাকবে না।’

আবু সাঈদকে স্মরণ করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আবু সাঈদ আমাদের শহীদদের ঈমাম, জুলাই বিপ্লবের রুহানী নেতৃত্ব এবং আমাদের সংগ্রামের অগ্রসেনানী। তার সাহসিকতা পুরো জাতিকে আন্দোলনের পথে উদ্বুদ্ধ করেছিল।

আমরা শুধু আবু সাঈদ নই, শহীদ মুগ্ধ, ওয়াসিম, ফারহান ফাইয়াজ, নাঈমা সুলতানা, হৃদয় চন্দ্রসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদ এবং প্রায় ৩০ হাজার আহত যোদ্ধাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। পাশাপাশি শ্রমিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, নারী, আলেম, প্রবাসী এবং ছাত্রসমাজসহ আন্দোলনে অংশ নেওয়া সব মানুষের আত্মত্যাগও জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে।’

রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের তিনটি দাবি ছিল—বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। নির্বাচন হয়েছে, কিন্তু বিচার ও সংস্কার এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় হলেও তা কার্যকর হয়নি। আপিলের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো অগ্রগতি দৃশ্যমান নয়। আমরা দ্রুত আপিল নিষ্পত্তি করে রায় কার্যকরের দাবি জানাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আবু সাঈদ হত্যার বিচার দ্রুত কার্যকর করতে হবে। পাশাপাশি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলোরও বিচার সম্পন্ন করতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’

১৬ জুলাইয়ের তাৎপর্য তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু সাঈদ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তার শাহাদাতের মধ্য দিয়েই গণআন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। তাই ১৬ জুলাই শুধু শোকের দিন নয়, এটি গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের দিন।’

এর আগে নাহিদ ইসলাম এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন। পরে তিনি শহীদের বাবা মকবুল হোসেন, মা মনোয়ারা বেগম ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন এবং সমবেদনা জানান।

এ সময় এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা দিনা, জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক জাহিদ আহসান, সদস্য সচিব ফরহাদ সোহেল, রংপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. আল মামুন, সদস্য সচিব আবু রেজা মো. আব্দুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মীর মুগ্ধের স্মরণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনব্যাপী কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২১ পি.এম


মীর মুগ্ধের স্মরণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনব্যাপী কর্মসূচি

জুলাই আন্দোলনে শহীদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের দ্বিতীয় শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ জুলাই (শনিবার) দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি, যা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৯টায় অদম্য বাংলা চত্বরে জুলাই আন্দোলনের স্থিরচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

এটি ছাড়াও, সকাল সাড়ে ৯টায় অদম্য বাংলা প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

পরবর্তীতে সকাল ১০টায় সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে ‘জুলাই বিপ্লব থেকে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এর পাশাপাশি বাদ মাগরিব বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে শহীদ মীর মাহফুজुर রহমান মুগ্ধের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এসব কর্মসূচিতে শিক্ষকদের, শিক্ষার্থীদের, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ আবু সাঈদের স্মরণসভায় কম উপস্থিতি, হতাশ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


শহীদ আবু সাঈদের স্মরণসভায় কম উপস্থিতি, হতাশ মন্ত্রী

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদের স্মরণসভায় উপস্থিতি কম হওয়ার উপর উষ্মা প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই স্মরণসভায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

এক শিক্ষার্থীর বক্তব্যের সূত্র ধরে মন্ত্রী বলেন, “এটা আবু সাঈদ চত্বর। আমি ধারণা করেছিলাম, আজকে এই চত্বরে যতই গরম থাকুক না কেন, আবু সাঈদকে স্মরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা একাকার হয়ে যাবে। তিল ধারণের জায়গা থাকবে না। কিন্তু আমি হতাশ হয়েছি।”

মন্ত্রী আরও বলেন, “আবু সাঈদের সহপাঠীরা এই আয়োজনকে কেন চমৎকার করে গড়ে তুললেন না? কেন অর্ধেক চেয়ার খালি পড়ে আছে? আমি যদি বলি অর্ধেকের বেশি চেয়ার খালি…। এটি শুধু আমার জন্য না, এটা আপনারা সকলের জন্য অনেক কষ্টের।”

তিনি বলেন, “ডায়াসে আমরা অনেক চমৎকার বক্তৃতা করি। কিন্তু বক্তৃতার বাস্তবায়নটা করি না। বক্তৃতার বাস্তবায়নটাই এখন সময়ের দাবি।”

মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, “আজকে যদি এই চত্বরটা লোকে লোকারণ্য থাকত, তাহলে আবু সাঈদ কবর থেকে শান্তি পেত। আবু সাঈদ কবর থেকে হয়তো বলতো—আমার সহপাঠীরা ১৬ জুলাই আমাকে কিভাবে স্মরণ করছে।” তিনি বলেন, “আমি দুঃখিত, আমি হতাশ হয়েছি।”

মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সরকার জুলাই অভ্যুথ্থানকে লালন করে এবং ধারণ করে। জুলাইকে লালন করে বলেই মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় জুলাই চেতনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য আবু সাঈদ, ওয়াসিম, মুগ্ধ-মারুফসহ দুই হাজার শহীদের রক্ত দিয়ে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাই অধিদপ্তরের মধ্যদিয়ে জুলাই চেতনার প্রত্যেকটি দাবি বাস্তবায়ন হবে, কথা দিয়ে যাচ্ছি। এই সরকার আপনাদের ভোটে নির্বাচিত সরকার। যার বয়স মাত্র পাঁচ মাস। এই পাঁচ মাসে রংপুরসহ নানা প্রান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন।”

আপনি যখন স্মরণসভায় উপস্থিতি কম কেন-এমন প্রশ্ন করেছেন, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলী তার সময়ের উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরেন এবং এর কোন উত্তর দেননি।

স্মরণসভায় রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবার রহমান বেলাল, সংরক্ষিত সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%