ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

একটি এআই ডেটা সেন্টার কত পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করে


একটি এআই ডেটা সেন্টার কত পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করে

 

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির বৃহৎ সংস্থাগুলো এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিশাল ডেটা অবকাঠামো নির্মাণের প্রতিযোগিতায় নিয়োজিত হয়েছে। গুগল, অ্যামাজন এবং মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠানেরা বিশাল আকারের হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার তৈরি ও পরিচালনা করছে।

এটি তথাকথিত গবেষণার একটি নতুন দিক, যেখানে বলা হচ্ছে যে, এই ডেটা সেন্টারগুলো শুধু প্রযুক্তির ওপরই নয়, বরং আশপাশের পরিবেশেও বিরূপ প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে এর ফলে স্থানীয় এলাকার মাটির তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

স্থানীয় এলাকাতেও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, এআই ডেটা সেন্টারের আশপাশের জমির তাপমাত্রা গড়ে প্রায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিছু এলাকায় এই বৃদ্ধি ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে দেখা গেছে।

গবেষকরা এই ঘটনা ‘ডেটা হিট আইল্যান্ড’ প্রভাব নামকরণ করেছেন, যা শহরের ‘হিট আইল্যান্ড’ প্রভাবের অনুরূপ, যেখানে শহরের তাপমাত্রা আশপাশের গ্রামের তুলনায় বেশি থাকে।

এআই ডেটা সেন্টারগুলো কী এবং কেন এত বিদ্যুৎ খরচ হয়?

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

চ্যাটজিপিটি, জেমিনি বা ক্লডের মতো এআই ব্যবহারের সময়, ব্যবহারকারীর অনুরোধগুলো ডেটা সেন্টারে চলে যায়। এই ডেটা সেন্টারগুলো হলো বিশাল আকারের সার্ভারভিত্তিক কম্পিউটারের কেন্দ্র।

এই সার্ভারগুলো ২৪ ঘণ্টা কার্যকর থাকে। এআই মডেল চালাতে শক্তিশালী চিপসগুলো ব্যবহার করা হয়, যা একই সঙ্গে হাজার হাজার হিসাব করতে পারে। ফলে সাধারণ ইন্টারনেট সার্ভারের তুলনায় এআই ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ চাহিদা অনেক বেশি হয়ে যায়। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বের ডেটা সেন্টারগুলো প্রায় ৪১৫ টেরাওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছে, যা বৈশ্বিক বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রায় ১.৫ শতাংশ। গত পাঁচ বছরে এই ব্যবহারের হার বছরে গড়ে প্রায় ১৫ শতাংশ হারে বেড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এটি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৯৪৫ টেরাওয়াট ঘণ্টায় পৌঁছাতে পারে।

হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার, কী?

সবচেয়ে বড় ডেটা সেন্টারগুলোকে হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার বলা হয়। এগুলো সাধারণত বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো তৈরি করে। একটি হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টারে সাধারণত অন্তত পাঁচ হাজার সার্ভার থাকে এবং এটি কমপক্ষে দশ হাজার বর্গফুট জায়গা জুড়ে থাকে। এ ধরনের একটি কেন্দ্র চালাতে ১০০ থেকে ৩০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ লাগে। এই ব্যবহৃত বিদ্যুৎ দিয়ে কয়েক লাখ বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তাপ ও পানির ব্যাপক ব্যবহার

এত বেশি বিদ্যুতের ব্যবহার হওয়ায় প্রচুর তাপ তৈরি হয়। এই তাপ নিয়ন্ত্রণে উন্নত কুলিং বা শীতলীকরণ ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়, যেখানে বিপুল পরিমাণ পানি লাগে। যুক্তরাজ্য সরকারের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ডেটা সেন্টার বছরে প্রায় ২৫০ কোটি লিটার পানি ব্যবহার করতে পারে। এই পানি দিয়ে প্রায় ৮০ হাজার মানুষের এক বছরের চাহিদা পূরণ সম্ভব।

বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টারের দ্রুত বৃদ্ধি

২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বিশ্বে ১১ হাজার ৬০০টির বেশি ডেটা সেন্টার চালু রয়েছে। সবচেয়ে বেশি ডেটা সেন্টার যুক্তরাষ্ট্রে, যেখানে ৪ হাজার ৩০০টির বেশি কেন্দ্র আছে। ইউরোপে যুক্তরাজ্য, জার্মানি এবং ফ্রান্স গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। এশিয়ায় চীন ও ভারত দ্রুত সম্প্রসারণ ঘটাচ্ছে। বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ডেটা সেন্টার এবং ক্লাউড পরিষেবার ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২১ সালের পর থেকে বিশ্বে হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টারের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৭০০ থেকে বেড়ে প্রায় ১,৩০০-এর বেশি হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

ডেটা সেন্টারের ফলে স্থানীয় উষ্ণতা

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের গবেষণার সিদ্ধান্তে দেখা গেছে যে, একটি এআই ডেটা সেন্টার চালু হওয়ার পর আশপাশের এলাকার তাপমাত্রা গড়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এই প্রভাব প্রায় দশ কিলোমিটার পর্যন্ত অনুভূত হতে পারে। গবেষকরা নাসার স্যাটেলাইট ডেটা ব্যবহার করে ২০০৪ থেকে ২০২৪ বছরের মধ্যে বিভিন্ন অঞ্চলের তাপমাত্রার বিশ্লেষণ করেছেন। তারা ১১ হাজারেরও বেশি এআই ডেটা সেন্টারের অবস্থান মিলিয়ে দেখেছেন এবং ছয় হাজারের বেশি কেন্দ্রের প্রভাব বিশ্লেষণ করেছেন। ফলস্বরূপ দেখা গেছে, কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ০.৩ ডিগ্রি থেকে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, দশ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাসকারী প্রায় ৩৪ কোটি মানুষ এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে ভুগতে পারেন।

পরিবেশ ও জীবনে সম্ভাব্য প্রভাব

গবেষকদের মতে, এই 'ডেটা হিট আইল্যান্ড' প্রভাব স্থানীয় পরিবেশ, স্বাস্থ্য এবং জীবনযাত্রার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে, পানির সংকটের ফলে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

বিশ্বজুড়ে বিশাল বিনিয়োগ

বৈশ্বিক বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকসের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে চারটি বড় প্রযুক্তি কোম্পানি- মাইক্রোসফট, অ্যামাজন, অ্যালফাবেট এবং মেটা মিলিয়ে ডেটা সেন্টার ও এআই অবকাঠামোতে প্রায় ৫.৩ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে-মেটার ২৭ বিলিয়ন ডলারের হাইপেরিয়ন ক্যাম্পাস, মাইক্রোসফটের ২০ বিলিয়ন ডলারের ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণ, অ্যামাজনের ২৫ বিলিয়ন ডলারের অবকাঠামো বিনিয়োগ এবং গুগলের ১৫ বিলিয়ন ডলারের নতুন ডেটা সেন্টার প্রকল্প। এছাড়াও রয়েছে ওরাকল এবং ওপেনএআইয়ের বৃহৎ এআই সুপারক্লাস্টার প্রকল্প।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বজুড়ে চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছে : মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৬ পি.এম


বিশ্বজুড়ে চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছে : মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু

সারা বিশ্বে বর্তমানে একটি চ্যালেঞ্জিং সময় যাচ্ছে বলে মনে করেন মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু।

অনলাইন ডেস্কের খবর অনুযায়ী, ১১ জুন, ২০২৬ সালে প্রকাশিত এই তথ্যের ভিত্তিতে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজেট সম্পর্কে আলোচনা করতে এফবিসিসিআই-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বিসিআই-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু কালের কণ্ঠ মাল্টিমিডিয়ার নিয়মিত অনুষ্ঠান দ্য বিজনেস রিভিউ শোতে বক্তব্য রাখেন।

মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, ‘সারা বিশ্বে এখন একটা চ্যালেঞ্জিং সময় যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ইলেকট্রিসিটির মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। এগুলো সবকিছুই ইমপ্যাক্ট ফেলবে প্রতিটি পণ্যের ওপর। যার ফলে দ্রব্যমূল্য ইতিমধ্যেই বৃদ্ধি শুরু হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, ‘৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার যে বাজেট এটা গত বছরের চেয়ে ২ লাখের বেশি বাজেট। আমরা যতটুক জানি গত বাজেটের কাঙ্ক্ষিত আশা তারা পূরণ করতে পারেনি, তাহলে ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি কর আদায় করতে হবে এনবিআরকে এবং এটা বিরাট বড় চ্যালেঞ্জিং।’

‘বর্তমানে দেশের অর্থনীতির কারণে সরকার হয়তো বাজেট বেশি করেছে এবং কর আদায়ে বেশির দিকে তারা যাচ্ছেন। দেশের সামষ্টিক উন্নতির কারণে দেশের চাহিদা মেটানোর জন্য কিন্তু এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশের ওপর। যদি ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা সফলভাবে করতে না পারেন তাহলে তারা কর কোথা থেকে দেবেন?’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হলো আমরা মনে করি যে, যেখানে দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি ঘটবে আমাদের প্রতিবছর ইনফ্লেশন ৯ টু ১২% হচ্ছে, সেক্ষেত্রে যদি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বেশ কয়েক বছর ধরে একটু মন্থরগতিতে চলছে।’

শেষে তিনি বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে আমি মনে করি নতুন সরকার যে বাজেট দিচ্ছে তারা খুব চ্যালেঞ্জিং হিসেবে নিয়েছেন এবং এটার বাস্তবতা নির্ভর করবে সরকারের যেসব উইংগুলো আছে তাদের দক্ষতা কর্মপরিধি এবং ঐকান্তিক চেষ্টার উপরে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
রামিসা ধর্ষণ-হত্যা

রবিবার ডেথ রেফারেন্সের শুনানি, বিশেষ আইনজীবী প্যানেল গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ পি.এম


রবিবার ডেথ রেফারেন্সের শুনানি, বিশেষ আইনজীবী প্যানেল গঠন

রামিসা হত্যা মামলায় হাইকোর্টে আসামিদের ডেথ রেফারেন্সের শুনানি আগামী রবিবার শুরু হচ্ছে। মামলাটি পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের একটি বিশেষ আইনজীবী প্যানেল গঠন করা হয়েছে।

এ ধরনের ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার মূলতবি ছাড়া বিরতিহীনভাবে চলতে থাকবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) তিনি নিজের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্সের শুনানি তিনি নিজেই করবেন।

এর আগে গত বুধবার প্রধান বিচারপতি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টে একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন। রবিবার থেকে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা সমন্বয়ে গঠিত এই হাইকোর্ট বেঞ্চ বিচার কাজ পরিচালনা করবেন।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে এটি উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, এই বেঞ্চ শুধুমাত্র নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংক্রান্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ কনফারমেশনের রেফারেন্স এবং একই রায়ের ফলে উদ্ভূত সমস্ত ফৌজদারি আপিল ও জেল আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি করবে।

এর আগে গত ৯ জুন, রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা এবং স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড (ডেথ রেফারেন্স) অনুমোদনের জন্য নথি হাইকোর্টে জমা হয়।

দুই আসামির ফাঁসির রায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন স্বাক্ষরের পরে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

ফৌজদারি কোনো মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন, যা ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) মামলা হিসেবে পরিচিত।

গত ৭ জুন, রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আসামি সোহেল রানা এবং স্বপ্না আক্তারের ফাঁসির রায় ঘোষণা করে আদালত। আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মৃত্যুদণ্ডের এই রায় ঘোষণা করেন।

এছাড়া আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অপরদিকে, আসামি স্বপ্নারকেও দণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেঁয়াজের দাম কমেছে, কেজিতে কত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৯ পি.এম


পেঁয়াজের দাম কমেছে, কেজিতে কত?

হাকিমপুরের হিলিতে দাম কমেছে পেঁয়াজের। সরবরাহ বাড়ায় গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে দাম কমেছে ৫ টাকা। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে পেঁয়াজের দাম কমায় নিম্নআয়ের মানুষজন খুশি হয়েছে। বিক্রেতাদের দাবি, সরবরাহ এ রকম থাকলে দাম আর বাড়বে না।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সরেজমিনে হিলি বাজার পরিদর্শন করতে গিয়ে দেখা যায়, বাজারের প্রতিটি দোকানে পেঁয়াজের যথেষ্ট সরবরাহ রয়েছে এবং সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম আগের তুলনায় কমছে। দুদিন আগে যেই পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল, বর্তমানে তা কমে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা কেজি দরে।

হিলি বাজারের পেঁয়াজ কিনতে আসা আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের তো আয় রোজগার কম এবং এর পর পেঁয়াজের বাড়তি দামের কারণে বেশ সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছিল। আগে দাম কম থাকায় আমাদের সুবিধা হচ্ছিল, চাহিদা মতো কিনতে পারছিলাম। কিন্তু দাম বাড়ার ফলে এক কেজি পেয়াজ কিনতে হচ্ছিল ৪০ টাকা কেজি দরে। এতে করে আমাদের চাহিদামত পেঁয়াজ কিনতে সমস্যা হচ্ছিল।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘যতটুকু চাহিদা, তার চেয়ে কম কিনতে হচ্ছিল বাড়তি দামের কারণে। এখন কিছুটা দাম কমেছে, কেজিতে ৫ টাকা কমে ৩৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। এতে করে আমাদের কিছু সুবিধা হচ্ছে, আমরা একটু চাহিদামত কিনতে পারছি। দাম যেন আরো কম থাকে, এই দাবি থাকবো।’

পেঁয়াজ বিক্রেতা সাকিল আহমেদ জানান, ‘সরবরাহ ভালো থাকার কারণে পেঁয়াজের দাম কিছুদিন ধরে স্বাভাবিক ছিল। তবে গত দুদিন বৈরি আবহাওয়ার কারণে মোকামে পেঁয়াজের সরবরাহ কিছুটা ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। ফলে মোকামেই দাম কিছুটা বাড়তি ছিল। আমাদের ৩৭ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছিল এবং খরচ মিলিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল ৪০ টাকা কেজি দরে। এখন মোকামে সরবরাহ বেড়ে দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এখন আমাদের মোকামে ৩৩ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছে এবং খরচ মিলিয়ে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। পেঁয়াজের সরবরাহ এভাবে থাকলে দাম আরো কিছুটা কমতে পারে।’

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘আমরা দেখতে চাই যে কেউ যেন কৃত্রিমভাবে সংকট সৃষ্টি করে পেঁয়াজের দাম বাড়াতে না পারে। এই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি এবং নিয়মিত আমাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা সমূহের বাজার পরিদর্শন করছি। যদি দেখা যায় কেউ দাম বাড়তি নিচ্ছে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলার গ্যাস সম্পদে তারেক রহমানের মাস্টারপ্ল্যান; দৃশ্যপট পরিবর্তন হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫১ পি.এম


ভোলার গ্যাস সম্পদে তারেক রহমানের মাস্টারপ্ল্যান; দৃশ্যপট পরিবর্তন হবে

জেলায় প্রাপ্ত খনিজ গ্যাস সম্পদের সুচিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংগ্রহ করেছেন একটি ‘মাস্টারপ্ল্যান’। এই বৃহৎ গ্যাসভান্ডারের সঠিক ব্যবহারের জন্য পূর্ববর্তী সরকারের বিশৃঙ্খল চিন্তার পরিবর্তে নতুন উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে একগুচ্ছ প্রকল্পের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- সার কারখানা, বিদ্যুৎ প্লান্ট, কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়, ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণ কেন্দ্র, গ্যাসভিত্তিক শিল্প কারখানা স্থাপনসহ একটি বাস্তবসম্মত অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করা। এর মাধ্যমে ভোলা এবং পুরো দক্ষিণাঞ্চলকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় আরো সমৃদ্ধ করার কথা বলা হচ্ছে।

গত ৩ মে থেকে ৬ মে ঢাকায় জেলা প্রশাসকদের সম্মেলনে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভোলার গ্যাস সম্পদের সদ্বব্যবহারের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত উন্নয়নের কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এই সম্মেলনে, ভোলার গ্যাস ব্যবহারের বিষয়টি ছিল প্রধান আলোচ্য বিষয়। সম্মেলনে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে, ভোলার গ্যাস, জাতীয় গ্রিডে নেয়ার পরিবর্তে ভোলাতেই ব্যবহার করা হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো দ্বীপ জেলা ভোলাসহ সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলে একটি পরিকল্পিত শিল্প-কলকারখানা ও সার কারখানা সহ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করা।

এদিকে, ভোলার খনিজ গ্যাস নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা বলেন তথ্য মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি গত শুক্রবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাসকে কেন্দ্র করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে পরিকল্পিতভাবে শিল্প কলকারখানা গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, ‘যেকোনো বড় বিনিয়োগের প্রথম শর্তই হলো জ্বালানি অবকাঠামো ও নিরাপত্তা। দক্ষিণাঞ্চলে জ্বালানি সম্পদ বিদ্যমান থাকায় এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক রূপান্তরের বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে।’

দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তথ্য মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমাদের ভোলায় যে গ্যাস আছে, এই গ্যাসকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলে আমরা নতুন শিল্প কলকারখানা স্থাপনের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে চিন্তা করতে পারি। বিনিয়োগকারীরা যেকোনো অঞ্চলে বিনিয়োগ করার আগে মূলত: দু’টি জিনিস চায়- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা। যেহেতু দক্ষিণ বাংলায় এই জ্বালানি সম্পদ রয়েছে, তাই একে পরিকল্পিতভাবে দেশের অর্থনীতি এবং কর্মসংস্থানের কাজে লাগাতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ এবং কৌশলগত উন্নয়ন বিষয়গুলি কেবল রাজনৈতিক দল বা ক্ষমতাসীনদের এজেন্ডা হওয়া উচিত নয়। উন্নয়ন বিশ্লেষকগণ মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মুক্ত চিন্তাভাবনা বাস্তবায়ন হলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর দৃশ্যপট সম্পূর্ণরূপে পাল্টে যাবে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) এর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ভোলায় বর্তমানে ১ দশমিক ৭৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাসের মজুত আছে। এই পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে। ১৯৯৫ সালে ভোলায় প্রথম শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছিল। সেখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় ২০০৯ সালে। ২০১৮ সালে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র ভোলা উত্তর এবং ২০২৩ সালে আবিষ্কৃত ইলিশা কুপ থেকে এখনো গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়নি।

জেলা শহরতলীর দক্ষিণ চরপাতা গ্রামে তিন বছর আগে গ্যাসক্ষেত্র খুঁজে পায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। ওই ইলিশা গ্যাসক্ষেত্রটি ইতোমধ্যেই গ্যাস উত্তোলনের জন্য প্রস্তুত হয়েছে। তবে এখনো উৎপাদন শুরু করা যাচ্ছে না। কারণ, ভোলায় বর্তমানে চাহিদার চেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন হচ্ছে।

শিল্পকারখানা স্থাপনে দেশি কোম্পানিগুলি:

ভোলার গ্যাস সম্পদের সুবিধা ভোগ করতে দেশের শীর্ষ শিল্প কারখানাগুলি ইতোমধ্যে এখানে বিনিয়োগ শুরু করেছে। গত কিছু বছরে জেলা সদরে জমি অধিগ্রহণ করে শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলেছে, শেলটেক, কাজী গ্রুপ, উর্মি গ্রুপ এবং আর এফ এল কোম্পানিসহ ছোট বড় মিলিয়ে কমপক্ষে ডজনখানেক কোম্পানি।

জানা গিয়েছে, এসব কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে জেলা ও অন্য জেলায় কমপক্ষে আড়াই হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। জেলায় শিল্প-কারখানা গড়ে তুলতে বর্তমানে আরো অর্ধশত কোম্পানি জমি অধিগ্রহণ করেছে।

ভোলায় বিনিয়োগের জন্য বিদেশিরা:

গত বছরের ২৫ আগস্ট বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, গ্যাস সমৃদ্ধ দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা ভোলায় প্রায় ১শ’ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ হতে যাচ্ছে। এর ফলে ভোলায় নতুন একটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি হবে। চীনা বিনিয়োগে নির্মিত এই অঞ্চলে মৎস্য ও মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ, দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদন এবং কৃষি-শিল্পভিত্তিক বিভিন্ন কারখানা স্থাপন হবে। নতুন এই অর্থনৈতিক অঞ্চল সম্পূর্ণরূপে চালু হলে সেখানে কর্মসংস্থান হবে প্রায় এক লাখ লোকের।

‘ভোলা ইকো-ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক জোন’ নামের এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি নির্মাণ করবে চীনা ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান লিজ ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিজ। বেসরকারি এই অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য ইতোমধ্যে প্রাথমিক অনুমোদন বা প্রি-কোয়ালিফিকেশন লাইসেন্স পেয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। গত বছরের ২৫ আগস্ট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছিল।

বেজার সূত্রে জানা গেছে, ভোলা সদর উপজেলায় প্রাথমিকভাবে প্রায় ১০২ দশমিক ৪৬ একর জমিতে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠবে। তা পরবর্তীতে বাড়িয়ে ১৫৮ একর করা হতে পারে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সেখানে বিভিন্ন খাতের প্রায় ৪০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হবে।

প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়ার পর এখন বেশ কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে হবে ভোলা ইকো-ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক জোনকে। এরপর সেখানে বিনিয়োগকারীরা শিল্পকারখানা স্থাপন করতে পারবেন। এ পর্যন্ত মোট ১৩টি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলকে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বেজা।

সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন এই অঞ্চলকে একটি পরিবেশবান্ধব, শ্রমঘন ও কৃষিভিত্তিক শিল্প এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান লিজ ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিজ ইতোমধ্যে পোশাকবস্ত্রসহ বাংলাদেশে একাধিক খাতে বিনিয়োগ করেছে।

ওই সময়ে বেজার নির্বাহী সদস্য (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মেজর জেনারেল (অব.) মো. নজরুল ইসলাম বলেছেন, ভোলা ইকো-ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক জোন বরিশাল বিভাগের প্রথম অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এই অঞ্চলটি মৎস্য ও কৃষিজ সম্পদভিত্তিক শিল্প বিকাশে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ভোলা ইকো-ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক জোনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুয়াং লাইফেং বলেন, চীনা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বিহীনভূমি হিসেবে ভোলার গ্যাস ও কৃষিসম্পদের সুবিধা কাজে লাগিয়ে বিদেশি বিনিয়োগ আনার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলার নীতিনির্ধারকগণ যা বলছেন:

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ’র সাথে।

তিনি বাসস’কে জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এবং দিক নির্দেশনায় ভোলায় প্রাপ্ত গ্যাস সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের বিপ্লব ঘটানো হবে। পাশাপাশি উপকূলীয় ভোলা উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অর্থনৈতিক অঞ্চলের একটি অনন্য রোল মডেল হবে।

এ বিষয়ে ভোলার চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর গণমাধ্যমকে বলেন, ভোলার গ্যাস পাইপলাইনে কিংবা গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া অনেক ব্যয়বহুল। তবে, এখানেই শিল্পকারখানা তৈরি হলে গ্যাস সস্তায় ব্যবহার করা যাবে। উৎপাদিত পণ্য ভোলার পাশে নদীপথে পায়রা ও চট্টগ্রাম বন্দরে নেয়া যাবে।

দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ঝামেলামুক্ত পরিবেশে বিনিয়োগ করার সুযোগ পাবেন। এতে ভোলা এবং দক্ষিণাঞ্চলের বেকারত্ব দূর হবে।

এ বিষয়ে ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান বাসস’কে বলেন, সম্প্রতি শেষ হওয়া ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ভোলার গ্যাস ভোলায় ব্যবহার করে যদি ভোলাতেই শিল্পকারখানা এবং সার কারখানা গড়ে তোলা সম্ভব হয়, তাহলে ব্যবসায়ীরা সহজেই পায়রা এবং চট্টগ্রাম বন্দরে উৎপাদিত পণ্য পৌঁছাতে পারবেন। ভোলাতে পর্যাপ্ত জমি রয়েছে। এখানে শিল্পকারখানা গড়ে উঠলে অবহেলিত ভোলা এবং দক্ষিণাঞ্চলের বেকারত্ব দূর হবে। ‘আমাদের এই সম্পদশালী জেলা উন্নয়ন সূচকে আরো কয়েক ধাপ উন্নত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%