ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন


ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সভাপতি করে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।

গত ২৭ মে ২০২৫ তারিখে জারি করা এক পরিপত্রে ৩১ সদস্যের ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় কমিটি’ নতুনভাবে গঠন করা হয়।

পুনর্গঠিত কমিটিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে সহসভাপতি করা হয়েছে। কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের।

আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

কমিটিতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ, গৃহায়ণ, কৃষি, প্রাণিসম্পদ, তথ্য ও সম্প্রচার, সংস্কৃতি, প্রতিরক্ষা, রেলপথ ও বেসামরিক বিমান পরিবহনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বা সচিবরা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

এ ছাড়াও ওয়াসা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), এনজিও-বিষয়ক ব্যুরো এবং দেশের সব সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদেরও কমিটিতে রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টোমলজি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং নিপসমের এন্টোমলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব বা সচিব কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

পরিপত্র অনুযায়ী কমিটির কার্যপরিধি হচ্ছে: ১. সারাদেশে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান এবং গৃহীত কার্যক্রমের পর্যালোচনা, মূল্যায়ন, তদারকি ও সমন্বয় সাধন করা।

আরও পড়ুন: ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে প্রধানমন্ত্রীর আশা

২. প্রয়োজনীয় গবেষণা পরিচালনা এবং জাতীয় নীতিমালা ও কৌশলপত্র প্রণয়ন ও হালনাগাদ করা।

৩. প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত কার্যক্রম গ্রহণ।

৪. বছরে অন্ত চারটি সভা আয়োজন করা।

কমিটি প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

আরও পড়ুন: এস এম জিলানী: গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টরা নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উয়েফা প্রধানের সমালোচনায় মুখর বিশ্বকাপের ১৩ দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


উয়েফা প্রধানের সমালোচনায় মুখর বিশ্বকাপের ১৩ দল

বিশ্বকাপে অংশ নেয়া ১৩টি দেশের ফুটবল সংস্থা উয়েফা সভাপতির আলেক্সান্দার সেফেরিনের সমালোচনা করেছে। তিনি বলেছিলেন, এবারের সম্প্রসারিত বিশ্বকাপে অনেক ম্যাচ হবে “সম্পূর্ণ গুরুত্বহীণ”। এই মন্তব্যের কারণে উয়েফা প্রধান বিতর্কের মুখে পড়েছেন।

বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণকারী কেপ ভার্ডে, কুরাসাও, উজবেকিস্তানসহ ১৩টি দেশের ফুটবল সংস্থাগুলি যৌথ বিবৃতিতে জানায়, তারা স্লোভেনিয়ার সংবাদপত্র ডেলোতে প্রকাশিত সেফেরিনের মন্তব্যকে সম্মান বজায় রেখে তবে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে।

বিবৃতিতে তারা বলে, “আমাদের দেশগুলোর জন্য বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচই গুরুত্বহীন নয়। এই ম্যাচগুলোকে কম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উপস্থাপন করা বিরাট হতাশাজনক বিষয়। এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খেলোয়াড়, কোচ, ক্লাব, ফুটবল সংগঠক এবং সমর্থকদের প্রচেষ্টা, ত্যাগ ও স্বপ্নকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছিল।”

হয়েছে সংবাদে বলা হয়েছে, টুর্নামেন্ট শুরুর আগে সেফেরিন মন্তব্য করেছিলেন যে, বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা ২০২২ সালের ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করলে প্রতিযোগিতার মান কিছুটা কমে যাবে। সেফেরিনের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, তিনি বলেন, “আমাদের অনেক ম্যাচ আছে, যেগুলো একেবারেই অনাকর্ষণীয়।”

তবে একটি স্লোভেনিয়ান সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে তাকে এ কথাও বলতে দেখা যায়, “অন্যদিকে, ছোট দেশগুলোও এখন অংশ নিতে পারে এবং বিশ্বকাপের আবহ অনুভব করতে পারে, যা একটি বড় বিষয়।”

১৩টি দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দেশই সম্মানের দাবিদার।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, “প্রতিটি দল নিজেদের যোগ্যতায় এখানে এসেছে। প্রতিটি সমর্থকের স্বপ্ন দেখার অধিকার রয়েছে। বিশ্বের কোটি মানুষের কাছে প্রতিটি ম্যাচেরই গুরুত্ব রয়েছে। সুতরাং, আমরা উয়েফা সভাপতির মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করছি।”

এই বিবৃতির সঙ্গে অন্যান্য স্বাক্ষরকারী হিসেবে ডিআর কঙ্গো, হাইতি, আলজেরিয়া, তিউনিশিয়া, মরক্কো, মিশর, ঘানা, সেনেগাল, আইভরি কোস্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল ফেডারেশন রয়েছে।

এ ব্যাপারে উয়েফার সঙ্গে যোগাযোগ করলে সংস্থার একজন মুখপাত্র সরাসরি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তবে তিনি সাংবাদিকদের জানান যে, সেফেরিনের দেয়া সাক্ষাৎকারে বিশ্বকাপ সম্প্রসারণ নিয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর চার বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


রাজধানীর চার বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন বিষয়ক। সভার সময় ছবিও তোলা হয়েছে: পিএমও।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর চারটি বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। আজ দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন কক্ষে রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন সদনে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।

তিনি আরো জানান, ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্দেশনায় চারটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল শহরের বাইরে অতিদ্রুত সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হবে।

চারটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল হচ্ছে: ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনাল, গাবতলী বাস টার্মিনাল, মহাখালী বাস টার্মিনাল এবং সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনালটি কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরিত হবে। এছাড়া মহাখালী বাস টার্মিনাল অস্থায়ীভাবে পূর্বাঞ্চলে যাবে এবং পরে স্থায়ীভাবে টঙ্গির কাছে স্থানান্তর হবে। গাবতলী আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল হেমায়েতপুরে চলে যাবে এবং সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনালটি কাঁচপুরে স্থানান্তর হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ছড়িয়ে থাকা বাস কাউন্টারগুলো দ্রুত সরিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তার সভাপতিত্বে সভায় রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থা আধুনিকায়ন, এআই ক্যামেরা স্থাপনসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

সভায় ট্রাফিক সিগন্যালিং এআই ক্যামেরা স্থাপনের সুফলের ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এটি রাজধানীর যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় বৈঠক।

সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব, সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, স্বরাষ্ট্র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এবং রাজউকের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বানারীপাড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে দুই মাদকসেবী আটক, কারাদণ্ড ও জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হুমায়ুন কবির, বানারীপাড়া প্রতিনিধি

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


বানারীপাড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে দুই মাদকসেবী আটক, কারাদণ্ড ও জরিমানা
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে দুই মাদকসেবীকে আটক করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। টাস্কফোর্স ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত এ অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর আওতায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বানারীপাড়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত কদম আলী সিকদারের ছেলে ফয়সাল সিকদার (২৫) এবং উপজেলার দণ্ডিয়াড় এলাকার শফিক রহমানের ছেলে মো. ইব্রাহিম (২১)।
জানা গেছে, মাদক সেবনের অভিযোগে আটক হওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ফয়সাল সিকদারকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। তার মামলার নম্বর ০৮/২০২৬।
একই আইনের ৩৬(১) ধারায় মো. ইব্রাহিমকেও দোষী সাব্যস্ত করে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পরে উভয়ের কাছ থেকে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পল্লী মাতৃকেন্দ্রকে কার্যকর ও স্বাবলম্বী করতে উপকরণ বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ পি.এম


পল্লী মাতৃকেন্দ্রকে কার্যকর ও স্বাবলম্বী করতে উপকরণ বিতরণ

প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়ন, কর্মমুখী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং জলবায়ুজনিত জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে নোয়াখালী সদরে ‘মর্যাদার সাথে সহনশীলতা’ শীর্ষক দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালা শেষে সদস্যদের মাঝে উপকরণ বিভিন্ন বিতরণ করা হয়।

তৃণমূল পর্যায়ে পল্লী মাতৃকেন্দ্রগুলোকে (আরএমসি) আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সোমবার (১৫ জুন) জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নোয়াখালী জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক জেড. এম. মিজানুর রহমান খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রহমান ও মোহাম্মদ আবুল কাশেম, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের নোয়াখালী প্রতিনিধি সাদিয়া সামরিন হৃদি এবং প্রান-এর কর্মকর্তাবৃন্দ।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) সহায়তায় উন্নয়ন সংগঠন পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (প্রান) এবং অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় নোয়াখালী সদর উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালিত ১০টি পল্লী মাতৃকেন্দ্রের ১০০ জন নারী সদস্য এবং জেলা ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

কর্মশালায় নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এসময় জানানো হয়, পারিবারিক, সামাজিক বা জেন্ডারভিত্তিক বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট মানসিক ও মনোসামাজিক সমস্যা নিরসনে প্রান-এর নারী নেতৃত্বাধীন কমিউনিটি সেন্টার (WLCC)-তে বিনা মূল্যে মানসিক ও মনোসামাজিক সহায়তা সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়। যেকোনো মানসিক সংকটে নারীদের বিনা দ্বিধায় এই সেবা গ্রহণের আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞরা।

কর্মশালা শেষে নোয়াখালী সদর উপজেলার ১০টি আরএমসির সেন্টারের সভানেত্রীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হোয়াইটবোর্ড, বিছানা, রেজিস্টার খাতা, হাতপাখা, গামছা ও সচেতনতামূলক ও লিফলেট ও প্রয়োজনীয় স্টেশনারি সামগ্রীসহ বিভিন্ন উপকরণ তুলে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%