প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনী ‘১০ম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট ফেয়ার-২০২৬’ এবারে থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ।
আগামীকাল চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে শুরু হওয়া ছয় দিনব্যাপী এ মেলা আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত চলবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়র আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ব্যবস্থাপনায় এবং বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, কুনমিং-এর সহযোগিতায় এবারের মেলায় বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছেন।
কুনমিংয়ের ডিয়ানচি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিতব্য এ আন্তর্জাতিক মেলায় বিশ্বের ৬৮টি দেশের প্রায় ২ হাজার ৩০০ প্রদর্শক অংশ নিচ্ছেন।
আয়োজকদের মতে, এ প্রদর্শনী দক্ষিণ এশিয়া ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এবারের আসরে বাংলাদেশকে থিম কান্ট্রি করা হয়েছে। মেলার উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন এবং মূল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। এছাড়া মেলার দ্বিতীয় দিন ‘বাংলাদেশ ডে’ পালন করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও বাংলাদেশ ডে-র বিভিন্ন আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুুক্তাদির। এ ছাড়া চীনের ইউনান প্রদেশের গভর্নর এবং বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি ও নীতিনির্ধারকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
বাংলাদেশ ডে উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ কি-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য প্রদান করবেন।
মেলায় বাংলাদেশের প্যাভিলিয়নে দেশের প্রধান রপ্তানিমুখী খাতগুলোর পণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক (আরএমজি), ওষুধ শিল্প, সিরামিকস, হস্তশিল্প, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং চামড়াজাত পণ্য।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, প্যাভিলিয়নে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ক্রেতা, আমদানিকারক, বিপণনকারী, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে। একই সঙ্গে বিজনেস-টু-বিজনেস (বি-টু-বি) নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে চীনের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরো সুসংহত করবে এবং পণ্য রপ্তানিতে নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন