ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সাহেদ-আজাদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হয়নি


সাহেদ-আজাদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হয়নি

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ছয়জন আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়নি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৪ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন, কারণ সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

 

আরও পড়ুন: মন্ত্রিসভায় বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন

এদিন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারিত ছিল। কিন্তু সাক্ষীদের অনুপস্থিতির কারণে দুদকের প্রসিকিউটর মো. নূরে আলম আদালতে সময় চেয়ে আবেদন করেন। এরপর আদালত নতুন তারিখের জন্য সিদ্ধান্ত নেন।

সাহেদকে ওই দিন কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

 

জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিরাও আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: রূপগঞ্জে কম্প্রেসার বিস্ফোরণে চার শ্রমিক দগ্ধ, একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

মামলার অন্য আসামিরা হলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপপরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. দিদারুল ইসলাম।

২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ছয়জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

 

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়ন না করা রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন।

আরও পড়ুন: আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন ও ধানমন্ডিতে ককটেল বিস্ফোরণ, হতাহত নেই

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগীপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়। পাশাপাশি রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের মাসিক খাবার খরচ বাবদ ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দের চাহিদা তুলে ধরে এর খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

২০২২ সালের ১২ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত এ পর্যন্ত ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরব নদে ফেরি-ট্রলার সংঘর্ষ, মেকআপ আর্টিস্ট নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫০ পি.এম


ভৈরব নদে ফেরি-ট্রলার সংঘর্ষ, মেকআপ আর্টিস্ট নিখোঁজ

খুলনার জেলখানা ঘাটের ভৈরব নদে একটি ফেরি ও যাত্রীবাহী ট্রলারের সংঘর্ষের ফলে মো. রাকিব খান (২৮) নামের এক মেকআপ আর্টিস্ট নিখোঁজ রয়েছেন। এই দুর্ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে।

 

রাত সাড়ে ৯টা থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু হলেও, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাকিবের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন তার বন্ধু সজিব।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে জেলখানা ঘাট থেকে প্রায় ৩০-৩৫ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার সেনেরবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। নদের মাঝামাঝি পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ফেরির সঙ্গে ট্রলাটির সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষের ফলে ট্রলারটি ডুবে যায়।

 

সংঘর্ষের পর ফেরিটি থামিয়ে দেওয়া হয়।

ট্রলারডুবির পর অধিকাংশ যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। খবর পাওয়ার পর স্থানীয় মাঝিরা নৌকা নিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশের সদস্যরাও উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন।

 

এক পর্যায়ে রাকিব নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

রূপসা নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। স্থানীয় ডুবুরিদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদলও উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয়। প্রথম দিকে কোনো নিখোঁজ ব্যক্তির বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে রাকিব নিখোঁজ থাকার বিষয়টি জানা যায়।

 

 

এদিকে, ‘খুলনা ওয়েদার ফোরকাস্ট টিম’ নামের একটি ফেসবুক পেজে মঙ্গলবার রাতে দেওয়া এক পোস্টে রাকিব নিখোঁজ থাকার বিষয়টি জানানো হয়। পোস্টে উল্লেখ করা হয়, জেলখানা ঘাটে ডুবে যাওয়া ট্রলারে ছিলেন রাকিব’স মেকওভার-এর রাকিব। তিনি সাঁতার জানেন না এবং দুর্ঘটনার পর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তার সন্ধানে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে খোঁজ নেওয়া হয়েছে বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়। নিখোঁজ রাকিবের বন্ধু সজিবের সঙ্গে ০১৮৭৭-৯৩০৩৯ নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

খুলনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক মো. মাসুদ সরদার বলেন, ‘মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টার দিকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পরে একজন নিখোঁজ থাকার বিষয়টি জানা যায়। খুলনার ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি নড়াইল থেকে আসা একটি ডুবুরি দলও উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আইন প্রণয়নে কাজ করছে সরকার : আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫২ পি.এম


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আইন প্রণয়নে কাজ করছে সরকার : আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আইনের খসড়া প্রণয়নের জন্য বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ প্রয়োজন। এর পর তা সংশোধন করে বিল আকারে সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

 

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নিমতলীতে এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত এআই গভার্ন্যান্স সামারি স্কুল শীর্ষক সেমিনারে তিনি এই কথা বলেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো না থাকার কারণে বিচার বিভাগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। বিচারকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এআইয়ের অপব্যবহার ও উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবেলায় সচেতন থাকতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে মিথ্যা জবানবন্দি তৈরি করা এবং ছবি বা অন্যান্য মাধ্যমে ভুয়া প্রমাণ তৈরি করে আদালতকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব।

 

এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত বিচারপ্রার্থীরা। পাশাপাশি, প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও নতুন সামাজিক ও আইনি ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন। কোনো রায় অপ্রতিকূল হলে বিচারকদের ওপর চাপ সৃষ্টি কিংবা তাঁদের বিরুদ্ধে এআইভিত্তিক অপপ্রচার চালানোর আশঙ্কা রয়েছে।

সোসাইটি ফর জাস্টিস অ্যান্ড এআই (এসজেএআই) এবং লিগ্যালাইজড এডুকেশন বাংলাদেশ লিমিটেডের যৌথ আয়োজনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় পাঁচ দিনব্যাপী সামার স্কুলটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 

এতে বিচার বিভাগ, মানবাধিকার, অর্থসেবা, স্বাস্থ্য ও জনপ্রশাসনে এআই গভর্ন্যান্স নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিচারক, আইনজীবী, শিক্ষক, প্রযুক্তিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেছেন। পরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পিকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ পি.এম


স্পিকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

এই সাক্ষাৎ আজ বুধবার জাতীয় সংসদে স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়ন, সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর, রোহিঙ্গা সংকট ও প্রত্যাবাসন, এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের বিষয়ে আলোচনা করেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, "দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত।" তিনি আরও বলেন, "পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বাধীন সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে এ সম্পর্ক সামনে এগিয়ে যাবে।"

তিনি উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সবসময় নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়েছে।" ঐতিহাসিকভাবে, এ সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত হয়েছে।

স্পিকার বলেন, "বিগত ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করেছে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, "২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পুনরায় গণতন্ত্রের পথযাত্রা সুগম হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শুধু সরকারকেন্দ্রিক সম্পর্ক ছিল।"

ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, "দুই দেশের মধ্যে জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক নির্মাণে ভারত সরকার আগ্রহী।" তিনি উল্লেখ করেন, "জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক বিনির্মাণের মাধ্যমে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।"

হাইকমিশনার ভারতের লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধিবৃন্দ, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একাদশ শ্রেণিতে যেসব কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৭ পি.এম


একাদশ শ্রেণিতে যেসব কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা

চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ ও আলিম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইন আবেদন কার্যক্রম আজ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের তালিকায় সর্বাধিক ১০টি প্রতিষ্ঠান রাখতে পারবে।

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয় কলেজ নির্বাচন করার প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা প্রদান করেছে।

ভর্তির নীতিমালার আওতায়, কিছু কলেজে শিক্ষার্থীদের ভর্তি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির চূড়ান্ত নীতিমালা থেকে এই কঠোর বিধি-নিষেধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে।

শিক্ষার্থীদের অনলাইন আবেদনের সময় প্রতারণার শিকার না হওয়ার জন্য, নীতিমালায় কিছু নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে ভর্তি নিষিদ্ধের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

 

যেসব কলেজের অনুমোদন বা অফিসিয়াল স্বীকৃতি নেই, সেসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি কেবল স্থাপনের অনুমতি পেয়ে থাকে, তবে তাদের পাঠদানের প্রাথমিক অনুমতি না থাকলে তারা শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না।

পাঠদানের অনুমতিপ্রাপ্ত কলেজগুলো তাদের অনুমোদিত মূল ক্যাম্পাসের বাইরে অন্য কোনো অবৈধ শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। এছাড়া, শিক্ষাবোর্ড বা মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদনহীন কোনো বিষয়, বিভাগ বা গ্রুপে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া যাবে না।

 

নীতিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শাস্তি ও এমপিও বাতিলের হুমকি প্রদান করা হয়েছে। একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘিত হলে সংশ্লিষ্ট কলেজের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি রয়েছে।

বেসরকারি কলেজের ক্ষেত্রে, নীতিমালার শর্ত ভঙ্গের ফলে পাঠদানের অনুমতি ও স্থায়ী স্বীকৃতি বাতিল করা হবে, এবং ওই কলেজের এমপিও সুবিধাও বাতিল করা হবে।

সরকারি কলেজের ক্ষেত্রে, যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বা কর্মকর্তা-কর্মচারী অনিয়মে জড়িত থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অতএব, আবেদন করার আগে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (xiclassadmission.gov.bd) থেকে তালিকাভুক্ত অনুমোদিত কলেজগুলো কোড নম্বর অনুযায়ী নিশ্চিত হয়ে পছন্দক্রম সাজানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি ও বেসরকারি কলেজে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত ভর্তির আবেদন গ্রহণ করা হবে।

 

একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বাধিক ১০টি কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানে পছন্দ দিতে পারবেন। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।

শিক্ষার্থীর মেধা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা এবং পছন্দক্রমের ভিত্তিতে আবেদন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে থেকে একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য তার অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।

প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ভর্তি নিশ্চয়ন ও পরবর্তী কার্যক্রম চলবে ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর। কলেজে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%