প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যদি চীন ইরানকে শত শত কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করে, তবে এটি হবে অত্যন্ত বিস্ময়কর এবং এটি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দেয়া আশ্বাসের বিপরীত। স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ জুলাই) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।
পাকিস্তানের মাধ্যমে চীন থেকে ইরানে ৪০০টি কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো হতে পারে—এমন প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি বিস্ময়কর হবে। এমন ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু এটি সত্যিই বিস্ময়কর হবে।’
ট্রাম্প দাবি করেছেন, উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাকে দৃঢ়ভাবে আশ্বস্ত করেছেন যে চীন এ ধরনের কোনো পদক্ষেপে অংশ নেবে না।
তিনি বলেন, ‘শি আমাকে খুব জোর দিয়ে বলেছিলেন যে তিনি এতে অংশ নেবেন না। আর তিনি জানেন, এমনটি হলে আমি খুবই হতাশ হব।’
একই সময় ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আবারও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেন। মিশরের ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর দামিয়েত্তায় বিস্ফোরণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাকে অবহিত করা হয়েছে এবং পরিস্থিতির সমাধান হয়ে যাবে।
এরপর ইরানকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের ওপর খুব কঠোরভাবে হামলা চালাব, কারণ এবার আমাদের পালা। তারা জানে এটি আসছে।’
তবে তিনি কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। ট্রাম্প বলেন, ‘দেখা যাক, কোনো একসময় আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারি কি না।’
এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরান চীনে তৈরি কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র (ম্যানপ্যাডস) উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার প্রথম চালান পেতে পারে। ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এটি ইরানের অন্যতম বড় অস্ত্র ক্রয় উদ্যোগ।
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ৬০ থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই চুক্তির আওতায় ইরান ৩০০ থেকে ৪০০টি মানব বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (ম্যানপ্যাডস) কিনবে। এর মধ্যে চীনের তৈরি কিউডব্লিউ-১২ এবং এফএন-১৬ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হংকংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ঝংছিং বাওশাং ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট এ চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। প্রতিষ্ঠানটি ইরান ও চীনা অস্ত্র সরবরাহকারীদের মধ্যে সমন্বয় করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন