০২:০৬ পি.এম
কক্সবাজারের টেকনাফে ক্রসফায়ারে একরামুল হক হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে ৩ জনের হাজিরার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৬ জুলাই) আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ১১ জন আসামির বিরুদ্ধে এ আদেশটি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের দল। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। তিনি এই মামলায় আনা অভিযোগ তুলে ধরেন এবং ফরমাল চার্জ আমলে নেওয়ার আবেদনও করেন।
আরও পড়ুন: সরকার চায় গুমের অপসংস্কৃতি ও অপরাধ চিরতরে বন্ধ হোক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
শুনানি শেষে অভিযোগটি আমলে নিয়ে গ্রেপ্তার আসামিদের হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সেইসাথে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরবর্তী শুনানির জন্য ২৫ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন (সেনাবাহিনীতে কর্মরত), কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), মেজর রুহুল আমিন, সেনা কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব, সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদি এবং সেনা কর্মকর্তা আশিকুর রহমান।
এদের মধ্যে অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার আছেন আবদুর রহমান বদি, আনোয়ার লতিফ ও মাহাবুব আলম।
এদিন সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে এ অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগের কথা বললেন
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে কক্সবাজারের টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন একরামুল হক। তিনি টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'আব্বু তুমি কান্না করতেছ যে...' একরামুলের মেয়ের একটি অডিও রেকর্ড তখন দেশজুড়ে আলোচিত হয়ে ওঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন