১০:১৯ এম
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট অর্জন করেছে ফ্রান্স। টানা দুটি বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে মরক্কোকে।
ফ্রান্সের মানসম্মত ফুটবলের কাছে নতি শিকার করেছে মরক্কো, এ কথা ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন মরক্কোর কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি। তিনি প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগের প্রশংসা করে বলেন, ‘প্রথমার্ধেই ফ্রান্সের অ্যাটাকিং ফুটবলের গুণগত মান আমাদের ভুগিয়েছে।’
কিলিয়ান এমবাপে ও উসমান দেম্বেলের গোলে মরক্কোর সেমিফাইনালে ফেরার আশা ভেস্তে গেছে। তবে গোল করার আগেই ফ্রান্স ম্যাচের কর্তৃত্ব নিয়ে নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন মরক্কো কোচ।
আরও পড়ুন: কালিয়াকৈরে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তার ৫ লাখ টাকা ছিনতাই
তিনি বলনে, আমরা এগিয়ে যেতে চেয়েছিলাম, কিন্তু প্রথমার্ধটা আমাদের জন্য খুব কঠিন ছিল। ফ্রান্স বল দখলে অসাধারণ ছিল। দুই প্রান্ত দিয়ে তারা আমাদের অনেক সমস্যায় ফেলেছে। আর আমরা যখন বল পেয়েছি, তখন দ্রুত আক্রমণে রূপান্তর করতে পারিনি।
প্রথমার্ধে মরক্কো বেশিরভাগ সময় নিজেদের অর্ধে চাপের মধ্যে ছিল। গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে প্রতিযোগিতায় ধরে রাখেন। বিশেষ করে এমবাপের পেনাল্টিও তিনি ঠেকিয়ে দেন। বিরতির পরেও ম্যাচের চিত্র খুব একটা পরিবর্তিত হয়নি।
ওয়াহবি বলেন, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা আমাদের জন্য ভালো ছিল। আমরা বেশি সময় বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি এবং ট্রানজিশনেও উন্নতি করেছি। কিন্তু এটাও স্বীকার করতে হবে, তাদের দলে অসাধারণ মানের খেলোয়াড় রয়েছে। তারা আগে থেকেও গোল করতে পারতো। আমরা দেখতে চাইতাম, তারা যদি আগে গোল না করত তাহলে কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাত। কিন্তু আমাদের সৃজনশীলতার ঘাটতি ছিল এবং এই হার মেনে নিতেই হবে।
হার নিয়ে কোনো অজুহাত দিতে চান না ওয়াহবি। বরং তিনি এটিকে দলের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের অংশ হিসেবেই দেখছেন। প্রতিপক্ষ ফ্রান্সের প্রশংসা করে তিনি টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল হিসেবে তাদের আখ্যা দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: সুরঞ্জিতের নেতৃত্বে অভিজ্ঞতা নিয়ে আসিফ নজরুল ও সালাহউদ্দিন আহমদের মতভেদ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন