ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্যকর উপায় জানুন


খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্যকর উপায় জানুন

 

খেজুর শুধু রমজানের জনপ্রিয় খাবার নয়, বরং বছরের যেকোনো সময় পুষ্টিকর খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে। প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি এই ফলে চিনি থাকলেও, এতে থাকা খাদ্যআঁশ (ফাইবার) রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যাওয়া কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি হজমেও সহায়ক।

খেজুরকে তাজা, শুকনা, পেস্ট কিংবা সিরাপ—বিভিন্ন রূপে খাওয়া যায়। প্রতিটি ধরনেরই রয়েছে আলাদা স্বাদ, ব্যবহার এবং পুষ্টিগুণ। সঠিক পরিমাণে এবং উপযুক্ত উপায়ে খেলে খেজুর হতে পারে Gesundheit খাদ্যাভ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আরও পড়ুন: শীতের ছুটিতে ঘুরে আসুন বাংলাদেশের ৮ দর্শনীয় স্থান

১. তাজা খেজুর বেছে নিন

তাজা খেজুরে পানির পরিমাণ বেশি থাকায় এটি নরম, রসালো এবং সহজে হজম হয়। শুকনা খেজুরের তুলনায় এতে ক্যালোরি ও প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ কিছুটা কম থাকে। দ্রুত শক্তি জোগাতেও এটি কার্যকর।

তবে তাজা খেজুর সহজে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই দীর্ঘদিন ভালো রাখতে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উচিত।

পরিপক্বতার ভিত্তিতে খেজুর সাধারণত তিনটি পর্যায়ে পাওয়া যায়—খালাল, রুতাব ও তামার। প্রতিটি পর্যায়ে স্বাদ, রং ও গঠনে কিছুটা পার্থক্য থাকে।

আরও পড়ুন: মেঘমুক্ত আকাশে পঞ্চগড় থেকে দৃশ্যমান কাঞ্চনজঙ্ঘা, উচ্ছ্বসিত প্রকৃতিপ্রেমীরা

২. শুকনা খেজুর খান পরিমিত পরিমাণে

শুকনা খেজুর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও সহজলভ্য। এতে প্রাকৃতিক চিনি এবং ক্যালোরি তুলনামূলক বেশি হলেও খাদ্যআঁশও খুব বেশি রয়েছে, যা দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে এবং ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করতে সহায়তা করে।

এ ছাড়া এতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি–৬, নিয়াসিন, কপার ও সেলেনিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের একসঙ্গে বেশি খেজুর না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

৩. বেকিংয়ে চিনির বিকল্প হিসেবে খেজুরের পেস্ট

আরও পড়ুন: বুধবার ১২ রাশির অর্থভাগ্যে সতর্কতা, জেনে নিন রাশিফল

খেজুরের শাঁস থেকে তৈরি পেস্ট কেক, কুকিজ, মাফিনসহ বিভিন্ন বেকড খাবারে পরিশোধিত চিনির পরিবর্তে ব্যবহার করা যায়।

এতে খেজুরের প্রাকৃতিক আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বজায় থাকে এবং অতিরিক্ত পরিশোধিত চিনি ছাড়াই খাবারে মিষ্টি স্বাদ যোগ করা সম্ভব হয়। খেজুর দিয়ে পেস্ট ছাড়াও বাটার, জ্যাম ও জেলি তৈরি করা যায়।

৪. রান্নায় ব্যবহার করুন খেজুরের সিরাপ

প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ ও ঘন গঠনের কারণে খেজুরের সিরাপ রান্না ও বেকিংয়ে জনপ্রিয় একটি উপাদান। দারুচিনি, এলাচ, আদা, বিভিন্ন বাদাম ও বীজজাতীয় খাবারের সঙ্গে এর স্বাদ ভালোভাবে মিশে যায়।

আরও পড়ুন: ৫৩ বছরেও ফিট থাকার জন্য শচীন ছেড়ে দিলেন দুই বদঅভ্যাস

যদিও এতে প্রচুর প্রাকৃতিক চিনি থাকে, তবু অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতির কারণে এটি সাধারণ পরিশোধিত চিনির তুলনায় কিছুটা পুষ্টিকর বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে এটি কম ক্যালোরিযুক্ত নয়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যক্তি, প্রিডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই উচিত।

৫. ফারমেন্টেড খেজুরও হতে পারে নতুন বিকল্প

খেজুরের উচ্চ প্রাকৃতিক চিনির কারণে এটি ফারমেন্ট করে ভিনেগারসহ বিভিন্ন ধরনের পানীয় তৈরি করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে খেজুরের রস থেকে বিভিন্ন ফারমেন্টেড পণ্য উৎপাদন সম্ভব।

খেজুর নানা ধরনের খাবারের সঙ্গে সহজেই যোগ করা যায়। যেমন—

আরও পড়ুন: ২৮ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা

- সকালের স্মুদিতে

- দইয়ের সঙ্গে

- বাদাম বা পনিরের সঙ্গে স্বাস্থ্যকর নাশতা হিসেবে

- সালাদে কুচি করে

আরও পড়ুন: ‘পর্যটন মেলা, ২০২৬’ বৃহস্পতিবার শুরু, প্রযুক্তি ও টেকসই পর্যটন নিয়ে আলোচনা

- এনার্জি বার তৈরিতে

- পাউরুটি, মাফিন বা স্কোনে

- পিনাট বাটার ও ডার্ক চকলেট দিয়ে স্বাস্থ্যকর ডেজার্ট হিসেবে

- পুডিং তৈরির উপকরণ হিসেবে

বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুরে প্রাকৃতিক চিনি থাকলেও, এতে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়তে বাধা দিতে সহায়তা করতে পারে। তাই সুস্থ ব্যক্তি এবং ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি, দুজনেই চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমিত পরিমাণে খেজুর খেতে পারেন। তবে যেকোনো খাবারের মতো এটিও অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঘায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরাসহ ৮ জন আটক হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১০ এম


বাঘায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরাসহ ৮ জন আটক হয়েছে

রাজশাহীর বাঘায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরাসহ ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলো- উপজলার হরিরামপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে রাকিবুল হাসান রাকিব (২৮), আলাইপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে মিলন হোসেন (৩৪), মিলিকবাঘা পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার নইমুদ্দিনের ছেলে জালাম উদ্দিন (৫২), আয়ুব উদ্দিনের ছেলে বাবুল হোসেন (৩২), বাউসা মিয়াপাড়া গ্রামের জান মোহাম্মদের ছেলে মিলন মিয়া (২৮), আলাইপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে বরজলুল হক (৪৫), তুলসীপুর গ্রামের মহসিন আলীর ছেলে আলতাব হোসেন (৩৯), আটঘড়ি গ্রামের শামসুল আলমের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৫৪)। এ বিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেরাজুল হক জানান, আটকরা বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী। তারা এখন শুক্রবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির বিদায়ে এত বড় আয়োজন করছে ইরান কেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ এম


খামেনির বিদায়ে এত বড় আয়োজন করছে ইরান কেন

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, যিনি গত প্রায় চার দশক ধরে ইরানের রাজনীতি, ধর্মীয় নেতৃত্ব এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন, তিনি কেবল একজন রাষ্ট্রপ্রধান নয়, বরং দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা, সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং ইসলামী বিপ্লবের প্রধান অভিভাবক। তার বিদায়কে ইরানের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত এবং একটি যুগের অবসান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইরান সরকার এই বিশাল শোকানুষ্ঠানকে জাতীয় ঐক্যের প্রদর্শনী হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে চায়। কোম শহরের জুমার খতিব আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ সাঈদী এই শোকানুষ্ঠানকে ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতি আরেকটি গণভোট’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজিশকিয়ান দাবি করেছেন যে, জনগণের এই বিশাল উপস্থিতি হবে সন্ত্রাস, সহিংসতা ও দমননীতির বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ জবাব এবং এটি প্রমাণ করবে যে ইরানিরা তাদের মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ।

এই শোকানুষ্ঠান কেবল ইরানে সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রতিবেশী দেশ ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালাতেও এর আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে শিয়া বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা অংশগ্রহণ করবেন। রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মতো বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন।

এই বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে তেহরান বিশ্বকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চায় যে, নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটলেও ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি অটুট রয়েছে। এটি নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির নেতৃত্বের জন্য প্রথম বড় পরীক্ষা এবং তার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণের একটি মঞ্চ। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই উপস্থিতি শত্রুদের জানিয়ে দেবে যে শহীদ নেতার পথ থেমে যায়নি, বরং নতুন নেতৃত্বের অধীনে তা আরো শক্তিশালী হবে।

সরকার এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চায় যে, রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো পুরোদমে সক্রিয় এবং জনগণের পূর্ণ সমর্থন তাদের সাথে রয়েছে। কোটি কোটি মানুষের সমাগম ঘটিয়ে ইরান তার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক শক্তি এবং ধর্মীয় সংহতি প্রদর্শন করতে চায়।

খামেনির বিদায়ী আয়োজন কেবল একটি ধর্মীয় কৃত্য নয়, বরং এটি ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং ভবিষ্যতের জন্য নতুন নেতৃত্বের বৈধতা নিশ্চিত করার একটি বড় কৌশল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাটমোহরে বিএনপির পৃথক বিক্ষোভ মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২০ এম


চাটমোহরে বিএনপির পৃথক বিক্ষোভ মিছিল

পাবনার চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ও ফৈলজানা ইউনিয়নে বিএনপির উদ্যোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে, উপজেলা মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত দলের নেতাকর্মীদের আটকের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা আয়োজন করা হয়। এই মিছিলটি চাটমোহর রেলবাজার ঘুরে চৌরাস্তা মোড়ে গিয়ে প্রতিবাদ সভা করে। মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম লিখন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আঃ কুদ্দুস আলো মাস্টার, অধ্যক্ষ মাহমুদুল আলম, ইউপি সদস্য আঃ কুদ্দুস রেজা, সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন, কাজী খোকন, শওকত আকবর, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মোন্তাজ আহমেদ, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক লিটন বিশ্বাস, ছাত্রদল নেতা রনি হোসেন, রাকিবুল ইসলাম, যুবদল নেতা আঃ কুদ্দুসসহ চলমান প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারী অন্যান্যরা। এদিকে, জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক ফৈলজানা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে ফৈলজানা ইউনিয়ন বিএনপি মোটরসাইকেল শোডাউন ও প্রতিবাদ সভা করেছে। ওই প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন, বিএনপি নেতা আব্দুল জব্বার, আনোয়ার হোসেন জিন্নাহ, আশরাফ আলী, তফাজ্জল হোসেন মজনু, যুবদল নেতা আরিফ হোসেন, কাওসার আহমেদ, ইউপি সদস্য লোকমান হোসেনসহ অন্যান্য বক্তাগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেসব খাবার অ্যাজমার সমস্যা বাড়াতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ এম


যেসব খাবার অ্যাজমার সমস্যা বাড়াতে পারে

অ্যাজমার সমস্যার বিষয়ে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন থাকে—কিছু খাবার কি তাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যাকে বৃদ্ধি করতে পারে? বিশেষজ্ঞদের মতানুসারে, খাবার সরাসরি অ্যাজমার কারণ নয়। তবে কিছু নির্দিষ্ট খাবার সংবেদনশীল লোকেদের ক্ষেত্রে উপসর্গ বাড়িয়ে তুলতে পারে। আবার, কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার ফুসফুসের স্বাস্থ্যের উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। অতএব, কোন খাবার উপকারী এবং কোনটি এড়িয়ে চলা উচিত, সে বিষয়ে সচেতন থাকলে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হতে পারে।

অ্যাজমা একটি দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসনালীর রোগ, যেখানে শ্বাসনালীতে প্রদাহ এবং সংকোচনের কারণে শ্বাস নেওয়ার সমস্যা হয়। যদিও খাদ্যাভ্যাস এই রোগের কারণ নয়, কিছু মানুষের জন্য নির্দিষ্ট খাবার উপসর্গের ট্রিগার হিসেবে কাজ করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যাদের সালফাইটে সংবেদনশীলতা রয়েছে, তাদের শুকনো ফল, ওয়াইন বা কিছু প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণ করার সময় সতর্ক থাকা উচিত। একইভাবে, প্রিজারভেটিভযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন হট ডগ, সসেজ, হ্যাম, পেপারোনি বা টিনজাত মাংস—এগুলোকে সীমিত পরিমাণে খাওয়াই উত্তম। অতিরিক্ত, যেসব খাবারে ব্যক্তি নিজে অ্যালার্জি অনুভব করেন, যেমন দুধ, ডিম, চিনাবাদাম, শেলফিশ, সেগুলোও নিরাপদভাবে এড়িয়ে চলা উচিত।

চিকিৎসকদের মতে, যদি কেউ নিজের অ্যাজমার ট্রিগারগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো থেকে দূরে থাকেন, তবে রোগ নিয়ন্ত্রণ অনেক সহজ হয়।

আরও পড়ুন: কানের ভেতর ভনভন শব্দ, কী এই ‘গ্লোবাল হাম’? খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষা কী বলছে? ২০২০ সালে Nutrition Reviews সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, উদ্ভিদভিত্তিক স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস শরীরের প্রদাহ ও জারণজনিত চাপ কমাতে এবং অন্ত্রের উপকারী জীবাণুর ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। ফলস্বরূপ, কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অ্যাজমার উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব প্রদান করতে পারে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন পর্যাপ্ত ফল ও শাকসবজি খাওয়া, প্রাণিজ খাবার তুলনামূলকভাবে কম গ্রহণ করা এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া কমাতে সহায়ক।

ফুসফুসের সুস্থতায় উপকারী খাবারসমূহের মধ্যে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফল ও শাকসবজি রাখা অত্যন্ত হিসাবী। বেরি, কমলা, পালং শাক, ব্রোকলি ও গাজর এর মধ্যে ইঙ্গিত দেওয়া যেতে পারে, যেগুলো প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, স্যামন, সার্ডিন, আখরোট ও ফ্ল্যাক্স সিডের মতো ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবারও ফুসফুসের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়।

এছাড়া ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার, পূর্ণ শস্য, ডাল এবং ম্যাগনেসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার—যেমন বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও কুমড়ার বীজ—সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবেও ধারণা করা যেতে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাস কখনোই অ্যাজমার চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না। উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ ও নিয়মিত ফলোআপই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%