প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকা চোরাচালান প্রতিরোধে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) নিরলস অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এই ধারাবাহিকতায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তিনটি পৃথক সফল অভিযানে প্রায় (ছাব্বিশ লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার পঁচাত্তর) টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার হয়েছে।
কাজিপুর বিওপির একটি চৌকষ টহল দল কাজিপুর বর্ডারপাড়া মাঠ এলাকায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে মালিকবিহীন অবস্থায় ফেলে রাখা ১১৪ কেজি বাংলাদেশি ভেষজ (অশ্বগন্ধা শিকড়) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ভেষজের আনুমানিক সিজার মূল্য (পাঁচ লক্ষ সত্তর হাজার) টাকা।
একই দিন জামালপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার জয়পুর মাঠপাড়া স্থানেও এক অভিযান পরিচালিত হয় যেখানে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ২৮ বোতল মদ, ০.৯ কেজি গাঁজা, ১৯ বোতল স্কাফ সিরাপ, ১,০০০ পিস ভায়াগ্রা ট্যাবলেট, ২,৮০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট ও ১,৮৫০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এসব মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য (সতেরো লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার সাতশত পঞ্চাশ) টাকা।
পরদিন ৩০ জুন ধর্মদাহ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ধর্মদাহ মাঠে চালানো অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ১৯ বোতল মদ, ১,০০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট ও ১৫ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য (তিন লক্ষ ঊনত্রিশ হাজার তিনশত পঁচিশ) টাকা।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সর্বদা সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে সতর্ক ও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং দিন-রাত নিরবচ্ছিন্নভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বিজিবির এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন