ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেই অবসরের সিদ্ধান্ত নেব: রোনালদো


পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেই অবসরের সিদ্ধান্ত নেব: রোনালদো

চলমান ফিফা বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলার চিন্তা করছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। গতকাল (৩ জুন) পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়ার নকআউট ম্যাচের আগে রোনালদোর বোন কাতিয়া আভেইরো এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। আভেইরোর এমন মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। ফুটবল তারকা আসলে কি বিদায় নিতে চলেছেন, এমন কৌতূহল সৃষ্টি হয় সমর্থকদের মধ্যে।

ম্যাচ শেষে রোনালদোকে এই বিষয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। গণমাধ্যমের কাছে মুখোমুখি হয়ে রোনালদো জানান যে, তিনি আবেগের বশে অবসরের বিষয়ে এখনই কিছু ভাবছেন না। তিনি বলেন, বিশ্বকাপ শেষে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে বর্তমানে তার মাথায় শুধুমাত্র পর্তুগালের জয়।

অবসর নিয়ে রোনালদো বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার ভবিষ্যৎ গুরুত্বপূর্ণ নয়। জিতি বা হারি, টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পরে আমি আমার পরিবারের সঙ্গে শান্ত হয়ে কথা বলব। তারপর সবার জন্য যেটা সবচেয়ে ভালো হবে, ঠিক সেই সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: ৩ নভেম্বর ঢাকায় আসছেন সিপিসি আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং

আবেগের বশে হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়ার বিষয়ে পর্তুগিজ তারকা আরও তিনি জানান, ‘আমি কখনোই আবেগের বশে সিদ্ধান্ত নিই না। আমার সবকিছুই শান্ত মাথায়, সময় নিয়ে করতে হয়। এই বিশ্বকাপের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করাই বর্তমানে আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

এর আগে রোনালদোর বোন আভেইরো রোনালদোর অবসর বিষয়ে মন্তব্য করেন, ‘যতদিন ও মাঠে আছে, উপভোগ করে নিন। নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে আমার কাছে যেটা তথ্য এসেছে, সমর্থকরা এবার তাকে জাতীয় দল থেকে বিদায় জানাতে পারেন। আজই (ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে) বিদায় বলবে না, তবে আমার মনে হয় এটাই তার শেষ।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পথভোলা কিশোরী ৩ দিনের পুলিশের প্রচেষ্টায় ফিরে এল বাড়িতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ এম


পথভোলা কিশোরী ৩ দিনের পুলিশের প্রচেষ্টায় ফিরে এল বাড়িতে

ভুল করে ট্রেনে উঠে বাড়ি থেকে বহু দূরে নাটোরের লালপুরে এসে পড়েছিল ১৪ বছর বয়সী অল্প বুদ্ধিসম্পন্ন কিশোরী রুমা খাতুন। তার পরিবার থেকে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ফলে অনিশ্চয়তায় পড়ে যায় তার ভবিষ্যৎ। তবে লালপুর থানা পুলিশের আন্তরিকতা, ধৈর্য ও টানা তিন দিন-তিন রাতের প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত সে পরিবারের কাছে ফিরে যেতে সক্ষম হয়েছে। এই মানবিক ঘটনায় লালপুর থানা পুলিশ প্রশংসায় ভাসছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৩০ জুন ২০২৬ সন্ধ্যা ৭টার দিকে আব্দুলপুর রেলস্টেশন এলাকায় একজন কিশোরীকে অসহায়ভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দা সাকিবুল হাসান বিষয়টি লালপুর থানায় জানান। খবর পেয়ে রাতের জরুরি ডিউটিতে থাকা এএসআই শাহীনুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিশোরীকে উদ্ধার করেন। তাকে পরে নিরাপদে লালপুর থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কে রাখা হয় এবং এই বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়কে অবহিত করা হয়।

কিশোরীটি প্রথমদিকে নিজের পরিচয় স্পষ্টভাবে জানাতে না পারায় তার পরিবারের সন্ধান পাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। কিন্তু পরে পুলিশ সদস্যরা ধৈর্যের সঙ্গে তার সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। একপর্যায়ে জানা যায়, তার নাম রুমা খাতুন এবং বাবার নাম ইশারত মোল্লা। বাড়িতে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার গুনবহা গ্রামে। ভুলবশত ট্রেনে উঠে সে আব্দুলপুর রেলস্টেশনে নেমে পড়েছিল।

পরবর্তীতে লালপুর থানা পুলিশ বোয়ালমারী থানার সহযোগিতায় রুমার পরিবারের সন্ধান পায়। তার ভাই মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করায় পরিচয় নিশ্চিত করা হয় এবং তাকে লালপুর থানায় আসতে অনুরোধ জানানো হয়।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রুমার ভাই থানায় উপস্থিত হলে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ফিল্ড অফিসার মো. ফজলুর রহমানের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে রুমা খাতুনকে তার ভাইয়ের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

হারিয়ে যাওয়া বোনকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত পরিবারের সদস্যরা লালপুর থানা পুলিশ, বোয়ালমারী থানা পুলিশ, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় এবং উদ্ধারকাজে সহযোগিতাকারী সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের মতে, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে লালপুর থানা পুলিশ যে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে, তা জনমনে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়েছে এবং জনবান্ধব পুলিশিংয়ের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্যকর উপায় জানুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ এম


খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্যকর উপায় জানুন

 

খেজুর শুধু রমজানের জনপ্রিয় খাবার নয়, বরং বছরের যেকোনো সময় পুষ্টিকর খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে। প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি এই ফলে চিনি থাকলেও, এতে থাকা খাদ্যআঁশ (ফাইবার) রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যাওয়া কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি হজমেও সহায়ক।

খেজুরকে তাজা, শুকনা, পেস্ট কিংবা সিরাপ—বিভিন্ন রূপে খাওয়া যায়। প্রতিটি ধরনেরই রয়েছে আলাদা স্বাদ, ব্যবহার এবং পুষ্টিগুণ। সঠিক পরিমাণে এবং উপযুক্ত উপায়ে খেলে খেজুর হতে পারে Gesundheit খাদ্যাভ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

১. তাজা খেজুর বেছে নিন

তাজা খেজুরে পানির পরিমাণ বেশি থাকায় এটি নরম, রসালো এবং সহজে হজম হয়। শুকনা খেজুরের তুলনায় এতে ক্যালোরি ও প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ কিছুটা কম থাকে। দ্রুত শক্তি জোগাতেও এটি কার্যকর।

তবে তাজা খেজুর সহজে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই দীর্ঘদিন ভালো রাখতে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উচিত।

পরিপক্বতার ভিত্তিতে খেজুর সাধারণত তিনটি পর্যায়ে পাওয়া যায়—খালাল, রুতাব ও তামার। প্রতিটি পর্যায়ে স্বাদ, রং ও গঠনে কিছুটা পার্থক্য থাকে।

২. শুকনা খেজুর খান পরিমিত পরিমাণে

শুকনা খেজুর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও সহজলভ্য। এতে প্রাকৃতিক চিনি এবং ক্যালোরি তুলনামূলক বেশি হলেও খাদ্যআঁশও খুব বেশি রয়েছে, যা দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে এবং ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করতে সহায়তা করে।

এ ছাড়া এতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি–৬, নিয়াসিন, কপার ও সেলেনিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের একসঙ্গে বেশি খেজুর না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

৩. বেকিংয়ে চিনির বিকল্প হিসেবে খেজুরের পেস্ট

খেজুরের শাঁস থেকে তৈরি পেস্ট কেক, কুকিজ, মাফিনসহ বিভিন্ন বেকড খাবারে পরিশোধিত চিনির পরিবর্তে ব্যবহার করা যায়।

এতে খেজুরের প্রাকৃতিক আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বজায় থাকে এবং অতিরিক্ত পরিশোধিত চিনি ছাড়াই খাবারে মিষ্টি স্বাদ যোগ করা সম্ভব হয়। খেজুর দিয়ে পেস্ট ছাড়াও বাটার, জ্যাম ও জেলি তৈরি করা যায়।

৪. রান্নায় ব্যবহার করুন খেজুরের সিরাপ

প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ ও ঘন গঠনের কারণে খেজুরের সিরাপ রান্না ও বেকিংয়ে জনপ্রিয় একটি উপাদান। দারুচিনি, এলাচ, আদা, বিভিন্ন বাদাম ও বীজজাতীয় খাবারের সঙ্গে এর স্বাদ ভালোভাবে মিশে যায়।

যদিও এতে প্রচুর প্রাকৃতিক চিনি থাকে, তবু অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতির কারণে এটি সাধারণ পরিশোধিত চিনির তুলনায় কিছুটা পুষ্টিকর বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে এটি কম ক্যালোরিযুক্ত নয়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যক্তি, প্রিডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই উচিত।

৫. ফারমেন্টেড খেজুরও হতে পারে নতুন বিকল্প

খেজুরের উচ্চ প্রাকৃতিক চিনির কারণে এটি ফারমেন্ট করে ভিনেগারসহ বিভিন্ন ধরনের পানীয় তৈরি করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে খেজুরের রস থেকে বিভিন্ন ফারমেন্টেড পণ্য উৎপাদন সম্ভব।

খেজুর নানা ধরনের খাবারের সঙ্গে সহজেই যোগ করা যায়। যেমন—

- সকালের স্মুদিতে

- দইয়ের সঙ্গে

- বাদাম বা পনিরের সঙ্গে স্বাস্থ্যকর নাশতা হিসেবে

- সালাদে কুচি করে

- এনার্জি বার তৈরিতে

- পাউরুটি, মাফিন বা স্কোনে

- পিনাট বাটার ও ডার্ক চকলেট দিয়ে স্বাস্থ্যকর ডেজার্ট হিসেবে

- পুডিং তৈরির উপকরণ হিসেবে

বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুরে প্রাকৃতিক চিনি থাকলেও, এতে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়তে বাধা দিতে সহায়তা করতে পারে। তাই সুস্থ ব্যক্তি এবং ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি, দুজনেই চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমিত পরিমাণে খেজুর খেতে পারেন। তবে যেকোনো খাবারের মতো এটিও অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঘায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরাসহ ৮ জন আটক হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১০ এম


বাঘায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরাসহ ৮ জন আটক হয়েছে

রাজশাহীর বাঘায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরাসহ ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলো- উপজলার হরিরামপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে রাকিবুল হাসান রাকিব (২৮), আলাইপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে মিলন হোসেন (৩৪), মিলিকবাঘা পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার নইমুদ্দিনের ছেলে জালাম উদ্দিন (৫২), আয়ুব উদ্দিনের ছেলে বাবুল হোসেন (৩২), বাউসা মিয়াপাড়া গ্রামের জান মোহাম্মদের ছেলে মিলন মিয়া (২৮), আলাইপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে বরজলুল হক (৪৫), তুলসীপুর গ্রামের মহসিন আলীর ছেলে আলতাব হোসেন (৩৯), আটঘড়ি গ্রামের শামসুল আলমের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৫৪)। এ বিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেরাজুল হক জানান, আটকরা বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী। তারা এখন শুক্রবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির বিদায়ে এত বড় আয়োজন করছে ইরান কেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ এম


খামেনির বিদায়ে এত বড় আয়োজন করছে ইরান কেন

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, যিনি গত প্রায় চার দশক ধরে ইরানের রাজনীতি, ধর্মীয় নেতৃত্ব এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন, তিনি কেবল একজন রাষ্ট্রপ্রধান নয়, বরং দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা, সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং ইসলামী বিপ্লবের প্রধান অভিভাবক। তার বিদায়কে ইরানের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত এবং একটি যুগের অবসান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইরান সরকার এই বিশাল শোকানুষ্ঠানকে জাতীয় ঐক্যের প্রদর্শনী হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে চায়। কোম শহরের জুমার খতিব আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ সাঈদী এই শোকানুষ্ঠানকে ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতি আরেকটি গণভোট’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজিশকিয়ান দাবি করেছেন যে, জনগণের এই বিশাল উপস্থিতি হবে সন্ত্রাস, সহিংসতা ও দমননীতির বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ জবাব এবং এটি প্রমাণ করবে যে ইরানিরা তাদের মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ।

এই শোকানুষ্ঠান কেবল ইরানে সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রতিবেশী দেশ ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালাতেও এর আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে শিয়া বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা অংশগ্রহণ করবেন। রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মতো বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন।

এই বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে তেহরান বিশ্বকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চায় যে, নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটলেও ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি অটুট রয়েছে। এটি নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির নেতৃত্বের জন্য প্রথম বড় পরীক্ষা এবং তার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণের একটি মঞ্চ। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই উপস্থিতি শত্রুদের জানিয়ে দেবে যে শহীদ নেতার পথ থেমে যায়নি, বরং নতুন নেতৃত্বের অধীনে তা আরো শক্তিশালী হবে।

সরকার এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চায় যে, রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো পুরোদমে সক্রিয় এবং জনগণের পূর্ণ সমর্থন তাদের সাথে রয়েছে। কোটি কোটি মানুষের সমাগম ঘটিয়ে ইরান তার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক শক্তি এবং ধর্মীয় সংহতি প্রদর্শন করতে চায়।

খামেনির বিদায়ী আয়োজন কেবল একটি ধর্মীয় কৃত্য নয়, বরং এটি ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং ভবিষ্যতের জন্য নতুন নেতৃত্বের বৈধতা নিশ্চিত করার একটি বড় কৌশল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%