মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৭ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) বিশেষ অভিযানে ১২০ লিটার চোলাইমদ ও মাদক তৈরির ২ হাজার ৮৫০ লিটার ওয়াশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ১ জনকে গ্রেফতার করা হলেও ১ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ৭টা ২০ মিনিট থেকে ৮টা পর্যন্ত গোমস্তাপুর থানাধীন আলীনগর ইউনিয়নের নাদেরাবাদ (বেইলি ব্রিজ) এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সূত্রের খবর, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে মোঃ রুবেল আলী (৩১) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত রুবেল রহনপুর ইউনিয়নের সোবাহাননগর কলোনী ডাইংপাড়া এলাকার মোঃ আঃ সালামের ছেলে। অপরদিকে, অভিযানের সময় একই এলাকার মোঃ আজিম আলী সোহাগ (৩৩) নামের অপর এক আসামি পালিয়ে যায়।
অভিযান পরিচালনাকালে তাদের হেফাজত থেকে ১২০ লিটার প্রস্তুতকৃত চোলাইমদ এবং মাদক তৈরির কাজে ব্যবহূত ২,৮৫০ লিটার ওয়াশ উদ্ধার করা হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ডিডি) চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, এ ঘটনায় ডিএনসির উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত ১ জন ও পলাতক ১ জনসহ মোট ২ আসামির বিরুদ্ধে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণাঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবার পূরণের পথে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে নির্মাণাধীন ১৭ তলা বিশিষ্ট ‘বিভাগীয় ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ হাসপাতাল’-এর অবকাঠামোগত কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। হাসপাতালটি চালু হলে ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগের জটিল চিকিৎসার জন্য বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের রোগীদের ঢাকা কিংবা প্রতিবেশী ভারতে যাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতাল ভবনের মূল নির্মাণকাজ প্রায় শেষ। বর্তমানে বিভিন্ন তলায় শেষ মুহূর্তের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সাজসজ্জা ও আনুষঙ্গিক কাজ চলছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে ২০২৬ সালের শেষ দিকে হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হতে পারে।
প্রায় আড়াই একর জমির ওপর ২৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে ৪৬০ শয্যার এই বিশেষায়িত হাসপাতাল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবনের ২য় থেকে ৭ম তলা পর্যন্ত ক্যান্সার ইউনিটে থাকবে ১৮২টি শয্যা। ৮ম থেকে ১২তম তলা পর্যন্ত ১৫৬ শয্যার নেফ্রোলজি ও কিডনি সেন্টার এবং ১৩তম থেকে ১৭তম তলা পর্যন্ত হৃদরোগ ইউনিটের জন্য ১২টি শয্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।
হাসপাতালটিতে আধুনিক লিফট, চলন্ত সিঁড়ি, কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, নিজস্ব সাবস্টেশনসহ বিভিন্ন আধুনিক সুবিধা রাখার কথা রয়েছে।
বরিশাল বিভাগে ক্যান্সার ও কিডনি রোগের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সুবিধা দীর্ঘদিন ধরেই সীমিত। ফলে জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের অনেক সময় ঢাকায় যেতে হয়। আর উন্নত ও বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রত্যাশায় সামর্থ্যবান অনেক রোগী প্রতিবেশী ভারতসহ বিদেশের বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রের দ্বারস্থ হন।
এতে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়ের পাশাপাশি যাতায়াত, থাকা-খাওয়াসহ নানা অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হয়। বিশেষ করে ক্যান্সার ও কিডনি রোগের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি করে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বরিশালেই আন্তর্জাতিক মানের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও ভারতমুখী হওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।
২০২১ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় স্থানীয় সচেতন মহলে অসন্তোষ রয়েছে। বরিশাল সমাজ সচেতন নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা এবং গণপূর্ত বিভাগের তদারকির ঘাটতির কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছে।
তাদের দাবি, শুরু থেকেই অভিজ্ঞ ও সক্ষম কোনো বড় প্রতিষ্ঠানকে নির্মাণকাজের দায়িত্ব দেওয়া হলে হাসপাতালটি আরও আগেই চালু করা সম্ভব হতো।
অবকাঠামোগত কাজ ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশের বেশি এগিয়ে গেলেও হাসপাতালটি চালুর ক্ষেত্রে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ চিকিৎসা সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করা।
চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্টসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা ও স্থাপনের বিষয়ে এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় ভবন প্রস্তুত হওয়ার পরও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা চালু হতে কতটা সময় লাগবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খালেদ হুসাইনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এরই মধ্যে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কিডনি রোগীদের জন্য ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন চালু হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় তুলনামূলক কম খরচে ডায়ালাইসিসের সুযোগ পাওয়ায় রোগীদের মধ্যে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে গেলে ১৭ তলা এই বিশেষায়িত হাসপাতাল শুধু একটি নতুন ভবন নয়, বরং দক্ষিণাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরনের পরিবর্তনের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য ঢাকামুখী কিংবা ভারতমুখী রোগীদের চাপ কমিয়ে নিজ বিভাগেই উন্নত চিকিৎসার সুযোগ তৈরির নতুন দ্বার খুলতে পারে বরিশাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গুরুত্বপূর্ণ মেইল বা ডকুমেন্ট হারালে করণীয় ৭ পদক্ষেপ
গ্রিন কার্ড, কর্মসংস্থার অনুমতিপত্র, সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ডাকযোগে পাওয়ার কথা থাকলেও, আমেরিকায় নতুন আসার পর তা হাতে না এলে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা উচিত নয়। মেইল দেরি, ভুল ঠিকানায় চলে যাওয়া অথবা হারিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ডকুমেন্ট উদ্ধারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার মাধ্যমে নতুন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু করা সম্ভব।
মার্কিন ডাক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে মেইল না পেলে সেটির অবস্থান বা ট্র্যাকিং তথ্য যাচাই করা উচিত। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী হারানো মেইল খোঁজার আবেদন করা, স্থানীয় পোস্ট অফিসে যোগাযোগ করা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাকে অবহিত করার মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
১. ডাক বিভাগের মেইল নোটিফিকেশন চালু করুন
মার্কিন ডাক বিভাগের বিনামূল্যের ‘ইনফর্মড ডেলিভারি’ সেবা চালু করলে, আপনার ঠিকানায় আসতে থাকা চিঠির ডিজিটাল প্রিভিউ এবং প্যাকেজের আপডেট পাওয়া যায়। চিঠির ক্ষেত্রে সাধারণত খামের ঠিকানা অংশের স্ক্যান করা ছবি দেখা যায়।
এভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চিঠি আসার কথা জানা থাকলেও সেটি হাতে না এলে দ্রুত বিষয়টি শনাক্ত করা সহজ হয়। তবে অনলাইনে চিঠির প্রিভিউ দেখা মানেই সেটি ইতোমধ্যে মেইলবক্সে পৌঁছে গেছে, এমন নয়। প্রিভিউ দেখানোর পরও কিছু মেইল পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে।
২. হারানো মেইল খোঁজার আবেদন করুন
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মেইল না এলে ডাক বিভাগের ‘মিসিং মেইল সার্চ’ সেবার মাধ্যমে খোঁজার আবেদন করা সম্ভব। সাধারণত মেইল পাঠানোর সাত দিন পর এই আবেদন করা যেতে পারে।
আবেদনের সময় প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা, মেইল পাঠানোর তারিখ, ট্র্যাকিং নম্বর থাকলে সেটি এবং মেইলের ধরন ও ভেতরে থাকা সামগ্রীর বিস্তারিত তথ্য প্রদান করতে হতে পারে। তবে আবেদন করলেই ডাক বিভাগ মেইলটি খুঁজে পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না।
৩. স্থানীয় পোস্ট অফিসে যোগাযোগ করুন
মেইল হারিয়ে গেছে বা ভুলভাবে ডেলিভারি হয়েছে বলে মনে হলে স্থানীয় পোস্ট অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করা যেতে পারে। পরিচয়পত্রের পাশাপাশি মেইলটির সম্ভাব্য তথ্য সঙ্গে রাখলে কর্মকর্তাদের বিষয়টি খুঁজে দেখতে সুবিধা হতে পারে।
অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় পোস্ট অফিসের মাধ্যমে মেইলের অবস্থান সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তাই শুধু অনলাইনে অভিযোগ করে বসে না থেকে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট পোস্ট অফিসেও যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ।
৪. গ্রিন কার্ড বা কর্মসংস্থার অনুমতিপত্র না এলে অভিবাসন কর্তৃপক্ষকে জানান
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ থেকে পাঠানো গ্রিন কার্ড বা কর্মসংস্থার অনুমতিপত্র ঠিকানায় না পৌঁছালে, কার্ড না পাওয়ার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অনুসন্ধান করা যেতে পারে।
তবে নতুন করে অনুমোদিত আবেদনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে এই অনুসন্ধান করতে হয়। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, কিছু ক্ষেত্রে অনুমোদনের নোটিশ পাওয়ার পর অন্তত ৯০ দিন অপেক্ষা করে কার্ড না পাওয়ার বিষয়ে অনুসন্ধান করতে বলা হয়।
কার্ড হারিয়ে গেলে, চুরি হলে বা নষ্ট হয়ে গেলে পরিস্থিতি অনুযায়ী নতুন কার্ডের জন্য আবেদন করার সুযোগও রয়েছে। তাই মেইলের অপেক্ষায় দীর্ঘ সময় না থেকে নিজের আবেদনের অবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা যাচাই করা জরুরি।
৫. সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড না এলে সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসনে যোগাযোগ করুন
সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড সাধারণত ডাকযোগে পাঠানো হয়। প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই ও আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর সাধারণত প্রায় ১০ কর্মদিবসের মধ্যে কার্ড পৌঁছানোর কথা।
এই সময়ের মধ্যে কার্ড না এলে সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে। কার্ড হারিয়ে গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন কার্ডের জন্য আবেদন করার ব্যবস্থাও রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অনলাইনে নতুন কার্ডের আবেদন করা যায় এবং এর জন্য কোনো ফি নেওয়া হয় না।
৬. ঠিকানা পরিবর্তনের তথ্য যাচাই করুন
নতুন বাসায় ওঠার পর ডাক বিভাগের কাছে ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদন না করলে গুরুত্বপূর্ণ মেইল পুরোনো ঠিকানায় চলে যেতে পারে। তাই বাসা পরিবর্তনের পর মেইল অন্য ঠিকানায় পাঠানোর ব্যবস্থা সক্রিয় আছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি।
তবে ডাক বিভাগের ঠিকানা পরিবর্তন করলেই সরকারি সংস্থা, ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি বা অন্য প্রতিষ্ঠানের নথিতে ঠিকানা পরিবর্তন হয়ে যায় না। এসব প্রতিষ্ঠানকেও আলাদাভাবে নতুন ঠিকানা জানাতে হবে।
৭. গুরুত্বপূর্ণ মেইল পাঠানোর সময় ট্র্যাকিং ও স্বাক্ষরভিত্তিক সেবা ব্যবহার করুন
গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট বা প্যাকেজ পাঠানোর ক্ষেত্রে উপযুক্ত ট্র্যাকিং ও স্বাক্ষরভিত্তিক ডাকসেবা ব্যবহার করা হলে ডেলিভারির তথ্য পাওয়া সহজ হয়। কিছু সেবায় ডেলিভারির সময়, তারিখ এবং স্বাক্ষরের তথ্যও সংরক্ষিত থাকে। নির্দিষ্ট কিছু সেবার মাধ্যমে কেবল অনুমোদিত ব্যক্তির কাছে মেইল পৌঁছানোর ব্যবস্থাও করা যায়।
তবে সরকারি সংস্থার পাঠানো সব ডকুমেন্টে প্রাপক নিজের ইচ্ছামতো স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করার ব্যবস্থা যোগ করতে পারেন না। কোন ধরনের ডাকসেবা ব্যবহার করা হবে, তা সাধারণত প্রেরকের ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে।
গুরুত্বপূর্ণ মেইল হাতে না এলে প্রথমে সেটির ট্র্যাকিং তথ্য যাচাই করুন। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী হারানো মেইল খোঁজার আবেদন, স্থানীয় পোস্ট অফিসে যোগাযোগ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বিশেষ করে গ্রিন কার্ড, কর্মসংস্থার অনুমতিপত্র বা সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
আর মেইল চুরি হয়েছে বলে সন্দেহ হলে যুক্তরাষ্ট্রের ডাক পরিদর্শন সেবায় অভিযোগ করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট হারিয়ে গেলে পরিচয় চুরির ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তাই এমন ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে দর্শনার্থীবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে আরো পরিচ্ছন্ন ও দর্শনার্থীদের জন্য সুবিধাজনক করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরের জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনকালে জেলা প্রশাসক এই তথ্য জানান।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার প্রতিরূপ নিয়ে এখানে গড়ে উঠেছে ‘মিনি বাংলাদেশ’।
তিনি উল্লেখ করেন, কালুরঘাটের ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সের সঙ্গে মানুষের আবেগ ও আগ্রহ জড়িয়ে রয়েছে। জেলা প্রশাসন সাধারণ মানুষের জন্য এই স্থানটিকে নিরাপদ ও মানসম্মত বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।
চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদউল্লাহ মন্তব্য করেন, শুধু দেশ ও পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করলেই হবে না, মানুষের মনও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের সিংড়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী যুবলীগের নেতা মোস্তফা বিন আরাফাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে শেরকোল-রাণীনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সে উপজেলার রাণীনগর গ্রামের রিয়াদ মোস্তফা রতনের ছেলে ও উপজেলার ৮ নম্বর শেরকোল ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে।
সিংড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তার বিরুদ্ধে বিষ্ফোরক আইনে মামলা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ