মোঃ সজিব হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
০৫:০৬ পি.এম
পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশের গত এক বছরের মাদকবিরোধী অভিযানের সাফল্য ও জনবল সংকট সম্পর্কে আলোচনা করেছেন পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মেহেদী হাসান।
শনিবার সকালে পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশ লাইনে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
সভায় পুলিশ সুপার মোঃ মেহেদী হাসান জানান, গত এক বছরে রেলওয়ে পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে ইয়াবা, হেরোইন, ফেনসিডিল, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এসব ঘটনায় মোট ৮৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ১২টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে ৪১ কেজি গাঁজা, ৪ কেজি ৬০০ গ্রাম হেরোইন, ৫২৮ পিস ইয়াবা, ১ হাজার ১২৬টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন (অ্যাম্পল) এবং ৪০২টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া উদ্ধার হয়েছে ৬৪০ বোতল কোডিনযুক্ত এসকফ সিরাপ, ১৫০ বোতল ফেনসিডিল, ১৩ বোতল দেশীয় মদ, ৩০ বোতল কোডিন ফসফেট চোকো এবং ৩০ বোতল কোডিনযুক্ত এমকে ড্রাইল। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৪৭ হাজার ৮০০ টাকা।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, রেলওয়ে পুলিশের জনবল অত্যন্ত কম। সীমিত জনবল দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করতে হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও জোরদার করতে এবং রেলওয়ে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জরুরি ভিত্তিতে পুলিশ সদস্য বৃদ্ধি ও থানার সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, রেলওয়ে এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এটির ফলে সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও জাতীয় সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সচিব তৌহিদ আক্তার পান্না, সিনিয়র সাংবাদিক এস এম রাজা, সাংবাদিক মাহবুবুল হক, অহিদুল ইসলাম, শিশির, মাহমুদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় একটি গরুর খামারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
এই অগ্নিকাণ্ডে খামারে থাকা গরুসহ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, আগুনে তাদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের পূর্ব পূয়ালী গ্রামে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব পূয়ালী গ্রামের আব্দুল মজিদ মাতুব্বরের ছেলে মো. কামাল মাতুব্বর নিজ বাড়িতে একটি গরুর খামার গড়ে তোলেন।
সেখানে প্রায় ২০টি গরু লালন-পালন করছিলেন তিনি।
শনিবার দুপুরে হঠাৎ খামারে আগুনের সূত্রপাত হয়।
মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো খামারে ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনের লেলিহান শিখা দেখে স্থানীয়রা ছুটে এসে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
তবে এরই মধ্যে খামারের গরুসহ বিভিন্ন মালামাল ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কয়েকটি গরু আগুনের মধ্যে পড়ে যায় বলেও জানান স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী মো. কামাল মাতুব্বর কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আগুনে আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি এখন অসহায় হয়ে পড়েছি। সরকারের কাছে সহযোগিতা চাই।”
প্রত্যক্ষদর্শী মো. কাওছার মাতুব্বর ও মাহাবুব বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন।
দীর্ঘ সময় চেষ্টা করার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ বিষয়ে ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিয়া সুলতানা বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সহযোগিতা করার ব্যবস্থা করা হবে।”
অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিরূপণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশপাশের এলাকার ছিন্নমূল মানুষের মাঝে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
আজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের সাবেক নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিকের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ কর্মসূচিতে শিশু ও নারীসহ প্রায় ৫০ জন ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, আবুল কাসেম প্রধান ও রাকিব হোসেন, সদস্য সাব্বির হোসেন ও জুল হোসেন, মাস্টারদা সূর্যসেন হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিনহাজ উদ্দিন ও তরিকুল ইসলাম তারেক, শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রদলের সদস্য তাহমিদ হুমায়ূন তানিম ও সিয়াম রহমান, কবি জসিম উদ্দিন হল ছাত্রদলের সদস্য মাহফুজ ইকবাল, বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের সদস্য আয়াজুর রহমান ও শাফওয়ান মাহমুদ, জগন্নাথ হলের ছাত্রদল নেতা কানাই, রোকেয়া হলের ছাত্রনেত্রী রিয়া বিশ্বাস এবং বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ছাত্রনেত্রী সুরভী আক্তারসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও হল শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচি সম্পর্কে তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ দেশে সমন্বয়ের রাজনীতির একটি নতুন ধারা প্রবর্তন করেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাকে এগিয়ে নিয়ে বিএনপিকে একটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত করেন। তাঁর সময়ে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার ‘ইমার্জিং টাইগার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আপসহীন, বিএনপির জন্য একটি প্রতিষ্ঠান এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আমরণ লড়াকু যোদ্ধা। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন দেশ ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
তরিকুল ইসলাম তারিক আরও বলেন, প্রয়াত এই মহীয়সী নেত্রীর জন্মদিনে তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। একই সাথে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। তাঁর আদর্শ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনাকে ধারণ করে অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পোল্যান্ডে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেছে দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে দূতাবাসের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জানানো হয়।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে, পোল্যান্ডে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিচক্ষণ ও দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এমন কোনো বক্তব্য, আচরণ, কর্মকাণ্ড বা প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে, যা বিভ্রান্তিকর, অসত্য, উসকানিমূলক, আপত্তিকর বা পোল্যান্ডের প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধানের পরিপন্থী হতে পারে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলস্বরূপ বাংলাদেশি কমিউনিটির ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারে।
দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য বেশ কিছু বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সেগুলো হলো-
# পোল্যান্ডের প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান যথাযথভাবে মেনে চলুন।
# কোনো তথ্য, বক্তব্য বা কনটেন্ট প্রকাশ বা প্রচারের আগে তার সত্যতা ও সম্ভাব্য প্রভাব যাচাই করুন।
# অসত্য, বিভ্রান্তিকর, আইনবিরোধী বা উসকানিমূলক বক্তব্য, কনটেন্ট বা কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকুন।
# অনলাইন ও অফলাইন-উভয় ক্ষেত্রেই দায়িত্বশীল, সংযত ও আইনসম্মত আচরণ করুন।
# ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকুন।
# পোল্যান্ডে বসবাস, কাজ ও ব্যবসার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইন ও নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার দেবীদ্বারে একটি স্কুলছাত্রীর সাথে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের একাধিক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর, স্থানীয়রা এক মাদরাসা শিক্ষক ও মসজিদের ইমামকে আটক করে বেধড়ক মারধর করেছে। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের হোসেনপুর পশ্চিম ও উত্তরপাড়া নূরে মদিনা মাদরাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সে এই ঘটনা ঘটে।
আটক শিক্ষকের নাম হাফেজ মাওলানা মো. মিজানুর রহমান (৫০), যিনি বরুড়া উপজেলার পোমতলা গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি ওই মাদরাসার সুপার এবং স্থানীয় মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমানের ছেলে সিয়াম (১২) তার বাবার মোবাইলে অনৈতিক ভিডিও দেখতে পেয়ে মাকে জানায়। তার পর সে বন্ধুদের সাথে আলোচনা করে এবং মাদরাসার বাবুর্চি মো. ইব্রাহিমকে ভিডিওগুলো দেয়।
এরপর ভিডিওগুলো ইব্রাহিমের মাধ্যমে স্থানীয় যুবকদের হাতে পৌঁছলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও প্রকাশের পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মিজানুর রহমানকে আটক করে এবং বেধড়ক মারধর করে। এক পর্যায়ে কিছু লোক তাকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে, কিন্তু স্থানীয়রা তাকে ধাওয়া করে চরবাকর-হোসেনপুর সীমান্ত এলাকায় ধরে ফেলে। পরে তাকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, মিজানুর রহমান দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে এই এলাকায় বিভিন্ন মাদরাসায় শিক্ষকতা করছেন এবং ১৭ বছর প্রবাসে কাটিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, পূর্বেও তিনি নারীদের নিয়ে একাধিক অনৈতিক অপরাধে জড়িত থাকায় তাকে বিভিন্ন জায়গা থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছে। গত দেড় বছরে তার বিরুদ্ধে অন্তত তিনটি সালিসও বসেছিল।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানায়, হুজুর তাকে প্রায় দেড় বছর ধরে বিরক্ত করছিলেন। এক পর্যায়ে প্রাইভেট পড়া বন্ধ করে দিলে তাকে ব্ল্যাকমেইল ও কুফুরি কালামের ভয় দেখিয়ে অচেতন করে ভিডিও ধারণ করা হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে আটক মিজানুর রহমান বলেন, প্রকাশিত ভিডিওগুলো তার নয় এবং বিয়ে পড়ানো কেন্দ্র করে গ্রামের একটি মহল শত্রুতা করে তার বিরুদ্ধে এ চক্রান্ত করেছে। একই সাথে তিনি জানান, জনতার হামলার সময় তার ১২ বছরের ছেলে সিয়াম নিখোঁজ হয়েছে।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কাজের অভিযোগে মাদরাসা সুপারকে আটক রেখে মারধরের সংবাদ পেয়েছেন তারা। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ