আঃ হামিদ মধুপুর( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০৫:০২ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুরে চাঁদের হাঁসি রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী রকিবুল হাসান তরফদার রনি। রোববার (২১ জুন) বিকালে মধুপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মো: রকিবুল হাসান তরফদার রনি অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল চাঁদের হাঁসি রেস্টুরেন্টের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সংবাদসম্মেলনে তিনি আরো বলেন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানান। এ সময় স্থানীয় সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন এবং সত্য তথ্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাম্প্রতিক সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির কারণে ইরান তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে এসেছে। এমন তথ্য একটি নতুন জনমত জরিপে উঠে এসেছে।
ইসরায়েলের বিপুল সংখ্যক নাগরিক এই জরিপে বিশ্বাস করেন যে, যুদ্ধে জয়ী হয়েছে ইরান। হিব্রু ইউনিভার্সিটি অব জেরুজালেম এবং আগাম ইনস্টিটিউটের যৌথভাবে পরিচালিত এই জরিপটি ১৭ থেকে ২০ জুনের মধ্যে তিন হাজার ৬৪৪ জন উত্তরদাতার ওপর চালানো হয়েছে।
জরিপের ফলাফল দেশের জনমনে বিরাজমান উদ্বেগের একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরেছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৯২ দশমিক ১ শতাংশ বলেছেন, ইরান এই সংঘাত থেকে বিজয়ী হয়েছে বা তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধা অর্জন করেছে।
একই সঙ্গে ৮২ দশমিক ৯ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা এই ঘটনায় দুর্বল হয়েছে। সেটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হিসেবে দেখা যায়।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটের সমর্থকদের মধ্যেও একই ধরনের ধারণা প্রবল। ওই শিবিরের ৯৩ দশমিক ১ শতাংশ ভোটার মনে করেন, ইরানই এই সংঘাতে বিজয়ী হয়েছে।
জরিপে আরও দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা চুক্তির বিরোধিতা ব্যাপক। ৬৩ দশমিক ২ শতাংশ উত্তরদাতা এই চুক্তির বিরোধিতা করেছেন, যেখানে মাত্র ১২ দশমিক ১ শতাংশ এটিকে সমর্থন জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শাজাহানপুরে মুক্তিপণের দাবিতে আট বছরের শিশু রিফাত হোসেনকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে আদালত পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন। একই ঘটনায় অপরাধের সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকায় অপর পাঁচ আসামিকে শিশু আইন অনুযায়ী ১০ বছর করে কারাদণ্ড (আটকাদেশ) দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) দুপুরে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এবং শিশু আদালত-১ এর বিচারক মো. আনোয়ারুল হক এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. সেলিম ইসলাম, মো. মেহেদী হাসান, মো. রাজু মিয়া ওরফে পাঁচফুল এবং মো. সাগর। এর মধ্যে সেলিম ইসলাম ও সাগর পলাতক রয়েছেন, বাকিরা রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে অপহরণ ও আলামত গোপনের দায়ে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, ঘটনার সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকায় শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ১০ বছর কারাদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- মো. সজিব হাসান, মো. মফিজুল ইসলাম ওরফে বাচ্চু মিয়া, মো. জাহিদ হাসান, মো. বোরহান আলী এবং মো. বায়েজীদ হোসেন। অপরাধের সময় এই আসামিদের বয়স ছিল শিশু, তবে বর্তমানে তাদের বয়স ২৬ বছরের ওপরে।
এই কারণে আদালত তাদের বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেকের বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় ভিন্ন ভিন্ন গ্রামে রয়েছে।
জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই শাজাহানপুর উপজেলায় খাদাস হাটখোলা এলাকার প্রবাসী এনামুল হকের ছেলে রিফাত হোসেনকে অপহরণ করে আসামিরা। প্রতিবেশী আবুল কালাম আজাদ এনামুলের কাছে এক লাখ টাকা ধার চেয়ে না পেয়ে অপহরণের পরিকল্পনা করেন। পরে মুক্তিপণ দাবি করার পর অপহরণের তিনদিন পরে ১৮ জুলাই পোয়ালগাছা ব্রিজের নিচ থেকে রিফাতের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
রিফাতের বাবা এনামুল হক বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচার চলাকালীন মাসুদ রানা নামে এক আসামির মৃত্যুর কারণে তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়। বাকি ১০ আসামির মধ্যে ৯ জনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এদিকে, দীর্ঘ আট বছর পর কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়ে আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়ে রিফাতের স্বজনেরা। এ সময় সন্তোষ প্রকাশ করে রিফাতের বাবা এনামুল হক বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, এই রায়ে আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। উচ্চ আদালতে যেন এই রায় বহাল থাকে এবং দ্রুত কার্যকর করা হয়। এই রায় যেন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে, যেন আর কোনো বাবা-মায়ের কোল এভাবে খালি না হয়।’
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আলী আসগর রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এই রায় সমাজ ও দেশের জন্য একটি মাইলফলক। রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণ করতে পেরেছে। এর মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো এবং অপরাধীদের কাছে একটি কঠোর বার্তা যাবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের ২১ জুলাই, রোববার নারায়ণগঞ্জ জেলার সম্মেলন কক্ষে একটি সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক, মোঃ রায়হান কবির মহোদয়।
নির্দিষ্ট বাদে, নারায়ণগঞ্জ জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয়ে পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সভার সময়, আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মহোদয়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক সহ আরো অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এই সভার আয়োজন করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গৌরনদীতে চালকের চোখে ঘুম চলে আসায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি দ্রুতগামী পিকআপ ভ্যান সড়কের পাশে উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত পিকআপের চালক ও হেলপারসহ দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার (২১ জুন) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার কসবা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) সংলগ্ন এলাকার মধ্যে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় এবং প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ভোরবেলায় পিকআপ ভ্যানটি দ্রুত গতিতে বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে গাড়ি চালানোর কারণে চালক ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়লে হঠাৎ গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ফলে, পিকআপটি মহাসড়ক থেকে ছিটকে গিয়ে পাশের খাদে উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শোনার পর আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। তারা পরে পিকআপের ভেতর থেকে চালক ও হেলপারকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে সেখানে তাদের চিকিত্সা চলছে বলে জানা গেছে।
এ দুর্ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন সৃষ্টি হলেও স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যক্রমের ফলে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে বিরতিহীনভাবে যানবাহন চালানোর কারণে অনেক চালক ক্লান্ত হয়ে পড়েন, যা প্রায়ই দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানোর জন্য তারা আহ্বান জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ