বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫২ পি.এম
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আইনের খসড়া প্রণয়নের জন্য বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ প্রয়োজন। এর পর তা সংশোধন করে বিল আকারে সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নিমতলীতে এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত এআই গভার্ন্যান্স সামারি স্কুল শীর্ষক সেমিনারে তিনি এই কথা বলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো না থাকার কারণে বিচার বিভাগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। বিচারকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এআইয়ের অপব্যবহার ও উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবেলায় সচেতন থাকতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে মিথ্যা জবানবন্দি তৈরি করা এবং ছবি বা অন্যান্য মাধ্যমে ভুয়া প্রমাণ তৈরি করে আদালতকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব।
এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত বিচারপ্রার্থীরা। পাশাপাশি, প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও নতুন সামাজিক ও আইনি ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন। কোনো রায় অপ্রতিকূল হলে বিচারকদের ওপর চাপ সৃষ্টি কিংবা তাঁদের বিরুদ্ধে এআইভিত্তিক অপপ্রচার চালানোর আশঙ্কা রয়েছে।
সোসাইটি ফর জাস্টিস অ্যান্ড এআই (এসজেএআই) এবং লিগ্যালাইজড এডুকেশন বাংলাদেশ লিমিটেডের যৌথ আয়োজনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় পাঁচ দিনব্যাপী সামার স্কুলটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এতে বিচার বিভাগ, মানবাধিকার, অর্থসেবা, স্বাস্থ্য ও জনপ্রশাসনে এআই গভর্ন্যান্স নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিচারক, আইনজীবী, শিক্ষক, প্রযুক্তিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেছেন। পরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
এই সাক্ষাৎ আজ বুধবার জাতীয় সংসদে স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়ন, সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর, রোহিঙ্গা সংকট ও প্রত্যাবাসন, এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের বিষয়ে আলোচনা করেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, "দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত।" তিনি আরও বলেন, "পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বাধীন সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে এ সম্পর্ক সামনে এগিয়ে যাবে।"
তিনি উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সবসময় নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়েছে।" ঐতিহাসিকভাবে, এ সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত হয়েছে।
স্পিকার বলেন, "বিগত ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করেছে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, "২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পুনরায় গণতন্ত্রের পথযাত্রা সুগম হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শুধু সরকারকেন্দ্রিক সম্পর্ক ছিল।"
ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, "দুই দেশের মধ্যে জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক নির্মাণে ভারত সরকার আগ্রহী।" তিনি উল্লেখ করেন, "জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক বিনির্মাণের মাধ্যমে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।"
হাইকমিশনার ভারতের লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধিবৃন্দ, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ ও আলিম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইন আবেদন কার্যক্রম আজ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের তালিকায় সর্বাধিক ১০টি প্রতিষ্ঠান রাখতে পারবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় কলেজ নির্বাচন করার প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা প্রদান করেছে।
ভর্তির নীতিমালার আওতায়, কিছু কলেজে শিক্ষার্থীদের ভর্তি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির চূড়ান্ত নীতিমালা থেকে এই কঠোর বিধি-নিষেধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে।
শিক্ষার্থীদের অনলাইন আবেদনের সময় প্রতারণার শিকার না হওয়ার জন্য, নীতিমালায় কিছু নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে ভর্তি নিষিদ্ধের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
যেসব কলেজের অনুমোদন বা অফিসিয়াল স্বীকৃতি নেই, সেসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি কেবল স্থাপনের অনুমতি পেয়ে থাকে, তবে তাদের পাঠদানের প্রাথমিক অনুমতি না থাকলে তারা শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না।
পাঠদানের অনুমতিপ্রাপ্ত কলেজগুলো তাদের অনুমোদিত মূল ক্যাম্পাসের বাইরে অন্য কোনো অবৈধ শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। এছাড়া, শিক্ষাবোর্ড বা মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদনহীন কোনো বিষয়, বিভাগ বা গ্রুপে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া যাবে না।
নীতিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শাস্তি ও এমপিও বাতিলের হুমকি প্রদান করা হয়েছে। একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘিত হলে সংশ্লিষ্ট কলেজের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি রয়েছে।
বেসরকারি কলেজের ক্ষেত্রে, নীতিমালার শর্ত ভঙ্গের ফলে পাঠদানের অনুমতি ও স্থায়ী স্বীকৃতি বাতিল করা হবে, এবং ওই কলেজের এমপিও সুবিধাও বাতিল করা হবে।
সরকারি কলেজের ক্ষেত্রে, যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বা কর্মকর্তা-কর্মচারী অনিয়মে জড়িত থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতএব, আবেদন করার আগে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (xiclassadmission.gov.bd) থেকে তালিকাভুক্ত অনুমোদিত কলেজগুলো কোড নম্বর অনুযায়ী নিশ্চিত হয়ে পছন্দক্রম সাজানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি ও বেসরকারি কলেজে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত ভর্তির আবেদন গ্রহণ করা হবে।
একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বাধিক ১০টি কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানে পছন্দ দিতে পারবেন। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।
শিক্ষার্থীর মেধা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা এবং পছন্দক্রমের ভিত্তিতে আবেদন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে থেকে একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য তার অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।
প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ভর্তি নিশ্চয়ন ও পরবর্তী কার্যক্রম চলবে ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর। কলেজে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের যৌথ আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবির, শিক্ষক নেতা কিরণ চন্দ্র হালদার, শামসুর রহমান মিজান, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রফিক, প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার এবং সাবেক সভাপতি এনামুল হকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনের দায়িত্ব পালন করেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান।
আলোচনা সভা শেষে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মেধা প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিষয়ে বিজয়ী ৫৭ জন শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন,
"জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ ও তাদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেবল প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানার্জনই যথেষ্ট নয়; বরং শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক, নীতিবান ও সংস্কৃতিমনস্ক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বিজয়ী শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য আগামী দিনে তাদের আরও বড় স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত করবে। শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক মানোন্নয়নে উপজেলা প্রশাসন সব সময় শিক্ষকদের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ ও ভারতের সংসদ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে একটি ‘ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে পৃথক সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এই তথ্য জানান।
দীনেশ ত্রিবেদী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সংসদ সদস্যরা দলীয় অবস্থান ছাড়িয়ে একটি বন্ধুত্ব গ্রুপের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় করতে সক্ষম হবেন। এর ফলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং ‘পিপল-টু-পিপল’ যোগাযোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
তিনি জানান, ‘টেম্পল অব ডেমোক্রেসি’ হিসেবে পরিচিত জাতীয় সংসদ ভবনে এসে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছেন। তিনি বলেন, সংসদ সাধারণ মানুষের আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটায়। ভারত ও বাংলাদেশসহ যেকোনো গণতান্ত্রিক দেশে সাধারণ মানুষ সংসদের দিকে তাকিয়ে থাকে।
হাইকমিশনার জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রশংসা করে বলেন, ভবনটি অত্যন্ত সুন্দর। এর চারপাশের জলাধার ও প্রাকৃতিক পরিবেশ তাকে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘হোয়্যার দ্য মাইন্ড ইজ উইদাউট ফিয়ার অ্যান্ড দ্য হেড ইজ হেল্ড হাই’—এই ভাবনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
তিনি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে তার বৈঠকের কথা উল্লেখ করে বলেন, উভয়ের সঙ্গে তার আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশের সংসদ ও ভারতের সংসদ সদস্যদের মধ্যে কীভাবে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
দীনেশ ত্রিবেদী জানান, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সকালে তার কথা হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের স্পিকারের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ওম বিড়লা। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফর এবং ভারতের ‘টেম্পল অব ডেমোক্রেসি’—সংসদ ভবন পরিদর্শনের আমন্ত্রণও জানানো হবে বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সংসদ সদস্যদের মধ্যে প্রস্তাবিত ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপে দুই দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যরা দলীয় বিভাজন অতিক্রম করে অংশ নিতে পারেন। রাজনীতি নিজ নিজ পথে চলবে, তবে সংসদ হচ্ছে জনগণের প্রতিনিধিত্বের প্রতিষ্ঠান।
দুই দেশের সংসদের মধ্যে এ ধরনের যোগাযোগকে ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারতের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
সংসদ ডিজিটাইজেশনের বিষয়েও সাংবাদিকদের অবহিত করেন দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ভারতের সংসদের লাইব্রেরিসহ সংসদীয় কার্যক্রমের বিপুল পরিমাণ তথ্য ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। ফলে সংসদ সদস্যরা স্মার্টফোনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নথি, অধিবেশনের কার্যসূচি ও পুরোনো বক্তব্য সহজেই দেখতে পারেন। কোনো নির্দিষ্ট তারিখ, বিষয় বা ব্যক্তির বক্তব্য খুঁজতে একটি বোতাম চাপলেই তা পাওয়া সম্ভব।
এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, গণতন্ত্রে আলোচনার কোনো শেষ নেই। আলোচনা একটি প্রবাহমান নদীর মতো—এটি চলতেই থাকে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, এ বিষয়টি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত ও এখতিয়ারের ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের উদ্দেশ্য যদি জনকল্যাণমুখী হয়, তাহলে ইতিবাচক ফলাফল আসবে বলে তিনি আশাবাদী।
এর আগে দীনেশ ত্রিবেদী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে পৃথকভাবে তাদের নিজ নিজ কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ