নীলফামারী স্টাফ রিপোর্টার রায়হান আলী
০৯:৩১ পি.এম
নীলফামারী সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. শামসুল হক (৭০) নামে এক ব্যক্তি মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর একজন প্রবীণ কর্মী এবং ইউনিয়ন শাখার অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বুধবার (৩ জুন, ২০২৬) নিজ বাড়িতে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক লাইনের সংস্পর্শে এলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নীলফামারী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মো. শামসুল হক তার কর্মজীবনে অত্যন্ত পরোপকারী, অমায়িক এবং নিষ্ঠাবান ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে আদর্শের প্রতি অটল থেকে সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।
মরহুমের ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তারা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
জানাজার সময় ও স্থান পরবর্তীতে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ০৫ নং হারাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক খন্দকার দ্বিতীয়বারের মতো জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর যথারীতি জেলগেট থেকেই তিনি গ্রেফতার হয়েছেন।
জানা গেছে, আদালত থেকে জামিন লাভ করে হারাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক খন্দকার কারাগার থেকে মুক্তি পান। তবে মুক্তির পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে পুনরায় গ্রেফতার করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিরাজুল হক খন্দকারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় অন্য একটি মামলায় তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
দ্বিতীয়বারের মতো জামিনে মুক্তি পেলেও জেলগেট থেকেই পুনরায় গ্রেফতার হওয়ার ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানানো হলে পরবর্তীতে তা তুলে ধরা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুয়েতের বিমানবন্দরে ইরানের ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের সংবাদ এসেছে। এই হামলার পর কুয়েত সরকার ইরান দূতাবাসের দুই কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করেছে এবং তাদেরকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে কুয়েত এই পদক্ষেপ নিল। কুয়েতের উপপররাষ্ট্র মন্ত্রী হামাদ সুলাইমান আল-মাশআন ইরানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে তলব করে। তিনি দূতাবাসের দুই কর্মকর্তাকে ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ (অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি) ঘোষণা করে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কুয়েত ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি হস্তান্তরের পাশাপাশি কুয়েতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসের কর্মী সংখ্যা কমানোর বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছিল। হামলায় বিমানবন্দরে অবস্থানরত ১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং ৬৩ জন আহত হন। নিহত ব্যক্তি একজন ভারতীয় নাগরিক বলে জানা গেছে।
এদিকে, কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো সিটি অংশে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি ঘাঁটি বিদ্যমান। তবে ইরান দাবি করছে, তেহরান আসলে কুয়েতের আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ভারসাম্য রক্ষা করতে, এবার রাশিয়া থেকে এস-৪০০ ‘সুদর্শন’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চতুর্থ স্কোয়াড্রন দেশটিতে যুক্ত হয়েছে।
প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাত দিয়ে এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই) জানিয়েছে, কয়েক দিন আগে সমুদ্রপথে রাশিয়া থেকে এই অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভারতে আনা হয়েছে। শিগগিরই এটিকে নির্ধারিত অপারেশনাল এলাকায় মোতায়েন করা হবে।
এস-৪০০ ব্যবস্থা ২০১৮ সালে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ। ওই চুক্তির আওতায় ভারত মোট পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্যে প্রথম তিনটি স্কোয়াড্রন দুই বছর আগে সরবরাহ করা হলেও, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বাকি দুটি ইউনিটের সরবরাহ বিলম্বিত হয়।
ভারতীয় সামরিক বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ এস-৪০০ সুদর্শন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দাবী করা হয়েছে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে উড়তে থাকা পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একটি উচ্চমূল্যের নজরদারি বিমান ভূপাতিত করা হয়েছিল, যা ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ইতিহাসে দীর্ঘতম সফল আঘাতগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, পঞ্চম ও শেষ এস-৪০০ স্কোয়াড্রনও আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ভারতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিল (ডিএসি) আরো পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে বলে জানা গেছে। এর মাধ্যমে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ককে আরো শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।
একই সঙ্গে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমাতে ভারত নিজস্ব দীর্ঘ-পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির উদ্যোগও এগিয়ে নিচ্ছে। ‘প্রজেক্ট কুশা’ নামে পরিচিত এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো এমন একটি দেশীয় ব্যবস্থা তৈরি করা, যা এস-৪০০-এর মতো দূরত্বে শত্রুপক্ষের ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য আকাশীয় হুমকি প্রতিহত করতে সক্ষম হবে।
এই প্রকল্পে উন্নয়ন ও উৎপাদন অংশীদার হিসেবে ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠান সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ অংশ নিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ