ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপোতে থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশগ্রহণ করবে বাংলাদেশ


চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপোতে থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশগ্রহণ করবে বাংলাদেশ

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনী ‘১০ম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট ফেয়ার-২০২৬’ এবারে থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ।

আগামীকাল চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে শুরু হওয়া ছয় দিনব্যাপী এ মেলা আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত চলবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়র আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ব্যবস্থাপনায় এবং বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, কুনমিং-এর সহযোগিতায় এবারের মেলায় বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছেন।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ

কুনমিংয়ের ডিয়ানচি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিতব্য এ আন্তর্জাতিক মেলায় বিশ্বের ৬৮টি দেশের প্রায় ২ হাজার ৩০০ প্রদর্শক অংশ নিচ্ছেন।

আয়োজকদের মতে, এ প্রদর্শনী দক্ষিণ এশিয়া ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এবারের আসরে বাংলাদেশকে থিম কান্ট্রি করা হয়েছে। মেলার উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন এবং মূল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। এছাড়া মেলার দ্বিতীয় দিন ‘বাংলাদেশ ডে’ পালন করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও বাংলাদেশ ডে-র বিভিন্ন আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুুক্তাদির। এ ছাড়া চীনের ইউনান প্রদেশের গভর্নর এবং বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি ও নীতিনির্ধারকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন: জামায়াত নেতাদের ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে বৈঠকের দাবি, রাশেদকে চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশ ডে উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ কি-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য প্রদান করবেন।

মেলায় বাংলাদেশের প্যাভিলিয়নে দেশের প্রধান রপ্তানিমুখী খাতগুলোর পণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক (আরএমজি), ওষুধ শিল্প, সিরামিকস, হস্তশিল্প, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং চামড়াজাত পণ্য।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, প্যাভিলিয়নে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ক্রেতা, আমদানিকারক, বিপণনকারী, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে। একই সঙ্গে বিজনেস-টু-বিজনেস (বি-টু-বি) নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে চীনের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরো সুসংহত করবে এবং পণ্য রপ্তানিতে নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে ইউপি সদস্যকে মারধর করলেন বিএনপি নেতা তোতা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি সরকার আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে আপস করবে না : খসরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


বিএনপি সরকার আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে আপস করবে না : খসরু

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে সরকার কোনো আপস করবে না।

তিনি আজ জাতীয় সংসদে এই বক্তব্যটি দেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আর্থিক শৃঙ্খলায় বিশ্বাস করে এবং কোনো অবস্থাতেই এতে আপস করবে না।’

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর শেয়ার তাদের কথিত প্রকৃত মালিকদের কাছে ফেরত দেওয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনায় অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবির প্রেক্ষিতে বিরোধী দলীয় সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদে বিধি ৬৮ অনুযায়ী বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ‘জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ’ আকারে বিষয়টি উত্থাপন করেন।

আলোচনা শুরু করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় ছিল, তখনই সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সুশৃঙ্খল আর্থিক ব্যবস্থাপনা বজায় রেখেছে।

তিনি বলেন, ‘যখন আমরা সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ ও আর্থিক শৃঙ্খলার কথা বলি, তখন শুধুমাত্র কথায় সীমাবদ্ধ থাকি না—আমরা তা বাস্তবায়ন করি।’

খসরু বলেন, অর্থনীতির প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ব্যাংকিং খাতকে শক্তিশালী করার জন্য আর্থিক শৃঙ্খলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যখন সরকার পূর্ববর্তী প্রশাসনের রেখে যাওয়া দুর্বল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

ইসলামী ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগের কারণে বড় ধরনের আমানত উত্তোলনের কোনো নজির বিশ্বে নেই।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের কোথাও এমন নজির নেই, যেখানে চেয়ারম্যান নিয়োগের কারণে গ্রাহকেরা টাকা তুলে নেয়। গ্রাহকরা তাদের টাকার নিরাপত্তা এবং ব্যাংকের আস্থার বিষয়টি দেখে।’

খসরু অভিযোগ করেন, ব্যাংকটির চারপাশে বিক্ষোভ ও আন্দোলনের মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে এবং কিছু গোষ্ঠী জনআস্থা নষ্ট করতে কাজ করছে।

তিনি বলেন, সরকার ব্যাংক খাত সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক আইন অনুযায়ী স্বাধীনভাবে তার নিয়ন্ত্রক দায়িত্ব পালন করছে।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাংকের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা কাঠামোকে যথাযথ মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

বিএনপির অর্থনৈতিক সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতের বিএনপি সরকার শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক ভিত্তি বজায় রেখেছে।

তিনি বলেন, ‘স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আর্থিক খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। বিএনপি ছাড়া এই গুরুত্ব আর কেউ ভালো বোঝে না।’

তিনি সতর্ক করে বলেন, ব্যাংক খাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে তার প্রভাব পুরো অর্থনীতির ওপর পড়তে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমরা একটি স্থিতিশীল বাংলাদেশ চাই। এর জন্য প্রয়োজন একটি শৃঙ্খলাপন ও বিশ্বাসযোগ্য আর্থিক ব্যবস্থা।’

আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ইসলামী ব্যাংক সংক্রান্ত সব অভিযোগ গভীরভাবে তদন্ত করার প্রয়োজন আছে।

তিনি জানান, নাবিল গ্রুপকে এলসির বিপরীতে ৭০০ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছিল, যার অর্থ পরে ব্যাংকে ফেরত আসেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) তহবিলের ব্যবহার, নিয়োগ প্রক্রিয়া, ঋণ বিতরণ এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

তিনি দাবি করেন, ব্যাংক অধিগ্রহণের পর প্রায় ৯ হাজার কর্মীকে যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং প্রায় ৬ হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সব ধরনের অভিযোগ—ঋণ অনুমোদন, সিএসআর তহবিল ব্যবহার, নিয়োগ প্রক্রিয়া, নির্বাচনী অর্থায়ন ও অর্থপাচার তদন্ত হওয়া উচিত।

তিনি এস আলম গ্রুপসহ পূর্ববর্তী ও অন্তর্বর্তী প্রশাসনের সময়ের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন।

নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি এবং ‘দোষ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি নির্দোষ’ নীতির আওতায় তিনি দায়িত্ব পালনের অধিকার রাখেন।

নোটিশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচারী শাসনামলের’ পতনের পর ইসলামী ব্যাংক ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল এবং গ্রাহকের আস্থা ফিরে পাচ্ছিল।

তিনি অভিযোগ করেন, নতুন করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিয়ে ব্যাংকটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে এবং এতে ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক কোনো একটি রাজনৈতিক দলের নয়; এর গ্রাহক সব দল, ধর্ম ও শ্রেণির মানুষ।

তিনি ব্যাংকের শেয়ার পুনরায় প্রকৃত মালিকদের কাছে ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানান এবং আইন অনুযায়ী বোর্ড পুনর্গঠনের দাবি করেন।

আলোচনায় বিরোধী দল ও সরকারি উভয়পক্ষই আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংক খাতে আস্থা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মার চরে বালুমহলের আধিপত্য-স্পিডবোটে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


পদ্মার চরে বালুমহলের আধিপত্য-স্পিডবোটে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ

নাটোরের লালপুর উপজেলার পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে একটি স্পিডবোট থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বালুমহলের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় পদ্মার চরাঞ্চলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হবির চর এলাকায় বালুমহল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বেলাল ও কাকন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত একজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে, দুর্বৃত্তরা তার মরদেহ বহনকারী স্পিডবোটটি লালপুর উপজেলার চরজাজিরা মৌজার পদ্মা নদীর তীরে ফেলে রেখে যায়।

ঘটনার খবর পেয়ে লালপুর থানা পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হবির চর থেকে শুরু করে লালপুরের বিভিন্ন নদীতীর ও চরাঞ্চলে ব্যাপক অনুসন্ধান অভিযান পরিচালনা করেন। এক পর্যায়ে, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চরজাজিরা এলাকায় পদ্মা নদীর তীরে একটি পরিত্যক্ত স্পিডবোটের ভেতর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় একজন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার হয়।

নিহত ব্যক্তি হলেন আজিজুল হক ঝড়ু (৩৫)। তিনি নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার পাবনাপাড়া গ্রামের আব্দুল শেখ ও হাসিনা বেগমের ছেলে। পুলিশ জানায়, নিহতের বাম চোখের উপরের অংশে গুলির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং গুলি মাথা ভেদ করে বেরিয়ে গেছে। স্পিডবোটের ভেতরেই আজিজুল মারা যান বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি সবুজ-নীল রঙের স্পিডবোটও জব্দ করা হয়েছে।

মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে লক্ষীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ি পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম শুরু করেছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন লক্ষীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার শফিকুল ইসলাম, লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম এবং থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম রিয়াজুল হাসান।

লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে নিহত আজিজুল হক ঝড়ু চারঘাট এলাকার কাকন গ্রুপের নিয়ন্ত্রিত একটি বালুর পয়েন্টে কাজ করতেন। বালুমহলের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাঘা উপজেলার বেলাল গ্রুপের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙামাটিতে কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


রাঙামাটিতে কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু

রাঙামাটিতে বেড়াতে এসে কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক (আইআর) বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইনতিশার হাসনাত জিমেল (২২) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৪টার দিকে রাঙামাটি শহরের চক্রপাড়া সংলগ্ন মায়ামী বালুচর এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত জিমেল কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিনের ছেলে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।
রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্রে জানা যায়, ইনতিশার হাসনাত জিমেলসহ চার বন্ধু মঙ্গলবার রাঙামাটিতে বেড়াতে আসেন। বিকেলে তারা নৌকাযোগে কাপ্তাই হ্রদ ভ্রমণে বের হন। নৌকাটি চক্রপাড়া সংলগ্ন মায়ামী বালুচর এলাকায় পৌঁছালে চারজনই হ্রদের পানিতে সাঁতার কাটতে নামেন। একপর্যায়ে জিমেল সাঁতার কাটতে কাটতে গভীর পানিতে চলে গেলে ডুবে নিখোঁজ হন।
খবর পেয়ে রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার লিটন কান্তি দেবের নেতৃত্বে একটি ডুবুরি ইউনিট দ্রুত স্পিডবোটযোগে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টার পর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হ্রদের প্রায় ২৫ ফুট গভীর তলদেশ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
পরে অচেতন অবস্থায় তাকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফরহাদ কামাল তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডা. ফরহাদ কামাল জানান, ইনতিশার হাসনাত জিমেলকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল।
বর্তমানে নিহতের মরদেহ রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবার, সহপাঠী ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদে গ্রাম আদালত বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদে গ্রাম আদালত বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে গ্রাম আদালত বিষয়ক একটি সমন্বয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়ে গেল।

২০১৬ সালের ৯ জুন, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত এই কর্মশালাটির উদ্দেশ্য ছিল 'অল্প সময়, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিদের মধ্যে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

বাংলাদেশ স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে ও ইউএনডিপি'র অর্থায়নে পরিচালিত 'গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্প (৩য় পর্যায়)' দেশের ৪ হাজার ৪৫৩টি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন ক্ষেতলাল উপজেলা গ্রাম আদালতের কো-অর্ডিনেটর দুর্লব চন্দ্র রায়। পাইলট প্রকল্পের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার দেশব্যাপী এই কার্যক্রমকে জোরদার করা হচ্ছে।

এতে সভাপতিত্ব করেন ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী। সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুর রউফ।

অন্যদের মধ্যে কর্মশালায় বক্তব্য দেন ক্ষেতলাল থানা অফিসার ইনচার্জের (ওসি) প্রতিনিধি এসআই ইজার উদ্দিন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) প্রতিনিধি ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%