ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের রানীনগর থানা বার্ষিক পরিদর্শন ও মতবিনিময়


নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের রানীনগর থানা বার্ষিক পরিদর্শন ও মতবিনিময়

অদ্য ৩০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে নওগাঁ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব  মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম রানীনগর থানা বার্ষিক পরিদর্শন করেন।

এই পরিদর্শনের সময় তিনি থানার সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি, সকল অফিসার ও ফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

তিনি থানার কর্মকর্তা ও সদস্যদের দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব এবং জনগণকে দ্রুত ও মানসম্মত পুলিশি সেবা প্রদানের উপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে, এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ প্রতিরোধ, মাদক, চুরি, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার, ওয়ারেন্ট তামিল, মামলা তদন্তের অগ্রগতি এবং জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: বিএমপি কমিশনারের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্সের পুকুরে মৎস্যপোনা অবমুক্ত, উৎপাদন বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের প্রত্যাশা

পুলিশ সুপার এই সময়ে বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মানবিক আচরণের কোনো বিকল্প নেই। তিনি থানায় আগত সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ এবং প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি থানার কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফসলি জমিতে অটোরাইস মিল নির্মাণ বন্ধের দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৭ পি.এম


ফসলি জমিতে অটোরাইস মিল নির্মাণ বন্ধের দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন

ঝিনাইদহে ৩ ফসলি জমি এবং আবাসিক এলাকা সংলগ্ন অটোরাইস মিল নির্মাণ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় সম্প্রদায়। সোমবার (৩০ জুন) সকালে সদর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের ঝিনাইদহ-ঢাকা মহাসড়কের ধারে এই কর্মসূচির আয়োজন করেছেন গ্রামবাসিরা। সেখানে ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে অংশগ্রহণ করেন কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। ঘণ্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন স্থানীয়রা, যেমন সোহরাব হোসেন, আবু তালেব মোল্লা, জামাল হোসেন, সাইফুল মন্ডল, মাহবুব মোল্লা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, মহাসড়কের পাশে ৩ ফসলি জমিতে ইউনুস আলী নামে একজন ব্যবসায়ী অটোরাইস মিল নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। তাদের দাবি, যদি মিলটি নির্মিত হয়, তবে তা পরিবেশ দূষণ ঘটাবে, কৃষিজমির ক্ষতি করবে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাহত ঘটাবে। সুতরাং, তারা দ্রুত ওই স্থানে অটোরাইস মিল নির্মাণ বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৌলতপুর সীমান্তে সাড়ে ২৬ লাখ টাকার মাদক ও চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৮ পি.এম


দৌলতপুর সীমান্তে সাড়ে ২৬ লাখ টাকার মাদক ও চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকা চোরাচালান প্রতিরোধে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) নিরলস অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এই ধারাবাহিকতায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তিনটি পৃথক সফল অভিযানে প্রায় (ছাব্বিশ লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার পঁচাত্তর) টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার হয়েছে।

কাজিপুর বিওপির একটি চৌকষ টহল দল কাজিপুর বর্ডারপাড়া মাঠ এলাকায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে মালিকবিহীন অবস্থায় ফেলে রাখা ১১৪ কেজি বাংলাদেশি ভেষজ (অশ্বগন্ধা শিকড়) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ভেষজের আনুমানিক সিজার মূল্য (পাঁচ লক্ষ সত্তর হাজার) টাকা।

একই দিন জামালপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার জয়পুর মাঠপাড়া স্থানেও এক অভিযান পরিচালিত হয় যেখানে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ২৮ বোতল মদ, ০.৯ কেজি গাঁজা, ১৯ বোতল স্কাফ সিরাপ, ১,০০০ পিস ভায়াগ্রা ট্যাবলেট, ২,৮০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট ও ১,৮৫০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এসব মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য (সতেরো লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার সাতশত পঞ্চাশ) টাকা।

পরদিন ৩০ জুন ধর্মদাহ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ধর্মদাহ মাঠে চালানো অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ১৯ বোতল মদ, ১,০০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট ও ১৫ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য (তিন লক্ষ ঊনত্রিশ হাজার তিনশত পঁচিশ) টাকা।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সর্বদা সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে সতর্ক ও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং দিন-রাত নিরবচ্ছিন্নভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বিজিবির এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লোহাগড়া পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:১১ পি.এম


লোহাগড়া পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের জন্য ৫২ কোটি ২৩ লাখ ৪০ হাজার ৮০১ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বাজেট ঘোষণার সময় সমাপনী স্থিতি ধরা হয়েছে ৬০ লাখ ৪৭ হাজার ৬১২ টাকা।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে পৌরসভার সভা কক্ষে এই বাজেট উপস্থাপন করেন লোহাগড়া পৌর প্রশাসক সুস্মিতা সাহা। বাজেটে দেখানো হয়েছে রাজস্ব আয় ৪ কোটি ৯৩ লাখ ৪০ হাজার ৮০১ টাকা। একই সঙ্গে বাজেটে রাজস্ব ব্যয় ৪ কোটি ৩২ লাখ ৯৩ হাজার ১৮৯ টাকার হিসাবে ধরা হয়েছে।

এ ছাড়া উন্নয়ন হিসাব এ (এডিপি) আয় ও ব্যয় হিসাবে ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা, এবং উন্নয়ন হিসাব এ (প্রকল্প) আয় ও ব্যয় ৪০ কোটি ৫০ লাখ টাকা করে ধরা হয়েছে।

লোহাগড়া পৌর প্রশাসক সুস্মিতা সাহা আরও জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে লোহাগড়া পৌরসভার জন্য মোট আয় ৫২ কোটি ২৩ লাখ ৪০ হাজার ৮০১ টাকা বাজেটে ধরা হয়েছে এবং ব্যয় ৫১ কোটি ৬২ লাখ ৯৩ হাজার ১৮৯ টাকা হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পৌরসভার ধারাবাহিক আয় ও ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এই বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত হবে।

প্রস্তাবিত বাজেট সভায় উপস্থিত ছিলেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তফিকুল আলম, হিসাব রক্ষক উজ্জ্বল কান্তি সরকার, প্রকৌশলী কাজী আবু সাঈদ মোঃ জসিম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সালমা জামান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অনিমেষ কুমার বিশ্বাস, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শামীম রেজা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সাইয়েদুল্লাহ হিমেল প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের কোন একাডেমি ৪ খলিফার নামে হবে কি-না অন্যদেশ সেই প্রশ্ন তোলার কে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এম এ সাঈদ

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৫ পি.এম


বাংলাদেশের কোন একাডেমি ৪ খলিফার নামে হবে কি-না অন্যদেশ সেই প্রশ্ন তোলার কে?


কোন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে নাক গলানো বা মন্তব্য করা কোন একটি স্বাধীন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের উপর সরাসরি হস্তক্ষেপের শামিল। দীর্ঘদিন থেকে অভ্যাসবশত এমন মন্তব্য শুনে আসছে বাংলাদেশ। কিন্তু তা সীমালংঘন করে যেন কোন স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি সৌজন্যতা বোধ নষ্ট না করে সেদিকে খেয়াল রাখাও জরুরি।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর নতুন একাডেমিগুলোর নাম ইসলামের চার খলিফা—হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.), হযরত ওসমান (রা.) ও হযরত আলী (রা.)—এর নামে রাখা নিয়ে ভারতের কিছু গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে যে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, তা একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসে: একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি বা ইতিহাসের আলোকে কী নাম দেবে, সে বিষয়ে মন্তব্য করার নৈতিক বা কূটনৈতিক অধিকার অন্য কোনো রাষ্ট্রের কোথায়?

বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। সংবিধান, জনগণের ইচ্ছা এবং রাষ্ট্রের নিজস্ব নীতির ভিত্তিতেই এখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কোনো সামরিক একাডেমির নাম কী হবে, কোথায় মসজিদ হবে, কোথায় মন্দির হবে কিংবা রাষ্ট্র কোন দেশের সঙ্গে কী ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলবে—এসব প্রশ্ন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অন্যতম মৌলিক নীতি হলো অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ না করা। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার বাস্তবতা বারবার ভিন্ন চিত্রই তুলে ধরেছে।

ভারত বহুদিন ধরেই "Neighbourhood First" নীতির কথা বলে আসছে। কিন্তু শুধু নীতির ঘোষণা দিলেই হয় না; প্রতিবেশীদের সঙ্গে আচরণেই সেই নীতির সত্যতা প্রমাণিত হয়। বাস্তবে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ কিংবা অন্যান্য প্রতিবেশী দেশকে ঘিরে যে বিতর্ক, কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং পারস্পরিক অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে, তা এই প্রশ্নকে আরও জোরালো করে—প্রতিবেশীদের প্রতি সম্মান দেখানো কি সত্যিই ভারতের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দু?

একটি বড় রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি তার সামরিক সক্ষমতা নয়; বরং আত্মবিশ্বাস, সংযম এবং প্রতিবেশীদের আস্থা অর্জনের ক্ষমতা। ছোট রাষ্ট্রকে নির্দেশ দেওয়া, তাদের সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করা বা প্রতিটি অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করা কখনোই আঞ্চলিক নেতৃত্বের পরিচয় হতে পারে না। বরং এসব আচরণ দীর্ঘমেয়াদে পারস্পরিক অবিশ্বাস বাড়ায় এবং সহযোগিতার ভিত্তিকে দুর্বল করে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল। স্বাধীনতার ৫৫ বছরের ইতিহাসে দুই দেশের সম্পর্ক যেমন বহু ইতিবাচক অধ্যায় দেখেছে, তেমনি সীমান্তে প্রাণহানি, নদীর পানিবণ্টন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য বৈষম্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক মন্তব্যও দুই দেশের সম্পর্কে অস্বস্তির কারণ হয়েছে। এসব বাস্তবতা উপেক্ষা করে যদি আবারও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত নিয়ে অযাচিত মন্তব্য করা হয়, তাহলে তা বন্ধুত্বের বার্তা নয়; বরং সন্দেহ ও দূরত্বই বাড়াবে যা নতুন বহুমেরু ভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থায় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

বাংলাদেশ কার সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে, নিজস্ব কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত কিভাবে নেবে, নিজের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে কি পদক্ষেপ নেবে তা একান্তই একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের নেওয়ার অধিকার রয়েছে। আধুনিক বিশ্ব জঙ্গলের জংলি শাসনে চলেনা, মানব সভ্যতার ইতিহাস যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে। বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রই নিজেকে সে অনুযায়ী নিজেদেরকে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। কোন রাষ্ট্রে কোন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের নামে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে কিংবা নিজের জাতীয় পরিচয় কীভাবে তুলে ধরবে—এসব নির্ধারণ করার একমাত্র অধিকার সেই স্বাধীন সার্বভৌমত্ব দেশের তথা বাংলাদেশের জনগণ ও রাষ্ট্রের। এ সিদ্ধান্ত অন্য কারও অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকে না। সে বিষয়ে মন্তব্য করাটাও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচার পরিপন্থী।

আজকের বিশ্বে ভূরাজনীতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা যেমন বাড়ছে, তেমনি বৈশ্বিক শক্তিগুলোর প্রভাব বিস্তারের লড়াইও তীব্র হচ্ছে। এমন সময়ে প্রতিবেশীদের আস্থা অর্জন করা প্রতিটি রাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত প্রয়োজন। কারণ কোনো রাষ্ট্রই একা স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে না; আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা গড়ে ওঠে পারস্পরিক সম্মান, সমতা ও সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতির ভিত্তিতে।
ভারতেরও উচিত হবে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ককে নির্দেশদাতার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নয়, সমমর্যাদার অংশীদারের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখা। বন্ধুত্ব চাপিয়ে দেওয়া যায় না; তা অর্জন করতে হয়। আর সেই অর্জনের প্রথম শর্ত হলো—প্রতিবেশীর স্বাধীন সিদ্ধান্তকে সম্মান করা এবং অযাচিত মন্তব্য ও হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকা।

বাংলাদেশ তার নিজস্ব পরিচয়ে এগিয়ে যাবে। সেই পথের দিকনির্দেশ নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের জনগণই। প্রতিবেশীরা যদি সত্যিকারের বন্ধুত্ব চায়, তবে তাদের উচিত হবে বাংলাদেশের সিদ্ধান্তকে সম্মান করা, সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাকেই ভবিষ্যৎ আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা। কারণ আধিপত্য কখনো দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে না; সম্মানই পারে টেকসই সম্পর্কের ভিত্তি নির্মাণ করতে তা না হলে বর্তমান বহু মেরু বিশ্ব ব্যবস্থায় প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত যদি পূর্বের মতো আধিপত্যবাদী ধ্যান ধারণা বজায় রেখে চলতে চায় তাহলে তার ভবিষ্যৎ কি তা ভবিষ্যত-ই নির্ধারণ করবে-এমন কথা বলা মনে হয় অমূলক হবে না।
লেখকঃ সাংবাদিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%