০৫:০১ পি.এম
নবগঠিত কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কুউক) কার্যক্রম চলবে ৩৪১ বর্গকিলোমিটার এলাকায়।
এ তথ্যটি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা -কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনিযুক্ত প্রথম চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু।
উদবাতুল বারী আবু জানিয়েছেন, আগামী এক দশকের মধ্যে কুমিল্লায় ৩৪১ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে একটি পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক মেগাসিটি গড়ে তোলার জন্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে নবগঠিত কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কুউক) এর তরফ থেকে।
আরও পড়ুন: বর্ষপূর্তিতে ম্যাগাজিন বর্ষবার্তা বের হচ্ছে
তিনি বলেছেন, কুউকের অধিক্ষেত্র শুধু কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং প্রস্তাবিত ৩৪১ বর্গকিলোমিটার এলাকায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, আদর্শ সদর উপজেলা, সদর দক্ষিণ উপজেলা, বুড়িচং উপজেলার সমৃদ্ধ জনপদ ময়নামতি ও মোকাম ইউনিয়নের অংশ এবং বাগমারা এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং বর্তমানে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চলছে।
গত ১০ এপ্রিল ‘কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন’ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর ১১ জুন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান উদবাতুল বারী আবু। তিনি দায়িত্ব নিয়েই শূন্য থেকে এক চ্যালেঞ্জিং যাত্রা শুরু করেছেন। কুমিল্লা মহানগরীর জিরো পয়েন্টে গৃহায়ন ও গণপূর্ত ভবনে স্থাপিত হয়েছে কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অফিস। সেখানেই এখন কর্মব্যস্ত দিন কাটাচ্ছেন কুউকের প্রথম চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু।
তিনি জানান, কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিক সেবা সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় এনে দ্রুতই চালু করা হবে ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস)। পাশাপাশি রিং রোড নির্মাণ, ভূমি পুনর্বিন্যাস, ভূমি পুনঃউন্নয়ন, জলাধার সংরক্ষণ, পর্যটন জোন, আইটি পার্ক এবং আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কুমিল্লাকে দেশের অন্যতম পরিকল্পিত নগরীতে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: মদনে শিশু ধর্ষণ ও গর্ভধারণ মামলা, রায় ১১ নভেম্বর
কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে উদবাতুল বারী আবু বলেন, কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল একটি সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ও কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমনের উদ্যোগে জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে সেই প্রত্যাশা বাস্তবে রূপ পেয়েছে। তিনি বলেন, অধ্যাদেশ নয়, পূর্ণাঙ্গ আইনি কাঠামোর ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় কুউক একটি শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।
বর্তমান সময়ের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক অর্গানোগ্রাম অনুমোদন, দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন উদবাতুল বারী আবু। তিনি বলেন, একটি আধুনিক উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা এবং জনসম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন