প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সারা বিশ্বে বর্তমানে একটি চ্যালেঞ্জিং সময় যাচ্ছে বলে মনে করেন মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু।
অনলাইন ডেস্কের খবর অনুযায়ী, ১১ জুন, ২০২৬ সালে প্রকাশিত এই তথ্যের ভিত্তিতে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজেট সম্পর্কে আলোচনা করতে এফবিসিসিআই-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বিসিআই-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু কালের কণ্ঠ মাল্টিমিডিয়ার নিয়মিত অনুষ্ঠান দ্য বিজনেস রিভিউ শোতে বক্তব্য রাখেন।
মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, ‘সারা বিশ্বে এখন একটা চ্যালেঞ্জিং সময় যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ইলেকট্রিসিটির মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। এগুলো সবকিছুই ইমপ্যাক্ট ফেলবে প্রতিটি পণ্যের ওপর। যার ফলে দ্রব্যমূল্য ইতিমধ্যেই বৃদ্ধি শুরু হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ‘৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার যে বাজেট এটা গত বছরের চেয়ে ২ লাখের বেশি বাজেট। আমরা যতটুক জানি গত বাজেটের কাঙ্ক্ষিত আশা তারা পূরণ করতে পারেনি, তাহলে ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি কর আদায় করতে হবে এনবিআরকে এবং এটা বিরাট বড় চ্যালেঞ্জিং।’
‘বর্তমানে দেশের অর্থনীতির কারণে সরকার হয়তো বাজেট বেশি করেছে এবং কর আদায়ে বেশির দিকে তারা যাচ্ছেন। দেশের সামষ্টিক উন্নতির কারণে দেশের চাহিদা মেটানোর জন্য কিন্তু এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশের ওপর। যদি ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা সফলভাবে করতে না পারেন তাহলে তারা কর কোথা থেকে দেবেন?’
তিনি আরো যোগ করেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হলো আমরা মনে করি যে, যেখানে দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি ঘটবে আমাদের প্রতিবছর ইনফ্লেশন ৯ টু ১২% হচ্ছে, সেক্ষেত্রে যদি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বেশ কয়েক বছর ধরে একটু মন্থরগতিতে চলছে।’
শেষে তিনি বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে আমি মনে করি নতুন সরকার যে বাজেট দিচ্ছে তারা খুব চ্যালেঞ্জিং হিসেবে নিয়েছেন এবং এটার বাস্তবতা নির্ভর করবে সরকারের যেসব উইংগুলো আছে তাদের দক্ষতা কর্মপরিধি এবং ঐকান্তিক চেষ্টার উপরে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন