মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি,
০৫:০০ পি.এম
স্থানীয় জনগণকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় তিন মাসব্যাপী সেলাই মেশিন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। দীঘিনালা জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন ২০ জন প্রশিক্ষণার্থী।
রবিবার (২১ জুন) বিকাল ২টা ৩০ মিনিটে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন দীঘিনালা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন বলেন,
আজকের প্রশিক্ষণই আগামী দিনের আত্মবিশ্বাস। একজন ব্যক্তি যখন কোনো কারিগরি দক্ষতা অর্জন করেন, তখন তিনি শুধু নিজের জন্য নয়, পরিবারের জন্যও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন পথ তৈরি করেন। আমরা চাই প্রশিক্ষণার্থীরা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠুক এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অংশীদার হোক।
তিনি আরও বলেন,
মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতিতে শিক্ষা এবং দক্ষতার বিকল্প নেই। দীঘিনালা জোন ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের পাশে থাকবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ বিশেষ করে নারী ও তরুণদের জন্য আয়মুখী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং দীর্ঘমেয়াদে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাম্প্রতিক সময়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের মতে, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে আদিবাসীদের ভূমির ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার, নাগরিক সমাজ এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজন।
রবিবার (২১ জুন) ঢাকায় কারিতাস ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (সিডিআই) অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইকোলজি প্ল্যাটফর্ম (বিএপি) প্রকল্পের আয়োজনে অনুষ্ঠিত একটি সেমিনারে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ভূমি ও আদিবাসী অধিকার এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ওপর এই অ্যাডভোকেসি সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে কারিতাস বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক দাউদ জীবন দাশ বলেন, আদিবাসী সম্প্রদায়ের ভূমি অধিকার এবং জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা জাতীয় উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তিনি উল্লেখ করেন, সেমিনারে ওঠানো সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে আদিবাসীদের ভূমি অধিকার সুরক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কার্যকর অগ্রগতি সম্ভব হবে।
সেমিনারে আদিবাসীদের নিপীড়ন এবং হয়রানির ঘটনাবলী তুলে ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি জানান, আদিবাসীদের অনেক কিছুর নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে, যা তিনি একটি “জেনোসাইড” (গণহত্যা) হিসেবে অভিহিত করেন। এটি বন্ধ হওয়া দরকার বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, যত্রতত্র ইকোপার্ক স্থাপন বন্ধ করতে হবে, কারণ তার মতে, ইকোপার্ক মানুষের অধিকার লঙ্ঘন করে এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ ধ্বংস করে। বর্তমান সরকার আদিবাসীদের ভূমির অধিকারসহ সুরক্ষার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সাদরুজ্জামান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে আদিবাসীরা একাধিক ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে। তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ভূমির অধিকার প্রতিষ্ঠা করা আবশ্যক। তিনি আরো বলেন, এ বিষয়ে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে এবং বর্তমান সরকার এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
বারসিকের পরিচালক ও গবেষক পাভেল পার্থ বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বে আদিবাসীরা নির্যাতিত ও বিতাড়িত হচ্ছে। তিনি বলেন, পাঠ্যপুস্তকে যখন আদিবাসীদের সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য উল্লেখ করা হয়, তখন তা রাষ্ট্রীয় সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। তাই আদিবাসীদের সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইন্ডিজেনাস পিপলস ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস (আইপিডিএস)-এর সভাপতি সঞ্জীব দ্রং। তিনি ১৫ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে আদিবাসীদের প্রথাগত ভূমি অধিকারের স্বীকৃতি প্রদান এবং সমতলের আদিবাসীদের জন্য একটি স্বতন্ত্র ভূমি কমিশন গঠন। এছাড়াও তিনি প্রথাগতভাবে অধিকারিত ভূমির ম্যাপিং এবং নিবন্ধনের মাধ্যমে আইনি মালিকানা নিশ্চিত করার বিষয়টিও উল্লেখ করেন। বন বিভাগের গেজেট, জরিপ বা ফরেস্ট ল্যান্ড হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়া ভূমি প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, আদিবাসীদের জীবন এবং জীবিকার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন যেকোনো প্রকল্পের আগে তাদের অবহিত সম্মতি গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত। এবং জাতীয় উদ্যান, ইকো-পার্ক বা অনুরূপ প্রকল্প বাস্তবায়নে আদিবাসীদের অংশীদারিত্ব এবং মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি এই ক্ষেত্রগুলিতে হারানো ভূমি পুনরুদ্ধারে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে এবং ভূমি সংক্রান্ত নথিপত্র সংরক্ষণ, খাজনা প্রদান এবং ভূমি জরিপ বিষয়ে আদিবাসীদের প্রশিক্ষণ এবং সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করার কথাও বলেন।
সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন কারিতাস বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মেথিন প্রমিলা। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাজী কামরুল ইসলাম, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. শিল্পী কুন্ডু, বাংলাদেশ কৃষক ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. বদরুল আলম, এবং কারিতাস বাংলাদেশের পরিচালক (প্রোগ্রাম) অপূর্ব ম্রং ও ব্যবস্থাপক সুবাস এ. গোমেজও বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, দেশের দরিদ্র, অসচ্ছল ও নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার পেতে অসমর্থ জনগণের জন্য আইনি সহায়তা ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) সেবা দিতে, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থাকে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর-এ উন্নীত করেছে সরকার।
গত ৯ এপ্রিল সংসদের প্রথম অধিবেশনে আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) আইন, ২০২৬ পাস করার মাধ্যমে এই রূপান্তর ঘটানো হয়েছে।
এর ফলে ঢাকার বাইরে অধিদপ্তরের শাখা কার্যালয় স্থাপন করা হবে এবং মহানগর থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত আইনি সেবা সম্প্রসারণের জন্য একটি শক্তিশালী আইনি ভিত্তি তৈরি হয়েছে। একযোগে, এই অধিদপ্তরের আওতায় জনবল কাঠামো সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে ১১তম দিনে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের জবাবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক (আইন ও বিচার বিভাগ) মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এই তথ্য জানান।
সংসদ সদস্যের প্রশ্নে সরকারি খরচে আইনি সহায়তার ক্ষেত্রে প্রচারণার অভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, প্যানেল আইনজীবীদের কম ফি এবং এনজিওগুলোর সঙ্গে ডিজিটাল ইন্টিগ্রেশনের সুনির্দিষ্ট বাধাগুলোর বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার নির্ধারিত ফি কম হওয়ায় অনেক সময় দক্ষ ও অভিজ্ঞ আইনজীবীরা লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী হন না। এর পাশাপাশি মামলা ফাইলিং, কোর্ট ফি কিংবা দলিলের জাবেদা নকল সংগ্রহের জন্য প্রাথমিক আনুষঙ্গিক ব্যয়ের জন্য সরকারিভাবে কোনো অগ্রিম বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা নেই, যার কারণে আইনজীবীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়। আইনজীবীদের এই বাস্তব সমস্যাগুলো বিবেচনা করে সরকার ইতোমধ্যে প্যানেল আইনজীবীদের ফি ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে এবং এই ফি আরও যৌক্তিকভাবে বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
তৃণমূলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে এই সেবা পৌঁছে দিতে এবং সচেতনতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
সরকার ও ইউএনডিপির যৌথ উদ্যোগে ডিজিটাল লিগ্যাল এইড প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ৩০০টি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে, মোবাইল অ্যাপ ও আধুনিক অনলাইন পোর্টাল চালু করা হয়েছে এবং ১৬৬৯৯ টোল-ফ্রি লিগ্যাল এইড হেল্পলাইনের সক্ষমতা বাড়ানোর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর বাইরেও তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত উঠান বৈঠক, গণশুনানি, পথনাটক, সেমিনার আয়োজন, লিফলেট বিতরণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশব্যাপী জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালন করা হচ্ছে।
সরকারি লিগ্যাল এইড সেবার সঙ্গে বেসরকারি এনজিওগুলোর ডিজিটাল সমন্বয় ও ইন্টিগ্রেশনের ক্ষেত্রে কিছু কারিগরি ও আইনি সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি জানান, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর কার্যপদ্ধতি, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং জবাবদিহিতার কাঠামো ভিন্ন হওয়ায় এই সমন্বয় করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হচ্ছে। বিশেষ করে একটি সমন্বিত ডেটা-শেয়ারিং নীতিমালার অভাব, পৃথক কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং বিচারপ্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি এখানে প্রধান বাধা হিসেবে কাজ করছে।
তবে এসব সীমাবদ্ধতা দূর করে একটি নিরাপদ, সমন্বিত ও কার্যকর ডিজিটাল লিগ্যাল এইড ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এজন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি এনজিও ও অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে চাঁদের হাঁসি রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী রকিবুল হাসান তরফদার রনি। রোববার (২১ জুন) বিকালে মধুপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মো: রকিবুল হাসান তরফদার রনি অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল চাঁদের হাঁসি রেস্টুরেন্টের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সংবাদসম্মেলনে তিনি আরো বলেন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানান। এ সময় স্থানীয় সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন এবং সত্য তথ্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাম্প্রতিক সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির কারণে ইরান তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে এসেছে। এমন তথ্য একটি নতুন জনমত জরিপে উঠে এসেছে।
ইসরায়েলের বিপুল সংখ্যক নাগরিক এই জরিপে বিশ্বাস করেন যে, যুদ্ধে জয়ী হয়েছে ইরান। হিব্রু ইউনিভার্সিটি অব জেরুজালেম এবং আগাম ইনস্টিটিউটের যৌথভাবে পরিচালিত এই জরিপটি ১৭ থেকে ২০ জুনের মধ্যে তিন হাজার ৬৪৪ জন উত্তরদাতার ওপর চালানো হয়েছে।
জরিপের ফলাফল দেশের জনমনে বিরাজমান উদ্বেগের একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরেছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৯২ দশমিক ১ শতাংশ বলেছেন, ইরান এই সংঘাত থেকে বিজয়ী হয়েছে বা তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধা অর্জন করেছে।
একই সঙ্গে ৮২ দশমিক ৯ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা এই ঘটনায় দুর্বল হয়েছে। সেটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হিসেবে দেখা যায়।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটের সমর্থকদের মধ্যেও একই ধরনের ধারণা প্রবল। ওই শিবিরের ৯৩ দশমিক ১ শতাংশ ভোটার মনে করেন, ইরানই এই সংঘাতে বিজয়ী হয়েছে।
জরিপে আরও দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা চুক্তির বিরোধিতা ব্যাপক। ৬৩ দশমিক ২ শতাংশ উত্তরদাতা এই চুক্তির বিরোধিতা করেছেন, যেখানে মাত্র ১২ দশমিক ১ শতাংশ এটিকে সমর্থন জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ