বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৩৮ এম
মিশরের দামিয়েত্তা বন্দরের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালে ঘটে যাওয়া একটি গ্যাস সংরক্ষণ ট্যাংকারে ড্রোন হামলার ঘটনা উন্মোচিত হয়েছে। এতে জাহাজে আগুন ধরে যায় এবং পরে সেই আগুন পাশের একটি গ্যাসবাহী জাহাজে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনার ফলে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান অ্যামব্রে জানিয়েছে, বুধবার (২৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন ভাসমান গ্যাস সংরক্ষণ ট্যাংকার এনারগোস উইন্টার-এ এক ড্রোন হামলা ঘটে। হামলার পর জাহাজে আগুন লাগে এবং তা পরে গ্যাসলগ সালেম নামের আরেকটি জাহাজে ছড়িয়ে পড়ে।
বন্দরসেবা প্রতিষ্ঠান ইঞ্চকেপ একটি পৃথক বার্তায় জানায়, দামিয়েত্তা বন্দরে দুটি গ্যাসবাহী ট্যাংকারে এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার সঙ্গে পরিচিত তিনটি সূত্র জানিয়েছে, ড্রোন হামলায় এনারগোস উইন্টারে আগুন লাগার পর তা পাশের জাহাজে ছড়িয়ে পড়ে। দুটি নিরাপত্তা সূত্রও বিস্ফোরণের কারণ হিসেবে ড্রোন হামলার কথা নিশ্চিত করেছে।
অ্যামব্রের তথ্য অনুযায়ী, হামলার পরপরই জাহাজের সকল নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এখনও কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
মিশরের পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানায়, দামিয়েত্তা বন্দরে এক টাগবোট ও এক গ্যাস সংরক্ষণ জাহাজে আগুন লাগার ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মন্ত্রণালয় এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়ে দেয়, 'জরুরি পরিকল্পনা অনুযায়ী দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে থাকা অগ্নিনির্বাপণ ও নিরাপত্তা দল দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।' তবে আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করেনি।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র বিভিন্ন আরব দেশের দিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একইসঙ্গে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীও সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তবে এর আগে মিশর ইরান-সংশ্লিষ্ট কোনো ড্রোন হামলার শিকার হয়নি বলেই জানা গেছে।
এদিকে পাল্টাপাল্টি হামলায় নতুন মোড় নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটিতে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে ইরান। একইসঙ্গে ইরানে সমর্থিত গোষ্ঠীর ড্রোন হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব পূর্ব ইরাকে একাধিক অস্ত্রভাণ্ডার ও সরবরাহ কেন্দ্রে যৌথ হামলা চালায়।
মার্কিন সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর কঠোর জবাব দেয়ার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেয়া টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তেহরানকে এর জন্য চরম মাশুল গুনতে হবে।
অন্যদিকে সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোর বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির দাবি করেছে তেহরান। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বুশেহর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্পূর্ণ অচল হয়ে গেছে। এছাড়া একটি সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার, ১২টি সেতু, দুটি সুড়ঙ্গ, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ও মাছ ধরার নৌকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি সতর্ক করে বলেছেন, যদি কোনো দেশ বা কোম্পানি উপসাগরে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ইরানের জব্দ করা অর্থ গ্রহণ করে, তবে তাদের হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। সেইসঙ্গে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজের ক্ষতিপূরণ ইরানের জব্দ করা তহবিল থেকে দেয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পরেও ঢাকায় আবারও অনুপম রায়ের কনসার্ট আয়োজন স্থগিত করে দেয়া হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ‘অনিবার্য কারণ’ দেখিয়ে বুধবার (২৯ জুলাই) এই অনুষ্ঠানটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় আয়োজক প্রতিষ্ঠান।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়, আগামী ১ আগস্ট ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে ‘ওয়ান ট্রু সাউন্ড উইথ অনুপম রায়’ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনসহ সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরও, শেষ মুহূর্তে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি না করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
আকস্মিক এ সিদ্ধান্তের কারণে টিকিটধারী দর্শক, সংগীতপ্রেমী, শিল্পী, স্পন্সর ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। আয়োজকরা বলেন, রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনাকে সম্মান জানিয়ে তারা কনসার্ট স্থগিতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন।
কনসার্ট বাতিল হওয়ার ফলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে যেমনটি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সব টিকিটধারীকে তাদের ক্রয়কৃত টিকিটের সম্পূর্ণ মূল্য অফিসিয়াল টিকিটিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ফেরত দেয়া হবে।
এতে জানা যায়, চলতি বছরের ২৬ জুন কনসার্টটি হওয়ার কথা ছিল। তবে তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যদি চীন ইরানকে শত শত কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করে, তবে এটি হবে অত্যন্ত বিস্ময়কর এবং এটি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দেয়া আশ্বাসের বিপরীত। স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ জুলাই) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।
পাকিস্তানের মাধ্যমে চীন থেকে ইরানে ৪০০টি কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো হতে পারে—এমন প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি বিস্ময়কর হবে। এমন ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু এটি সত্যিই বিস্ময়কর হবে।’
ট্রাম্প দাবি করেছেন, উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাকে দৃঢ়ভাবে আশ্বস্ত করেছেন যে চীন এ ধরনের কোনো পদক্ষেপে অংশ নেবে না।
তিনি বলেন, ‘শি আমাকে খুব জোর দিয়ে বলেছিলেন যে তিনি এতে অংশ নেবেন না। আর তিনি জানেন, এমনটি হলে আমি খুবই হতাশ হব।’
একই সময় ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আবারও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেন। মিশরের ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর দামিয়েত্তায় বিস্ফোরণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাকে অবহিত করা হয়েছে এবং পরিস্থিতির সমাধান হয়ে যাবে।
এরপর ইরানকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের ওপর খুব কঠোরভাবে হামলা চালাব, কারণ এবার আমাদের পালা। তারা জানে এটি আসছে।’
তবে তিনি কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। ট্রাম্প বলেন, ‘দেখা যাক, কোনো একসময় আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারি কি না।’
এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরান চীনে তৈরি কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র (ম্যানপ্যাডস) উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার প্রথম চালান পেতে পারে। ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এটি ইরানের অন্যতম বড় অস্ত্র ক্রয় উদ্যোগ।
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ৬০ থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই চুক্তির আওতায় ইরান ৩০০ থেকে ৪০০টি মানব বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (ম্যানপ্যাডস) কিনবে। এর মধ্যে চীনের তৈরি কিউডব্লিউ-১২ এবং এফএন-১৬ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হংকংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ঝংছিং বাওশাং ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট এ চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। প্রতিষ্ঠানটি ইরান ও চীনা অস্ত্র সরবরাহকারীদের মধ্যে সমন্বয় করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
এ বৈঠকটি যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ সামরিক হামলার পর অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরাকে ইরান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর একাধিক ঘাঁটিতে বড় ধরনের হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই背景ে এই বৈঠকের অধিবেশন আয়োজন করা হলো।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক জানাচ্ছে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু সূত্র জানা গেছে। প্রিন্স খালিদ গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু সফরটি কিছু কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয়।
ওয়াশিংটনে প্রিন্স খালিদ খুবই সংক্ষিপ্ত সময় অবস্থান করেন এবং বৈঠক শেষে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেন।
সূত্রগুলো জানাচ্ছে, বৈঠকে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং ভ্যান্স যৌথ হামলা কীভাবে হয়েছে, সৌদি অবকাঠামোর ওপর হামলার জবাব এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। প্রিন্স খালিদ সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের একটি বার্তা ভ্যান্সের কাছে পৌঁছান। অপর একটি সূত্র সিএনএনকে নিশ্চিত করে জানায় যে, চলমান যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে সৌদি আরবের অবস্থান তুলে ধরাও এই সফরের লক্ষ্য ছিল।
সূত্রগুলোর দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরান উত্তেজনা বাড়িয়ে কৌশলগত সুবিধা অর্জনের চেষ্টা করতে পারে, আর এজন্য তারা ইরাকের ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া ও ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীকে ব্যবহার করতে পারে।
সৌদি আরব মনে করে যে, হুতি ও ইরাকি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে তাদের সামরিক প্রতিক্রিয়া বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলাকে ‘লাল রেখা’ হিসেবে স্থির করতে এবং এর জবাব দেওয়া নিশ্চিত করবে। তা সত্ত্বেও, রিয়াদ এখনও উত্তেজনা কমানোর পক্ষে রয়েছে। তারা প্রকাশ্যভাবে এ বার্তা দিয়েছে যে, এই সংঘাত ইরানের সহযোগী গোষ্ঠীগুলোর যুদ্ধ নয় এবং তাদের এ বিষয়কে থেকে দূরে থাকা উচিত।
রয়টার্স এবং আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরবের যৌথ হামলায় পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) নামের গোষ্ঠীটির অন্তত ২০ জন যোদ্ধা নিহত এবং ৩০ জনের বেশি আহত হন।
একই সময়ে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে আকস্মিক হামলা চালায় ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এ হামলার জন্য ইরানকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে।
এদিকে, মিশরের দামিয়েত্তা বন্দরের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালে একটি গ্যাস সংরক্ষণ ট্যাংকারে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে। এতে জাহাজে আগুন ধরে যায় এবং এরপর সেই আগুন পাশের আরেকটি গ্যাসবাহী জাহাজেও ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান অ্যামব্রে জানিয়েছে, বুধবার (২৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন ভাসমান গ্যাস সংরক্ষণ ট্যাংকার, যার নাম এনারগোস উইন্টার, উক্ত ড্রোনের আঘাতের শিকার হয়। হামলার পর জাহাজে আগুন লাগে এবং এটি পরে গ্যাসলগ সালেম নামের আরেকটি জাহাজে ছড়িয়ে পড়ে।
বন্দরসেবা প্রতিষ্ঠান ইঞ্চকেপ পৃথক একটি বার্তায় জানিয়েছে, দামিয়েত্তা বন্দরে দুটি গ্যাসবাহী ট্যাংকারে আগুন লাগার খবর নিশ্চিত করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীও সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা করেছে। তবে এর আগে মিশর ইরান-সংশ্লিষ্ট কোনো ড্রোন হামলার শিকার হয়নি বলে জানা গেছে।
তথ্যসূত্র: সিএনএন, আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বিপদে-আপদে খোঁজ নেওয়া এবং তাদের আগলে রাখার একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন।
সেই ধারাবাহিকতায়, এবারে অসুস্থ যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে সরাসরি যোগাযোগ করেছেন দলের এই শীর্ষ নেতা। এই ঘটনায় মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন এক আবেগের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে, নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে নয়ন জানান, একটি ফোন কলেই বদলে যায় তার সকালটা। বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পর ওপাশ থেকে ভেসে আসে চিরচেনা সেই স্নেহভরা কণ্ঠ।
নয়ন শারীরিক অবস্থার অবনতির খবর শুনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি রক্তে ইনফেকশন এবং প্লাটিলেট কমে যাওয়ার কারণে নয়নের শারীরিক অবস্থার উন্নতির জন্য যথাযথ চিকিৎসা ও সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেন।
ফেসবুক পোস্টে নয়ন লেখেন, আমি আপ্লুত, কারণ আমার মতো একজন ক্ষুদ্র কর্মীর অসুস্থতার খোঁজ খবর তিনি নিলেন। এর পাশাপাশি সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। আমাদের সৌভাগ্য, আমরা তার মতো মহান নেতা পেয়েছি। আপনাদের জনাব তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রাখতে হবে, তিনি সকলকে আগলে রাখবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ